Category: রাজনীতি

  • ‘ইতিহাসের কালো পাতায় ড.কামাল হোসেনের নাম লিখা হবে’

    ‘ইতিহাসের কালো পাতায় ড.কামাল হোসেনের নাম লিখা হবে’

    জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের জঘন্য সব অপরাধীদের দোসর হিসেবে ইতিহাসের কালো পাতায় ড. কামাল হোসেনসহ কতিপয় মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবীদের নাম লিখা হবে।

    শনিবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় তার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

    তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এখনো সময় আছে ড. কামাল হোসেনসহ কতিপয় মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবীরা যারা বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তারা বিএনপি-জামায়াতকে বর্জন করে জনতার পক্ষে আসতে পারে।

    বিএনপি-জামায়াত এবং সব ধরনের খুনিরা ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে এক হয়ে বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপদজনক হয়ে উঠেছে তাই বাংলাদেশকে বাংলাদেশের পথে এগিয়ে নিতে এই নির্বাচনে মহাজোটকে আরেকবার জনতার রায় দিতে আহবান জানান হাসানুল হক ইনু।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম স্বপন, ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আকতারুজ্জামান মিঠু, সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র শামিমুল ইসলাম ছানা, ভেড়ামারা উপজেলা জাসদের সভাপতি এমদাদুল ইসলাম আতা, সাধারন সম্পাদক এস এম আনছার আলী, আশিকুর রহমান ছবি, মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলীসহ মহাজোটের নেতৃবৃন্দরা।

  • ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেবেন ড. কামাল

    ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেবেন ড. কামাল

    রাজধানীর ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেবেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন।

    রবিবার সকালে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা লতিফুল বারী হামীম।

    একই সঙ্গে ড. কামাল হোসেন ভোটারদের সকাল সকাল কেন্দ্রে যেয়ে ভোট দিতে অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাত পোহালেই ভোট, দেশে এখন উৎসবের আবহ থাকার কথা কিন্তু মানুষের মনে এখনও অনেক সংশয়, সন্দেহ। এ সংশয় দূর করা খুবই জরুরি। সম্মানিত ভোটারদের অনুরোধ করছি। আপনারা সকাল সকাল কেন্দ্রে যান, ভোট দিন, আপনারা ভয় পাবেন না, আপনারা গেলে দুর্বৃত্তরাই পালিয়ে যাবে। জনগণের শক্তির সাথে তারা পারবে না।’

  • নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা হলে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা হলে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, দেশের মানুষ কোনো বিশৃঙ্খলা দেখতে চায় না। কোনো অবস্থায় ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা কঠোরভাবে মোকাবেলা করবে।
    তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। পাশাপাশি আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের দিক দিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছে। কাজেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ যদি বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা মোকাবেলা করবে।
    আজ শনিবার জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রী ১৯৭৫ সালের কারাগারে বন্দী অবস্থায় নিহত জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী এবং আবু হেনা মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের  প্রতিকৃতিতে পুস্তস্তবক পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
    উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল আজ রবিবার ঘোষণা হতে পারে। ১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে  সাক্ষাতের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি। তফসিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আমরা ৪ নভেম্বর মিটিং করব। কমিশনের সদস্যরা একসঙ্গে বসব। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
  • আন্দোলনে নামার নির্দেশ বিএনপি হাইকমান্ডের

