Category: রাজনীতি

  • ধানের শিষ এখন পেটের বিষ: ওবায়দুল কাদের

    ধানের শিষ এখন পেটের বিষ: ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি এখন দেউলিয়া দল। দেশের মানুষ তাদের বর্জন করেছে। তাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ধানের শিষ এখন পেটের বিষ।রোববার সকালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, আগে এই কর্ণফুলী ছিল বিএনপির দখলে। এখন রয়েছে আমাদের দখলে। আশা করছি আগামীতেও কর্ণফুলীর মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ দেবে।তিনি বলেন, চট্রগ্রামের মানুষ আর বিএনপিকে চায় না। এখন বিএনপি মহাসমাবেশের ডাক দিলেও সামবেশে লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। অথচ আওয়ামী লীগের সমাবেশে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কানায় কানায় পূর্ণ থাকে।চট্রগ্রামের মানুষকে আবারও নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, পান খাইয়া হাসিতে হাসিতে নৌকাকে ভাসাইতে ভাসাইতে ডিসেম্বরে বন্দরে পৌঁছাইয়া দেবেন তো? আপনাদের ভোটের মাধ্যমেই বিদায়ের বন্দরে পৌঁছে যাবে নৌকা।

  • ফের জয় চায় আওয়ামী লীগ পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি

    ফের জয় চায় আওয়ামী লীগ পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি

    বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৫ সংসদীয় আসন। বুড়িচং উপজেলায় রয়েছে ৯টি ইউনিয়ন আর ব্রাহ্মণপাড়ায় ৮টি। একাদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে এরই মধ্যে এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা প্রচারে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন।

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এ আসনে তাদের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। অন্যদিকে বিএনপি আসনটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া। জাতীয় পার্টি চায় আসনটি তাদের দখলে নিতে। মাঠে আছেন সাবেক আইনমন্ত্রী বর্তমান এমপি আবদুল মতিন খসরু এবং বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ।

    এ আসনে ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ, ১৯৮৬ সালে স্বতন্ত্র, ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টি এবং ২০০১ সালে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন অধ্যক্ষ মো. ইউনুছ। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির মজিবুর রহমান মজু এমপি হন।

    এছাড়া ১৯৯১, ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচন, ২০০৮ ও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু এমপি নির্বাচিত হন। একাদশ সংসদ নির্বাচনেও আবদুল মতিন খসরু দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। তিনি নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করেছেন।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশসহ গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। আবদুল মতিন খসরু ছাড়াও এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠে আছেন একাধিক নেতা।

    কুমিল্লা বারের সভাপতি ও বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম খান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক ও বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন স্বপন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবদুছ ছালাম বেগ নির্বাচনী মাঠে জনসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    এদিকে বিএনপি ২০০৮ সালে এ আসনে মনোনয়ন দেয় দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শিল্পপতি এএসএম আলাউদ্দিনকে। ওই নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাকে আর এলাকায় তেমন দেখা যায়নি বলে দলের নেতাকর্মীরা জানান।

    এরপর দলকে সুসংগঠিত করতে দুই উপজেলার (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) সাংগঠনিক দায়িত্বে আসেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শওকত মাহমুদ। এখানে তার নেতৃত্বে দল ঐক্যবদ্ধ এবং তিনি দলের সম্ভাব্য একক প্রার্থী বলে স্থানীয় অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন।

    তবে বিএনপির সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মো. ইউনুছ ও এএসএম আলাউদ্দিন দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান মজু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মো. জসিম উদ্দিন জসিম, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মো. মিজানুর রহমান।

    বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরুর সমর্থকরা জানান, এ আসনের দুটি উপজেলায় মতিন খসরুর প্রচেষ্টায় এ যাবৎ ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকণ্ড হয়েছে। রাস্তাঘাট, বিদ্যুতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া।

