Category: লাইফস্টাইল

  • শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে তাকে একা থাকতে দিন

    শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে তাকে একা থাকতে দিন

    লাইফস্টাইল ডেস্ক : অনেক বাবা-মা মনে করেন, সন্তান যেন এক মুহূর্তও একা না থাকে। কেউ তাকে সারাক্ষণ সঙ্গ দিক, খেলুক, কিছু শেখাক বা শিশু ব্যস্ত থাকুক-এটাই যেন ভালো অভিভাবকের পরিচয়। কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে, একা সময় কাটানোও শিশুর মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    একা থাকা মানে একাকিত্ব নয়

    শিশুকে একা থাকতে দেওয়া মানে তাকে অবহেলা করা নয়। বরং এটি শেখার ও চিন্তার সময়। জার্নাল অব চাইল্ড সাইকোলজি অ্যান্ড সাইকিয়াট্রির এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু একা খেলতে বা নিজের মতো সময় কাটাতে পারে, তাদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি। একা সময় কাটালে শিশু নিজেই নিজের অনুভূতি বুঝতে শেখে। এতে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়। শিশু সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকার ফল বিপরীত হতে পারে। আজকাল অনেক শিশু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্লাস, কোচিং ও অনলাইন কার্যক্রমে জড়িয়ে থাকে। এতে মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়, ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়, এমনকি উদ্বেগও বাড়ে। মনোবিদদের মতে, শিশুর সময়সূচিতে কিছুটা ফাঁকা সময় থাকা উচিত, যাতে সে নিজের মতো করে ভাবতে, আঁকতে, গল্প বানাতে ও বিশ্রাম নিতে পারে।

    একা সময় কাটানো শেখানোর উপায়

    ১. ছোট অভ্যাস দিয়ে শুরু করুন: বয়স অনুযায়ী সন্তানকে দিনে ১০-১৫ মিনিট নিজের মতো খেলার সময় দিন।

    ২. ডিভাইস নয়, বাস্তব জগতে: ট্যাব বা ফোনের বদলে বই, রং, পাজল বা সাধারণ খেলনা নিয়ে শিশুকে সময় কাটাতে দিন।

    ৩. নিরাপদ পরিবেশ দিন: শিশুকে জানিয়ে দিন, আপনি আশেপাশেই আছেন, প্রয়োজনে সাহায্য করবেন। তাহলে সে নিশ্চিন্তে নিজের মতো থাকার আত্মবিশ্বাস পাবে।

    ৪. একা থাকা নিয়ে ভয় তৈরি করবেন না: ‘তুমি একা খেলছো কেন?’-এমন মন্তব্য করলে শিশু মনে করবে একা খেলা করা একটি অনুচিত কাজ। এমনটা না বলে তাকে নিজের মতো থাকতে উৎসাহ দিন।

    ৫. নিজের উদাহরণ দিন: আপনি নিজেও যদি কিছুটা সময় একা কাটান, যেমন বই পড়া, গান শোনা, বা হাঁটা, তাহলে শিশু সেটাকে স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে দেখবে।

    কেন এটা জরুরি

    যে শিশু নিজে নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে জানে, সে বড় হয়ে আত্মবিশ্বাসী ও আবেগে স্থিতিশীল হয়। জীবনের চাপ, একাকিত্ব বা ব্যর্থতার সময়ও সে সহজে মানিয়ে নিতে পারে। তাই সন্তানকে সারাক্ষণ ‘ব্যস্ত’ রাখার চেয়ে, মাঝে মাঝে একা থাকতে শেখান। কারণ, সেখান থেকে তৈরি হবে আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাস, চিন্তাশীলতা ও মানসিক দৃঢ়তা।

  • শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে একা থাকতে দিন তাকে

    লাইফস্টাইল ডেস্ক : অনেক বাবা-মা মনে করেন, সন্তান যেন এক মুহূর্তও একা না থাকে। কেউ তাকে সারাক্ষণ সঙ্গ দিক, খেলুক, কিছু শেখাক বা শিশু ব্যস্ত থাকুক-এটাই যেন ভালো অভিভাবকের পরিচয়। কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে, একা সময় কাটানোও শিশুর মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    একা থাকা মানে একাকিত্ব নয়

