Category: লাইফস্টাইল

  • ত্বকের উপকারে কাঁচা টমেটো

    ত্বকের উপকারে কাঁচা টমেটো

    অনলাইন ডেস্ক:   আমরা টমেটো মূলত রান্না করে খেয়ে থাকি। কিন্তু রান্না করা টমেটোর চেয়ে কাঁচা টমেটো খাওয়া শরীরের জন্য অনেক উপকারী। সালাদে কাঁচা টমেটো রাখতে পারেন বা রস করে খেলেও মিলবে উপকার। আর কাঁচা টমেটো খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নেবেন, তা না হলে আপনার পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পাশাপাশি প্রতিদিন পরিমাণমতো কাঁচা টমেটো খাবেন। খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক নয়। কারণ অতিরিক্ত কাঁচা টমেটো খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    আর কাঁচা টমেটো শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না; বরং স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য দুটো দিকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কাঁচা টমেটো আপনার ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী। কারণ কাঁচা টমেটোর রস বা খোসা ব্যবহার করে ত্বকের ট্যান ও কালচে দাগ দূর করা সম্ভব। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তোলে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া বাড়িতে তৈরি ফেসপ্যাক বা স্ক্রাবে মিশিয়ে নিতে পারেন টমেটোর রস বা শাঁস। তবে মনে রাখবেন, যতটা উপকারী, অতিরিক্ত খেলে ঠিক ততটাই বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

    এবার জেনে নিন কাঁচা টমেটো খাওয়ার উপকারিতা—

    ১। কাঁচা টমেটোয় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

    ২। ভিটামিন এ, সি, ফাইবার ও পটাসিয়ামসমৃদ্ধ কাঁচা টমেটো নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করলে বাড়ে ইমিউনিটি।

    ৩। কাঁচা টমেটোয় থাকা লাইকোপেন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দেহে ইনফ্লেমেশন কমিয়ে দেয় এবং ক্রনিক রোগপ্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

    ৪। কাঁচা টমেটো খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    ৫। ওজন কমাতেও ভূমিকা রাখে কাঁচা টমেটো।

    ৬। এ ছাড়া কাঁচা টমেটো হজমশক্তি বাড়ায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

    ৭। কাঁচা টমেটো শরীর হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।

    ৮। আর চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে কাঁচা টমেটো।

  • প্রথম দেশ হিসেবে যে বিরল রেকর্ড গড়ল মালদ্বীপ

    প্রথম দেশ হিসেবে যে বিরল রেকর্ড গড়ল মালদ্বীপ

    অনলাইন ডেস্ক:      বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ঘোষণা করেছে, মালদ্বীপ হেপাটাইটিস বি’র পাশাপাশি এই দেশের পূর্বের এইচআইভি ও সিফিলিস নির্মূলের স্বীকৃতিকে বজায় রেখে বিশ্বে প্রথমবারের মতো ‘ত্রিমুখী নির্মূল’ অর্জন করেছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান ড. তেদরোস আধানোম গেব্রিয়াসুস বলেন, মালদ্বীপ প্রমাণ করেছে যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ থাকলে এই ভয়ঙ্কর রোগগুলোর মাতৃক-মাতৃক সংক্রমণ নির্মূল করা সম্ভব।তিনি আরও বলেন, এই ঐতিহাসিক অর্জন বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য আশা এবং অনুপ্রেরণার এক উৎস।

    মাতৃক-মাতৃক সংক্রমণ হাজার হাজার শিশুকে প্রভাবিত করে। কেবল WHO দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের অস্থায়ী হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ২৩,০০০-এর বেশি গর্ভবতী মহিলার সিফিলিস হয়েছে এবং ৮,০০০-এর বেশি শিশু জন্মগত সিফিলিসে আক্রান্ত হয়েছে। একই সময়ে, ২৫,০০০ এইচআইভি-পজিটিভ গর্ভবতী মহিলাকে তাদের সন্তানদের সংক্রমণ রোধে চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন ছিল। হেপাটাইটিস বি এখনও অঞ্চলের ৪২ মিলিয়নের বেশি মানুষকে প্রভাবিত করছে।

    WHO দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা ড. ক্যাথারিনা বোহমে বলেন, মালদ্বীপের এই অর্জন প্রমাণ করছে যে সমস্ত মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের অঙ্গীকার এবং ‘সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা’ কার্যকর করা সম্ভব। এটি মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে ‘সুস্থ শুরু, আশাপূর্ণ ভবিষ্যৎ’ প্রকল্পের একটি বড় পদক্ষেপ।

