Category: আন্তর্জাতিক
-

সেনাঘাঁটির দখল নিল তালেবান, নিহত ৪০
আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে একটি সেনা ঘাটিতে হামলা চালিয়ে ১০ জনকে হত্যা করেছে তালেবান। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ১৫ জন। বহু সেনাকে আটকও করেছে তালেবান যোদ্ধারা।মঙ্গলবার দেশটির সরকারি সূত্র জানায়, ফারইয়াব প্রদেশের গোরমাচ জেলার চেনাইয়েহা সেনা ঘাটিটি দখল করে ট্যাংক ও অস্ত্রাগারের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। প্রাদেশিক পরিষদের প্রধান মোহাম্মদ তাহির জানান, রবিবার থেকে তালিবানের হামলা শুরু হয়।তাহির বলেন, ‘আমরা এখনও ঘাঁটিতে প্রবেশ করতে পারিনি। এর বেশিরভাগ এলাকাই এখন তালেবানের দখলে।’এ ঘটনায় তালেবানের হাতে আটক হয়েছেন ৪০ সৈন্য। লড়াইয়ে তালেবানের ৩০ যোদ্ধাও নিহত হয়। -

এনআরসির জেরে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চতুর্থ মামলা
জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) জেরে আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের বিরুদ্ধে চতুর্থ মামলা দায়ের করেছেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আসফারুল ইসলাম ওরফে হাজি বাচ্চু। কলকাতার উপশহর নিউ টাউন থানায় এই মামলা দায়ের হয়েছে। আজ রোববার বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ কথা বলা হয়েছে।
মামলার আরজিতে আবেদনকারী বলেছেন, আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এনআরসি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসম্মান করেছেন। তাঁকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যও করেছেন তিনি। এই এনআরসির মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত করে বাঙালি তাড়াও অভিযান শুরু করেছেন। এমনকি দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে। তৈরি করছে বিভেদ। ফলে সংখ্যালঘু শ্রেণির মানুষেরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আসামের বিভিন্ন জায়গায় দাঙ্গার পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।
এই মামলার দায়েরের ফলে এখন আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে চারটি মামলা দায়ের হলো। অন্যদিকে, আসামেও সোনোয়ালের পক্ষ থেকে মমতার বিরুদ্ধে চারটি মামলা দায়ের হয়েছে।
আসামের চারটি মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে, মমতা এনআরসি নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন। ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নাগরিক নিবন্ধন বা এনআরসি তৈরি করা হয়েছে। এটা আমরা চলতে দিতে পারি না। আজ মানুষের বিভাজন সৃষ্টি করেছে বিজেপি। এটা সহ্য করা যায় না। এর ফলে দেশে গৃহযুদ্ধ লাগতে পারে। বইতে পারে রক্তগঙ্গা। এসব মন্তব্যের জেরে আসামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। অবনতি হতে পারে আইনশৃঙ্খলা।’
বিহারে শুরু এনআরসির নথি যাচাই
আসামের এনআরসিতে বাদ পড়েছে সেখানে বসবাসকারী বিহারের ৭৪ হাজার মানুষের নাম। এরা সবাই হিন্দিভাষী। ওই ৭৪ হাজার মানুষের নাম-ঠিকানা সঠিক কি না, তা যাচাইয়ের জন্য আসাম সরকার পাঠিয়ে দেয় বিহারের রাজ্য সরকারের কাছে। বিহারের নিতীশ কুমার সরকার ওই নামের তালিকার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্ত শুরু করেছে। প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নামের তালিকা যাচাই করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার। মুখ্যমন্ত্রী এই তালিকা যাচাইয়ের জন্য ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের সচিব ব্রজেশ মেহরোত্রাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। -

ইমরান খান ব্যাটিংয়ে কতক্ষণ টিকবেন?
পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার প্রহর গুনছেন ইমরান খান। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক দিয়ে রাজনীতিতে নেমে গঠন করেন তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দল গঠনের ২২ বছরের মাথায় সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন। এককভাবে না হলেও কোয়ালিশনের ভিত্তিতে ক্ষমতায় আসছে সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পিটিআই। বর্ণাঢ্য জীবনে নানা কারণে বিতর্কিত হলেও পাকিস্তানে এখন বেশ জনপ্রিয় ইমরান খান। এবার দেশ পরিচালনার ভার পড়ছে তাঁর কাঁধে। দেশটির ৬৪ শতাংশ তরুণ এখনো তাঁর সমর্থক। এঁরাই তাঁর শক্তিও। তবে তাঁর ব্যাটিং শুরু হলেও কতক্ষণ টিকে থাকবেন, তা সময়েই বলবে। কারণ, বোলিং সেনাবাহিনীও শুরু করতে পারে।
মধ্যবিত্তের বিপ্লব
ইমরান খানের জয়ে অনেকেই বিস্মিত। অনেকেই ভোট কারচুপির অভিযোগ এনেছেন। তবে তাঁর পক্ষেও সোচ্চার অনেকেই। দেশটির নির্বাচন বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, পশ্চিমা নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা পাকিস্তানের ওপরতলার দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিপরীতে ক্রমবর্ধিষ্ণু মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনুভবের গভীরতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন। মধ্যবিত্তরা একটি নতুন নেতৃত্ব চেয়েছেন। আয়েশা এএফপিকে বলেছেন, খানের বিজয় ‘মধ্যবিত্তের বিপ্লব’।পাকিস্তান পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহৎ সামরিক বাহিনী। পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত এরা। কিন্তু সামরিক বাহিনীর প্রভাববলয়ে রাজনৈতিক দিক দিয়ে পাকিস্তানে গণতন্ত্র আজও স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি।
পরিবারতন্ত্রের অবসান
ইমরান খানের ক্ষমতা গ্রহণের মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের পরিবারতান্ত্রিক শাসনের অবসান হতে যাচ্ছে পাকিস্তানে। উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি এক শুভ বার্তা। ইমরান খানকে বহুবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে—‘চরমপন্থীদের’ নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক সংকট, যে কারণে আইএমএফের সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে, পানি ও বিদ্যুৎ-সংকট এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা স্ফীতি। এ ছাড়া পাকিস্তানি সমাজে ধনবৈষম্য ও দুর্নীতি দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইমরান। তবে কেউ কেউ অভিযোগ করেন, ‘চরমপন্থীদের’ বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গেছেন এবং যাবেন। তাঁকে মনে রাখতে হবে, পশ্চিমা বিশ্বে সাধারণভাবে মুসলমানরা এখন কোণঠাসা অবস্থায় আছে। এই অবস্থার প্রতিবাদ করেন যেসব ধর্মপ্রাণ তরুণ, ঢালাওভাবে তাঁরা ‘চরমপন্থী’ বলে আখ্যায়িত হয়ে থাকেন। মজার ব্যাপার, মধ্যপ্রাচ্য অশান্ত করে রেখে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানো ইহুদিদের পশ্চিমারা কখনোই ‘চরমপন্থী’ বলে না।নতুন যুগের সূচনা
ইমরান খান ১৯৯২ সালে পাকিস্তানকে ক্রিকেটে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দিয়েছেন। এবার তাঁর সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ। তা হলো পাকিস্তানে গণতন্ত্রের নতুন যুগের শুরু করা। পাকিস্তানি তরুণদের মনোজগতে ১৯৯২-এর সেই উদ্দীপনা তিনি চালকের আসনে বসে আবার জাগাতে পারবেন, সেই আশায় বুক বেঁধে আছেন তাঁরা। ইমরানের জয়ে বিস্মিত হয়ে নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের উদ্দেশে পাকিস্তানের নির্বাচন বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকা বলেছেন, পশ্চিমা নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা পাকিস্তানের ওপরতলার দুর্নীতিগ্রস্তদের বিপরীতে ক্রমবর্ধিষ্ণু মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনুভবকে অবমূল্যায়ন করেছেন। মধ্যবিত্তরা একটি নতুন নেতৃত্ব চেয়েছে।চালক ইমরান, পথ এবড়োখেবড়ো