    শিশুকে একা থাকতে দেওয়া মানে তাকে অবহেলা করা নয়। বরং এটি শেখার ও চিন্তার সময়। জার্নাল অব চাইল্ড সাইকোলজি অ্যান্ড সাইকিয়াট্রির এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু একা খেলতে বা নিজের মতো সময় কাটাতে পারে, তাদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি। একা সময় কাটালে শিশু নিজেই নিজের অনুভূতি বুঝতে শেখে। এতে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়। শিশু সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকার ফল বিপরীত হতে পারে। আজকাল অনেক শিশু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্লাস, কোচিং ও অনলাইন কার্যক্রমে জড়িয়ে থাকে। এতে মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়, ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়, এমনকি উদ্বেগও বাড়ে। মনোবিদদের মতে, শিশুর সময়সূচিতে কিছুটা ফাঁকা সময় থাকা উচিত, যাতে সে নিজের মতো করে ভাবতে, আঁকতে, গল্প বানাতে ও বিশ্রাম নিতে পারে।

    একা সময় কাটানো শেখানোর উপায়

    ১. ছোট অভ্যাস দিয়ে শুরু করুন: বয়স অনুযায়ী সন্তানকে দিনে ১০-১৫ মিনিট নিজের মতো খেলার সময় দিন।

    ২. ডিভাইস নয়, বাস্তব জগতে: ট্যাব বা ফোনের বদলে বই, রং, পাজল বা সাধারণ খেলনা নিয়ে শিশুকে সময় কাটাতে দিন।

    ৩. নিরাপদ পরিবেশ দিন: শিশুকে জানিয়ে দিন, আপনি আশেপাশেই আছেন, প্রয়োজনে সাহায্য করবেন। তাহলে সে নিশ্চিন্তে নিজের মতো থাকার আত্মবিশ্বাস পাবে।

    ৪. একা থাকা নিয়ে ভয় তৈরি করবেন না: ‘তুমি একা খেলছো কেন?’-এমন মন্তব্য করলে শিশু মনে করবে একা খেলা করা একটি অনুচিত কাজ। এমনটা না বলে তাকে নিজের মতো থাকতে উৎসাহ দিন।

    ৫. নিজের উদাহরণ দিন: আপনি নিজেও যদি কিছুটা সময় একা কাটান, যেমন বই পড়া, গান শোনা, বা হাঁটা, তাহলে শিশু সেটাকে স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে দেখবে।

    কেন এটা জরুরি

    যে শিশু নিজে নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে জানে, সে বড় হয়ে আত্মবিশ্বাসী ও আবেগে স্থিতিশীল হয়। জীবনের চাপ, একাকিত্ব বা ব্যর্থতার সময়ও সে সহজে মানিয়ে নিতে পারে। তাই সন্তানকে সারাক্ষণ ‘ব্যস্ত’ রাখার চেয়ে, মাঝে মাঝে একা থাকতে শেখান। কারণ, সেখান থেকে তৈরি হবে আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাস, চিন্তাশীলতা ও মানসিক দৃঢ়তা।

  • দিনে কত কাপ চা খাবেন

    দিনে কত কাপ চা খাবেন

    অনলাইন ডেস্ক:     ইংরেজরা আমাদের চা পান করার অভ্যাস গড়ে দিয়ে গেছেন। সেই থেকে বাঙালিরা চা পান করে। এটি অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছন। দুধ চায়ের পাশাপাশি আবার কেউ কেউ লিকার চা পান করে থাকেন। আড্ডা থেকে শুরু করে টেনশন হোক কিংবা উদযাপন— চা নিত্যদিনের সঙ্গী। তাই অনেকেই সারাদিনে অনেক কাপ চা পান করে থাকেন। বিশেষ করে লিকার চা। যাদের দুধ চায়ে সমস্যা, তারা ঘন ঘন লাল চান পান করে থাকেন। আর লাল চা স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। তবে জেনে রাখা ভালো— এই অভ্যাসও যদি মাত্রাতিরিক্ত হয় তা আপনার শরীরের জন্য ভালো নয়। এটি একটি মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