    আবদুল মতিন খসরু মনোনয়ন পেলে এ আসনে আওয়ামী লীগই জয়ী হবে। আবদুল মতিন খসরু এমপি বলেন, ভবিষ্যতে অন্য কোনো দল ক্ষমতায় এলে এলাকার উন্নয়ন করতে হবে না, আমার রেখে যাওয়া রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টের মেরামত করলেই চলবে। আমি নির্বাচিত হয়ে ৯ বছরে শেখ হাসিনার সহযোগিতায় বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া দুই উপজেলায় কয়েক হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন করেছি।

    প্রত্যেক এলাকায় প্রতিটি গ্রামে, স্কুল-কলেজে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণপাড়ায় সড়ক উন্নয়ন, মেরামত, ব্রিজ নির্মাণ, ৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামত ও আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন উন্নয়নের ক্ষেত্রে ৬০৫ কোটি ৫৪ লাখ ৪৯২ টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে।

    বুড়িচং উপজেলায় ব্রাহ্মণপাড়ার চেয়ে বেশি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। দুই উপজেলায় প্রায় শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। এলাকার হাজার হাজার বেকার যুবক-তরুণীকে চাকরি দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। আগামী নির্বাচনে জনগণ আমাকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে দুই উপজেলাকে আমি শহরে পরিণত করব।

    কুমিল্লা বারের সভাপতি, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম খান যুগান্তরকে বলেন, দলীয় মনোনয়ন চাইব। নৌকা প্রতীকের তথা আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের জন্য দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষে কাজ করব।

    আওয়ামী লীগের অপর মনোনয়নপ্রত্যাশী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক ও বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন স্বপন প্রচার প্রসঙ্গে বলেন, নির্বাচনী মাঠে আছি। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি। এবার আমি দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী।

    কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবদুছ ছালাম বেগ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগের পাশাপাশি প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্রুপিং রাজনীতির বিরোধিতা করে তিনি এর আগে নগরীতে সংবাদ সম্মেলন করে আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি যুগান্তরকে বলেন, দলের মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।

    ২০০৮ সাল থেকে এ আসনের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার টানিয়ে এবং মহাসড়কের পাশে বিলবোর্ডের মাধ্যমে প্রার্থিতা জানান দিয়ে প্রচার চালিয়ে আসছেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের ঢাকা বিভাগের আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী।

    তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া যিনি নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পাবেন, তার পক্ষে কাজ করবেন বলেও জানান। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে ডিজিটাল প্রার্থী দরকার। এনালগ প্রার্থী দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে না।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শওকত মাহমুদ এ বিষয়ে যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি একটি বড় দল, এখানে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে হয়তো মান-অভিমান থাকতে পারে, কিন্তু এখন কোনো কোন্দল নেই, সবাই ঐক্যবব্ধ।

    আগামী নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থক ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনবে, ইনশাল্লাহ। বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষ পরিবর্তন চায়, নতুন নেতৃত্ব চায়। তরুণরাই অধিকাংশ ভোটার।

    তাদের স্বপ্ন ছিল কর্মসংস্থান ও সুন্দর ভবিষ্যৎ। তাদের স্বপ্ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আগামী নির্বাচনে তারা তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমার পাশে দাঁড়াবে। যারা মুরব্বি রয়েছেন, বিষাক্ত রাজনীতির নামে তাদের অসম্মান করা হয়েছে।

    তারাও আমাকে চায়। তিনি আরও বলেন, যারা মনোনয়ন পাবেন অপপ্রচার করছেন, তারা গত ১০ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছিলেন না। আমাকে ২০১০ সাল থেকে এ দুই উপজেলার সাংগঠনিক সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহসভাপতি এএসএম আলাউদ্দিন ভূঁইয়া যুগান্তরকে বলেন, আমি আশাবাদী মনোনয়ন পাব। তবে দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সবসময়ই শ্রদ্ধাশীল।

    কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মো. জসিম উদ্দিন জসিম বলেন, দলীয় মনোনয়ন চাইব। দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। ২০ দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী বোর্ড যাকে যোগ্য মনে করে তাকে মনোনয়ন দেবে।

    যোগ্য যে কাউকে মনোনয়ন দিলে আমরা ধানের শীষের বিজয়ের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমরা যেহেতু দল করি, তৃণমূলে আমাদের সম্পর্ক রয়েছে, তাই নির্বাচনে মনোনয়ন চাওয়ার অধিকারও রয়েছে।

