বিএনপিতে যারা রাজনীতি করেন তারা সবাই দুর্নীতিবাজ নয়। দেশপ্রেমিক কিছু ভালো মানুষ আছেন যারা বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব মেনে নেবেন না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন কামরুল। মন্ত্রী বলেন, একজন (খালেদা জিয়া) গরিব-এতিমদের টাকা আত্মসাৎ করে আদালতের রায়ে কারাগারে রয়েছেন। আরেক ফেরারি আসামি (তারেক জিয়া) এখন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছেন। এই নেতৃত্ব সবাই মেনে নেবে না। এরকম সিদ্ধান্তের জন্য বিএনপিতে ভাঙন শুরু হবে। তা মাত্র সময়ের অপেক্ষা। বিএনপি নামক এই সন্ত্রাসী দলের অস্তিত্ব বিলিন করতে আওয়ামী লীগের বা সরকারের কোনো ভূমিকার প্রয়োজন হবে না। আর তা সরকার করবেও না। দেশে গণতন্ত্রের চর্চা সফলভাবেই হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্রের চর্চা না থাকলে বিএনপির মতো সন্ত্রাসী দল কিভাবে রাজনৈতিক কর্মকা- পরিচালনা করছে? আজ তারা কিভাবে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে? মানুষের চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। এসব সুষ্ঠু গণতন্ত্রের ফসল। অথচ তারা বলছে দেশে নাকি গণতান্ত্রিক চর্চা নেই। মিথ্যাচার ছাড়া আর কোনো অস্ত্র নেই বিএনপির কাছে। খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি-না তা আমরা জানি না। তা নিশ্চিত করবেন আদালত। তবে বিএনপির নেতাকর্মীরা এখনও চাইছেন সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করবে। কিন্তু তা হবে না। শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে করবেন, না চাইলে করবেন না, তা আপনাদের ব্যাপার। তবে এ বিষয় নিয়ে বা যে কোনো ইস্যু নিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে সরকার ও প্রশাসন কোনোভাবেই তা বরদাস্ত করবে না। খালেদা জিয়ার সাজার বিষয়ে তিনি বলেন, একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে খালেদা জিয়ার এ শাস্তি আমাদের জন্য লজ্জাস্কর। তবে অপরাধের কোনো ক্ষমা নেই। তারই প্রমাণ বিএনপি চেয়াপারসনের ৫ বছরের কারাদ-। আর এ মামলা গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে হয়েছে। তারা এতোদিন মামলাটিকে দীর্ঘায়িত করেছেন, তার একমাত্র কারণ নির্বাচনের মাঠ গরম করে সরকারকে অস্থিতিশীল করতে। সংগঠনের সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সামসুল হক টুকু, অরুপ সরকার রানা, জাকারিয়া হানিফসহ অন্য নেতারা। এ সময় বক্তারা ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি আওয়ামী লীগ করে না’ শীর্ষক আলোচনা করেন এবং রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অ্যাড. গাজীউল হকের অবদান ও নেতৃত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
Category: রাজনীতি
-

ডিভিশনের আবেদন: কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে ডিভিশন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার বেলা ১১টার পর ঢাকার বিশেষ ৫ জজ আদালতে এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে জেল কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলেছেন আদালত।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া এই তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে খালেদা জিয়ার জন্য ডিভিশন চেয়ে আদালতে আবেদন করেন তার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম। এ বিষয়ে ১১টার পর শুনানি হয়।
সানাউল্লাহ মিয়া শুনানিতে বলেন, ‘গত ৮ ফেব্রুয়ারি কারাদণ্ড দেওয়ার পর খালেদা জিয়া নাজিমি উদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে আছেন। তিনি এখনও ডিভিশন পাননি। খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং একটি দলের প্রধান। তাই তাকে ডিভিশন দেওয়ার আবেদন করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘রায়ের সার্টিফাইড কপির জন্য আমরা দরখাস্ত করেছি। নকলগুলো তাড়াতাড়ি (জরুরি) পাওয়ার ব্যবস্থার জন্য নির্দেশ দেন আপনি।’ তবে এ বিষয়ে আদালত কোনও আদেশ দেননি।
খালেদার আরেক আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘জেলকোড বিধির ৬৭১ (৪) অনুযায়ী যেকোনও ব্যক্তি দলের প্রধান হলে সে অবশ্যই এই ডিভিশনের সুবিধা পাবেন। এই আদেশ যেকোনও ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ দিতে পারেন।’
দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল শুনানিতে বলেন, ডিভিশন বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা দেওয়ার কোনও বিধান নেই। এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা জেলা প্রশাসক এই নির্দেশ দেবেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষ এই আদেশ দেন।
প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের জেলের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। এরপর রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনটিকে ‘সাবজেল’ ঘোষণা করে সেখানে রাখা হয়েছে তাকে। পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের অফিস ভবনের মূল ফটক দিয়ে ঢুকে বামেই সিনিয়র জেল সুপারের যে অফিস কক্ষ ছিল, সেখানেই তাকে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারা কর্মকর্তারা।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে দেখা করার পর ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ জানান, খালেদা জিয়াকে নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে। সেখানে অন্য কোনও কারাবন্দি নেই। তাকে (খালেদা জিয়াকে) ডিভিশন দেওয়া হয়নি। এটা সংবিধান পরিপন্থি।
-