    অতিরিক্ত পরিমাণে লাল চা পান করলে কখনো কখনো আপনার শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই লাল চা পানের আগে পানি পান করা উচিত। কারণ লাল চায়ের মধ্যে ট্যানিন থাকে, যা অতিরিক্ত মাত্রায় পান করলে কারও কারও ক্ষেত্রে অনিদ্রার সমস্যা হতে পারে।

    আবার চায়ের মধ্যে ট্যানিন ছাড়াও অল্প পরিমাণে ক্যাফিন থাকে। বেশি লাল চা পানের ফলে কারও কারও হৃদস্পন্দনে তারতম্য ঘটতে পারে। আর ঘন ঘন লাল চা পান করলে দেহে আয়রনের শোষণে সমস্যাও হতে পারে। এর ফলে দীর্ঘকালীন পরিস্থিতিতে কারও দেহের আয়রনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

    এ ছাড়া খালি পেটে লাল চা পানের অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু এই অভ্যাসের কারণে  অম্বলের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে লাল চা অ্যাসিড রিফ্লাক্সেরও কারণ হয়ে ওঠে।

    তবে দিনে কত কাপ লিকার চা নিরাপদ তা জেনেই পান করা উচিত। এ বিষয়ে ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথোরিটি বলেছে, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ, অর্থাৎ ৬০০ থেকে ৯০০ মিলিলিটার লাল চা পান করতে পারেন। কোনো ব্যক্তির ৪ কাপের বেশি লাল চা পান করা ঠিক নয়।

  • সুখী ও সফল জীবন চান? প্রতিদিন করুন এই ৪টি কাজ

    সুখী ও সফল জীবন চান? প্রতিদিন করুন এই ৪টি কাজ

    লাইফস্টাইল ডেস্ক : সুখী হওয়ার সংক্ষিপ্ত কোনো রাস্তা নেই। একজন সুখী মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে চাইলে আপনাকে সারাজীবন ধরেই কিছু ভালো কাজের চর্চা করে যেতে হবে। দৈনন্দিন অভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে আপনার মানসিক সুস্থতা। আপনি যদি স্বেচ্ছায় এবং অন্যায়ভাবে কারও ক্ষতি করে থাকেন, তবে আপনার মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হবেই। মনোবিজ্ঞান বলছে, দৈনন্দিন কিছু কাজ আমাদের সুখী হওয়াকে সহজ করে দেয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

    প্রতিদিন কৃতজ্ঞতার চর্চা করুন

    কৃতজ্ঞতা হলো কারও সুখ বৃদ্ধির সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ারের মধ্যে একটি। সাইকসেন্ট্রালের একটি নিবন্ধ অনুসারে, নিয়মিতভাবে জীবনের ভালো জিনিসগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং নিজের যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকার অভ্যাস, মস্তিষ্ককে ইতিবাচকতা এবং জীবনের ভালো দিকগুলোতে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে।

    অর্থপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন

    আমাদের আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্কগুলো আমাদের মানসিক সুস্থতা এবং দীর্ঘমেয়াদী সুখের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলে। ২০২৪ সালে ফ্রন্টিয়ার্স ইন সাইকোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছ থেকে সামাজিক সহায়তা ইতিবাচক প্রভাব বৃদ্ধি এবং উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা হ্রাসের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে জড়িত।

    দৈনন্দিন জীবনে মননশীলতা

    ধ্যান এবং মননশীলতার সহজ দৈনন্দিন অভ্যাস আপনাকে অতীত বা ভবিষ্যতের বিষয়ে চিন্তা না করে কেন্দ্রীভূত এবং বর্তমান মুহুর্তে থাকতে সাহায্য করে। ব্রিটিশ জার্নাল অফ হেলথ সাইকোলজিতে প্রকাশিত ২০২৪ সালে একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট মননশীলতা অনুশীলন করলে উদ্বেগ ১২.৬% এবং বিষণ্ণতা ১৯.২% কমে। এটি সামগ্রিক সুস্থতা এবং স্বাস্থ্যের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবও উন্নত করে।

