Category: রাজনীতি

  • গণভবনে রবিবার ১৪ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক

    গণভবনে রবিবার ১৪ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক

    আগামী রবিবার আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওইদিন রাত আটটায় গণভবনে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
    বৈঠকে উপস্থিত থাকতে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, জাতীয় পার্টি-জেপি, সাম্যবাদী দল, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণআজাদী লীগ, বাসদ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ও গণতন্ত্রী পার্টিসহ সকল শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
    জানা গেছে, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ডাকা ১৪ দলের শীর্ষ নেতাদের এ বৈঠকে জোটের নির্বাচনী কৌশল, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিরোধী পক্ষের বিভিন্ন দাবি ছাড়াও নির্বাচনে ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
  • দুই দাবি না মানলে নির্বাচনে যাবে না বিএনপির শরিকরা

    দুই দাবি না মানলে নির্বাচনে যাবে না বিএনপির শরিকরা

    অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ৭ দফায় ছাড় না দিতে বিএনপিকে পরামর্শ দিয়েছে ২০ দলীয় জোটের শরিকরা। তাদের বক্তব্য,বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া, শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ বহাল রেখে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা যাবে না। সংলাপে এ সব বিষয়ে অনড় থাকার কথা দৃঢ়ভাবে বলেন জোট নেতারা। গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে শরীক দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেন।
    বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যে, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার মহানগর নাট্য মঞ্চে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত গণঅনশনে অংশগ্রহণ করবে ২০ দলীয় জোট নেতারা।
    প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে আজকের সংলাপ নিয়ে মূলত: আলোচনা হয়। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জোটের শরীকদের সংলাপের বিষয়ে অবহিত করেন। তিনি তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, ২০ দলীয় জোট যেখানে আছে, সেখানেই থাকবে। তাদের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক আগের থেকেও দৃঢ় হয়েছে। যা আগামীতেও থাকবে। কখনো কাউকে অবমূল্যায়ন করা হবে না। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, বৈঠকে সরকারের সংলাপের উদ্যোগকে ২০ দলীয় জোট স্বাগত জানিয়েছে। ২০ দল আশা করে যে, দেশের যে চলমান সংকট চলছে, তা এই সংলাপের মাধ্যমে একটা সুষ্ঠু ফলাফল বয়ে আনবে। বিএনপিকে ৭ দফার আলোকে সংলাপ করার পরামর্শ দিয়েছে ২০ দলীয় জোটের শরিকরা।
    ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমদ মনি ইত্তেফাককে বলেন,আমরা ২০ দলের শরিকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে,জোট প্রধান বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোন নির্বাচন হবে না। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল রেখে এবং সংসদ না ভেঙ্গে তা বহাল রেখে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো না। তিনি বলেন, আমরা সংলাপকে স্বাগত জানিয়েছি।সংলাপের সাফল্য কামনা করেছি। তবে সংলাপে সাত দফা নিয়ে আলোচনা করার জন্য বিএনপির প্রতি আহবান জানিয়েছি।
    জামায়াতের প্রতিনিধি মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমরা বিএনপির ওপর আস্থাশীল। বর্তমান দুঃশাসন থেকে মুক্তির জন্য তাদের এক দফা দাবি আদায়ে যা যা করার দরকার তাতে তার দলের সম্মতি রয়েছে। আমরা ঐক্যফ্রন্টে যেতে চাই না। আমরা তাদের সফলতা কামনা করি। ২০ দল থেকে বিএনপি ঐক্যফ্রন্টে প্রতিনিধিত্ব করছে।তাদের সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত।
    বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন,এ ধরনের সংলাপে ২০ দলীয় জোটের শরীক শীর্ষ নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করলে ভালো হতো। তবে এটা নিয়ে আমাদের কারো মনে আপসোস নেই। নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সাত দফা দাবির একটি থেকেও বিএনপি যেন পিছু না হটে।
    বৈঠকে গণস্বাস্থ্য বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করায় নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াত ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম, বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মো. ইসহাক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, মুফতি ওয়াক্কাস, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাঈদ আহমেদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমদ মনি, জাতীয় পার্টি (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরী প্রমুখ।
  • সংলাপ-আন্দোলন একসঙ্গে চলবে: মওদুদ

    সাত দফা দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে সংলাপ, রাজপথে আন্দোলন, নির্বাচনের প্রস্তুতি- একসঙ্গে চলবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

    বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, সংলাপে সাত দফার আলোকেই আলোচনা হবে। সংলাপ-আন্দোলন ও নির্বাচন একসঙ্গে চলবে। যতদিন পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে, ততদিন পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।

    তিনি বলেন, সরকার সংলাপ করতে সম্মত হয়েছে। এতদিন ধরে যে কৌশল নিয়ে আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছি, সেটি ফলপসূ হয়েছে।

