Category: রাজনীতি

  • ভোটে অযোগ্য করার নীলনকশা চলছে : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

    ভোটে অযোগ্য করার নীলনকশা চলছে : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে আমাকে সরাতে এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার জন্য “নীলনকশা” প্রণয়ন করছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে আমার বিরুদ্ধে এই মামলা দেওয়া হয়েছে।
    ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী ও নেতারা হুমকি দিচ্ছেন, আমাকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বিদায় করে দেওয়া হবে। মামলা শেষ হওয়ার আগেই বিচার নিয়ে কথা বলছেন, মুখে মুখে রায় দিয়ে দিচ্ছেন তারা। এসব বক্তব্য আদালত অবমাননার শামিল। তারা বলছেন যে, এই মামলায় আমার সাজা হয়ে যাবে। আমাকে কাশিমপুর কারাগারে রাখা হবে। এতে আমার আশঙ্কা হচ্ছে, আমি এই মামলায় আদৌ ন্যায়বিচার পাব না। ’ গতকাল রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে দেওয়া বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন এসব কথা বলেন। বেলা ১১টার দিকে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের বিশেষ আদালতের এজলাসে পৌঁছান। এর আগে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে তিনি তার গুলশানের বাসা থেকে রওনা দেন। আদালতে হাজিরা দেওয়ার পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার স্থায়ী জামিনের জন্য আবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, অ্যাডভোকেট আবদুর রেজ্জাক খান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার প্রমুখ। শুনানি শেষে স্থায়ী জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে বিচারক ড. আখতারুজ্জামান বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেন, ‘ম্যাডাম! আপনি যেমন আছেন তেমনি থাকবেন। ’ এরপর স্থায়ী জামিন না দিয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন তিনি। বিএনপি নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, জয়নুল আবদিন ফারুক, ফজলুল হক মিলন, শহিদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, নাজিমউদ্দিন আলম, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ প্রমুখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আত্মপক্ষ সমর্থনের তৃতীয় দিনে প্রায় ২০ মিনিটের বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া বলেন, ‘আমার মাঝেমধ্যে মনে হয়, শেখ হাসিনার কাছে জাদুর কাঠি আছে। সেই জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়ম-চাঁদাবাজিসহ সব মামলা সরকারে আসার পর উঠে গেছে অথবা খারিজ হয়ে গেছে। আমাদের হাতে তেমন কোনো জাদুর কাঠি না থাকায় আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো সচল হয়েছে, রকেটের গতিবেগ পেয়েছে। এমনকি আরও নতুন নতুন মামলা হয়েছে। ’

    এর আগে খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবীরা তাকে স্থায়ী জামিন দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়ে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির শীর্ষনেত্রী। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও বয়স্ক নারী। এই বিবেচনায় তিনি স্থায়ী জামিন পেতে পারেন। অন্যদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। দুদকের আইনজীবী বলেন, খালেদা জিয়া জামিনের অপব্যবহার করেছেন। কাজেই তাকে স্থায়ী জামিন দেওয়া উচিত নয়। শুনানি শেষে আদালত বলেন, জামিন স্থায়ী হবে না। বিচারক বেগম জিয়ার উদ্দেশে বলেন, ‘ম্যাডাম! আপনি যেমন আছেন তেমন থাকবেন। ’ এরপর পরবর্তী শুনানির জন্য ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন বিচারক। এ ছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এই আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে তা পরিবর্তনের জন্য হাই কোর্টে করা আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম মুলতবি রাখার আবেদন করেন। আদালত সে আবেদনও নাকচ করে দেয়। আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য শেষে খালেদা জিয়া আদালত মুলতবি রাখার প্রার্থনা করেন। পরে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি আদালত ত্যাগ করেন। বিএনপিপ্রধান তার বক্তব্যে বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে জনগণের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং বিচার বিভাগ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছি। আমি বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বও পালন করেছি। দেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে নিরলস প্রয়াসে কখনো বিরতি দিইনি। ’