    সকলের প্রতি সদয় হোন

    অন্যদের প্রতি সদয় হোন এবং তাদের সাহায্য করুন কোনো বিনিময়ের প্রত্যাশা ছাড়াই। এতে জীবনে সুখী বোধ করবেন। ছোট ছোট সদয় কাজ অনুশীলন করা, যেমন কাউকে প্রশংসা করা, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করা, অথবা কেবল মন দিয়ে কারও কথা শোনার অভ্যাস ডোপামিন এবং অক্সিটোসিনের মতো ভালো লাগার হরমোন নিঃসরণকে ট্রিগার করতে পারে। যা আপনার ভালো থাকার অনুভূতি বাড়িয়ে তুলবে।

  • জেনে নিন ঠান্ডা লাগলে শরীরের লোম খাড়া হয় কেন

    জেনে নিন ঠান্ডা লাগলে শরীরের লোম খাড়া হয় কেন

    অনলাইন ডেস্ক:    ঠান্ডা লাগলে আমাদের অনেকের হাত কিংবা শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়। আপনার ত্বকের ওপর ছোট ছোট দানা বা উঁচু হয়ে যাওয়া অংশ, যা লোমের গোড়ার ক্ষুদ্র পেশি সংকুচিত হলে ঘটে থাকে সে হচ্ছে গুজবাম্পস। বাংলায় যাকে বলে লোম খাড়া হওয়া।

    বিষয়টি শুনতে অদ্ভুত মনে হতে পারে যে, এটি আমাদের পূর্বপুরুষদের থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া একটি পুরোনো প্রতিক্রিয়া। ঠান্ডা লাগুক, ভয় লাগুক কিংবা কোনো আবেগঘন মুহূর্তে মন ভরে উঠুক—গুজবাম্পস আপনার শরীরের সেই প্রাচীন প্রতিক্রিয়া, যা আমাদের অনুভূতি ও পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে থাকে। এটি কোনো ক্ষতিকর বিষয় নয় এবং সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তবে যদি বারবার গুজবাম্পস হয় কিংবা এর সঙ্গে জ্বর, অসাড়তা বা অন্যান্য শারীরিক উপসর্গ দেখা দিয়ে থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    গুজবাম্পস সাধারণত কয়েকটি কারণে হয়—

    ঠান্ডা লাগলে শরীর তখন উষ্ণতা ধরে রাখার চেষ্টা করে। চুল খাড়া হলে পশুদের শরীরে ঘন লোমস্তর তৈরি হয়, যা ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে। মানুষের ক্ষেত্রে এটি কেবল সেই পুরোনো প্রতিক্রিয়ার একটি অবশিষ্ট রূপ। আবেগজনিত কারণেও হয়ে থাকে। ভয়, আনন্দ, উত্তেজনা কিংবা অনুপ্রেরণার মুহূর্তে শরীরের স্নায়ু ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভয় লাগলে শরীর ‘ফাইট অর ফ্লাইট’ প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তখনই গুজবাম্পস দেখা যায়।  হঠাৎ স্পর্শ বা চমকের কারণেও হতে পারে। হঠাৎ ঠান্ডা লাগা, আবেগপূর্ণ গান শোনা কিংবা অপ্রত্যাশিত কোনো উদ্দীপনা থেকেও গুজবাম্পস হয়ে থাকে।

    আর প্রতিটি চুলের গোড়ায় একটি ছোট পেশি থাকে। যাকে বলে অ্যারেক্টর পিলি। স্নায়ু থেকে যখন সংকেত যায় ঠান্ডা কিংবা ভয়ের কারণে, তখন এই পেশি সংকুচিত হয়ে চুল টেনে তোলে। এটি সম্পূর্ণ অবচেতন বা স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া, যা আমরা ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।

    আমাদের প্রাণী পূর্বপুরুষদের ক্ষেত্রে এই প্রতিক্রিয়া জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা রাখত। ঠান্ডায় তারা গায়ের লোম খাড়া করে উষ্ণতা ধরে রাখত, আর ভয়ের সময় শরীর ফুলিয়ে নিজেকে বড় দেখাত, যাতে শত্রু ভয় পায়। মানুষের শরীরে লোম প্রায় বিলুপ্ত হলেও এই স্নায়বিক প্রতিক্রিয়া রয়ে গেছে।

