Category: প্রচ্ছদ

  • ঠাকুরগাঁও জেলায় একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা

    ঠাকুরগাঁও জেলায় একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা

     জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলায় একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা। এতে হুমকিতে পড়েছে পরিবেশ। এ ছাড়া ইটভাটার জন্য কৃষিজমি থেকে মাটি কাটায় ফসল উৎপাদনও হুমকিতে পড়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলার ৫ টি উপজেলায় মোট ইটভাটার সংখ্যা –১০৫টি। এর মধ্যে ৯৯টিই অবৈধ। এসব ইটভাটায় ইট প্রস্তুত করার জন্য ভাটামালিকরা কৃষকের কৃষিজমি থেকে মাটি কেটে সেখানে ব্যবহার করছেন। কৃষিজমিতে খননযন্ত্র বসিয়ে ১০ ফুটেরও বেশি গভীর করে চলছে মাটি কাটার উৎসব। মাটি ব্যবসায়ীরা অনেক সময় পুকুর খননের নামে মাটি কিনে ইটভাটায় বিক্রি করছেন।

    এতে একদিকে প্রান্তিক কৃষকরা হারাচ্ছেন তাদের ফসলি জমি, অন্যদিকে চাষযোগ্য জমি হারাচ্ছে উর্বরতা। ঠাকুরগাঁও জেলায় এক শ্রেণির মাটি ব্যবসায়ী কৃষকদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে এসব ফসলি জমি নষ্ট করছে। আর ফসলি জমি নষ্ট হলেও এসব বন্ধে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারণ মানুষের। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩-এর মাটির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসকরণে ৫-এর (১) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ইট প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে কৃষিজমি বা পাহাড় বা টিলার মাটি কেটে সংগ্রহ করে তা ইটের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়েছে, যিনি এই আইনের ৫ ধারা লঙ্ঘন করবেন, তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। কিন্তু এই আইনের প্রয়োগ না থাকায় ইটভাটার মালিক ও মাটি ব্যবসায়ীরা ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কাটা বন্ধ করেনি।

    এভাবে মাটি কাটায় কৃষকও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, এভাবে অবাধে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেওয়ার কারণে কৃষিজমি ও জমির উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এতে মাটির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। ফসল উৎপাদন দিন দিন কমছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের কৃষক জব্বার বলেন, ‘আমার ধান চাষের একটা জমি আছে এক একরের। এমবিএস নামের এক ইটভাটার মালিক আমার জমির পাশের জমিটা কেটে ভাটায় নিয়ে গেছে। এমন গর্ত করেছে যে বর্ষা মৌসুমে ভেঙে জমিটা বিলীন হয়ে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে আমাকে বিক্রি করতে হয়েছে।’ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নে অবস্থিত এমএএস ব্রিকস নামের ইটভাটার মালিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা তো জোর করে জমি কেটে আনছি না। জমির মালিক মাটি বিক্রি করছেন। আমরা ন্যায্যমূল্যে কিনে নিচ্ছি।’

    সালন্দর ইউনিয়নে অবস্থিত এবিএস ব্রিকসের মালিক সোহরাব হোসেন বলেন, ‘আমার শুধু না, অনেক ইটভাটা আছে যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই। আমরা মাটি কাটি অনেক দাম দিই।’ ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষিজমির উপরিভাগের (টপ সয়েল) মাটি কেটে নেওয়ার কারণে অত্যাবশ্যকীয় জৈব উপাদান সহ মাটির পুষ্টি উপাদানের চরম ঘাটতি হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে ফসলি জমির উপরিভাগ কেটে নিলে জৈব উপাদানের পরিমাণ শূন্যে চলে আসবে। তখন রাসায়নিক সারের ব্যবহার বাড়বে। এতে খাদ্যে পুষ্টিগুণ কমে আসবে।

    ইটভাটায় জমির উর্বর অংশের মাটির ব্যবহার বন্ধ করা না হলে খাদ্যে উদ্বৃত্ত ঠাকুরগাঁও জেলায় ফসল উৎপাদনে বিপর্যয় ঘটতে পারে।’ এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, ‘ফসলি জমিতে মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে অনেক ইটভাটার মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। মাটি কাটার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

  • মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডিসপ্লে-তে ভেসে উঠেলো ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে’

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডিসপ্লে-তে ভেসে উঠেলো ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে’

    স্টাফ রিপোর্টারঃ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজধানীর গেন্ডারিয়া কার্যালয়ের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভেসে উঠল ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু লেখা। আবার ”আওয়ামী লীগ ফেরত চাই -জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” লেখাও ডিসপ্লেতে প্রদর্শন করা হয়েছে। পথচারীরা দেখতে পেয়ে উৎসুক হয়ে ভিড় জমান অফিস চত্বরে। এনিয়ে এলাকা জুড়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। রোববার মধ্যরাতে গেন্ডারিয়া কাঠেরপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতে গেন্ডরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাতেই পুলিশ একটি সাধারন ডায়েরি করে।

