Category: রাজনীতি

  • খালেদা জিয়ার চিকিৎসা: যুক্তরাজ্যের মেডিকেল টিম এভারকেয়ারে

    খালেদা জিয়ার চিকিৎসা: যুক্তরাজ্যের মেডিকেল টিম এভারকেয়ারে

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য থেকে আসা চার সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন।

    ড. রিচার্ড বিউলের নেতৃত্বে মেডিকেল প্রতিনিধি দলটি বুধবার এভারকেয়ার হাসপাতালের চতুর্থ তলার সিসিইউতে প্রবেশ করেন।

    তারা খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করেন এবং হাসপাতালের স্থানীয় মেডিকেল টিমের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেন।

    তথ্য সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে এসেছে। স্থানীয় চিকিৎসক দলের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তারা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।

  • দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই জিয়া পরিবারের শক্তি: তারেক রহমান

    দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই জিয়া পরিবারের শক্তি: তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়েছেন, “দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই জিয়া পরিবারের শক্তি ও প্রেরণার উৎস।”

    পোস্টে তারেক রহমান লিখেন, “বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য যেভাবে সহযোগিতা ও শুভকামনা জানানো হচ্ছে, জিয়া পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিভিন্ন দেশের নেতা, কূটনীতিক ও বন্ধুরা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা, পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষের অপরিসীম ভালোবাসা ও দোয়া, সবকিছু আমাদের আবেগ ও অনুভূতিকে গভীরভাবে স্পর্শ করছে।”

    ‘দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই আমাদের পরিবারের শক্তি ও প্রেরণার উৎস। মমতাময়ী দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমরা সবাই নিরন্তর দোয়া করছি। এই কঠিন সময়ে ঐক্য, সহমর্মিতা ও সংহতির জন্য প্রতিটি মানুষের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা রইলো’-উল্লেখ করেন তিনি।

    উল্লেখ্য, ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির সমস্যাসহ নানান শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। সবশেষ গত ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠান শেষে বাসায় ফেরেন। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শ্বাসকষ্ট তীব্র হয়। এ অবস্থায় গত ২৩ নভেম্বর তাকে জরুরিভিত্তিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা জানান তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। সঙ্গে আরও কিছু জটিলতা আছে।

  • দেশ পুনর্গঠনে বিএনপিই নির্ভরযোগ্য শক্তি বলে ফখরুল

    দেশ পুনর্গঠনে বিএনপিই নির্ভরযোগ্য শক্তি বলে ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রাণ সঞ্চার হলো বিএনপিতে। সাবেক গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক এবং অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন। তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই অনুষ্ঠানে তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন এবং আত্মত্যাগের পর দেশে এমন এক পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত। সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে এবং বিএনপি এই প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছে। তিনি জানান, জনগণ সুযোগ পেলে প্রতিনিধিত্বশীল সংসদ নির্বাচন করবে এবং সেই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনর্গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    পটভূমি তুলে ধরে মহাসচিব বলেন, বিগত স্বৈরাচারের সময়ে বহু চড়াই উতরাই পার হয়েই আজকের রাজনৈতিক সম্ভাবনার ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি সংস্কার কমিশন কাজ করছে যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো সনদে স্বাক্ষর করেছে। বিএনপির নেতৃত্ব বিশ্বাস করে এই আলোচনাগুলো দেশের রাজনীতিকে ভিন্নধারায় নিয়ে যাবে।

    সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুযোগ পেলে বিএনপি দেশকে গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ অর্থনীতির পথে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে। তার ভাষায়, বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং সেই অভিজ্ঞতা নতুন বাংলাদেশের সম্ভাবনায় ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, জনগণ সমর্থন দিলে দলটি অর্থনীতি, রাজনীতি এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় প্রয়োজনীয় রূপান্তর ঘটাতে পারবে।

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি জানান, তিনি এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশি এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা যৌথভাবে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। ফখরুল বলেন, “চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। আমরা সবাই তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।” বিস্তারিত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ব্রিফিং করে জানাবেন।

    রেজা কিবরিয়ার যোগদানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বিএনপি। ফখরুল বলেন, রেজা কিবরিয়ার মেধা এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দলে নতুন গতি আনবে। শুধু নিজ এলাকা নয়, সারা দেশেই তার প্রভাব বিস্তার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক পুনর্গঠনের এ সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিএনপিতে যোগদানের আগ্রহ বেড়েছে যা দলের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধির প্রতিফলন।

    মহাসচিবের মতে, গণতান্ত্রিক পরিবর্তন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার একমাত্র নির্ভরযোগ্য শক্তি হিসেবে বিএনপিকে মানুষ দেখছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন এবং পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতিতে তিনি দলের অবস্থান তুলে ধরেন।

  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি : রিজভী

    খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি : রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক:     বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারী কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধানী।তার অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন বলে দলের পক্ষ থেকে আগে জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে শঙ্কা ভর করেছেন দেশবাসীর মনে।

    রোববার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সবশেষ শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ বলেন, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি; তিনি এখনও একই জটিল অবস্থায় রয়েছেন।

    তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড এখনো কোনো পরামর্শ দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।তিনি জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের সব কর্মসূচি স্থগিত করেছে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    হাসপাতালের সামনে বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় এড়ানোর পরামর্শ দিয়ে রিজভী বলেন, হাসপাতালে অতিরিক্ত ভিড় সৃষ্টি হলে চিকিৎসা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। এজন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে হাসপাতালের সামনে ভিড় না করতে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দোয়া করবেন।দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিতভাবে চিকিৎসকদের যোগাযোগ হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সার্বিক শারীরিক খোঁজ-খবর মেডিকেল বোর্ডই দিচ্ছে।

