Category: রাজনীতি

  • বিএনপি জাতিসংঘের বৈঠকে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে

    বিএনপি জাতিসংঘের বৈঠকে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে

    বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও দলের পর্যবেক্ষণ নিয়ে জাতিসংঘ সদর দফতরে বৈঠকে বসছে বিএনপি।আগামী নির্বাচন ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টা) সংস্থাটির রাজনীতিবিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিরোস্লাভ জেনকার সঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।এ সফরে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনি গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক হতে পারে। আজকের বৈঠকে যোগ দেয়ার উদ্দেশে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে মঙ্গলবার মধ্যরাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে বাংলাদেশ ছেড়েছেন বিএনপি মহাসচিব।সূত্র জানায়, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলেও বৈঠকে আগামী সাধারণ নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতাকেই বেশি প্রাধান্য দেবে বিএনপির প্রতিনিধিদল।২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে জাতিসংঘের তৎকালীন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর সঙ্গে বৈঠকে সরকার কয়েক মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা করেনি। এ বিষয়টি তুলে ধরে আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে জাতিসংঘের সহায়তা চাওয়া হতে পারে।জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এ বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা। তাদের মতে, জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথের তত্ত্বাবধানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নজির রয়েছে।সরকার শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের উদ্যোগ না নিলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জাতিসংঘের সহযোগিতা চাইতে পারে বিএনপি। সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরাসরি জাতিসংঘের হস্তক্ষেপও চাইতে পারেন তারা।সূত্র জানায়, নিউইয়র্ক যাওয়ার আগে দলের সিনিয়র কয়েক নেতার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বৈঠকে কোন বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে তা চূড়ান্ত করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বিএনপির এক নীতিনির্ধারক জানান, আগামী জাতীয় নির্বাচন, চেয়ারপারসনের মুক্তি, দেশের অব্যাহত গুম, হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সার্বিক অবস্থা তুলে ধরা হবে বৈঠকে। এ জন্য একটি লিখিত বক্তব্য তৈরি করা হয়েছে। দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও ছবির কাটিং সংগ্রহ করা হয়েছে।বিগত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির চিত্রও তুলে ধরা হবে। অনিয়মের একটি প্রতিবেদনও তৈরি করা হয়েছে। সেখানে কীভাবে প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারছেন সেই চিত্রসহ ভিডিও ক্লিপিংসও রয়েছে। সর্বশেষ নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও গণগ্রেফতারের বিষয়টিও জাতিসংঘকে অবহিত করা হবে।সূত্র আরও জানায়, জাতিসংঘের মহাসচিবের আমন্ত্রণে বৈঠকের বিষয়টি পুরোটা দেখভাল করছেন লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ নিয়ে দলের মহাসচিবসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তিনি। অপর একটি সূত্র জানায়, জাতিসংঘে বৈঠক শেষে লন্ডনে যেতে পারেন মির্জা ফখরুল। বৈঠকের বিষয়ে অবহিত করতে ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে তার পরামর্শ নেয়া হতে পারে।জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে বুধবার নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন বিএনপি মহাসচিব। তার সঙ্গে নিউইয়র্ক গেছেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল। স্থায়ী কমিটির এক সদস্যের রাতে নিউইয়র্ক যাওয়ার কথা রয়েছে।এ বৈঠকে অংশ নিতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির লন্ডন থেকে নিউইয়র্কে যাবেন।২৪ আগস্ট জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষে রাজনীতিবিষয়ক সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ জেনকা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বরাবর একটি চিঠি পাঠান। এতে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের সময় বিএনপির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে দলের নেতাদের জাতিসংঘের সদর দফতরে আমন্ত্রণ জানান।আগামী নির্বাচনে সহায়তা ও খালেদা জিয়াকে কারান্তরীণ রাখার বিষয়টি অবহিত করে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ২৮ ফেব্রুয়ারি চিঠি দিয়েছিল বিএনপি। ওই চিঠি ছাড়াও নিয়মিতই বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের ব্রিফ করছে দলটি। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে তারা।জাতিসংঘের মহাসচিবের আমন্ত্রণে নিউইয়র্ক যাওয়ার আগে মঙ্গলবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল। প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠকে সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।একপর্যায়ে স্থায়ী কমিটির এক সদস্য মহাসচিবের বিদেশ যাওয়ার প্রসঙ্গটি উত্থাপন করলে ফখরুল বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে রাতেই তিনি নিউইয়র্ক যাচ্ছেন। এ সময় বৈঠকে বিস্তারিত তুলে ধরেন ফখরুল।

  • সারা দেশে বিএনপির দুই ঘণ্টার প্রতীকী অনশন আজ

    সারা দেশে বিএনপির দুই ঘণ্টার প্রতীকী অনশন আজ

    দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আজ সারা দেশে দুই ঘণ্টার প্রতীকী অনশন করবে বিএনপি।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা মহানগরীতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালনে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে অনুমতি দিয়েছে পুলিশ। আমরা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তন ও সামনের খোলা জায়গায় এ কর্মসূচি পালন করব।

  • বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

    বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

    বিষেশায়িত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রিট আবেদনের শুনানি আগামীকাল মঙ্গলবার ধার্য করেছেন আদালত।সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি শেখ আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।এর আগে রোববার খালেদা জিয়ার আইনজীবী কায়সার কামাল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন। সোমবার এ রিটের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল।উল্লেখ্য, এ বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। এর পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

  • বিএনপির মানববন্ধন দুপুরে, প্রতীকী অনশন বুধবার

    বিএনপির মানববন্ধন দুপুরে, প্রতীকী অনশন বুধবার

    বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আজ সোমবার সারা দেশে মানববন্ধন পালন করবে দলটি। একই দাবিতে আগামী বুধবার দুই ঘণ্টার প্রতীকী অনশন পালন করবে বিএনপি।

    কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে যুগান্তরকে জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে তিন দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার একই দাবিতে দুই ঘণ্টার প্রতীকী অনশন পালন করবে বিএনপি।

    ঢাকায় রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন প্রাঙ্গণ অথবা গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রতীকী অনশনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে দলটি।

    এরআগে রোববার নয়াপল্টনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গণবিচ্ছিন্ন হতে হতে জনগণের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। সেজন্য একমাত্র পুলিশই আওয়ামী সরকারের ‘লোকাল গার্ডিয়ান’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়েই দেশের নিয়ন্ত্রণ মজবুত রাখতে চাচ্ছেন।

    বিএনপি নেতাকর্মীরা লক্ষাধিক মামলায় জর্জরিত দাবি করে তিনি বলেন, বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোধী দলকে দমনের কৌশল অবলম্বন করেছে সরকার। সরকার পাগলের মতো বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে। এমনকি পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব থাকাকালীনও কয়েক জনের নামে মামলা দেয়া হচ্ছে। মৃত ব্যক্তির নামেও মামলা দিচ্ছে তারা।

    এটা কোন ধরনের মামলা? এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    রিজভী বলেন, বাংলাদেশ নামক ‘পুলিশ রাষ্ট্রটি’ এখন শাসিত হচ্ছে এমন এক ব্যক্তি দিয়ে, যার ক্রোধানলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দেশজুড়ে চলছে এখন গায়েবি মামলার ছড়াছড়ি। মৃত ব্যক্তিকেও এখন ককটেল ছুড়ে মারতে দেখছে পুলিশ।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ

    খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ

    এনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটি।

    শনিবার সকাল ৮টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তোপখানা রোডে একটি মিছিল বের করে দলটির নেতাকর্মীরা।

    এতে নেতৃত্ব দেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    মিছিলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান নাসিমসহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    এসময় অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসা দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।

  • উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতেই উত্তরাঞ্চলে আ’লীগের ট্রেন সফর: কাদের

    উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতেই উত্তরাঞ্চলে আ’লীগের ট্রেন সফর: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কাজ তৃণমূলে পৌঁছে দিতে এবং দলকে শক্তিশালী করতেই উত্তরাঞ্চলে আওয়ামী লীগের ট্রেন সফর। ভবিষ্যতে নৌ ও সড়ক পথেও সফর করা হবে।

    শনিবার সকালে নির্বাচনী ট্রেন যাত্রার শুরুতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে উদ্বাধনী বক্তব্যে সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, তৃণমূলের মানুষ যাতে বিএনপি জামায়াতের গুজবের রাজনীতির নিয়ে সচেতন হয়, সে বিষয়ে দলের এই সাংগঠিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সফরে উত্তরের বিভিন্ন স্টেশনে ১১টিরও বেশি পথসভা করার কথা রয়েছে।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা আমাদের নির্বাচনী যাত্রা। যা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। এই ট্রেন যাত্রার মধ্য দিয়ে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে নির্বাচনী সফর করবে আওয়ামী লীগ। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর লঞ্চযোগে নির্বাচনী সফর করব আমরা। এরপর সড়ক পথে আমাদের চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ যাওয়ার কথা রয়েছে।

    “কিছুদিন আগে আমরা রাজশাহীতে নির্বাচনী সফর করে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বার্তা তৃণমূলে পৌঁছে দেয়ার জন্যই আমাদের এই সফর। এর মাধ্যমে আমরা তৃণমূলের কিছু বার্তা দিতে চাই।”

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সামনের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। প্রস্তুতি সেভাবেই নিতে হবে। অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা থাকলে তা নিরসন করা হবে। আমাদের এই যাত্রা তৃণমূল নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করবে।ট্রেন যাত্রার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সফর নিয়ে তিনি যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা থেকে নীলফামারী যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল, পাবনার ঈশ্বরদী, নাটোর, বগুড়ার শান্তাহার, জয়পুরহাট, আক্কেলপুর, দিনাজপুরের বিরামপুর, ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর ও নীলফামারীর সৈয়দপুর স্টেশনে পথসভা করা হবে। সফররত আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, স্বাভাবিক সময়ে ট্রেনের যাত্রাবিরতি তিন থেকে চার মিনিট হলেও পথসভা উপলক্ষে নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি হবে ১০ মিনিট। এই বিরতির ফাঁকেই উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে নির্বাচনী বক্তব্য রাখবেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী এই ট্রেন সফরে অন্যান্য নেতাদের মধ্যে আছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি. এম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ দপ্তর সম্পাদিক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।