লাহোরভিত্তিক সাংবাদিক ও অধিকারকর্মী গুল বুখারি বলেছেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় পিটিআই নেতৃত্বাধীন ভবিষ্যৎ জোট সরকারের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ। ইমরানকে জেতানোর জন্য যা যা করা দরকার, তার সবই করেছে সেনাবাহিনী। নানান বাধা ডিঙিয়ে ইমরান ‘ফিনিশ লাইন’ ছুঁয়েছেন। চালকের আসনে বসে পাকিস্তানকে এগিয়ে নিতে যাচ্ছেন ইমরান। তবে পথ কিন্তু এবড়োখেবড়ো এবং অনিশ্চিত।পাকিস্তানের জন্ম থেকেই সেনাবাহিনী দেশটির রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। ইমরান খানের টিকে থাকা-না থাকা নির্ভর করছে সেনাবাহিনীর ওপর। তাঁকে ক্ষমতায় আনতে যেমন সেনারা সবচেয়ে ভূমিকা রেখেছে, তাঁর ক্ষমতায় থাকার পথের প্রধান বাধাও তারা। অনেকে মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইমরান আস্তে আস্তে সেনাবাহিনীর কবজা থেকে বেরিয়ে স্বাধীন প্রধানমন্ত্রী হতে চেষ্টা করবেন। তিন চেষ্টা করলেই যে পারবেন, তা মনে হয় না। কারণ, সেনাবাহিনীর প্রভাব থেকে বের হতে চাইলে তাঁকে বৈরী পরিবেশের মুখে পড়তে হবে। সেনাবাহিনীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে পা বাড়ালে ইমরানকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া সেনাবাহিনীর জন্য কঠিন কিছুই না। অতীত তা-ই বলে।
বাস্তবতা হলো, আজ হোক বা কাল, ইমরানের সঙ্গে সেনাবাহিনীর দ্বন্দ্ব হবেই। বিশ্লেষক ফারুক তিরমিজি বলেন, ইমরান আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত খুলে দেওয়ার পক্ষে। আর সেনাবাহিনী চায় প্রায় ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া গড়ে তুলতে। ইমরান স্বাস্থ্য-শিক্ষায় বেশি বরাদ্দ রাখতে চান। তাই ইমরান ও সেনাবাহিনীর এই লড়াই হবে ‘বন্দুক বনাম টেক্সট বুকের’ লড়াই।
পাকিস্তানের মতো একটি বিশৃঙ্খল দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান কোনো পরিবর্তন আনতে পারবেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ডেনিয়েল মার্কি একটি বার্তা সংস্থাকে বলেন, ‘ইমরান একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় আগের সরকারের সেই পুরোনো লোকবলের সঙ্গেই কাজ করতে হবে। এ ছাড়া তাঁর পেছনে রয়েছে সেনাবাহিনী—এমন অভিযোগও রয়েছে। ফলে নতুন কিছু দেখাতে পারবেন বলে মনে হয় না।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিযোগ, পাকিস্তানে একটি ‘কসমেটিক’ পরিবর্তন হয়েছে। কে না জানে, সেনাবাহিনীর স্বার্থ উদ্ধার হলে তারা ইমরান খানকে ছুড়ে ফেলে দিতেও দ্বিধাবোধ করবে না, যা ঘটেছে নওয়াজ শরিফের বেলায়।
-

যাত্রীবাহী প্লেন ছিনতাই, সিয়াটল বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের সিয়াটল বিমানবন্দর থেকে একটি যাত্রাবাহী (কিউ ৪০০) বিমান ছিনতাই হয়েছে। এরপর ওই বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, এয়ারলাইনসের একজন কর্মকর্তা যাত্রীশূন্য বিমানটি নিয়ে পালিয়েছে। খবর বিবিসির।
উড্ডয়নের পর বিমানটি সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা। পাইলটের পরিচয় বা সবশেষ অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। তবে এটিকে সন্ত্রাসী ঘটনা মনে করছে না এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম থেকে বারবার পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি খুব নিচ দিয়ে যাচ্ছিল। ওই বিমানের পেছনে একটি ফাইটার জেট ধাওয়া করে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ ক্যাট্রন দ্বীপে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। -

বীজের ওজনই ৪৪ কেজি
