Category: প্রচ্ছদ

  • মনোহরদীতে ৪৬ তম বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

    মনোহরদীতে ৪৬ তম বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

    বিশেষ প্রতিনিধি:নরসিংদীর মনোহরদীতে“জ্ঞান-বিজ্ঞানের করবো জয়, সেরা হবে বিশ্বময়” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ৪৬ তম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড,বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতা এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারী)সকালে উপজেলা প্রাঙ্গণে মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
    বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড,বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতা এবং বিজ্ঞান মেলায় স্কুল শিক্ষার্থীরা জুনিয়র গ্রুপ এবং কলেজ শিক্ষার্থীরা সিনিয়র গ্রুপে অংশগ্রহণ করে।

    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফারুক আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম.এ মুহাইমিন আল-জিহান।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভিন্ন স্কুল কর্তৃক আয়োজিত বিজ্ঞান স্টল পরিদর্শন করেন এবং তাঁদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

    সবশেষে অতিথিবৃন্দ কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.সজিব হাসান,মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপার ভাইজার আব্দুল জলিলসহ উপজেলার অন্যান্য দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,শিক্ষার্থী এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে পানির সোর্স না থাকায় আগুনের ঝুঁকিতে পুরো শহর !

    ঠাকুরগাঁওয়ে পানির সোর্স না থাকায় আগুনের ঝুঁকিতে পুরো শহর !

    জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের গুরুত্বপুর্ন বিভিন্ন পয়েন্টে আগুন নেভাতে পানির সোর্স না থাকায় মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে পুরো শহর। শহরের চৌরাস্তা, আর্ট গ্যালারী, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, কালিবাড়ি বাজার, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠ, ঠাকুরগাঁও রোড বাজার এলাকায় জেলার গুরুত্বপুর্ন অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ব্যবসায়ীক স্থাপনা রয়েছে। এসব এলাকায় আগুন লাগলে তা নেভাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে হিমশিম খেতে হয়। কারন এসব এলাকায় আগুন দ্রুত পাশের প্রতিষ্ঠান বা বাড়ি-ঘরে ছড়িয়ে পরে।

    এ সময় ফায়ার সার্ভিসের পানি বাহী একটি গাড়ি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। ওই গাড়ির ৪ হাজার ৩শ লিটার পানি শেষ হলেই আবার অফিসে গিয়ে গাড়ি ভর্তি করে পানি নিতেই আগুনের ভয়াবহতা বেড়ে যায়। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়। এ কারনে খুব দ্রুত সময়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন পয়েন্টে পানির সোর্স তৈরী করা বা “ফায়ার হাইড্রেন্ট” বসানো জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রবিণ সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক সংগ্রামী বাংলার সম্পাদক মো: আব্দুল লতিফ ও সিনিয়ার সাংবাদিক মোঃ মজিবর রহমান শেখ বলেন, একটি পরিকল্পিত শহরে আগুন নেভানোর জন্য বিভিন্ন রাস্তার ধারে ‘ফায়ার হাইড্রেন্ট’ বসানো থাকে। যা সরাসরি পানির পাম্পের সঙ্গে সংযোগ দেওয়া থাকে এবং এতে পানির অতিরিক্ত প্রেসার দেওয়া থাকে। কোথায় আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে পৌঁছামাত্রই হাইড্রেন্টের বাল্ব খুলে পানি ছিটানোর জন্য পাইপ লাগাবে আর সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকের থেকে বেশি গতিতে পানি বেরিয়ে আসবে। যা দিয়ে সহজে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। দায়িত্বশীলরা চাইলে পুরো ঠাকুরগাঁও শহরজুড়ে ‘ফায়ার হাইড্রেন্ট’ বসানো সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন দায়িত্বশীলদের সদিচ্ছা। পৌর শহরের হাজীপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব শিক্ষক মো: মাসুদ রানা বলেন, ইতিমধ্যে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠ শহরের প্রধান তথা প্রাণকেন্দ্রে পরিনত হয়েছে। এখানে ধুলাবালি প্রচুর।

    বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও অন্যান্য প্রোগ্রামের সময় ধুলাবালি থেকে পরিবেশ রক্ষায় ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি দিয়ে পানি দিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না। তাই মাঠের চার পাশে পানির সোর্স বা “ফায়ার হাইড্রেন্ট” স্থাপন জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মো: মোজাম্মেল হক বলেন আমাদের পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে “ফায়ার হাইড্রেন্ট” বা পানির সোর্স স্থাপনের জন্য নানা সভা-সেমিনারে জেলা প্রশাসন, পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃস্টি আকর্ষন করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে শহরের চৌরাস্তায় আগুনের ঘটনার ক্ষেত্রে বড় গাড়ির পানি শেষ হলে সেটি পুরন করে পুনরায় আনার সময়ে বড় ক্ষয়-ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে পৌরসভা কতৃপক্ষকে তাদের পানির লাইনের মাঝে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে “ফায়ার হাইড্রেন্ট” স্থাপনের জন্য প্রস্তাবনা প্রদান করলে পৌরসভা কতৃপক্ষ এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহন করবে বলে জানান। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুজ্জামান বলেন সমস্যাটি নিয়ে ইতিমধ্যে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সাথে মিটিং হয়েছে। তারা এ বিষয়ে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পানির সোর্স বা “ফায়ার হাইড্রেন্ট” স্থাপনের একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা আকারে দিয়েছে। পৌরসভা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের বিষয়ে কাজ করছে।

