Category: প্রচ্ছদ

  • পলাশবাড়ীর হরিনাথপুরে জমি জমার জেরে অভিযোগ করায় প্রতি পক্ষের হুমকিতে আতঙ্কিত বাদীর পরিবার

    পলাশবাড়ীর হরিনাথপুরে জমি জমার জেরে অভিযোগ করায় প্রতি পক্ষের হুমকিতে আতঙ্কিত বাদীর পরিবার

    গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার হরিনাবাড়ি গ্রামের মৃত্যু রহিম উদ্দিন ফকির এর পুত্র আবুল কালাম আজাদ ও তার পরিবার বিবাদীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য শংকিত হয়ে পড়েছি বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এরই প্রতিবাদে একই গ্রামের ভোলা মিয়ার পুত্র আলমগীর হোসেন সহ চার পাঁচ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে বিবাদীগণ ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা ও হামলার হুমকি প্রদর্শন করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে ভোলা মিয়া ও তার পুত্র আলমগীর গং আবুল কালাম আজাদের ৫ শতক জমি জোর করে বেদখল করার জন্য মিথ্যাভাবে তথ্য প্রদান করে নিজ নামে খারিজ করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ বিদ্যমান রয়েছে।

    ইতিমধ্যেই ভোলা মিয়ার নামে অন্যায় ভাবে খারিজ খতিয়ান করে নেওয়ার প্রতিবাদে আবুল কালাম আজাদ সহকারী কমিশনার ভূমি পলাশবাড়ী বরাবরে খারিজ বাতিলের জন্য আবেদন দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, গত ২ মে২০২৫ ইং তারিখ বিকাল অনুমান ৪ ঘটিকার সময় আলমগীর তার নিজ মোবাইলে হুমকির ভিডিও প্রকাশ করেছে।

    সেই ভিডিওতে আলমগীর বাদী আবুল কালাম আজাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের সুযোগমতো পাইলে মারপিট খুন জখম সহ মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার জন্য হুমকি দিয়েছে।

    এ বিষয়ে ভুক্তভোগি আবুল কালাম আজাদ এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন প্রতিপক্ষ ভোলা মিয়া ও আলামগীর সহ কিছু কুচক্রীমহল তার ক্রয়কৃত নিজ দখলে থাকা জমা জমি যার দলিল নং ৩৯৪৯ গ্রাম হরিনা বাড়ি, জে এল নং ১৫৪, হাল খতিয়ান নং ২৫, সাবেক দাগ নং ১০২৮, হাল দাগ নং ১৪৮৯ জমির পরিমাণ

    ৯ শতক বেদখলের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এ বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত পলাশবাড়ী, গাইবান্ধায় অন্য নং ১৭৭ / ২০২২ মামলা করেছে। এবং উক্ত জমির প্রতি বিজ্ঞ আদালত ইনজংশন ১৪৪ ধারার নোটিশ জারি করেছন সত্ত্বেও বিবাদীগন আদালতের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ভূমি দস্যু হিসেবে সন্ত্রাসী কায়দায় উক্ত জমিতে অনাধিকার ভাবে প্রবেশ করে টিনের প্রাচীর স্থাপন করেছেন।

    তিনি আরো জানান, ভোলা মিয়া আলমগীর এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা যেকোনো সময় সুযোগ বুঝে বা বাড়ীতে আমার অনুপস্থিতিতে ভিত্তি স্থাপন করে নিজ দখলে নিবে মর্মে পায়তারা করে আসছেন। শুধু তাই নয় সুযোগ পাইলে আবুল কালাম আজাদ এবং তার পরিবারের উপর ব্যাপক ক্ষতি সাধন করবে মর্মে হুমকি প্রদর্শন অব্যাহত রেখেছে।ভুক্তভোগীর পরিবার বিবাদীদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সর্বস্তরের জনগণ ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

  • কালিহাতীতে আলোচিত সলিট হত্যা মামলার আসামি রায়হানকে কুপিয়ে হত্যা: ১৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি গ্রেফতার

