Category: রাজনীতি

  • প্রতিবেশী দেশের দাদাগিরির কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

    প্রতিবেশী দেশের দাদাগিরির কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘পদ্মা বাঁচাও গণসমাবেশ’ এর আগে মহানন্দা নদীর ওপর নির্মিত রাবার ড্যাম পরিদর্শন শেষে বললেন, “প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সমতাভিত্তিক সম্পর্ক বজায় থাকবে, দাদাগিরির কোনো সুযোগ নেই। ক্ষমতায় গেলে পদ্মা-তিস্তার পানি বণ্টন ও ফারাক্কা ইস্যুতে গুরুত্ব দেবে বিএনপি।”

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “প্রত্যেক দেশ তার নিজের স্বার্থ দেখবে এটাই স্বাভাবিক। পদ্মার পানি বণ্টন নিয়ে মূলত সমস্যা, ২০২৬ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। পদ্মার পানি আটকে দিয়ে জীবন-জীবিকা বিনষ্ট করা হয়েছে। দেশের স্বার্থ আগে দেখতে হবে। তবে নির্বাচিত সরকার ছাড়া এই ধরনের স্বার্থ হাসিল করা কঠিন হবে।”

    আমাদের প্রতিবেশী দেশ ইচ্ছে করলেই আমাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারে। আমি মনে করি, যুদ্ধের সময় তারা আমাদের সহযোগিতা করেছে, সেই হিসেবে আরও বেশি করে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা দরকার বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

    বিএনপির এ নেতা আরও যোগ করে বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত সরকারের সময়ে উল্টো তারা (ভারত) আমাদের চাপে ফেলেছে। সব নিয়ে গেছে, বিনিময়ে আমাদের কিছু দেয়নি। এটা আওয়ামী লীগ সরকার, হাসিনা সরকারের ব্যর্থতা। আমাদের কমিটমেন্টে আমরা কমিটেট। এটা আমাদের রাজনীতি। এখানকার পানির হিস্যা, সীমান্তে হত্যা, আমাদের ব্যালেন্স অব চেইন ঠিক করা এগুলোয় আমরা বেশি গুরুত্ব দিতে চাই। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমতার ভিত্তিতে। তবে, আমাদের ওপর ভারতের দাদাগিরি বন্ধ হোক এটা আমরা চাই।”

    ‘বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি দল। এর মধ্যে দিয়ে তারা রাজনীতিতে ফায়দা নিতে চায়। এ ব্যাপারে বিএনপি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না। আরেকটা দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে এদের দ্বারা দেশের পরিবর্তন ও রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না’-যোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

  • জিয়াউর রহমান হত্যায় হাসিনা-এরশাদ জড়িত: কর্নেল অলি

    জিয়াউর রহমান হত্যায় হাসিনা-এরশাদ জড়িত: কর্নেল অলি

    অনলাইন ডেস্ক:      লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ড. অলি আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা ও এরশাদ জড়িত। সম্প্রতি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ড. অলি আহমদ বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসার ১৭ দিনের মাথায় জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তারা জড়িত। হাসিনা তো পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ধরা পড়েন আখাউড়া সীমান্তে।

    শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের হত্যার বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের হত্যার পর পুরা বাংলাদেশে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। আনন্দ উল্লাস করে সাধারণ জনগণ যে, নমরুদের হাত থেকে দেশ মুক্ত হয়েছে। শেখ মুজিবুরের পরিবার ছিলেন বাংলাদেশের জন্য ধ্বংসের পরিবার। পরবর্তী পর্যায় হাসিনাকে দেখে বোঝা যায়।শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতীর পিতা ঘোষণার বিষয়ে তিনি বলেন, তিনি তো ছিলেন সর্বসর্বা। সামরিক বাহিনীর শক্তি ছিল দুর্বল। আমাদের কিছু করার ছিল না।

    তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার হত্যার সময় হাসিনা জার্মানে ছিলেন। ওখান থেকে হুমায়ূন রশীদের সহয়াতায় ভারতে যান। ভারতের দ্বারা প্রশিক্ষিত হয়ে তিনি বাংলাদেশে আসেন। দেশে আসার ১৭ দিনের মধ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এর সঙ্গে এরশাদও জড়িত।

    তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের হত্যার পর শেখ হাসিনা ও সাজেদা চৌধুরি আখাউড়া সীমান্তে ধরা পড়েন। আমরা তাদের সম্মানের জন্য এটা প্রকাশ করি নাই।

    ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পর জিয়াউর রহমান মুক্তি পান। এ বিষয়ে অলি আহমদ বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্টের পর তিনি কোনোটার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। সবাই মিলে একটি সরকার গঠন করল মোস্তাকের নেতৃত্বে। মোস্তাক সামরিক শাসন জারি করল। দেশকে অস্থিতিশীল করার দায়ে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হলো। এ বিষয়ে জিয়ার কোনো হাত ছিল না।

    তিনি বলেন, আমরা ভারতের অঙ্গ রাজ্য হওয়ার জন্য যুদ্ধ করি নাই। আমরা চেয়েছি বাংলাদেশের জনগণ দেশকে শাসন করবে ও দেশকে সামাল দেবে। অন্যের হস্তক্ষেপ মেনে নেব না। কিন্তু খালেদ মোশারাফ আওয়ামী লীগের হয়ে ভারতের দালাল হিসেবে কাজ করছিল। যার ফলে শেখ মুজিবুরের মত পরিণতি হয়েছিল তার।

  • গণভোট আগে হওয়ার যৌক্তিকতা নেই : সালাউদ্দিন

    গণভোট আগে হওয়ার যৌক্তিকতা নেই : সালাউদ্দিন

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বুধবার রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটের বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে সাক্ষাতে বললেন, “গণভোট আগে হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা এখন নেই, সময় নেই। তাছাড়া প্রয়োজনও নেই। কারণ একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে যদি আমরা একটা ছোট্ট ব্যালটে এই গণসম্মতিটা নিতে পারি, সেটাই হবে সবচাইতে যৌক্তিক, প্রাসঙ্গিক, গ্রহণযোগ্য এবং অতিরিক্ত ব্যয় হবে না।”

    সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, “নোট অব ডিসেন্ট ছাড়া গণভোট আয়োজন করার কোনো বিষয়ই ঐকমত্য কমিশনে আলোচনা হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলো যেসব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাবে তা নিয়ে জাতীয় সনদ হবে এবং পরবর্তী নির্বাচিত সংসদ সনদ বাস্তবায়ন করবে- এই বক্তব্য থেকে প্রধান উপদেষ্টা সরে যেতে পারেন না।”

    তিনি বলেন, “এখানে ক্ল্যাশ অব ইন্টারেস্ট আছে। এ সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। আমরা রাজনৈতিক দল হিসেবে সহযোগিতায় থাকব, ভোটে অংশগ্রহণ করব, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করব। কিন্তু সেই সরকারের প্রধান হিসেবে এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি হিসেবে যে সুপারিশগুলো সরকারের কাছে দেওয়া হলো, সেখানে অনেকটা আমি বলব যে জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার থেকে বহুদূরে সরে গিয়েছেন।”

    বিএনপির এ নেতা বলেন, “আমরা আশা করি এমন কোনো পদক্ষেপ সরকার নেবে না, যার মধ্য দিয়ে জাতিতে বিভক্তি সৃষ্টি হবে, অনৈক্য সৃষ্টি হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি ‘নিরপেক্ষ’ আচরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

    ‘আলোচনার শেষ পর্যায়ে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হওয়ার দু’একদিন আগে প্রধান উপদেষ্টা সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে বসলেন। আমরা সেখানে প্রস্তাব করেছি যে একটা ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেই জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হোক এবং সেই সনদের বাস্তবায়নের জন্য সবাই আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হব’-উল্লেখ করেন সালাউদ্দিন আহমদ।