  • খাঁটি সোনা চিনবেন যে কৌশলে

    খাঁটি সোনা চিনবেন যে কৌশলে

    অনলাইন ডেস্ক:    সোনার প্রতি আকর্ষণ যুগ যুগ ধরে। দাম যতই বাড়ুক না কেন, থেমে নেই বেচাকেনা। যেকোনো অনুষ্ঠানে সোনার গহনা পরা চাই-ই-চাই। শুধু গহনা হিসেবে নয়, সম্পদ হিসেবেও সোনার চাহিদা সবার ওপরে। তাই অনেকে একটু কম দামের আশায় ব্যক্তির কাছ থেকেও সোনা কিনে থাকেন।

    এ ক্ষেত্রেও প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ অনেকে দোকান থেকে কিনেও প্রতারিত হতে পারেন। স্বর্ণকাররা অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কষ্টিপাথরে ঘষে সোনার সত্যতা যাচাই করে নেন। কিন্তু আপনার কাছে তো আর কষ্টিপাথর নেই। তাই সোনাগুলো খাঁটি কিনা যাচাই করতে থাকল সহজ কৌশল।

    সোনা প্রধানত ক্যারেটে মাপা হয়। আর এর বিশুদ্ধতার বিভাজনের জন্য ১০ ক্যারট, ১৪ ক্যারট, ১৮ ক্যারট, ২২ ক্যারট এবং ২৪ ক্যারেটের সোনা পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে ১৮-২৪ ক্যারেটের সোনা বেশি বিক্রি হয়।

    খাঁটি সোনা চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে হলমার্ক। আপনি যে গহনা কিনছেন, সেখানে হলমার্ক চিহ্ন আছে কিনা সেটি আগে দেখে নিন। এই হলমার্ক চিহ্ন সাধারণত গহনার ভেতরের দিকে থাকে। এতে ক্যারেট অনুযায়ী ২৪, ২২ বা ১৮ নম্বর লেখা থাকে। নম্বর বেশি মানে সোনার গুণগত মান তত ভালো।

    নাইট্রিক অ্যাসিড

    নাইট্রিক অ্যাসিড সোনার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তবে অন্য যে কোনো ধাতুর সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করবে। এ কাজটি করার জন্য গহনা বা সোনার কয়েন থেকে সামান্য একটু অংশ ঘষে সংগ্রহ করে নিতে হবে। তারপর একটা ড্রপারে নাইট্রিক অ্যাসিড ভরে তা সংগ্রহ করা সোনার ওপরে ফোঁটা ফোঁটা করে ফেলুন। যদি দেখেন রঙ পরিবর্তন হচ্ছে না, তবে বুঝবেন সোনা খাঁটি। যদি দেখেন রং বদলে যাচ্ছে এবং তাতে হালকা সবুজ আস্তরণ পড়ছে, তাহলে বুঝতে হবে সোনা খাঁটি নয়। এতে অন্য ধাতু যেমন তামা বা ব্রোঞ্জ মেশানো আছে।

    পানি দিয়ে পরীক্ষা

    একটি বড় গামলায় দুই গ্লাস পানি দিন। তাতে সোনার গহনা ফেলে দেখুন সেটা ভাসে কিনা। যদি ভাসে, তবে বুঝতে হবে নকল। খাঁটি সোনা পানিতে তাড়াতাড়ি ডুবে যাবে।

    চুম্বকের সাহায্য নিন

    সোনা খাঁটি নাকি অন্য ধাতুর মিশ্রণ আছে, সেটা বোঝার সহজ কৌশল হলো চুম্বকের সাহায্যে পরীক্ষা করা। একটা ভালো মানের শক্তিশালী চুম্বক সংগ্রহ করতে হবে। তারপর আপনার কেনা সোনার গহনার কাছে ধরুন, যদি দেখেন আটকে যাচ্ছে, তবে বুঝবেন খাঁটি নয়। কারণ চুম্বক সোনাকে আকৃষ্ট করে না।