    মালদ্বীপ দীর্ঘ বছর ধরে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যের জন্য একটি সমন্বিত এবং বিস্তৃত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তৈরি করেছে। দেশটিতে ৯৫ শতাংশের বেশি গর্ভবতী মহিলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা পান, এবং এইচআইভি, সিফিলিস ও হেপাটাইটিস বি’র পরীক্ষা প্রায় সর্বত্রই নিশ্চিত। দেশটির টিকাদান ব্যবস্থা শক্তিশালীযেখানে ৯৫ শতাংশের বেশি নবজাতক সময়মতো হেপাটাইটিস বি জন্মকালের টিকা এবং সম্পূর্ণ টিকা পান, যা জীবনব্যাপী সংক্রমণ থেকে শিশুদের রক্ষা করে। 

    ফলস্বরূপ, ২০২২ ও ২০২৩ সালে কোনো শিশু এইচআইভি বা সিফিলিসে আক্রান্ত হয়নি। ২০২৩ সালের জাতীয় জরিপে প্রথম শ্রেণীর শিশুদের মধ্যে হেপাটাইটিস বি শূন্য পাওয়া গেছে, যা নির্মূলের লক্ষ্য অতিক্রম করেছে। এই অর্জন সম্ভব হয়েছে সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা, টিকা ও রোগনির্ণয় সুবিধা, শক্তিশালী নীতি এবং জিডিপি’র ১০ শতাংশেরও বেশি স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের কারণে।

    মালদ্বীপের স্বাস্থ্য মন্ত্রী আব্দুল্লাহ নাজিম ইব্রাহিম বলেন, এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং মাতৃ, শিশু ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত করার আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ত্রৈমুখী নির্মূল কেবল আমাদের স্বাস্থ্য খাতের একটি মাইলস্টোন নয়, এটি সরকারের জনগণের প্রতি একটি প্রতিশ্রুতি যে আমরা সকলের জন্য সমান, উচ্চমানের ও স্থায়ী স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে অব্যাহতভাবে বিনিয়োগ করব

  • সাধারণ আলুর চেয়ে লাল আলু কতটা উপকারী?

    সাধারণ আলুর চেয়ে লাল আলু কতটা উপকারী?

    অনলাইন ডেস্ক:   আমাদের দেশে আলুর উৎপাদন ব্যাপক, তাই ভাতের পরেই আমাদের খাবারে আলুর স্থান। এর মধ্যে লাল আলু তুলনামূলকভাবে বেশি উপকারী। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’-এর পাশাপাশি খোসায় আছে ভিটামিন ‘এ’, পটাশিয়াম, আয়রন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফাইবার ও প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট।

    লাল আলুর ভিটামিন ‘সি’ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি মাঝারি আকারের (প্রায় ১৫০ গ্রাম) আলুতে থাকে প্রায় ২৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’।

    এছাড়াও এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি ও আয়রন।  এই আলুতে থাকা ভিটামিন বি-৬ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এটি সেরোটোনিন ও ডোপামিন নামের দুই গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে সাহায্য করে, যা মস্তিষ্কে অনুভূতির আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে মন ভালো রাখতে সহায়তা করে।  রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও আলু কার্যকর। এতে থাকা কুকোয়ামাইন নামের একটি যৌগ রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

    তবে মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত আলু খেলে রক্তে চিনির মাত্রা বেড়ে যেতে পারে এবং ওজনও বাড়তে পারে।  এছাড়া লাল আলুতে থাকা গ্লুকোজ, অক্সিজেন, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, অ্যামিনো অ্যাসিড, ওমেগা-৩ ও অন্যান্য ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং একে সচল রাখে।

  • মুখে সাবান ব্যবহার করা কি ঠিক? জেনে নিন কী কী ক্ষতি হতে পারে

    মুখে সাবান ব্যবহার করা কি ঠিক? জেনে নিন কী কী ক্ষতি হতে পারে

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: মুখ ধোয়া বা পরিষ্কার করা ত্বকের যত্নের অপরিহার্য অংশ। ত্বক পরিষ্কার করতে সাবান ব্যবহার করেন। কিন্তু এই অভ্যাসটি ত্বকের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। মুখের ত্বক আমাদের শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল এবং সাবান ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ত্বককে রক্ষা করতে ও সঠিক পরিচর্যা করতে তাই সাবান দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত নয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের কী কী ক্ষতি হতে পারে-

