Category: প্রচ্ছদ

  • আইপিএল ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের স্কোর গড়েছে সানরাইজার্সের হায়দরাবাদ

    আইপিএল ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের স্কোর গড়েছে সানরাইজার্সের হায়দরাবাদ

    খেলাধুলা ডেস্ক: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) এবারের আসরে আইপিএল ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের স্কোর গড়েছে সানরাইজার্সের হায়দরাবাদ। রোববার (২৩ মার্চ) রাজিব গান্ধি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রাজস্থানের বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েছে দলটি। রাজস্থান রয়্যালসকে ২৮৭ রানের টার্গেট দিয়েছে।

    তবে হায়দরাবাদের ব্যাটারদের ঝড় তোলার দিনে দিনে বিব্রতকর রেকর্ড গড়েছেন রাজস্থানের পেসার জফরা আর্চার। ৪ ওভারে ৭৬ রান দিয়ে আইপিএল ইতিহাসের সর্বোচ্চ খরুচে বোলারের তালিকায় উঠে এসেছেন। এর আগে সর্বোচ্চ ৭৩ রান হজম করেছিলেন ভারতের মোহিত শর্মা।

    হায়দরাবাদের ২৮৭ রানের জবাবে ব্যাটিং করছে রাজস্থান রয়্যালস। ১৩ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১৫২ রান সংগ্রহ করেছে দলটি।

  • সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তনের পক্ষে নয় বিএনপি

    সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তনের পক্ষে নয় বিএনপি

    নিউজ ডেস্ক: সংবিধানে একাত্তরের সাথে চব্বিশের অভ্যুত্থানকে এক কাতারে রাখার যে সুপারিশ করেছে ঐকমত্য কমিশন, তার বিরোধিতা করেছে বিএনপি। শনিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে দলীয় মতামত দেয়া শেষে এ কথা জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    তিনি জানান, সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তনের পক্ষে নন তারা। গণপ্রজাতন্ত্রের পরিবর্তে নাগরিকতন্ত্র রাখার যৌক্তিকতা নেই। দেশে গণতন্ত্রের চরিত্র হারিয়েছে। তাই সংবিধান সংশোধন দরকার বলেও জানান তিনি। তবে, গণপরিষদ ভোটের প্রয়োজনীয়তা দেখছে না বিএনপি। বিচার বিভাগের সুপারিশের প্রায় সবগুলোতে একমত দলটি।

    পাশাপাশি ইসির দায়বদ্ধতা সংসদীয় কমিটির রাখার বিপক্ষে মত দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনআইডি যদি আলাদা কোনো প্রতিষ্ঠানের হাতে দেয়া হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনকে বারবার অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে যেতে হবে। আওয়ামী লীগ আমলে এনআইডির কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনা হয়েছিল। এই আইনটি এখনও বাতিল করা হয়নি। এটি বাতিল করে কমিশনের হাতেই রাখা উচিত।

    তিনি আরও জানান, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণও কমিশনের সাংবিধানিক এখতিয়ার। নির্বাচন কমিশনের সেই আইনে সামান্য প্রিন্টিং মিসটেক ছিলো। বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে তবে তা এখনও সংশোধন হয়নি। এ কারণে কমিশন এ সংক্রান্ত শুনানি করতে পারছে না। ফলে নির্বাচিন আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলেও জানান তিনি।

    এর আগে, সংস্কার কমিশনগুলোর করা সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২০ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। প্রথম দিনের সংলাপে অংশ নেয় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। সেদিন রাষ্ট্রসংস্কার ইস্যুতে ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬ সুপারিশের মধ্যে ১২০টিতে একমত পোষণ করে এলডিপি। পরে শনিবার (২১ মার্চ) বৈঠকে যোগ দেয় খেলাফত মজলিস ও লেবার পার্টির নেতারা।

    সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশের বিষয়ে মতামত চেয়ে ৬ মার্চ ৩৭টি দলকে চিঠি দেয় ঐকমত্য কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছে ঐকমত্য কমিশন।

  • চুরি হওয়া গরুর সন্ধানে অভিযান চালিয়ে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার

    চুরি হওয়া গরুর সন্ধানে অভিযান চালিয়ে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার

    স্টাফ রিপোর্ট: নওগাঁর আত্রাই থেকে চুরি হওয়া গরুর সন্ধানে অভিযান চালিয়ে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে জেলা পুলিশ। গরুগুলো জেলার কাহালু উপজেলার কালাই ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল গফুর শাহের গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছোটন প্রামাণিক (২৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রোববার (২৩ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাফিউল সারোয়ার এসব তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, গত ১৪ মার্চ গভীর রাতে আত্রাই থানার নৈদিঘী গ্রামের মো. মোরশেদ আলী শেখের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ৮টি গরু চুরি হয়। ঘটনার পর থেকেই জেলা পুলিশের একাধিক বিশেষ দল অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল শনিবার (২২ মার্চ) আত্রাই থানা পুলিশ চুরির ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছোটন প্রামাণিককে গ্রেফতার করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির কথা স্বীকার করেন এবং গরুগুলোর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দেন। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও আত্রাই থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে বিএনপি নেতা মো. আব্দুল গফুর শাহের গোয়ালঘর থেকে ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৫টি গরু আত্রাই থেকে চুরি হওয়া বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তবে বিএনপি নেতাকে এখনও আটক করতে পারেনি পুলিশ।

    তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার হওয়া ছোটন প্রামাণিকের বিরুদ্ধে আগেও একটি চুরির মামলা রয়েছে। তিনি বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁসহ আশপাশের এলাকায় গরু চুরির মূল হোতা ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই চক্রের বাকি সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হবে।

  • জিম্মির ট্রেলার জুড়ে রয়েছে এক মধ্যবিত্ত নারীর লোভের গল্প

    জিম্মির ট্রেলার জুড়ে রয়েছে এক মধ্যবিত্ত নারীর লোভের গল্প

    বিনোদন ডেস্ক: ‘মহানগর ২’-এর পর আশফাক নিপুণের নতুন ওয়েব সিরিজ ‘জিম্মি’। জয়া আহসান যুক্ত হওয়ার পর সিরিজটি নিয়ে আরও বেশি আগ্রহ জন্মেছে দর্শকের মনে। জয়ার এই প্রথম ওয়েব সিরিজ মুক্তি পাবে ঈদে। শনিবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রকাশ পেল ট্রেলার।

    ট্রেলার জুড়ে রয়েছে রুনা লায়লা নামের এক মধ্যবিত্ত নারীর লোভের গল্প। অনেক টাকা মধ্যে শুয়ে আছে রুনা। সারাক্ষণ তার মাথায় টাকার চিন্তা। এক সময় মোটা টাকার লোভে পড়ে যায় রুনা। সাধারণ এই সরকারি চাকরিজীবীর জীবন ধীরে ধীরে বদলাতে থাকে। এমনই এক ঘটনা প্রবাহ দেখানো হয়েছে আড়াই মিনিটের ট্রেলার জুড়ে।

    জয়া আহসান ছাড়াও এতে আরও দেখা মিলেছে ইরেশ যাকের, শাহরিয়ার নাজিম জয়, রাফিউল কাদের রুবেল, প্রান্তর দস্তিদার, মাহমুদ আলম, অশোক ব্যাপারী, আরফান মৃধা শিবলুসহ অনেকের।

    ‘জিম্মি’ সিরিজের কোন বিষয়টি অভিনয়ের জন্য আপনাকে টেনেছে- এমন প্রশ্নে জয়া বলেন, আমি নতুন কোনো কাজ করার আগে তিনটা বিষয় সবসময় খেয়াল করি। সেটা হলো গল্প, চরিত্র ও পরিচালক। জিম্মি’র ক্ষেত্রে এগুলো সব মন মতো মিলে গিয়েছিল। সেই সাথে আমার ওয়েব সিরিজের শুরুটা করছি হইচই-এর সাথে। মুক্তি পাবে ঈদে, সব মিলিয়ে আমার জন্য বিষয়টা বেশ রোমাঞ্চের।

    বাংলাদেশের বিনোদন জগতে আশফাক নিপুনের নাম মানেই গল্পের গভীরতা, অসাধারণ চরিত্র নির্মাণ ও দুর্দান্ত চিত্রনাট্য। অন্যদিকে, জয়া আহসান বহু বছর ধরে নাটক-সিনেমার মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করেছেন দেশ-বিদেশের দর্শকদের কাছে। মহানগর, সাবরিনা’র পর অসাধারণ নির্মাণের কারিশমা দিয়ে দর্শকদের জিম্মি করতে আবার আসছেন আশফাক নিপুন।

    নিপুন বলেন, আমি জিম্মি নির্মাণের মাধ্যমে নতন রকমের গল্প বলার চেষ্টা করেছি। এই সিরিজে সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক অনুভূতি ও বিনোদনের মেলবন্ধন রয়েছে। এইটুক বলতে পারি, দর্শক অবশ্যই নতুন কিছু উপভোগ করবে।

  • প্রোটিন গ্রহণ নিয়ে নানা রকম দ্বিধায় !