    এরই মধ্যে দলকে আমি সুসংগঠিত করেছি। আমাকে মনোনয়ন দেয়া হলে আগামী নির্বাচনে দলের পক্ষে এ আসনটি উদ্ধার করা সম্ভব বলে আশা করছি। এছাড়া দল যাকে মনোনয়ন দেবে, আমরা ধানের শীষের বিজয়ের জন্য কাজ করব।

    অপরদিকে জাতীয় পার্টি থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চাইবেন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া জাতীয় পার্টির সমন্বয়ক, বুড়িচং উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. তাজুল ইসলাম। তিনি এলাকায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

    তিনি দলের একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন। এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে এ আসনটি মহাজোট থেকে জাতীয় পার্টি চাইবে। মহাজোট থেকে আমি মনোনয়ন পেলে নিশ্চিত জয়লাভ করব। তিনি আরও বলেন, এছাড়া এরশাদ সরকারের আমলে এ অঞ্চলে (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ায়) ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

  • বিএনপি একমাসে কী আন্দোলন করবে: প্রশ্ন কাদেরের

    বিএনপি একমাসে কী আন্দোলন করবে: প্রশ্ন কাদেরের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি গত ১০ বছর ধরে আন্দোলন করতে পারেনি, এখন তারা এক মাসে কী আন্দোলন করবে?

    আন্দোলনের নামে তারা যদি আবারও নাশকতা করে বাসে আগুন দেয়, তবে তাদের প্রতিহত করতে সবার প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।

    শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারে ঢাকা থেকে সড়কপথে কক্সবাজার যাওয়ার সময় কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে প্রথম পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, চায়ের দোকানে বসে নিজ দলের নেতাকর্মীদের বদনাম করা চলবে না। আমাদের বুঝতে হবে আসল প্রতিপক্ষ কে?

    “মাথায় রাখতে হবে, আমাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে বিএনপি। দলীয় প্রার্থীতার ক্ষেত্রে অসুস্থ প্রতিযোগিতা করা যাবে না। মনোনয়ন প্রত্যাশী সবাই হবেন, কিন্তু পাবেন মাত্র একজন।”

    নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সকলের আমলনামা নেত্রীর কাছে জমা আছে। জরিপ হচ্ছে। জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতেই মনোনয়ন দেয়া হবে। এখন আমাদের মার্কা একটাই সেটা হলো নৌকা মার্কা।

    আওয়ামী লীগ আগামীবার ক্ষমতায় আসলে কুমিল্লা উত্তরকে প্রশাসনিক জেলা হিসেবে ঘোষণা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ দলের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করতে আহ্বান জানান। সভা পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত ১০ বছরে ২০টি ঈদ গেছে, আন্দোলন হয় নাই। বিএনপির মরা গাঙ্গে জোয়ার আসবে না তাহলে কি!? বিদ্যুৎ পাচ্ছেন? বিএনপির আমলে বিদ্যুৎ বলতে ছিল শুধু লোডশেডিং?

    সকাল সাড়ে ৮টায় ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সফর শুরু হয়েছে।

    সফরের সূচনা বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের উন্নয়নের বার্তা তৃণমূলে পৌঁছে দিতেই বিমান ও ট্রেন যাত্রার পর সড়কপথে নির্বাচনী যাত্রায় চট্রগ্রাম কক্সবাজার যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতারা।

    তার ভাষায়, এখন আমরা সড়ক পথে চট্রগ্রাম কক্সবাজার যাচ্ছি। যাত্রাপথে কুমিল্লায় পথসভার পর চৌদ্দগ্রাম ও ফেনীতে পথসভা করে রাতে চট্রগ্রামে পৌঁছাব।

    রোববার সকাল নয়টায় চট্রগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে কর্ণফুলী, লোহাগড়া, চকরিয়া, কক্সবাজার ঈদগাহ মাঠে পথসভা করব বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

    আওয়ামী লীগের প্রেসিডয়াম সদস্য আবদুল মতিন খসরু, মহিবুল হাসান চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।