    মওদুদ আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রীরা সংলাপে নাকোচ থাকলেও এখন তারা দেশের মানুষের মনের কথা উপলব্ধি করায় তাদের ধন্যবাদ জানাই।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, রুহুল আলম চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ উপস্থিত আছেন।

  • ড. কামালের বাসায় আ’লীগের সংলাপের চিঠি

    ড. কামালের বাসায় আ’লীগের সংলাপের চিঠি

    সংলাপের আহ্বান জানিয়ে ঐক্যফ্রন্টের দেয়া চিঠির জবাব দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে সংলাপের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণপত্র ঐক্যফ্রন্ট আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের কাছে পৌঁছে দিয়েছে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল।

    মঙ্গলবার সকালে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় যান তারা। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের চিঠি নিয়ে সকালে ড. কামালের বাসায় যাই। এ সময় সংলাপের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া সংবিধানসম্মত আলোচনার জন্য এখন প্রস্তুত আওয়ামী লীগ। আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর প্যাডে শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে কামাল হোসেনকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছে, সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। আপনার ২৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখের পত্রের জন্য ধন্যবাদ। অনেক সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে সংবিধানসম্মত সকল বিষয়ে আলোচনার জন্য আমার দ্বার সর্বদা উন্মুক্ত।

    তাই আলোচনার জন্য আপনি যে সময় চেয়েছেন, সে পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ০১ নভেম্বর ২০১৮ তারিখ সন্ধ্যা ৭টায় আপনাকে আমি গণভবনে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

    এ বিষয়ে কামাল হোসেনের দল গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু বলেন, বৃহস্পতিবার ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল গণভবনে যাবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সব দলের প্রতিনিধি সেখানে থাকবেন। আজই নামের তালিকা তৈরি করে পাঠিয়ে দেয়া হবে।

    তিনি বলেন, আমরা শুধু ৭ দফা নয়, অন্যান্য বিষয় ও বর্তমান যে বিষয়গুলো আছে সেই বিষয়গুলো নিয়ে দেশে একটা অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাব আমরা।

    গত রোববার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং সাধারণ সম্পাদক বরাবর দুটি চিঠি দিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সংলাপে বসার কথা জানান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী নিজেই সংলাপের নেতৃত্ব দেবেন বলে জানান তিনি।

    এর আগে গত রোববার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে সাত দফা দাবি এবং ১১টি লক্ষ্যসংবলিত চিঠি দেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফীকুল্লাহ চিঠি পৌঁছে দেন।

    চিঠিটি গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আবদুস সোবহান গোলাপ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী ও সদস্য এসএম কামাল হোসেন।

    এর আগে ঐক্যফ্রন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শনিবার দুপুরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবন এবং ওবায়দুল কাদেরের বাসায় চিঠি পৌঁছে দেয়ার। কিন্তু দুজনই পটুয়াখালীতে থাকায় চিঠি দেয়া হয়নি।

    পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনসহ ২১ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী শনিবার সেখানে সফরে যান।

    ওবায়দুল কাদেরসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং দলের শীর্ষ নেতারা তার সফরসঙ্গী হন।

    গত শুক্রবার রাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে চিঠির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল শনিবার দুপুরের মধ্যে ওই দুজনের কাছে চিঠি পৌঁছে দেয়ার।

    এদিকে শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরকে চিঠি দেয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন নেতারা।

    স্থায়ী কমিটির এক নেতা যুগান্তরকে বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই সংলাপে বসতে প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফাসহ একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়। তার আগে নির্বাচন কমিশনেও একটি স্মারকলিপি দেয়া হবে।

  • চাপের মুখে আওয়ামী লীগ সংলাপে বসছে না: কাদের

    কোনো চাপের মুখে নতি স্বীকার করে আওয়ামী লীগ সংলাপে বসছে না বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দরজা কারো জন্য বন্ধ না।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টা হচ্ছে ড. কামাল হোসেন সাহেব ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন, অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে নেত্রী বলেছেন, আমার সঙ্গে কেউ দেখা করতে চাইলে, তার দরজা আমার জন্য বন্ধ না।

  • বারিধারায় চলছে পুনর্গঠিত বিকল্পধারার প্রথম বৈঠক

    বারিধারায় চলছে পুনর্গঠিত বিকল্পধারার প্রথম বৈঠক

    সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বারিধারার বাসভবন ‘মায়াবি’তে পুনর্গঠিত বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডিয়াম বৈঠক শুরু হয়েছে।

    রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়।

    বি চৌধুরীর প্রেস সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, বিকল্পধারায় নতুন কে কে যোগ দেবেন, যুক্তফ্রন্ট পরিসর বাড়ানোসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হবে।

    বৈঠকে প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, শমসের মবিন চৌধুরী, গোলাম সারোয়ার মিলন, মাহী বি চৌধুরী, আবদুর রউফ মান্নান ও অধ্যাপক আনোয়ারা বেগম উপস্থিত আছেন।