Category: আন্তর্জাতিক

  • ৯৬ বছর বয়সে পরীক্ষা দিয়ে বৃদ্ধার বাজিমাত !

    ৯৬ বছর বয়সে পরীক্ষা দিয়ে বৃদ্ধার বাজিমাত !

    দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান অর্জন কর- কথাটি একটি প্রবাদ ও হিতোপদেশ মাত্র। হয়ত সে কারণেই কথায় বলে শেখার কোনো বয়স নেই।

    তবে প্রবাদ বা হিতোপদেশ যাই হোক কথাটি এবার কাজে পরিণত করে দেখালেন ভারতের কেরালা রাজ্যের আলাপ্পুজাহারের বাসিন্দা কাত্যায়নী আম্মা। ৯৬ বছর বয়সি এ অশীতিপর বৃদ্ধা পরীক্ষায় পাশ করে এবার চতুর্থ শ্রেণীতে উর্ত্তীর্ণ হয়েছেন। কেরালার সর্বশিক্ষা মিশনে চতুর্থ শ্রেণীতে ওঠার পরীক্ষায় সফল ভাবে উত্তীর্ণ হলেন তিনি। শুধু উত্তীর্ণই নয় একেবারে পূর্ণ নম্বর পেয়ে তিনি বাজিমাত করেছেন ।জানা গেছে, আকসারলাক্সম প্রকল্পের অন্তর্গত এই সর্ব শিক্ষা মিশনে ৪৫ জন প্রবীন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কাত্যায়নী আম্মাই সবচেয়ে প্রবীনতম শিক্ষার্থী।

    পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আম্মা ছয় মাস ধরে মালয়ালম অক্ষরজ্ঞান শিখতেন এবং অঙ্ক করতেন। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় উচ্চারণ করে পড়তে পারায় ছিল ৩০ নম্বর, মালয়ালম ভাষায় লিখতে ৪০ নম্বর ও গণিতে ছিল ৩০ নম্বর।সব বিভাগেই সমান পারদর্শীতা দেখিয়েছেন ৯৬ বছর বয়সি আম্মা। তবে এ পরীক্ষা নিয়ে আম্মা অত উচ্ছ্বসিত নয়। তিনি বলেন, এই প্রশ্নপত্রের জন্য এত কিছু পড়ার দরকার ছিল না।

    গত বছরের জানুয়ারিতে কাত্যায়নী আম্মা সাক্ষরতা মিশনে নাম লেখান। একটি লিখিত পরীক্ষায় পাশ করে তিনি চতুর্থ শ্রেনীতে ভর্তি হন।

    পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হবার পর আম্মা অবসরে নেই। সময় কাটাচ্ছেন ইংরেজি শিক্ষা নিয়ে। একটি ইংরেজি বই পড়ার চেষ্টা করছেন তিনি এখন।

    তিনি বলছেন, চতুর্থ শ্রেনীর ক্লাস শুরু হওয়ার আগে আমি ভালো করে ইংরেজি পড়া শিখে নিতে চাই।

  • চীনের ২৭৯টি পণ্যে নতুন করে করারোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র

    চীনের ২৭৯টি পণ্যে নতুন করে করারোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র

     