    উল্লেখ্য, ৮১ বছর বয়সি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর আগে ১৫ অক্টোবর তিনি এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। একদিন থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।

    এর আগে গত ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। সেখানে ১১৭ দিন অবস্থান শেষে ৬ মে দেশে ফেরার পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।

  • অনির্বাচিত সরকার দেশের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না

    অনির্বাচিত সরকার দেশের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না

    অনলাইন ডেস্ক:      লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সূচি এবং চট্টগ্রাম বন্দরের দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ইংরেজি পোস্টে তিনি বলেন, দেশের দীর্ঘমেয়াদি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এমন একটি সরকার নিচ্ছে, যাদের জনগণের নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই। তিনি সতর্ক করেছেন, এসব সিদ্ধান্তের প্রভাব বছরের পর বছর সাধারণ মানুষ বহন করতে হবে।

    তারেক রহমান উদাহরণ দিয়ে দেখান, গাজীপুরের একটি ছোট পোশাক কারখানার মালিক দীর্ঘ দশক ধরে ব্যবসা গড়ে তুললেও হঠাৎ রপ্তানি শুল্ক সুবিধা কমে গেলে অর্ডার হারানো, শ্রমিকদের বেতন দিতে হিমশিম খাওয়া এবং পরিবারকে নিরাপদে রাখা কঠিন হয়ে যায়। একইভাবে নারায়ণগঞ্জের এক তরুণীর পরিবারের সংকট তুলে ধরেছেন, যারা ওভারটাইমের ওপর নির্ভরশীল। রপ্তানি কমলে প্রথমে ওভারটাইম কমানো হয়, পরে শিফটে কাটছাঁট, শেষে চাকরি হারানোর ঝুঁকি দেখা দেয়। তিনি বলেন, “এগুলি সংবাদ শিরোনামে আসে না, তবে লাখো মানুষের জীবনে নীরব সংকট তৈরি করে।”

    তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের এলডিসি উত্তরণের সময়সূচি নিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত ‘সম্পূর্ণ রাজনৈতিক’ এবং তা নিচ্ছে একটি অন্তর্বর্তী সরকার, যাদের জনগণের ভোট নেই। তার প্রশ্ন, কেন বিকল্প পথ বন্ধ করে আন্তর্জাতিক আলোচনায় যাওয়ার আগেই নিজেদের দর–কষাকষির শক্তি দুর্বল করা হচ্ছে। তারেক রহমান বলেন, ব্যাংকিং খাতের চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিরতা, ঋণের ঝুঁকি এবং রপ্তানির ধীরগতি প্রমাণ করে প্রস্তুতি ছাড়া শুধুমাত্র অধিকার পাওয়াই যথেষ্ট নয়।

    চট্টগ্রাম বন্দরের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তও তিনি একইভাবে দেখছেন। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল এবং পানগাঁও নৌ টার্মিনাল পরিচালনার ভার বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার মতো বিষয়গুলো কৌশলগত প্রতিশ্রুতি। তারেক রহমান বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বিষয়টি হলো দেশের প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক আদর্শ রক্ষা করা। একটি অনির্বাচিত সরকার দেশের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না।”

    তিনি ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট করে বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনোই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নীরব থাকে না। মানুষ চায় সম্মান, অংশগ্রহণ এবং নিজের কণ্ঠের মূল্য দিতে। তাই ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন হবে দেশের জনগণের জন্য কথা বলার, নির্বাচন করার এবং সহজ সত্য পুনর্ব্যক্ত করার সুযোগ। তারেক রহমানের মতে, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে তারা, যারা এখানে বসবাস করে এবং বিশ্বাস করে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।

  • এনসিপির ঘোষণা, বিএনপি জামায়াতের বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোট

    এনসিপির ঘোষণা, বিএনপি জামায়াতের বাইরে নতুন রাজনৈতিক জোট

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি জামায়াতের বাইরে খুব শিগগিরই আরেকটি নতুন রাজনৈতিক জোট আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ ও চাঁদাবাজ বিরোধী এই জোট আগামী নির্বাচনে সবকটি ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে প্রস্তুত।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দুদিনব্যাপী মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কয়েক দিনের মধ্যেই দেশবাসী বিএনপি জামায়াতের বাইরে একটি নতুন রাজনৈতিক অ্যালায়েন্স দেখতে পাবে। তাঁর ভাষায়, এই জোট “সংস্কারের পক্ষে, নারীদের পক্ষে, আলেম ওলামাদের পক্ষে এবং দুর্নীতি সন্ত্রাস চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কাজ করবে।”

    সংবাদ সম্মেলনে পাটওয়ারী জানান, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই নতুন জোটের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি বলেন, “একটি নতুন অ্যালায়েন্স দেখতে পাবে দেশবাসী যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে এগোতে চায়।”

    দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, ভারত এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক শক্তি জাতীয় পার্টিকে ব্যবহার করে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে পারে। তাঁর দাবি ছিল, রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রশাসন ভাগ বাটোয়ারার পুরোনো চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন বাস্তবতায় সমঝোতার পথে হাঁটতে হবে।

    এনসিপি নেতারা মনে করেন, আসন্ন জাতীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন এই মেরুকরণ তৃতীয় শক্তি হিসেবে প্রভাব ফেলতে পারে। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দুদিনের মতবিনিময় শেষে এই সংবাদ সম্মেলনে নেতারা জানান, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে পরিবর্তনের একটি “বাস্তবসম্মত বিকল্প” তৈরি করতে চায় এনসিপি এবং সম্ভাব্য নতুন জোট।