    ৩০ ও ৩১ আগস্ট সিলেট সফরের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী সফর শুরু করেন ওবায়দুল কাদের। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর রেলপথে সাংগঠনিক সফর করে আওয়ামী লীগ।

    নীলসাগর ট্রেনে করে নীলফামারীর উদ্দেশে যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটোর, বগুড়া, জয়পুরহাট, দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলার অন্তর্ভুক্ত রেলস্টেশনগুলোতে পথসভা করেন ওবায়দুল কাদের।

  • নির্বাচনী প্রচার শুরু জাতীয় পার্টি এবার ক্ষমতায় যাবে

    নির্বাচনী প্রচার শুরু জাতীয় পার্টি এবার ক্ষমতায় যাবে

    সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘আমি নিশ্চিত সুষ্ঠু ভোট হলে এবার জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় যাবে।জাতীয় পার্টি আর কোনো দলের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না।’ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলকে আরও সংগঠিত করতে হবে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি করতে হবে। শক্তি সঞ্চয় করতে হবে, কেউ ভোট ডাকাতি করতে চাইলে, জোর করে সিল মারতে চাইলে তাদের প্রতিহত করতে হবে।মঙ্গলবার বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন সিটির এক্সপো জোনে জাতীয় পার্টি আয়োজিত দু’দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তৃতায় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এসব কথা বলেন। এর মধ্য দিয়ে দলটি তাদের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের যাত্রা শুরু করল।কর্মশালায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে আধুনিক ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রচারণা নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা সংক্রান্ত একাধিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সারা দেশ থেকে প্রায় তিন হাজার নেতাকর্মী অংশ নিচ্ছেন।পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙা, আজম খান আলোচনায় অংশ নেন।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পার্টি চেয়ারম্যানের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা শফিউল্লাহ আল মুনির। জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।এরশাদ আরও বলেন, জাতীয় পার্টির নয় বছরের শাসনামল না এলে বাংলাদেশ অন্ধকারেই নিমজ্জিত থাকত। ব্রিটিশ বা পাকিস্তান আমলের অবস্থাতেই থেকে যেত বাংলাদেশ। তিনি বলেন, আমরা উন্নয়ন করেছি, আমরা লুটপাট করিনি। আমাদের দেশ পরিচালনায় খুন, গুম, সন্ত্রাস ছিল না।এরশাদ বলেন, আমরা মানুষ খুন করিনি, আমাদের হাতে রক্তের দাগ নেই। তাই দেশের মানুষ আমাদের ভালোবাসে, মানুষ আবারও জাতীয় পার্টির শাসনামল ফিরে পেতে চায়। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রচারণায় আমরা সাধারণ মানুষের কাছে যাব।নতুন ভোটারদের আকৃষ্ট করব। নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করব, মানুষের মুখে হাসি ফোটাব আমরাই।’ ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার পর থেকে অমানুষিক নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেন, ‘আমার মতো নির্যাতিত নেতা আর কেউ নেই। এত নির্যাতনের পরও শুধু আল্লাহর রহমত আর মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে আছি। মানুষ আমাদের ভুলে যায়নি, আমরা ক্ষমতায় যেতে এখন প্রস্তুত।’তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে ৫০৮৮টি এবং আওয়ামী লীগ ৬০০০ মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করেছে। কিন্তু আমার নামের মামলাগুলো এখনও আছে। কারণ জাতীয় পার্টিকে সবাই ভয় পায়, সাধারণ মানুষের মাঝে জাতীয় পার্টির শক্তিশালী অবস্থান আছে।’জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এমএ সাত্তার, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মো. হাফিজ উদ্দিন, সৈয়দ আবদুল মান্নান, মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, সুনীল শুভরায়, নাসরিন জাহান রত্না এমপি, এসএম ফয়সল চিশতী, মেজর (অব.) খালেদ আকতার, সোলায়মান আলম শেঠ, এম রশিদ, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, শামিম হায়দার পাটোয়ারী।এছাড়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, ইসলামী মহাজোটের চেয়ারম্যান আবু নাছের ওয়াহেদ ফারুক, বিএনএ চেয়ারম্যান সেকান্দার আলী মনি উপস্থিত ছিলেন।আজ এরশাদের সংবাদ সম্মেলন : আজ বুধবার কর্মশালার সমাপনী দিনে বিকাল ৫টায় বসুন্ধরা কনভেনশন সিটির এক্সপো জোনে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নির্বাচনী প্রচারণা, বর্তমান রাজনীতি এবং আগামী জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে কথা বলবেন।