  • কুড়িগ্রামে এম আর বি ইকো ব্রিকসকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা

    কুড়িগ্রামে এম আর বি ইকো ব্রিকসকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় এম আর বি ইকো ব্রিকস নামক ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে উক্ত ভাটার বিরুদ্ধে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার দুপুর ২ ঘটিকার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। মোবাইল কোর্টে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন- উলিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব কাজী মাহমুদুর রহমান এবং প্রসিকিউশন প্রদান করেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম। এসময় ইট প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে কৃষিজমির মাটি সংগ্রহ করে ইটের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করার অপরাধে উলিপুরের তবকপুরে অবস্থিত মেসার্স এম আর বি ইকো ব্রিকস নামক ইটভাটাকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় ও ভাটায় কৃষিজমির মাটি ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করা হয়। পরিবেশ সুরক্ষা ও বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

  • ঠাকুরগাঁও জেলায় একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা

    ঠাকুরগাঁও জেলায় একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা

     জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলায় একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা। এতে হুমকিতে পড়েছে পরিবেশ। এ ছাড়া ইটভাটার জন্য কৃষিজমি থেকে মাটি কাটায় ফসল উৎপাদনও হুমকিতে পড়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলার ৫ টি উপজেলায় মোট ইটভাটার সংখ্যা –১০৫টি। এর মধ্যে ৯৯টিই অবৈধ। এসব ইটভাটায় ইট প্রস্তুত করার জন্য ভাটামালিকরা কৃষকের কৃষিজমি থেকে মাটি কেটে সেখানে ব্যবহার করছেন। কৃষিজমিতে খননযন্ত্র বসিয়ে ১০ ফুটেরও বেশি গভীর করে চলছে মাটি কাটার উৎসব। মাটি ব্যবসায়ীরা অনেক সময় পুকুর খননের নামে মাটি কিনে ইটভাটায় বিক্রি করছেন।

    এতে একদিকে প্রান্তিক কৃষকরা হারাচ্ছেন তাদের ফসলি জমি, অন্যদিকে চাষযোগ্য জমি হারাচ্ছে উর্বরতা। ঠাকুরগাঁও জেলায় এক শ্রেণির মাটি ব্যবসায়ী কৃষকদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে এসব ফসলি জমি নষ্ট করছে। আর ফসলি জমি নষ্ট হলেও এসব বন্ধে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারণ মানুষের। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩-এর মাটির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসকরণে ৫-এর (১) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ইট প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে কৃষিজমি বা পাহাড় বা টিলার মাটি কেটে সংগ্রহ করে তা ইটের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়েছে, যিনি এই আইনের ৫ ধারা লঙ্ঘন করবেন, তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। কিন্তু এই আইনের প্রয়োগ না থাকায় ইটভাটার মালিক ও মাটি ব্যবসায়ীরা ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কাটা বন্ধ করেনি।

    এভাবে মাটি কাটায় কৃষকও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, এভাবে অবাধে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেওয়ার কারণে কৃষিজমি ও জমির উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এতে মাটির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। ফসল উৎপাদন দিন দিন কমছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের কৃষক জব্বার বলেন, ‘আমার ধান চাষের একটা জমি আছে এক একরের। এমবিএস নামের এক ইটভাটার মালিক আমার জমির পাশের জমিটা কেটে ভাটায় নিয়ে গেছে। এমন গর্ত করেছে যে বর্ষা মৌসুমে ভেঙে জমিটা বিলীন হয়ে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে আমাকে বিক্রি করতে হয়েছে।’ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নে অবস্থিত এমএএস ব্রিকস নামের ইটভাটার মালিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা তো জোর করে জমি কেটে আনছি না। জমির মালিক মাটি বিক্রি করছেন। আমরা ন্যায্যমূল্যে কিনে নিচ্ছি।’

    সালন্দর ইউনিয়নে অবস্থিত এবিএস ব্রিকসের মালিক সোহরাব হোসেন বলেন, ‘আমার শুধু না, অনেক ইটভাটা আছে যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই। আমরা মাটি কাটি অনেক দাম দিই।’ ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষিজমির উপরিভাগের (টপ সয়েল) মাটি কেটে নেওয়ার কারণে অত্যাবশ্যকীয় জৈব উপাদান সহ মাটির পুষ্টি উপাদানের চরম ঘাটতি হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে ফসলি জমির উপরিভাগ কেটে নিলে জৈব উপাদানের পরিমাণ শূন্যে চলে আসবে। তখন রাসায়নিক সারের ব্যবহার বাড়বে। এতে খাদ্যে পুষ্টিগুণ কমে আসবে।