কোকো ডে ম্যার। এটি একটি ফল। এই ফলটি মূলত তার বীজের জন্য বিখ্যাত। ফলদ এই গাছের বীজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং সর্বোচ্চ ওজনের সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বীজ।
বিরল এই ফলের গাছ বর্তমানে ভারত মহাসাগরের প্রালিন দ্বীপের ন্যাশনাল পার্ক এবং কুরিয়াস দ্বীপের মেরিন ন্যাশনাল পার্কে পাওয়া যায়। প্রালিনেই এ গাছ বেশি দেখা যায়। এই দ্বীপ দুটি ১১৫টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত সেশেলজ দ্বীপপুঞ্জের সদস্য।
গত জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ দ্বীপপুঞ্জের ওই দ্বীপ দুটি ঘুরে বিচিত্র এই ফলের বীজ দেখার সুযোগ হয়েছিল।
কোকো ডে ম্যার বীজ দেড় ফুট লম্বা হয়। এর ব্যাস ৩ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। ওজন ২০ কেজি থেকে শুরু। বীজের রেকর্ড সর্বোচ্চ ওজন ৪৪ কেজি।
বিস্ময়কর হলো, এ গাছে ফুল আসতে ২০ থেকে ৪৫ বছরও সময় লেগে যায়। পূর্ণাঙ্গ ফল হতে লাগে সাত বছর। কোকো ডে ম্যারের বীজ অঙ্কুরোদ্গমের জন্য সময় নেয় দুই বছর। বীজের রং গাঢ় বাদামি বা কালচে খয়েরি বা প্রায় কালচে হতে পারে। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেনে এই বীজ সংরক্ষিত রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য।
কোকো ডে ম্যার গাছের উচ্চতা মাটি থেকে দেড় শ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। বোটানিক্যাল নাম lodoicea maldivica। এটি পাম প্রজাতির গাছ। একেকটি গাছ ২০০ থেকে ৩০০ বছর বাঁচে। একটি মাদি গাছ সাধারণত ১০০ ফল দেয়। শুকনো পাতা স্পন্দনশীল। দাবদাহ, ভূমিকম্প থেকে এ গাছ ভূমিকে রক্ষা করে। প্রকৃতির ইকোসিস্টেম রক্ষায় সহায়ক এ গাছ।
এই ফলের অন্য অনেক নাম রয়েছে। লাভনাট, সি কোকোনাট, ডাবল কোকোনাট, কোকো ফেসে ইত্যাদি। ফলের শ্বাস জেলির মতো। পরিপক্ব হলে শক্ত হয়ে যায়। আইসক্রিম, কাস্টার্ড, সালাদ অথবা অ্যাপেটাইজার হিসেবে এটা ব্যবহৃত হয়। ফল আয়ুর্বেদিক ওষুধ, ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধে ব্যবহৃত হয়।
পাতা ফ্যান আকারের। পাতা লম্বায় ১২ ফুট, প্রশস্তে ৬ ফুট হয়। এর ফুল বিশ্বের পুরো পাম প্রজাতির গাছের মধ্যে সর্ববৃহৎ। কোকো ডে ম্যার গাছের বৃদ্ধির হারের ধীরগতি এবং বিশেষ পুষ্টিসমৃদ্ধ মাটির স্বল্পতার কারণে গাছটি এখন ধ্বংসের মুখে। তাই গাছটি এখন লাল তালিকাভুক্ত, মানে বিপন্ন।
-

বিমানে মদ খাওয়ায় কারাগারে দন্তচিকিৎসক
লন্ডন থেকে একটি ফ্লাইটে যাওয়ার সময় এক গ্লাস মদ খাওয়ায় দুবাইয়ে এক নারীকে তার চার বছর বয়সী মেয়েসহ তিন দিন আটকে রাখা হয়েছে। একটি বেসরকারি সংস্থার বরাতে গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।সুইডেনে জন্ম নেয়া দন্তচিকিৎসক এলি হোলম্যান তিন সন্তানকে নিয়ে থাকেন যুক্তরাজ্যের কেন্টের সেভেনওয়কসে। পাঁচদিনের ছুটিতে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে তিনি দুবাই যান। এর আগেও কয়েকবার তিনি দেশটি ভ্রমণে গিয়েছিলেন।সেখানে আটকের সময় পানি চাইলেও তাকে দেয়া হয়নি। এমনকি তাকে ওয়াশরুমেও যেতে দেয়া হয়নি।সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটক লোকদের সহায়তায় কাজ করা একটি বেসরকারি সংস্থা জানায়, ওই নারী ও তার শিশুটিকে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে।এমিরেটাস ফ্লাইটে আট ঘণ্টার যাত্রায় এক গ্লাস মদ খাওয়ার পর গত ১৩ জুলাই তাকে আটক করা হয়। একজন অভিবাসন কর্মকর্তা তার ভিসা ও অ্যালকোহল খাওয়া নিয়ে জেরা করার পর তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।এ সময় তাদের পাসপোর্ট ও ফোনও নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর মদ খেয়েছেন কিনা, তা পরীক্ষা করতে রক্তের নমুনা দিতে বলা হয়। তার সঙ্গে ব্যাপক দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন। তার পাসপোর্ট জব্দ করে রাখা হয়েছে, মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা ফেরত দেয়া হবে না বলে তাকে জানানো হয়েছে।