  • লন্ডন থেকে তারেকের কী বার্তা আনছেন ফখরুল

    লন্ডন থেকে তারেকের কী বার্তা আনছেন ফখরুল

    লন্ডনে পৌঁছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তার সঙ্গে রয়েছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল। লন্ডন থেকে আজ দেশে ফেরার কথা বিএনপি মহাসচিবের। দলীয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ৮টায় লন্ডনে পৌঁছান মির্জা ফখরুল। সেখানে পৌঁছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    এর আগে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ডেস্কের এক কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল। ওই বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

    মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল।

    এর পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সঙ্গে মতবিনিময় করেন ফখরুল। এতে অন্তত ৫০ বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুকও ছিলেন।

    সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে বিএনপি নেতারা নির্বাচনের পরিবেশ এবং নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার বিষয়ে ব্রিফ করেন। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে বিএনপির মতামত জানতে চান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। বিএনপি তাদের মতামত দেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে সেখানকার রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যই তাদের বক্তব্য।

    বৈঠকে উপস্থিত দলের এক নেতা জানিয়েছেন, খুব ভালো বৈঠক হয়েছে। আগামী মাসে বিএনপির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর আবারও ফলোআপ বৈঠক করতে পারে। বৈঠকে খালেদা জিয়ার মামলা, সাজা ভোগ এবং জামিনের বিষয়ে কথা বলেন। তারা অভিযোগ করেন, মিথ্যা অভিযোগে তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। এ জন্য বিএনপি নেতারা মনে করেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার মুক্তি।

    থিংকট্যাংকদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন, কোটা পদ্ধতি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় থিংকট্যাংকরা জানতে চান, ক্ষমতায় এলে তারা কী ধরনের পরিবর্তন আনবেন। এ ব্যাপারে বিএনপি নেতারা ভিশন ২০৩০-এর আলোকে কথা বলেন।

    এর আগের দিন বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে সংস্থাটির রাজনীতিবিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিরোস্লাভ জেনকার সঙ্গে বৈঠক করে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি।

    ওই দিন বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টা থেকে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সে জন্য জাতিসংঘের সহায়তা চান তারা।

    এ সময় তারা বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে সরকারের নানা তৎপরতার বিষয়ে জাতিসংঘকে অবহিত করেন। এ ছাড়া দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি, তার অসুস্থতা, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সার্বিক বিষয় বৈঠকে তুলে ধরেন।

    দেশের সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জাতিসংঘের পদক্ষেপ আশা করেন বিএনপির প্রতিনিধিদলের নেতারা। এ সময় বাংলাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারের দমন-পীড়নের কিছু ডকুমেন্টও হস্তান্তর করেন তারা।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ও নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল এবং জাতিসংঘের চারজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে বুধবার নিউইয়র্ক যান বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

  • শেবামেকের গোল্ডেন জুবিলী অক্টোবরে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    শেবামেকের গোল্ডেন জুবিলী অক্টোবরে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    অক্টোবরে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবামেক) প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের মহামিলন মেলা গোল্ডেন জুবিলী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এই লক্ষ্যে এরই মধ্যে আগাম সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে গভর্নর আবদুল মোনেম খান শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন করেন।

    সেই অনুযায়ী চলতি বছরের ২০ নভেম্বর এই কলেজের গোল্ডেন জুবিলী (প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি) হওয়ার কথা থাকলেও আসন্ন সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭, ৮ ও ৯ অক্টোবর অনেকটা ঘটা করেই দিবসটি পালন করার প্রস্তুতি হাতে নিয়েছে শেবামেক কর্তৃপক্ষ ও প্রাক্তন ছাত্র সমিতির নেতারা।