    ১. ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট করে

    ত্বকের আর্দ্রতা এবং ত্বকের সুরক্ষা বজায় রাখতে ত্বকে পিএইচ (পটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন) এর মাত্রা ঠিক রাখা জরুরি। ত্বকের পিএইচ নির্দেশ করে যে ত্বক কতটা ভালো আছে। সাবান ব্যবহারে ত্বকের পিএইচের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। সাবানে অধিক পরিমাণে রাসায়নিক দ্রব্যাদি রয়েছে, যা ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। এছাড়া নিয়মিত মুখে সাবান ব্যবহারে ত্বক নিস্তেজ হয়ে গিয়ে উজ্জ্বলতা হারায়।

    ২. ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে

    সাবানে প্যারাবেন এবং ফরমালডিহাইড রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো ত্বকে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি ত্বকে চুলকানি বা ফুসকুড়ি হতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকে সাবান ব্যবহারে করলে সমস্যাগুলো আরও মারাত্মক হতে পারে।

    ৩. দ্রুত বার্ধক্য নিয়ে আসে

    নিয়মিত সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে, সাবানের ক্ষারীয় উপাদান ত্বককে রুক্ষ করে তোলে। ত্বকের অতিরিক্ত রুক্ষতা দ্রুত বার্ধক্যের দিকে নিয়ে যায়। এছাড়া ত্বকে বলিরেখা সৃষ্টি করতে পারে, ফলে ত্বক দেখতে বয়সের চেয়ে বেশি বয়স্ক মনে হয়।

    ৪. অস্বাস্থ্যকর

    সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা বেশ অস্বাস্থ্যকর। কারণ পরিবারের সব সদস্য হাত দিয়ে সাবান স্পর্শ করে। বাইরে থেকে এসে অপরিষ্কার হাতে সাবান ঘষে হাত পরিষ্কার করে। সেই সাবান মুখে ব্যবহার করলে মুখ তো পরিষ্কার হবেই না, বরং ময়লা এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটাবে ত্বকে। ফলে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডসের মতো ত্বকের সমস্যা তৈরি হবে।

    মুখ পরিষ্কার করার জন্য সাবান ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। তার পরিবর্তে ভালো ব্র্যান্ডের ফেস ওয়াশ ও প্রাকৃতিক ক্লিনজার ব্যবহার করুন, যা আপনার ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা করবে। এছাড়া শরীর পরিষ্কারের জন্যও সাবানের পরিবর্তে ভালো ব্র্যান্ডের বডি ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। যা ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

  • ফ্যাটি লিভার সমাধানে যে পানীয়তে চুমুক দেবেন

    ফ্যাটি লিভার সমাধানে যে পানীয়তে চুমুক দেবেন

    অনলাইন ডেস্ক:   আপনার শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভার। শুধু হজমে সাহায্য করে তা নয়, আপনার শরীরকে বিষমুক্ত রাখাও তার কাজ। তাই আপনার লিভারকে সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত জাঙ্কফুড এড়িয়ে চলুন। অন্যথায় লিভারে চর্বি জমতে পারে। লিভারে জমা হওয়া এই ফ্যাট রক্তের মাধ্যমে পেশিতে পৌঁছায়। আর লিভারে অল্প পরিমাণে চর্বি থাকাটা স্বাভাবিক। আর চর্বির পরিমাণ লিভারের মোট ওজনের ৫ শতাংশের বেশি হওয়া বিপজ্জনক। সে কারণে রোগ শনাক্তকরণ দেরি হলে এটি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

    ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লে ওষুধের ওপরেই ভরসা করা দস্তুর। তবে সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ড. সৌরভ শেঠি এমন তিন পানীয়ের কথা জানিয়েছেন, যা ফ্যাটি লিভারে বিশেষভাবে উপকারী। সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনটি পানীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি।

    প্রথমত গ্রিন টি পান ফ্যাটি লিভার স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। আর গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাটেচিন নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি লিভার কোষে হওয়া অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ কমায়। ইজিসিজি শরীরের বিপাকের হার বাড়িয়ে চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। ফলে লিভারে চর্বি জমার প্রবণতা কমে যায়। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক, যা ফ্যাটি লিভার কমানোর প্রধান উপায়। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে নিয়মিত চিনি ছাড়া ২-৩ কাপ গ্রিন টি পান করলে উপকার পাবেন।