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আগামী ২৩ আগস্ট থেকে চীনের আরও ১৬০০ কোটি ডলারের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ হারে করারোপ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দূতের কার্যালয়ে থেকে ২৭৯টি পণ্যের একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। চীনকে বাণিজ্য ছাড়ের ব্যাপারে আলোচনায় বসতে চাপ দেওয়ার কথা বলে গত মাসে ৩৪০০ কোটি ডলারের পণ্যের উপর করারোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন পণ্য তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে চীন এই সিদ্ধান্তের প্রতিশোধ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। ২০১৮ সালের ৬ জুলাই ৩৪ বিলিয়ন ডলারের চীনা পণ্য আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। পাল্টা উত্তর দেওয়ার হুমকি আসে বেইজিং-এর তরফেও। চীনের অভিযোগ, ট্রাম্পের নেওয়া পদক্ষেপ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মাবলীর লঙ্ঘন। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যে আরোপিত শুল্ক কার্যকর করার পর চীনও তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক কার্যকর করেছে। গত এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দেশে ইস্পাত আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর ১০ শতাংশ কর আরোপের পরিকল্পনার কথা জানান। শিগগিরই তা কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি। আমদানি শুল্ক আরোপকে কেন্দ্র করে বিশ্বের দুই বৃহত্তর অর্থনীতির দেশ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের আশঙ্কায় এশিয়ার শেয়ার বাজারে পতন দেখা দেয়। সর্বশেষ ১৬০০ কোটি ডলারের তালিকায় চীনের সেমিকন্ডাক্টররা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদিও এসব পণ্যের মূল কাঁচামাল যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় তৈরি হয়। মার্কিন বাণিজ্য দূতের কার্যালয় বলেছে, ‘মেড ইন চায়না’ শিল্প পরিকল্পনার সুবিধা নিয়ে চীন প্রতিযোগিতামূলক উচ্চ-প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তাই চীনের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক, প্লাস্টিক, রাসায়নিক ও রেলওয়ে যন্ত্রপাতির ওপর ২৫ শতাংশ কর আরোপ করা হবে। তবে বাণিজ্য দূতের কার্যালয়ের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন-এসআইএ। তারা এই খাতকে শুল্কমুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এসআইএ প্রেসিডেন্ট জন নিওফার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই, সেমিকন্ডাক্টর আমদানির ওপর করারোপ করা হলে তা নিশ্চিতভাবে চীনের নয়, যুক্তরাষ্ট্রের চিপমার্কেটকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে। আর এটা চীনের সন্দেহজনক ও বৈষম্যমূলক বাণিজ্য নীতি থামাতে কিছুই করতে পারবে না।’ মার্কিন বাণিজ্য দূত কার্যালয় থেকে ৪৬ দিনের জনমত ও পর্যালোচনা শেষে মূল তালিকা থেকে অনেক পণ্যের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ওই পণ্যে করারোপ করা হলে তা ব্যাপক অথনৈতিক ক্ষতির কারণ হতে পারতো। এর মধ্যে ছিল শিপিং কন্টেইনার, ভাসমান ফেরিঘাট, কাঠ কাটার মেশিন, হাড় ও শক্ত প্লাস্টিক, খুবই চিকন করে কাটার যন্ত্র ও অল্গানিক এসিড। সর্বশেষ চীনা পণ্যের তালিকা অনুযায়ী ২৫ শতাংশ কর আরোপ করা হলে প্রায় ৫০০০ কোটি ডলারের কর বেড়ে যাবে যা দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধকে আরও উস্কে দেবে। আর এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দুই দেশের মধ্যে সব পণ্যে করারোপ করা হতে পারে। ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বাণিজ্য নীতির বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোকে নিয়ে জোট গঠনের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে চীন। ১৬-১৭ জুলাই বেইজিংয়ে সিনো-ইউরোপীয় সম্মেলন সামনে রেখে ইইউ নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন চীনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এসব বৈঠকে একটি জোট গঠন এবং ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়ানোর অংশ হিসেবে বেশি করে চীনা বাজার গড়ার প্রস্তাব দেয় বেইজিং।

  • কানাডায় চিকিৎসা কর্মসূচি বন্ধ করলো সৌদি আরব

    কানাডায় চিকিৎসা কর্মসূচি বন্ধ করলো সৌদি আরব

     

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডায় সব ধরনের মেডিকেল চিকিৎসা কর্মসূচি বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি আরব। এমনকি সেখান চিকিৎসাধীন সৌদি নাগরিকদের কানাডার বাইরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার বিষয়টিও সমন্বয় করছে দেশটি। সৌদি আরবে নারী ও মানবাধিকার কর্মীদের আটকের প্রতিবাদ করার সম্পর্ক ছিন্ন করার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এর আগে কানাডার সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি বাতিল ও কূটনীতিককে বহিষ্কারও করে সৌদি আরব। এমনকি সৌদি আরব থেকে সরাসরি কানাডাগামী বিমান চলাচলও বন্ধ করে দেয় দেশি।
    গত ১ আগস্ট ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ জানিয়েছিল, সৌদি আরব কয়েকজন অধিকারকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে ছিলেন সৌদি আরবের নারী মুক্তি আন্দোলনের প্রখ্যাত নেত্রী সামার বাদাউই। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শুক্রবার অন্য অধিকারকর্মীদের পাশাপাশি সামার বাদুউইয়ের ‘অবিলম্বে মুক্তি’ দাবি করেছিল কানাডা। কানাডার এই ‘অবিলম্বে মুক্তির দাবি’ ভালো লাগেনি সৌদি আরবের। কানাডার আহ্বানের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় সৌদি আরব বলেছিল, ‘কানাডার বক্তব্য সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে খোলাখুলি হস্তক্ষেপ, যা আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও বিধির খেলাপ।’ এরপরই কানাডার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে আরব দেশটি। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় নিযুক্ত সৌদি স্বাস্থ্য দূত ডা. ফাহাদ বিন ইব্রাহিম আল তামিমির বরাত দিয়ে সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, সৌদি নাগরিকদের জন্য কানাডায় চিকিৎসা নেওয়া বন্ধ করতে যাচ্ছে তারা। এখন থেকে চিকিৎসার জন্য কানাডায় কোনও রোগী পাঠাবে না দেশটি। এমনকি যেসব রোগী এখন সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে তাদেরও অন্য দেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সরকার। অধিকারকর্মীদের আটকের প্রতিবাদ জানানোয় সৌদি আরব কানাডার বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থা নিচ্ছে। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড সৌদি আরবের এসব প্রতিক্রিয়ায় বিষয়ে বলেন, বিশ্বের যেখানেই হোক না কেন কানাডা মানবাধিকার, নারী স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেবে। তিনি বলেন, ‘আমরা এসব মূল্যবোধকে সমর্থন করতে কখনওই দ্বিধান্বিত হবো না। আমরা বিশ্বাস করি, এই আলোচনা আন্তর্জাতিক কূটনীতির জন্য মারাত্মক হবে।’ ২০১৮ সালের মে মাস হতে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন নারী অধিকারকর্মীকে গ্রেফতার করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী গাড়ি চালানোর অনুমতি ও পুরুষ অভিভাবকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রচারণায় যুক্ত ছিলেন। মে মাসে কর্তৃপক্ষ নারী অধিকারকর্মী এমান আল-নাফজান, লুজাইন আল-হাতলুল, আজিজা আল-ইউসেফ, আয়শা আল-মানিয়ে, ইব্রাহিম মোদেইমাহ ও মোহাম্মদ আল-রাবেয়াকে গ্রেফতার করে। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগসাজশ ও বিদেশি শত্রুদের আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার মতো সন্দেহজনক কর্মকা-ের জন্য সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে আরও গ্রেফতার করা হতে পারে। সূত্র: রয়টার্স।