    এই কার্যালয়ের দায়িত্বে ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক শওকত ইসলাম। গত ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন স্কুল কলেজ, মসজিদের ডিসপ্লেতে এই ঘটনা ঘটে। এবার মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর গেন্ডারিয়া অফিসের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ভেসে উঠল ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু লেখা। তদন্ত শেষে মূল রহস্য উদঘাটন হবে বলে জানান গেন্ডারিয়া থানার ওসি। সংস্থার এই কার্যালয়ের দায়িত্বে অতিরিক্ত পরিচালক একেএম শওকত ইসলাম, যিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর শাখার সহ- সভাপতি ছিলেন। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের সময় তিনি ময়মনসিংহ কার্যালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের অস্থির মুহূর্তে একেএম শওকত ইসলাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট ডিজিএফআই এর এক কর্মকর্তার নামে ভূয়া ফোন কলে সুপারিশ করে ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক হিসাবে প্রাইজ পোস্টিং লাভ করেন।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে পতিত আওয়ামী সরকারের আস্থাভাজন এই কর্মকর্তা মাদক সিন্ডিকেটের সংগে গভীর ভাবে সংযুক্ত এবং আরও বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তদন্ত চলমান। ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক একেএম শওকত ইসলামের সাথে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। সংস্থার মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এই ঘটনায় আজই একটা তদন্ত কমিটি করা হচ্ছে। তারাই এ বিষয়ে তদন্ত করে কারন জানাবেন। মোস্তাফিজুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে ২০২৪ সালের ২৭ মে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন।

    তার আগে তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও তিনি হাসিনা সরকারের আমলে দুই জেলার ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএনসির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডিজি মহোদয় এবং একেএম শওকত ইসলামের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক বিদ্যমান। অভিযোগ রয়েছে, এই অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখায় এখনও বিগত সরকারের মতাদর্শের লোক রয়েছে। তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

  • ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা খেলেন ঠাকুরগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা !

    ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা খেলেন ঠাকুরগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা !

     জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও পাসপোর্ট অফিসের এসিস্ট্যান্ট একাউন্টেন্ট ফারুক আহমেদকে ঘুষ লেনদেনের সময় আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বাজারপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, পাসপোর্ট সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এক গ্রাহকের কাছ থেকে ৫০,০০০ টাকা দাবি করেন ফারুক। প্রথম কিস্তির ২০,০০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় দুদকের একটি বিশেষ দল তাকে আটক করে।

    ভুক্তভোগী মেহজাবিন সরকার পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলেন, ঘুষ চাওয়ার বিষয়টি দুদককে জানালে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুদক জানায়, ফারুক আহমেদ বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের মামলা করা হয়েছে। এছাড়া, তার ঘুষগ্রহণের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠাকুরগাঁও দুর্নীতি দমন কমিশনার উপ-পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক বলেন, এটা আমাদের নতুন কমিশনের প্রথম অভিযান। একজন ভুক্তভোগীর অভিযোগে আমাদের একটি গোপন দল সেই এলাকায় অবস্থান নেয়। একজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাকে পাসপোর্ট সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার কথা বলে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা জানান । পরবর্তীতে দুপুরে টাকা নিতে এলে তাকে আমরা হাতেনাতে আটক করি।

  • রমজানকে সামনে রেখে পণ্যের মজুদ বাড়াচ্ছে, সরকারি বাণিজ্যিক সংস্থা-টিসিবি

    রমজানকে সামনে রেখে পণ্যের মজুদ বাড়াচ্ছে, সরকারি বাণিজ্যিক সংস্থা-টিসিবি

    নিউজ ডেস্ক: আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে পণ্যের মজুদ বাড়াচ্ছে, সরকারি বাণিজ্যিক সংস্থা-টিসিবি। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

    গত রমজানে সময় খেজুরের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠে। ভোক্তা পর্যায়ে অসন্তুষ্টি দেখা দেয়। এবার স্বল্প মূল্যে ভালো মানের খেজুর বিক্রি মিলবে বলে আশা করছেন ডিলার ও ভোক্তারা।

    এ বিষয়ে টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ন কবির জানান, এবারও রমজানে ডাল, তেল, চিনির সাথে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি হবে খেজুর ও ছোলা। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

    তিনি আরও জানান, টিসিবি কোনো পণ্য আমদানি করলে সেটা প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন হয়। ওই দেশের টেস্টিং কোম্পানির সার্টিফিকেট ছাড়া পণ্য আনা হয় না। কোনো নিম্নমানের পণ্য বিদেশি কোনো দেশ ছাড়করণের অনুমতি দেয় না বলেও জানান তিনি।

    ২০ হাজার টন মসুর ডাল, ২ কোটি লিটার ভোজ্য তেল, ১০ হাজার টন চিনির পাশাপাশি রমজান মাসে ১০ হাজার টন ছোলা ও দেড় হাজার টন খেজুর ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করবে, টিসিবি। সারাদেশে টিসিবির ডিলার আছে ৮ হাজার ২৫০ জন।

  • চিলমারীতে থেকে প্রতি বছরে হারিয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার বালু

    চিলমারীতে থেকে প্রতি বছরে হারিয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার বালু

  • ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলের ভয়াবহতা নতুন করে ছড়াচ্ছে

    ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলের ভয়াবহতা নতুন করে ছড়াচ্ছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় এখনও কমেনি দাবানলের ভয়াবহতা। এখন দিক পরিবর্তন করে লস অ্যাঞ্জেলসের উত্তর-পূর্বে নতুন এলাকার দিকে ছড়াচ্ছে আগুন।

    এমন অবস্থায় ম্যান্ডেভিলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের। ঘর ছাড়তে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে আরও ১ লাখ ৬৬ হাজার মানুষকে।

    আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। আকাশ থেকে ছিটানো হচ্ছে পানি ও অগ্নি নির্বাপক রাসায়নিক।

    তবে শনিবার থেকে আবার বাড়তে শুরু করেছে বাতাসের তীব্রতা। বুধবার পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।

    সবচেয়ে বড় দাবানলের কবলে থাকা প্যালিসেডে পুড়েছে আরও ১ হাজার একর এলাকা। ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনকে সহায়তায় প্রতিবেশী ৭ রাজ্য, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে পাঠানো হয়েছে বিশেষ টিম।