    তিনি আরও বলেন, “সেই হিসেবে সনদ প্রণীত হয়েছে এবং সেই সনদে প্রায় ৮৪টি দফা ছিল। সেই ৮৪টি দফার বিভিন্ন দফায়, সব দফায় নয়, আমাদের এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট ছিল। এই নোট অব ডিসেন্ট প্রথাগত নোট অব ডিসেন্ট নয়। সেই নোট অব ডিসেন্টে লেখা আছে যে, এই দফাগুলো যে রাজনৈতিক দল অথবা জোট যে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, সেটা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রকাশ করে যদি জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত হয়, তাহলে তারা সেই মতে বাস্তবায়ন করতে পারবে।”

    বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে নির্বাচনী সমঝোতা হচ্ছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনীতিতে এ সমস্ত বিষয়ে শেষ কথা তো বলা যায় না। তবে এখনো পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দল, যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিল, এর বাইরে যারা গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ছিল, কিছু ইসলামিক দলসহ আমরা আরও কিছু দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে চাই।

    এনসিপির সঙ্গে আলোচনার খবর অস্বীকার করলেও সমঝোতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে চান না সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এনসিপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হব কি হব না বা তারা আমাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ইলেকশন করবে কি করবে না, সেটার কোনো প্রস্তাব তাদের পক্ষ থেকেও আসেনি আর আমাদের পক্ষ থেকেও যায়নি। তবে একদম সেই সমঝোতা বা সেই জোট হবে না- এটাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেজন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

    ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনে থাকবে না, ওই কারণে আগামী নির্বাচন অবৈধ হবে বা অংশগ্রহণমূলক হবে না- এ ধারণার সঙ্গে আমরা একমত নই’-যোগ করেন বিএনপির এ নেতা।

  • কুমিল্লায় তৃণমূলের দাবিতে উত্তাল রাজপথ — “হাজী ইয়াসিনকেই চাই বিএনপির প্রার্থী হিসেবে”

    কুমিল্লায় তৃণমূলের দাবিতে উত্তাল রাজপথ — “হাজী ইয়াসিনকেই চাই বিএনপির প্রার্থী হিসেবে”

    দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে রাজপথে সংগ্রাম করে আসা এই নেতার প্রতি কর্মীদের ভালোবাসা ও আস্থা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে। আন্দোলনকারীরা বলছেন, “যিনি দুঃসময়ে ছিলেন, তাকেই সুখের দিনে দেখতে চাই ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে।”

    তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান, এই আন্দোলন কেবল মনোনয়নের দাবিতে নয়; এটি ত্যাগ, নেতৃত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক হাজী ইয়াসিন ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

    তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি দিতে কুমিল্লা থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াসিনকেই মনোনয়ন দিতে হবে।

  • আমজনতার দলের তারেককে আপিল করতে বললেন ইসি সচিব

    আমজনতার দলের তারেককে আপিল করতে বললেন ইসি সচিব

    অনলাইন ডেস্ক:     নিবন্ধনের দাবিতে অনশনে থাকা আমজনতার দলের সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমানকে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার আহ্বান জানিয়েছেন সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
    রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
    আমজনতার দলের সদস্য সচিব তারেক রহমানের নির্বাচন ভবনের সামনে অনশন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আইনগতভাবে আমরা যা বলার, তা চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি। এখন তারা চাইলে আপিল করতে পারেন এবং ঘাটতিগুলো পূরণ করে পুনরায় আবেদন করতে পারেন। আপিল, সংশোধন, পরিমার্জন বা সময় বর্ধনের বিষয়গুলো প্রচলিত প্রথা। আমি আন্তরিকভাবে অনুরোধ করব— যেন তারা অনশন ভঙ্গ করে আইনগত প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যান।’
    তিনি বলেন, ‘যদি তারা পুনর্বিবেচনা বা সংশোধনের আবেদন করতে চান, তাহলে কমিশনের সচিব বরাবর আবেদন করতে পারেন। আবেদন করলে কমিশন সেটি বিবেচনায় নেবে কি নেবে না, সেটি পরবর্তী বিষয়। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
    নির্বাচন ভবনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন ভবন একটি কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠান। তাই সবাইকে সম্মানজনক ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। আরপিও’র ধারাবাহিকতায় সংশোধনের আবেদন মঞ্জুর করা হলেও, আপিলের বিষয়টি আইন অনুযায়ী কমিশন বিবেচনা করবে। কেউ যদি যেকোনো সময় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন, সেটিও গ্রহণযোগ্য।
    রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ প্রসঙ্গে ইসি সচিব জানান, নির্বাচন কমিশন সংলাপ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলের আচরণবিধিমালার গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় আছি। গেজেটটি প্রকাশ পেলেই আমরা সংলাপের সময়সূচি চূড়ান্ত করব।’
  • দুই কোটি টাকায় নিবন্ধন পেয়েছে ডেসটিনির আম জনগণ পার্টি: তারেক