    প্রোটিন গ্রহণ নিয়ে নানা রকম দ্বিধায় !

    অনলাইন ডেস্ক: প্রোটিন গ্রহণ নিয়ে অনেকেই নানা রকম দ্বিধায় থাকেন। কিছু ভুল ধারণাও প্রচলিত রয়েছে। কেউ মনে করেন, শক্তিশালী হতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খাওয়া জরুরি, আবার কেউ বলেন, প্রয়োজনের চেয়ে বেশি প্রোটিন গ্রহণ করলে তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাহলে আদৌ কী পরিমাণ প্রোটিন প্রয়োজন? এ নিয়ে বিবিসি একটি ফিচার প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়েছে প্রোটিন কতটুকু মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয়। বেশি গ্রহণেই বা কী প্রভাব পড়তে পারে শরীরে।

    প্রোটিন কতটুকু প্রয়োজন?

    প্রোটিন শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি পেশী, এনজাইম, ত্বক, চুল ও রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। শরীরে প্রোটিন ভেঙে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয়, যা শরীরের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.৭৫ থেকে ০.৮ গ্রাম প্রোটিন দরকার। অর্থাৎ, ৭০ কেজি ওজনের একজন মানুষের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৫৬ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। তবে যারা উচ্চমাত্রার শারীরিক পরিশ্রম করেন, যেমন অ্যাথলেট, বডি বিল্ডার বা ওজন প্রশিক্ষণকারী, তাদের জন্য প্রতিদিন ১.৬ থেকে ২.২ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন গ্রহণ করা দরকার।

    কোন খাবার থেকে প্রোটিন পাওয়া যায়?

    বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রাকৃতিক খাবারের মাধ্যমে প্রোটিন গ্রহণ করাই সর্বোত্তম। নিরামিষভোজীদের জন্য ডাল, বাদাম, সয়া, চিয়া সিড, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য ভালো উৎস। আমিষভোজীদের জন্য ডিম, মাছ, মুরগির মাংস ও গরুর মাংস অন্যতম ভালো প্রোটিনের উৎস।

    প্রোটিন পাউডারের প্রয়োজনীয়তা ও ঝুঁকি

    বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সময়ের অভাবে বা সঠিক খাদ্য পরিকল্পনার অভাবে অনেকেই পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে প্রোটিন পাউডার হতে পারে একটি সুবিধাজনক বিকল্প। তবে বাজারে পাওয়া অনেক প্রোটিন পাউডারে ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে, যেমন ভারী ধাতু, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ ও বিষাক্ত রাসায়নিক। ২০১৮ সালে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু প্রোটিন পাউডারে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে ২৫ গুণ বেশি বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। তাই ভালো মানের ও পরীক্ষিত প্রোটিন পাউডার কেনার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    অতিরিক্ত প্রোটিনের ক্ষতি

    অনেকে মনে করেন, যত বেশি প্রোটিন গ্রহণ করবেন, তত দ্রুত পেশী গঠন হবে। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করলে কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে। তাছাড়া, বেশি প্রোটিন গ্রহণের ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস ও হজমজনিত সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, দিনে ২০-৪০ গ্রাম প্রোটিন পাউডারের বেশি না খাওয়াই ভালো। কারণ খুব বেশি প্রোটিন পাউডার গ্রহণ করলে প্রাকৃতিক খাবারের মাধ্যমে পাওয়া ভিটামিন ও খনিজ উপাদান বাদ পড়ে যেতে পারে।

    সঠিক খাদ্য পরিকল্পনা

    প্রোটিন গ্রহণের পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ নিশ্চিত করতে মাছ, শাকসবজি, ফলমূল এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত।

    পেশী গঠন ও শক্তিশালী হতে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ, তবে অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণের প্রয়োজন নেই। সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত ঘুম ও সঠিক শারীরিক ব্যায়ামই শক্তিশালী শরীরের মূল চাবিকাঠি।

    । কিছু ভুল ধারণাও প্রচলিত রয়েছে। কেউ মনে করেন, শক্তিশালী হতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খাওয়া জরুরি, আবার কেউ বলেন, প্রয়োজনের চেয়ে বেশি প্রোটিন গ্রহণ করলে তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাহলে আদৌ কী পরিমাণ প্রোটিন প্রয়োজন? এ নিয়ে বিবিসি একটি ফিচার প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়েছে প্রোটিন কতটুকু মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয়। বেশি গ্রহণেই বা কী প্রভাব পড়তে পারে শরীরে।

    প্রোটিন কতটুকু প্রয়োজন?