    কালিহাতীতে আলোচিত সলিট হত্যা মামলার আসামি রায়হানকে কুপিয়ে হত্যা: ১৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি গ্রেফতার

    বিশেষ প্রতিনিধি:  টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আলোচিত সলিট হত্যা মামলার প্রধান আসামি রায়হান (৩৫)–কে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মাত্র ১৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি ইব্রাহীম (৩৫)–কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় টাঙ্গাইলের বাসাইল থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ইব্রাহীম উপজেলার রামদিয়া গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে।

    কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, “রায়হান হত্যা মামলার পরপরই জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় অভিযান শুরু হয়। ১৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইব্রাহীম রায়হানকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।”

    তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

    এর আগে, ৪ মে (রবিবার) দিবাগতরাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের কুকরাইল গ্রামে রায়হান নামে এক যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন সোমবার (৫ মে) সকালে পুলিশ স্থানীয় একটি পুকুর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

    নিহত রায়হান উপজেলার রামপুর এলাকার বাসিন্দা এবং আলোচিত সলিট হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি নিয়মিত মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

    রায়হানের বাবা বাদল মিয়া কালিহাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইব্রাহীমকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া জনি, রুবেলসহ আরও অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

  • কেশবপুরে ধানের গোলায় রাখা ককটেল বিস্ফোরণে দুই নারী আহত হাসপাতালে ভর্তি

    কেশবপুরে ধানের গোলায় রাখা ককটেল বিস্ফোরণে দুই নারী আহত হাসপাতালে ভর্তি

    যশোর প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামে ককটেল বিস্ফোরণে দুই নারী গুরুতর আহত হয়েছে।

    আহতদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার সকালে পৌর শহরের মধ্যকুল গ্রামের নাথপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

    এলাকাবাসী সাথে কথা বলে জানা গেছে, পৌর যুবলীগের নেতা ও একাধিক মামলার আসামি জামাল শেখের (৩৫) বাড়ির ধানের গোলায় ককটেল রাখা ছিল। যা কেউ জানতো না। এদিন সকালে গোলায় ধান উঠাচ্ছিল বাড়ির গৃহবধূরা। এসময় হঠাৎ করেই বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সামছুর রহমানের স্ত্রী শাহানাজ বেগম (৪৫) ও জামালের বোন আব্দুল গনি শেখের মেয়ে রুমা বেগম (২৮) গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা তাদেরকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন।

    সংবাদ পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ।

    কেশবপুর থানা পুলিশ জানায়, জামাল শেখ ‘জামাল বাহিনী’র প্রধান হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মারপিটের একাধিক মামলা রয়েছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে জামাল। বিস্ফোরণের ঘটনা তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা

  • অন্তঃসত্ত্বা ভাতার টাকা ফিরিয়ে দিয়ে বিবেকের শক্তি ও সততার নজির স্থাপন করলেন ইউপি সদস্য মঞ্জু

    অন্তঃসত্ত্বা ভাতার টাকা ফিরিয়ে দিয়ে বিবেকের শক্তি ও সততার নজির স্থাপন করলেন ইউপি সদস্য মঞ্জু

    নিজস্ব প্রতিবেদন: ৬ মে ২০২৫, মঙ্গলবার — যখন সমাজের নানা স্তরে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও স্বার্থপরতায় সাধারণ মানুষের আস্থা প্রতিনিয়ত আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে, তখন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ মঞ্জু এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেখালেন—মানুষ চাইলে এখনো বিবেক, সততা ও মানবিকতা বজায় রাখতে পারে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ জাকিরুল ইসলাম ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মোছাঃ শারমিন আক্তার জুঁইকে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাসে মোট ৮ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা ব্যাংক একাউন্ট খোলার কাজে এবং বাকি টাকা পরীক্ষানিরীক্ষা ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ দাবি করা হয়।

    ইউপি সদস্য মঞ্জু নিজেই জানিয়েছেন, তিনি সর্বমোট ৬ হাজার টাকা গ্রহণ করেন—যার মধ্যে ৩ হাজার টাকা বিকাশে এবং বাকি ৩ হাজার টাকা স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে তার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