    আন্দোলনে নামার নির্দেশ বিএনপি হাইকমান্ডের

    সরকারের সাথে চলমান সংলাপে আস্থা রাখতে পারছে না বিএনপি। সেই সাথে নিরাশ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন তাদের জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টও। গতকাল ঐক্যফ্রন্ট নেতারাও বলেছেন, সরকার সংলাপের নামে ‘ভন্ডামী’ ও ‘প্রতারণা’ করছে। আমরা এদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাবো। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে অনুষ্ঠিত সংলাপ নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। বিএনপির হাইকমান্ড ইতিমধ্যে তাদের নেতা-কর্মীদের আন্দোলনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বার্তা দিয়েছেন।
    বার্তায় বলা হয়েছে, ‘গ্রাম, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা, জেলা, পৌরসভাসহ সকল পর্যায়ে যার যার অবস্থান থেকে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। আন্দোলনের মাঠে আমাদের দেখা হবে। রাজপথ ছাড়া আমাদের কোন গত্যন্তর নেই। এই সরকার সংলাপের নামে কালক্ষেপণ করছে। আন্দোলন থেকে বিমুখ করার জন্য প্রহসন চালাচ্ছে। দাবি না মানলে সাত দফাকে সরকার পতনের এক দফায় রূপান্তরিত করতে হবে।’
    বেগম খালেদা জিয়া কারা সেল থেকে এমন বার্তা পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এছাড়া গত ৩০ অক্টোবর লন্ডনে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আন্দোলনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে সংলাপ নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে বলা হয়েছে, আর সংলাপ নয়, রাজপথের আন্দোলনেই সমাধান আসবে। এ জন্য ৬ নভেম্বর রাজধানীতে জনসভা থেকে কঠোর বার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া শিগগিরই দলের ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদ, যুগ্ম মহাসচিব ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসারও প্রস্তুতি চলছে। এবার আন্দোলনে জেলাগুলোর পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে বিএনপির নেতাদের এক বৈঠকে জামায়াত জানিয়েছে, তারা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।
    দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য ইত্তেফাককে বলেন, এটা স্পষ্ট যে এখন যে সংলাপ চলছে সেটা হলো সরকারের কালক্ষেপণের একটা কৌশল। বিএনপি আর সংলাপ নিয়ে আশার আলো দেখছেন না। সংলাপে কোন সমাধান হবে না। আন্দোলন ও নির্বাচন দুটি বিষয়কে সামনে রেখেই অগ্রসর হবো আমরা। আমাদের হাইকমান্ড থেকে নির্দেশনা আছে আন্দোলনের। এনিয়ে একটা পথনকশাও আছে আমাদের হাতে। আন্দোলনেই সমাধান আসবে। তিনি আরো বলেন, সরকারি দল চাইলে আবার আমরা গণভবনে যাবো। কারণ সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার দায় আমরা নিবো না। আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা নিয়ে ইতোমধ্যে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে আমাদের নেতাদের আলোচনা হয়েছে। তবে এবার আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ। কারণ আমাদের সঙ্গে ড. কামাল হোসেন আছেন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে তিনিই সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন।
    শুক্রবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে একজন নেতা সার্বিক বিষয়ে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের মতামত তুলে ধরেন। এদিকে জানা গেছে, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে রূপরেখা তৈরি করেছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ছোট পরিসরে ফের সংলাপ হলে তিনি রূপরেখা প্রধানমন্ত্রীকে দেবেন। সংলাপ না হলে বাহক মারফত প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। এই প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সংলাপ নিয়ে আমরা যতটা আশাবাদি ছিলাম ততটাই হতাশ হয়েছি। আমাদের কোন দাবিই মানা হয়নি। ফলে আলোচনার মাধ্যমে সম্ভব না হলে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দাবি পূরণ করতে হবে।
    বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, সংলাপে কোন দাবি পূরণ হবে বলে মনে হচ্ছে না। নেত্রীকে মুক্ত করতে চাইলে, নিরপেক্ষ নির্বাচন চাইলে আন্দোলন করতে হবে। তা শুরু হবে উপযুক্ত সময়েই। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সংলাপের ফলাফল কি হবে তা এখন দেশের মানুষ চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারে। এর ফল শূন্য। এটা একটা তামাশা।
    ঐক্যফ্রন্ট নেতা নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সংলাপ ফলপ্রসূ হয়নি। আমরা দাবি পেশ করেছি, প্রধানমন্ত্রী পরোক্ষভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। উনি আমাদের আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। আমরা দাবি আদায়ে লড়াই করবো। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবো। তবে সংলাপও চলতে হবে।
  • ছোট পরিসরে সংলাপ চেয়ে আজ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবেন ড. কামাল