    দ্বিতীয় কফি পান। সাধারণত কফি লিভার ফাইব্রোসিস এবং চর্বি জমা রোধে সাহায্য করে। কফিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লিভার কোষের প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে তাকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে। আর নিয়মিত চিনি ও দুধ ছাড়া ব্ল্যাক কফি পান করলে লিভারের এনজাইম উন্নত হয় এবং এটি লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে থাকে। সে কারণে দিনে অন্তত ২-৩ কাপ কফি পান উপকারী।

    তৃতীয়ত বিটের রস পান করা। বিটের রসে থাকা বিটালাইন ও বিটেইন লিভার কোষকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে। কারণ বিটের রস পিত্ত উৎপাদন বাড়ায় এবং চর্বিকে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। এর নিয়মিত সেবনে লিভারে চর্বি জমতে পারে না। এ ছাড়া লিভারের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পায়।

  • জেনে নিন ব্ল্যাক কফি খাওয়ার কিছু উপকারিতা

    জেনে নিন ব্ল্যাক কফি খাওয়ার কিছু উপকারিতা

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: আপনি কি কফি খেতে ভালোবাসেন, বিশেষ করে ব্ল্যাক কফি? কাজের চাপে কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় এককাপ ব্ল্যাক কফি না হলে আপনার চলেই না? এর আকর্ষণীয় স্বাদ আর গন্ধ আপনার খুবই প্রিয়? শুধু স্বাদ কিংবা গন্ধ নয়, ব্ল্যাক কফির অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে যা আপনাকে অবাক করে দিতে পারে। তবে সেজন্য আপনাকে কফির সঙ্গে দুধ, চিনি কোনোটাই মেশানো চলবে না। খেতে হবে কেবল ব্ল্যাক কফি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এর উপকারিতা সম্পর্কে-

    কর্মক্ষমতা উন্নত করে

    ব্ল্যাক কফিতে ক্যাফেইন থাকে। এটি একটি প্রাকৃতিক উদ্দীপক যা অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা এবং সহনশীলতা বৃদ্ধি করে শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এটি ওয়ার্কআউটের সময় সতর্কতা এবং মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়

    ব্ল্যাক কফিতে থাকা ক্যাফেইন ডোপামিন এবং নোরেপাইনফ্রিনের মতো নিউরোট্রান্সমিটার বৃদ্ধি করে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে। যার ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে নিয়মিত ব্ল্যাক কফি খেতে পারেন।

    ওজন কমানোর জন্য ব্ল্যাক কফি

    ব্ল্যাক কফিতে ক্যালোরি কম থাকে এবং বিপাকীয় হার বৃদ্ধি করে, এটি চর্বি পোড়াতে সহায়তা করে। এই কফি অস্থায়ীভাবে ক্ষুধাও দমন করতে পারে, যা সুষম খাদ্যের অংশ হিসাবে গ্রহণ করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

    অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রহণ

    ব্ল্যাক কফি ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড এবং পলিফেনলের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এই যৌগগুলো শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিউট্রাল করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির কারণে ব্ল্যাক কফি আমাদের ত্বকের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। এটি নিয়মিত পান করলে তা অকাল বার্ধক্যকে বিলম্বিত করতে পারে।

    রোগের ঝুঁকি হ্রাস

    নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করলে তা টাইপ ২ ডায়াবেটিস, পার্কিনসন রোগ, হৃদরোগ এবং নির্দিষ্ট ধরণের ক্যান্সার সহ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যার ঝুঁকি কমায়। ব্ল্যাক কফি লিভারের এনজাইমের মাত্রা হ্রাস করে। যে কারণে এটি ফ্যাটি লিভার এবং সিরোসিসের মতো লিভারের রোগ থেকেও শরীরকে রক্ষা করে। রক্তনালীর কার্যকারিতা উন্নত করার এবং প্রদাহ কমানোর ক্ষমতার কারণে ব্ল্যাক কফি স্ট্রোকের ঝুঁকিও হ্রাস করে।

    মানসিক সুস্থতা

    পরিমিত ব্ল্যাক কফি পান করলে তা মেজাজ এবং মানসিক সুস্থতার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি হতাশার ঝুঁকি কমায় এবং মনকে সতেজ করতে সহায়তা করে। তাই মানসিক চাপ দূরে রাখতে চাইলে নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করতে পারেন।

    আলঝাইমার এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়

    ব্ল্যাক কফিতে প্রচুর ক্যাফেইন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এগুলোর স্নায়ু সুরক্ষামূলক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যে কারণে নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করলে আলঝাইমার এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমে যায়।