    ইটভাটায় জমির উর্বর অংশের মাটির ব্যবহার বন্ধ করা না হলে খাদ্যে উদ্বৃত্ত ঠাকুরগাঁও জেলায় ফসল উৎপাদনে বিপর্যয় ঘটতে পারে।’ এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, ‘ফসলি জমিতে মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে অনেক ইটভাটার মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। মাটি কাটার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

  • মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডিসপ্লে-তে ভেসে উঠেলো ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে’

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডিসপ্লে-তে ভেসে উঠেলো ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে’

    স্টাফ রিপোর্টারঃ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজধানীর গেন্ডারিয়া কার্যালয়ের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভেসে উঠল ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু লেখা। আবার ”আওয়ামী লীগ ফেরত চাই -জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” লেখাও ডিসপ্লেতে প্রদর্শন করা হয়েছে। পথচারীরা দেখতে পেয়ে উৎসুক হয়ে ভিড় জমান অফিস চত্বরে। এনিয়ে এলাকা জুড়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। রোববার মধ্যরাতে গেন্ডারিয়া কাঠেরপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতে গেন্ডরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাতেই পুলিশ একটি সাধারন ডায়েরি করে।

    এই কার্যালয়ের দায়িত্বে ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ইসলাম। গত ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন স্কুল কলেজ, মসজিদের ডিসপ্লেতে এই ঘটনা ঘটে। এবার মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর গেন্ডারিয়া অফিসের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভেসে উঠল ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু লেখা। তদন্ত শেষে মূল রহস্য উদঘাটন হবে বলে জানান গেন্ডারিয়া থানার ওসি। সংস্থার এই কার্যালয়ের দায়িত্বে অতিরিক্ত পরিচালক একেএম শওকত ইসলাম, যিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর শাখার সহ- সভাপতি ছিলেন। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের সময় তিনি ময়মনসিংহ কার্যালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের অস্থির মুহূর্তে একেএম শওকত ইসলাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট ডিজিএফআই এর এক কর্মকর্তার নামে ভূয়া ফোন কলে সুপারিশ করে ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক হিসাবে প্রাইজ পোস্টিং লাভ করেন।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে পতিত আওয়ামী সরকারের আস্থাভাজন এই কর্মকর্তা মাদক সিন্ডিকেটের সংগে গভীর ভাবে সংযুক্ত এবং আরও বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তদন্ত চলমান। ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক একেএম শওকত ইসলামের সাথে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। সংস্থার মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এই ঘটনায় আজই একটা তদন্ত কমিটি করা হচ্ছে। তারাই এ বিষয়ে তদন্ত করে কারন জানাবেন। মোস্তাফিজুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে ২০২৪ সালের ২৭ মে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন।

    তার আগে তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও তিনি হাসিনা সরকারের আমলে দুই জেলার ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএনসির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডিজি মহোদয় এবং একেএম শওকত ইসলামের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক বিদ্যমান। অভিযোগ রয়েছে, এই অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখায় এখনও বিগত সরকারের মতাদর্শের লোক রয়েছে। তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

  • ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা খেলেন ঠাকুরগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা !

    ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা খেলেন ঠাকুরগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা !

     জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও পাসপোর্ট অফিসের এসিস্ট্যান্ট একাউন্টেন্ট ফারুক আহমেদকে ঘুষ লেনদেনের সময় আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বাজারপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, পাসপোর্ট সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এক গ্রাহকের কাছ থেকে ৫০,০০০ টাকা দাবি করেন ফারুক। প্রথম কিস্তির ২০,০০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় দুদকের একটি বিশেষ দল তাকে আটক করে।

    ভুক্তভোগী মেহজাবিন সরকার পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলেন, ঘুষ চাওয়ার বিষয়টি দুদককে জানালে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুদক জানায়, ফারুক আহমেদ বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের মামলা করা হয়েছে। এছাড়া, তার ঘুষগ্রহণের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠাকুরগাঁও দুর্নীতি দমন কমিশনার উপ-পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক বলেন, এটা আমাদের নতুন কমিশনের প্রথম অভিযান। একজন ভুক্তভোগীর অভিযোগে আমাদের একটি গোপন দল সেই এলাকায় অবস্থান নেয়। একজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাকে পাসপোর্ট সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার কথা বলে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা জানান । পরবর্তীতে দুপুরে টাকা নিতে এলে তাকে আমরা হাতেনাতে আটক করি।