    ছোট পরিসরে সংলাপ চেয়ে আজ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবেন ড. কামাল

    এবার ছোট পরিসরে সংলাপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আজ রবিবার চিঠি দেবেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে দুইজন প্রতিনিধি সকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই চিঠি পৌঁছে দেবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বার ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে আবারও চিঠি দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত হয়।
    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও গতকালের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠক শেষে ফখরুল সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, ১ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপ হয়েছে। সেখানে একটি আলোচনা হয়েছিল যে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যতে স্বল্প পরিসরে আরও আলোচনা হতে পারে। সেই আলোচনার আলোকেই ফ্রন্টের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে সংলাপের জন্য রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীকে আরেকটি চিঠি দেওয়া হবে।
    ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং স্বল্প পরিসরে আলোচনা হতে পারে। সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন তফসিল ঘোষণা না করা হয়, সেজন্য ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতেও উল্লেখ থাকবে। এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, চলমান সংকট নিরসনের লক্ষ্যেই আমরা আবারও সংলাপে বসতে আগ্রহী।
     ড. কামালের সভাপতিত্বে ঐক্যফ্রন্টের গতকালের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে বিএনপির ফখরুল ছাড়াও ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও আবদুল মালেক রতন; গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও ড. আ ব ম মোস্তাফা আমীন প্রমুখ অংশ নেন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, বৈঠকে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকীকে ঐক্যফ্রন্টে যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। অন্যদিকে, কাদের সিদ্দিকীকে ফ্রন্টে সম্পৃক্ত হওয়ার অনুরোধ জানাতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ দলটির কয়েকজন নেতা গতকাল তার বাসায় গেছেন বলে জানা গেছে।
  • রক্তের বন্যা বইবে : হেফাজতের হুমকি

    রক্তের বন্যা বইবে : হেফাজতের হুমকি

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় যে ইজতেমা আহ্বান করেছেন তাবলিগের সা’দপন্থী গ্রুপ তা বাতিল করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জেলা হেফাজতে ইসলামের আমির ও শহরের ডিআইটি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল আউয়াল। তিনি হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ‘আলেম-ওলামাদের বাদ দিয়ে এভাবে শূরাকে উপেক্ষা করে জেলায় যে ইজতেমার আহ্বান করা হয়েছে তা বন্ধ না করা হলে রক্তের বন্যা বইয়ে যাবে।

    গতকাল জুমার নামাজের পর শহরের ডিআইটি জামে মসজিদের সামনে ওলামা পরিষদের আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এ কথা বলেন তিনি।

    এর আগে ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় শহরের আমলাপাড়াতে স্বর্ণপট্টিসংলগ্ন ছোট মার্কাজ মসজিদে তাবলিগের বিবদমান দু’টি গ্রুপের হাতাহাতি হয়। ওই সময়ে মাওলানা আবদুল আউয়ালকে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল বাদ জুমা বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে মাওলানা আউয়াল বলেন, বৃহস্পতিবার আমরা নিয়মমাফিক কালীরবাজার মসজিদে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের অপমান করা হয়েছে। পুলিশ না থাকলে আজকে আমার লাশ পড়ে থাকত। তাই বলতে চাই, রক্ত থাকা পর্যন্ত আর ছাড় দেবো না। তাবলিগের ইজতেমা হবে টঙ্গিতে। এটাই সিদ্ধান্ত। নারায়ণগঞ্জে সা’দপন্থীরা সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে যে ইজতেমার কথা বলছেন আড়াইহাজারে সেটা করতে দেয়া হবে না। কালীরবাজার মার্কাজ মসজিদে আর কোনো কার্যক্রম করতে দেয়া হবে না, যত দিন সিদ্ধান্ত না হয়।

    সভায় বক্তব্য দেন মুফতি মাসুম বিল্লাহ, রহমতউল্লাহ বুখারী, ইসমাইল হোসেন আব্বাসী, জাকির হোসেন কাসেমী প্রমুখ।
    বৃহস্পতিবার লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় মুফতি আনিস আনসারী সদর মডেল থানায় একটি জিডি করেছেন।