    তবে নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভাতার কার্ড অনুমোদন না হওয়ায়, ইউপি সদস্য মঞ্জু কোনোরকম বিলম্ব না করে বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে পুরো টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং তা সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে জাকিরুল ইসলামের পরিবারের হাতে তুলে দেন।

    এই ঘটনাটি শুধু একটি টাকার লেনদেন নয়—এটি একটি নৈতিক অবস্থান, এক মানবিক বোধের উদাহরণ, যা আমাদের সমাজে আজ বড় প্রয়োজন। যখন ভাতার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে অসৎ আচরণ নিত্যদিনের খবর, তখন ইউপি সদস্য মঞ্জুর এই সৎ ও বিবেকবান পদক্ষেপ আশার আলো দেখায়।

    স্থানীয় জনসাধারণ তার এই মানবিক ও নৈতিক ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। তারা মনে করেন, এমন উদাহরণ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দেয় এবং অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদেরও জনসেবার আদর্শে অনুপ্রাণিত করে।

  • ময়মনসিংহে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক কারাগারে

    ময়মনসিংহে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক কারাগারে

    নিজস্ব প্রতিনিধি: ময়মনসিংহে দৈনিক প্রলয় পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মির্জা সোবেদ আলী ওরফে রাজা (৪০) কে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে দায়েরকৃত মামলায় গত ২১শে এপ্রিল গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। সেই হতে বিনা বিচারে কারাগারে রয়েছে এই সাংবাদিক।

    মামলাটি দায়ের করেছেন -ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানার গোহাইলকান্দি মৃত কাউছার হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম। অপরদিকে গ্রেফতারকৃত রাজা হলেন-কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী থানার ইসলামপুর এলাকার আঃ হাই এর ছেলে। উনি কোতোয়ালী থানার আরকে মিশন রোডে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এজাহারকারী বাদী দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকায় ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত। গত ১২ ই মার্চ ২০২৫ইং গ্রেফতারকৃত আসামী রাজাসহ পলাতক আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে হোয়াটস এ্যাপ নং-৪৪৭৪১১৫৭৩৫১৪ হতে বাদীর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে ১টি অশ্লীল ভিডিও (পর্ণ) তৈরী করে বাদীর মোবাইল ফোনে প্রেরন করে রাতের মধ্যেই ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। তাদের দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দিলে অশ্লীল ভিডিও (পর্ণ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়ে ভাইরাল করার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে ১৩ মার্চ রাতে সাংবাদিক ইবনে ইউনুস নামীয় ফেইসবুক আইডিতে দেখতে পাই যে, উক্ত আইডিতে বাদীর সাথে এক নারীর ছবি সংযুক্ত করে অশালীন ও কু-রুচিপূর্ণ, অশ্লীল (পর্ণ) তৈরী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রচার করেছে। গোপনে মোবাইলে ধারনকৃত অম্লীল ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়ে সমাজের চোখে বাদীকে হেয়প্রতিপন্ন করার অভিযোগ আনয়ন করে গ্রেফতারকৃত আসামীসহ আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে গত ৮ই এপ্রিল কোতোয়ালী থানায় বাদী এজাহার দায়েরের প্রেক্ষিতে ২০১২ সনের পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রন আইনের ৮(১)/৮(২)/৮(৩) ধারায় ২৩ নং মামলাটি রুজু হয়।

    এই মামলায় পুলিশ এই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে প্রেরণ করে। আদালত পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের আদেশ প্রদান করেন। অনুসন্ধান ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী বাদীর ব্যক্তিগত ফেসবুক লিংক থেকে অশালীন ও কু-রুচিপূর্ণ, অশ্লীল কোনো ধরণের ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ এজাহারে উল্লেখ নাই। বাদীর সাথে এই আসামীর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পূর্ব কথোপকথনসহ কত তারিখ কোন সময় আসামী বাদীকে ফোন করে কথিত চাঁদা দাবি করেছে, এর কোনো সুনির্দিষ্ট সময় বা তারিখ মামলার এজাহারের কোনো অংশে উল্লেখ নাই। যার প্রেক্ষিতে এই এজাহারটি আইনী ভাবে ত্রুটিপূর্ণ।