কারাগারে ঢোকার সময় যা বললেন খালেদা জিয়া
দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় কারাগারে নেওয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে।পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার সময় দলের নেতা-কর্মীদের জন্য বিশেষ বার্তা দিয়েছেন বিএনপি নেত্রী। তিনি দলীয় নেতা-কর্মদের সহিংস কর্মসূচি না দিতে এবং দেশবাসীকে ধৈর্য ধরতে ও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। খালেদা জিয়ার এই আইনজীবী বলেন,‘তাকে (খালেদা জিয়া) কারাগারে রেখে আমরা এসেছি।’
এসময় সাংবাদিকরা এই আইনজীবীর কাছে জানতে চান, ‘খালেদা জিয়া কিছু বলেছেন কিনা।’
এর উত্তরে এই আইনজীবী বলেন,‘‘খালেদা জিয়া তাদের বলেছেন, ‘দেশবাসীকে ধৈর্য ধরতে বলবেন।জেল-জুলুম দিয়ে আমাকে দুর্বল করা যাবে না। এ দেশের মানুষ আমার সঙ্গে আছে। আমাকে নত করার কোনও সুযোগ নেই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবেন। ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।’’
পরে সংবাদ সম্মেলন ডেকে একই রকম কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিকেল পৌনে চারটায় নয়া পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত খালেদা জিয়ার মামলার রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় তিনি জানান, কোনও রকম হটকারী কর্মসূচি না দিতে বিএনপি চেয়ারপারসন তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলনের পর আমরা যখন দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে কথা বলি, তখন আমরা জানতে চেয়েছিলাম, যদি রায় আপনার বিপক্ষে যায়, তাহলে আমাদের কী ধরনের কর্মসূচি দেবো? জবাবে তিনি খুব স্পষ্ট করে নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, ‘কোনও সহিংস কর্মসূচি দেওয়া যাবে না।’
উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অপর আসামি তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ জনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
-

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক রাতে
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান। গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, আগামীকাল ৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সিলেটে মাজার জিয়ারত করতে যাবেন। তাই খালেদা জিয়ার সফর এবং গতকাল অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় ওঠে আসা প্রস্তাব, পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা নিয়ে পর্যালোচনা সাপেক্ষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
-

আদালত অবমাননা করছেন বিএনপি নেতারা
জীবন নিউজ, ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়ার রায় কী হবে সেটা আদালত জানে। কিন্তু কী রায় হবে সেটা না জেনেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব আদালতকে হুমকি দিচ্ছেন। এর মানে তারা আদালতকে অবমাননা করেছেন এবং করছেন। বিষয়টি আদালতের নজরে নেয়া উচিৎ। তিনি বলেন বেগম খালেদা জিয়ার মামলায় আদালতের রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে সরকার নয়, জনগণই তা প্রতিহত করবে।
রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের গোগনগরের কয়লাঘাট এলাকায় তৃতীয় শীতলক্ষা সেতুর প্রথম পিলারের পাইলিং কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় সেতু মন্ত্রী সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে নির্মিত ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়কের গোগনগর ও কাশিপুর ক্ষতিগ্রস্ত দুইটি পুন:নির্মিত সেতুর উদ্বোধন করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মনে করেছে ইলেকশনে না গিয়ে আবারো বিনা প্রতিদ্বন্দিতার ফাঁদ তৈরী করবে। এটা যদি তারা ভেবে থাকে তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হবে না। এবারের নির্বাচনে অনেকগুলো দল অংশগ্রহন করবে।
সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি-জামায়াতের নাশকতা পরিকল্পনা মোকাবেলায় সরকারের প্রয়োজন হবে না, জনগণই যথেষ্ট। আমরা কাজ করতে চাই। কাজের চেয়ে প্রচার বেশি করতে চাই না। কাজ করলে মানুষ দেখবে এবং কাজ দেখেই মানুষ বলবে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি সেলিম ওসসান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান, জেলা শাসক মো. রাব্বী মিয়া, জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেল শরফুদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনীম জেবিন বিনতে শেখ, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মোহাম্মদ বাদল, কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগ নেতা কাউসার আহমেদ পলাশ প্রমুখ।
-

আদালতের স্বাধীনতায় সরকারের কোন হস্তক্ষেপ নেই
জীবন নিউজ, ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশের আদালত স্বাধীনভাবে দায়িত্বপালন করছেন। সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। যার প্রমাণ সরকারের অনেক মন্ত্রী, এমপি ও ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীও কারাগারে রয়েছে। গতকাল দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরে, হেমায়েতপুর-মানিকগঞ্জ- সিংগাইর আঞ্চলিক সড়কের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ সময় আরো বলেন, যদি আদালত স্বাধীন না হতো তাহলে খুনের মামলায় আওয়ামী লীগের এমপি কারাগারে থাকত না। আদালতের স্বাধীনতায় সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার কী সাজা হবে এটা আদালতের এখতিয়ার। সাক্ষ্য প্রমাণ ও তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে সরকারের কোনো হাত নেই। আদালত কী রায় দেবে সেটাতো আদালতের বিষয়। আদালতের রায়ও বিএনপি মানে না। তারা কার বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। আদালতের বিরুদ্ধে যারা হুমকি দিতে পারে আমরা মনে করি তাদের হাতে দেশ, গণতন্ত্র ও বিচার ব্যবস্থা কোনোটাই নিরাপদ নয়। নির্বাচনের আগেই বিএনপি নির্বাচনে জিততে চায়। ২০১৩/১৪ সালের মতো নির্বাচনের নামে বিএনপি যদি জ¦ালাও পোড়াও করতে চায় তাহলে জনগণই তাদের প্রতিহত করবে। আওয়ামী লীগে কোনো অনুপ্রবেশকারী নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দল ও দেশের কাছে যে ব্যক্তি গ্রহণযোগ্য তাকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হবে। সংসদ নির্বাচনে তিন মাস পর পর জরিপ হচ্ছে যে ব্যক্তি জরিপে এগিয়ে থাকবে তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। মন্ত্রীর সঙ্গে এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমরসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