    এ সময় আদালতের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার জবানবন্দিকালে নিজেকে আইন ও বিচারের ঊর্ধ্বে মনে করি না। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই যে, একই ধরনের মামলায় অভিযুক্ত হয়েও আরেকজন নেত্রী যেসব সুবিধা ভোগ করেছেন, আমি কখনো আদালতের কাছে তেমন সুবিধা দাবি করিনি। আমি দেশের একজন সাধারণ সিনিয়র সিটিজেনের প্রাপ্য অধিকারটুকু পেলেই খুশি। আইনসম্মতভাবে ন্যায়বিচার ছাড়া আদালতের কাছে আমার চাইবার আর কিছু নেই। আত্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে আমি এসব কথা বলছি না। আমার এই অবস্থান, ভূমিকার বিনিময়ে বাড়তি কোনো সুবিধা বা মর্যাদা দাবি করার কোনো অভিপ্রায়ও আমার নেই। ’ বিএনপি চেয়ারপারসন আরও বলেন, ‘আজ আমার প্রতি যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে তা আমার অবস্থান ও ভূমিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা এবং এর মাধ্যমে আমার প্রতি কোনো বৈষম্য করা হচ্ছ কিনা, তাও আদালতের বিবেচনার বিষয়। ’ খালেদা জিয়া আরও বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মামলাগুলো একের পর এক সচল হয়েছে ও গতিবেগ পেয়েছে। হয়েছে নতুন নতুন আরও মামলা। দেশে কত গুরুত্বপূর্ণ মামলা বছরের পর বছর ধরে চলছে। কত মামলা ঝুলে আছে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে মামলাগুলো পেয়েছে রকেটের গতি। যেন কেউ পেছন থেকে তাড়া করছে, শিগিগর শেষ করো। তড়িঘড়ি করে একটা রায় দিয়ে দাও বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। কেন, কোন উদ্দেশ্যে এবং কীসের জন্য এত তাড়াহুড়া? এই তাড়াহুড়ায় কি ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে? নাকি ন্যায়বিচারের কবর রচিত হবে?’ তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে জাদুর কাঠি থাকলেও আমরা বলতাম না মামলা প্রত্যাহার করুন। আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করতাম। এখনো আদালতের কাছে কেবল ন্যায়বিচারই প্রত্যাশা করছি। আশা করি, সকল প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে আমাদের প্রতি আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার করা হবে। ন্যায়বিচারের কথা জোর দিয়ে এত বার বার আমি বলছি, এর কারণ আছে। কারণটা হলো, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে কিনা সে ব্যাপারে দেশবাসীর গভীর সন্দেহ রয়েছে। আমরাও শঙ্কিত। তা ছাড়া বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই রিপোর্ট, মতামত ও বিশ্লেষণ প্রকাশিত হয়েছে। সরকারের উচ্চ মহলের কার্যকলাপ, তৎপরতা এবং বক্তব্য-বিবৃতি থেকে তা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। ’ তিনি বলেন, ‘আদালত-প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রীদের অনেক সদস্য এবং শাসক দলের অনেক নেতা আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে বক্তব্য দিয়েছেন। আমাকে অভিযুক্ত করে বিরূপ প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা এসব মামলার রায় কী হবে, তা আগাম জানেন। ’

  • কক্সবাজার ছেরে উখিয়ার পথে খালেদা জিয়া

    কক্সবাজার ছেরে উখিয়ার পথে খালেদা জিয়া

    জীবন নিউজ : মিয়ানমার বাহিনীর হত্যা-নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করতে উখিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    সোমবার সকাল ১১ টা ২৫ মিনিটে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউজ থেকে উখিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হন।
    কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদেরসহ সব মিলিয়ে ১৫টি গাড়ি যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।
    বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ৪৪ টি ট্রাকে করে ১১০ টন ত্রাণ নিয়ে কক্সবাজার গেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
    সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে উখিয়া কলেজে নির্মিত সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে ১‘শ সাড়ে সাত টন ত্রাণ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন বিএনপির স্থায়ী কমিরি সদস্য মির্জা আব্বাস। বাকী আড়াই টন ত্রাণ উখিয়ার কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খালেদা জিয়া বিতরণ করবেন।
    মোট ১১ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান। এর মধ্যে ৫ হাজার প্রসূতি ও ৫ হাজার শিশু খাদ্যও রয়েছে।
    ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে বেগম খালেদা জিয়া আজ বিকালে চট্টগ্রামের পথে যাত্রা করবেন। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করার কথা রয়েছে তার। আগামীকাল মঙ্গলবার তিনি ঢাকা ফিরবেন।

  • চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে বের হয়েছেন খালেদা জিয়া

    চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে বের হয়েছেন খালেদা জিয়া

    জীবন নিউজ, গাড়িবহর থেকে: মিয়ানমার থেকে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেখতে ও তাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতে কক্সবাজারের উদ্দেশে চট্টগ্রাম সার্কিক হাউজ থেকে বের হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
    রোববার বেলা ১২ টা ১০ মিনিটে খালেদা জিয়া চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ ত্যাগ করেন।

  • কক্সবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন

    কক্সবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন

    ঢাকা: মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে ও তাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
    শনিবার সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে তিনি গুলশানের বাসা থেকে বের হন।
    তার সফরসঙ্গী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যাক নেতাকর্মী রয়েছে।

  • বিএনপির সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

    বিএনপির সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

    জীবন নিউজ, ঢাকা: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ারের মৃত্যুতে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ারের মৃত্যুর কারণে সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

    সোমবার রাত ১টা ২০মিটিনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এমকে আনোয়ার রাজধানীর কাটাবন এলাকার এলিফেন্ট রোডে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কাটাবন মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা শেষে লাশ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনা হয়েছে। নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার কফিনে শ্রদ্ধা ও দুপুর ১২টায় দ্বিতীয় জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে। এর পর বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তৃতীয় জানাজা শেষে এমকে আনোয়ারের লাশ তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় নেয়া হবে। সেখানে গ্রামের বাড়িতেই চির নিদ্রায় শায়িত হবে বিশিষ্ট এই রাজনীতিবিদ।

  • রাজধানীতে জলাবদ্ধতা দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়: সাঈদ খোকন

    রাজধানীতে জলাবদ্ধতা দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়: সাঈদ খোকন

    ঢাকা: অতিবৃষ্টির কারণেই রাজধানীতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত কোনো সমাধান দেয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
    শনিবার গণমাধ্যমকে তিনি একথা বলেন।
    সাঈদ খোকন বলেন, গত দুই দিন দুই রাত ধরে একটানা বৃষ্টিপাত হয়েছে। এভাবে অতি বৃষ্টি হওয়ার কারণে সড়কে পানি জমে গেছে। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ও ঢাকা ওয়াসার পক্ষ থেকেও পানি অপসারণে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হওয়ায় পানি দ্রুত অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
    তিনি জানান, নগরীর ড্রেন উন্নয়নে কাজ চলছে। এটি শেষ হলে তখন স্বাভাবিক বৃষ্টি হলে সড়কে পানি জমবে না। পানি অপসারণে একটু সময় দিতে হবে বলেও তিনি জানান।