    দুই কোটি টাকায় নিবন্ধন পেয়েছে ডেসটিনির আম জনগণ পার্টি: তারেক

    অনলাইন ডেস্ক:     ডেসটিনি গ্রুপের প্রধান রফিকুল আমীনের নেতৃত্বে গঠিত আম জনগণ পার্টি দুই কোটি টাকার বিনিময়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন পেয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন আম জনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। একই সঙ্গে অভিযোগটি খতিয়ে দেখার জন্য ইসিকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    শনিবার (৮ নভেম্বর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে দলের নিবন্ধন না মেলার প্রতিবাদে অনশনরত অবস্থায় তিনি এই অভিযোগ করেন। টানা ১০০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তিনি অনশন করছেন বলে জানান।

    তারেক বলেন, ডেসটিনির দলকে (আম জনগণ পার্টি) দুই কোটি টাকার বিনিময়ে নিবন্ধন পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বৈঠক করে টাকার বিনিময়ে নিবন্ধন নিশ্চিত করেন। আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বলবো- এখনই ওই দলের নিবন্ধন বাতিল করুন।

    নিজ দল নিবন্ধন পায়নি বলে এমন অভিযোগ করছেন কিনা? অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রমাণ আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক বলেন, নিবন্ধন নিয়ে ইসির তদন্ত কর্মকর্তারা মাঠে পর্যবেক্ষণে যাবেন। কিন্তু হোটেলে কীসের আলোচনা? ডেসটিনির রফিকুল আমীনের দল নিয়ে যে কর্মকর্তারা হোটেলে বৈঠক করেছেন, সেখানে একজন কর্মকর্তা ভাগ কম পেয়েছেন। সেজন্যই ওই কর্মকর্তা আমাদের সব বলে দিয়েছেন। এখন আমি অভিযোগ তুলেছি। ইসির উচিত হবে সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখা।

    তিনি আরও বলেন, আমার দল নিবন্ধন পায়নি বলে অভিযোগ করছি, তা নয়। রাস্তায় দশটা গাড়ির মধ্যে যদি একটা গাড়ির চালক দুষ্টু বালক হন- আপনি ভালো গাড়ি চালাতে পারবেন? পারবেন না। রফিফুল আমীন হচ্ছেন রাজনীতিতে তেমন (দুষ্টু বালক)। এজন্য তার দলের নিবন্ধন বাতিল করা উচিত।

    তারেক বলেন, তিনি কি জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন? ছিলেন তো জেলে। ৪৩ লাখ গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ করে জেলে গিয়েছিলেন। আমাদের আন্দোলনের ফসল হিসেবে তিনি মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তি পেয়ে দল করেছেন সম্পদ রক্ষা করতে।

    উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর থেকে নির্বাচন ভবনের সামনে অনশন করছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি এখন অসুস্থ হয়ে পড়েছি। ইসির এক যুগ্ম সচিব বৃহস্পতিবার এসে আমার বক্তব্য শুনেছেন, কিন্তু এখনো কোনো জবাব দেননি।’