    প্রোটিন শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি পেশী, এনজাইম, ত্বক, চুল ও রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। শরীরে প্রোটিন ভেঙে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয়, যা শরীরের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.৭৫ থেকে ০.৮ গ্রাম প্রোটিন দরকার। অর্থাৎ, ৭০ কেজি ওজনের একজন মানুষের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৫৬ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। তবে যারা উচ্চমাত্রার শারীরিক পরিশ্রম করেন, যেমন অ্যাথলেট, বডি বিল্ডার বা ওজন প্রশিক্ষণকারী, তাদের জন্য প্রতিদিন ১.৬ থেকে ২.২ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন গ্রহণ করা দরকার।

    কোন খাবার থেকে প্রোটিন পাওয়া যায়?

    বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রাকৃতিক খাবারের মাধ্যমে প্রোটিন গ্রহণ করাই সর্বোত্তম। নিরামিষভোজীদের জন্য ডাল, বাদাম, সয়া, চিয়া সিড, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য ভালো উৎস। আমিষভোজীদের জন্য ডিম, মাছ, মুরগির মাংস ও গরুর মাংস অন্যতম ভালো প্রোটিনের উৎস।

    প্রোটিন পাউডারের প্রয়োজনীয়তা ও ঝুঁকি

    বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সময়ের অভাবে বা সঠিক খাদ্য পরিকল্পনার অভাবে অনেকেই পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে প্রোটিন পাউডার হতে পারে একটি সুবিধাজনক বিকল্প। তবে বাজারে পাওয়া অনেক প্রোটিন পাউডারে ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে, যেমন ভারী ধাতু, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ ও বিষাক্ত রাসায়নিক। ২০১৮ সালে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু প্রোটিন পাউডারে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে ২৫ গুণ বেশি বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। তাই ভালো মানের ও পরীক্ষিত প্রোটিন পাউডার কেনার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    অতিরিক্ত প্রোটিনের ক্ষতি

    অনেকে মনে করেন, যত বেশি প্রোটিন গ্রহণ করবেন, তত দ্রুত পেশী গঠন হবে। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করলে কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে। তাছাড়া, বেশি প্রোটিন গ্রহণের ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস ও হজমজনিত সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, দিনে ২০-৪০ গ্রাম প্রোটিন পাউডারের বেশি না খাওয়াই ভালো। কারণ খুব বেশি প্রোটিন পাউডার গ্রহণ করলে প্রাকৃতিক খাবারের মাধ্যমে পাওয়া ভিটামিন ও খনিজ উপাদান বাদ পড়ে যেতে পারে।

    সঠিক খাদ্য পরিকল্পনা

    প্রোটিন গ্রহণের পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ নিশ্চিত করতে মাছ, শাকসবজি, ফলমূল এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত।

    পেশী গঠন ও শক্তিশালী হতে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ, তবে অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণের প্রয়োজন নেই। সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত ঘুম ও সঠিক শারীরিক ব্যায়ামই শক্তিশালী শরীরের মূল চাবিকাঠি।

  • আইডিএফ কে গাজায় আরও ভূমি দখল করতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    আইডিএফ কে গাজায় আরও ভূমি দখল করতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)-কে গাজায় আরও ভূমি দখল করতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। সেই সাথে তিনি সতর্ক করেছেন যে হামাস যদি বাকি বন্দিদের মুক্ত না করে, তাহলে আইডিএফ গাজার বেশ কিছু অংশ নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করবে। শুক্রবার (২১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় পুনরায় হামলা চালায় ইসরায়েল। নতুন হামলার পর গত বৃহস্পতিবার আবারও গাজার নেজারিম করিডোর দখল করে উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া ও দক্ষিণ সীমান্তবর্তী রাফাহ শহরের দিকে অগ্রসর হয়েছে ইসরায়েলের স্থল বাহিনী। তারা উত্তর গাজায় নতুন করে অবরোধ আরোপ করেছে। ফলে বাকি বিশ্ব থেকে আবারও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গাজা।

    ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, আইডিএফকে গাজায় আরও ভূমি দখল করার নির্দেশ দিয়া হয়েছে। হামাস যত বেশি সময় ধরে বন্দিদের আটকে রাখবে, তত বেশি ভূমি হারাবে, যা ইসরায়েলের দখলে চলে যাবে।

    তিনি বলেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গাজার চারপাশে বাফার জোন বাড়ানো হবে, যা স্থায়ীভাবে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।