    এমনকি মামলার এজাহারে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বার-৪৪৭৪১১৫৭৩৫১৪ টি বাংলাদেশী কোনো নাম্বার না হওয়ার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে এই নাম্বার ব্যবহার করাও সম্ভব নয় এবং আসামীর ব্যবহৃত কোনো মোবাইলে এই নাম্বারের কোনো সীম ব্যবহার করা হয়েছে এই মর্মে কোন তথ্য প্রমাণাদির বিষয়ে পুলিশ ফরওয়ার্ডিংএ উল্লেখ করা হয় নাই।

    এমনকি গ্রেফতারকৃত এই আসামীর নিকট থেকে রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে বা আসামীর ব্যবহৃত মোবাইলসহ বিভিন্ন ডিভাইস যাচাই বাছাই করেও অপরাধের সাথে জড়িত কোনো অবৈধ আলামত (যেমন: মোবাইল বা অন্য কোনো ইলেট্রনিক্স ডিভাইস) জব্দ তালিকা মূলে উদ্ধার হয় নাই। এবিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার এসআই মতিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে উনি জানান, এজাহারে উল্লেখ আছে সাংবাদিক ইবনে ইউনুসের ফেসবুক আইডি থেকে অপপ্রচার করা হয়েছে। এই আসামীর কাছ থেকে কোন আলামত উদ্ধার হয় নি। যে নম্বর থেকো চাঁদা দাবি করা হয়েছে এসংক্রান্তে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ট্রান্সক্রিপ্ট, মার্কশিট ও সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেবার মান বৃদ্ধি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ট্রান্সক্রিপ্ট, মার্কশিট ও সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেবার মান বৃদ্ধি

    নিউজ ডেস্ক:   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ট্রান্সক্রিপ্ট, মার্কশিট ও সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জরুরি অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার আমিনুল ইসলামকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

    সোমবার (৫ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা servicesupport@du.ac.bd ঠিকানায় ই-মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ০১৭৯৭-৪৯০৫৭৫-এ বার্তা দিয়ে যোগাযোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে অভিযোগ প্রাপ্তির দুই কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর সঙ্গে ই-মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হবে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়, নির্ধারিত ফির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিনিয়ত অনলাইন ও ই-মেইলে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানে ট্রান্সক্রিপ্ট পাঠানো হয়। এ সংক্রান্ত সার্ভিস চার্জ সম্প্রতি ৫০ মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ১০ মার্কিন ডলার করা হয়েছে। এই চার্জ শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

    এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের জন্য সরাসরি কোনো টাকা নেয়া হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সোনালী ব্যাংক অথবা অনলাইনের মাধ্যমে (অনলাইন ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং) টাকা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। তবে অধিভুক্ত কলেজের ক্ষেত্রে অনলাইন প্রক্রিয়া এখনও শুরু করা সম্ভব হয়নি।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইতোপূর্বেই অনলাইনে ট্রান্সক্রিপ্টের আবেদন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এ পদ্ধতি অনুসরণ করে শিক্ষার্থীরা ট্রান্সক্রিপ্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করে থাকেন। তবে ট্রান্সক্রিপ্ট, সার্টিফিকেট ও মার্কশীট সত্যায়ন প্রক্রিয়া এখনও অনলাইনে শুরু হয়নি। এই প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্পষ্ট করার জন্য প্রশাসন ইতোমধ্যেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগামী ২ মাসের মধ্যে ট্রান্সক্রিপ্ট/মার্কশিট/সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করার প্রক্রিয়াগুলো আরও শিক্ষার্থীবান্ধব করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

    এছাড়া, অনলাইনের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানে হার্ডকপি ট্রান্সক্রিপ্ট সরাসরি দ্রুত পাঠানোর ক্ষেত্রে কুরিয়ার কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থাগ্রহণের বিষয়েও ঢাবি প্রশাসনের পরিকল্পনা রয়েছে।