  • অর্থ পাচারের অভিযোগে নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে ৩ মামলা

    অর্থ পাচারের অভিযোগে নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে ৩ মামলা

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে ৩টি মামলা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় তহবিলের অর্থ চুরির ঘটনা তদন্তের ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার তার বিরুদ্ধে এই তিন অভিযোগ আনা হয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স আদালতকে উদ্ধৃত করে এ খবর জানিয়েছে। নাজিব রাজাক ক্ষমতায় থাকা অবস্থাতেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদের (ওয়ানএমডিবি) অর্থ আত্মসাৎ করে নাজিব নিজ ব্যাংক হিসাবে জমা করেছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে নাজিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রয়টার্স জানায়, মালয়েশিয়ার নিম্ন আদালতে দায়ের করা এই অভিযোগে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে তিনটি লেনদেনের মাধ্যমে নাজিব রাজাকের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে প্রায় চার কোটি ২০ লাখ রিঙ্গিত বা এক কোটি মার্কিন ডলার স্থানান্তর করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিচারক আগের অভিযোগসহ এই অভিযোগ শুনানির জন্য উচ্চ আদালতে স্থানান্তর করেন।
    মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী, অর্থ পাচারের মামলায় ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদ-ের পাশাপাশি জরিমানাও করা হয়ে থাকে। আর পাচারকৃত অর্থের পাঁচগুণ বা ৫০ লাখ রিঙ্গিতের মধ্যে যেটা বেশি হবে তাই হবে জরিমানার পরিমাণ। সম্প্রতি নাজিব রাজাকের বাড়ি থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দুই হাজার ৫৩৫ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকারও বেশি। জব্দকৃত সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার পিস গয়না, বিভিন্ন ব্যাগে প্রায় তিন কোটি ডলারের সমমূল্যের ২৬টি দেশের মুদ্রা, ৪২৩টি ঘড়ি এবং ২৩৪ জোড়া সানগ্লাস। রয়েছে খ্যাতনামা নকশাকারদের তৈরি নানা মূল্যবান ও সৌখিন সামগ্রী। আর এসব সামগ্রীর হিসাব মেলাতে পুলিশের সময় লেগেছে মোট ১৬ দিন।

  • ‘ড্রোন হামলা থেকে প্রাণে বাঁচলেন’ ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট

    ‘ড্রোন হামলা থেকে প্রাণে বাঁচলেন’ ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট

    ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ভাষণ দেয়ার সময় একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে।ভেনিজুয়েলা সরকারের দাবি, বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা ছিল। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।প্রেসিডেন্ট মাদুরো বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া ‘সব তথ্য’ একটি ডানপন্থী চক্রান্তের দিকে ‘ইঙ্গিত করছে’, যার সঙ্গে কলম্বিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ফ্লোরিডার সম্পর্ক আছে, যেখানে নির্বাসিত অনেক ভেনিজুয়েলান বসবাস করেন।ঘটনার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন অপরাধীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে বিস্তারিত আর কিছু জানাননি।মাদুরো বলেন, বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন ব্যবহার করে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয় কিন্তু সে থেকে তিনি বেঁচে গেছেন।ওই ঘটনার লাইভ ফুটেজে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট মাদুরো ভাষণ দেয়ার সময় হঠাৎ করে ওপরের দিকে তাকিয়ে হতভম্ব হয়ে যান। এ সময় মাদুরোকে বর্ম দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করেন তার দেহরক্ষীরা।এ সময় কয়েক ডজন সেনাসদস্যকে সেখান থেকে দৌড়ে চলে যেতে দেখা যায়।এ হামলার জন্য কলম্বিয়াকে দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো। তবে এ অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলে তা উড়িয়ে দিয়েছে বোগোটা।ভেনিজুয়েলার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই হামলার ঘটনায় সাত সেনাসদস্য আহত এবং আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী জর্জ রদ্রিগেজ বলেন, প্রেসিডেন্ট স্ট্যান্ডের কাছে বিস্ফোরকবোঝাই দুটি ড্রোনের বিস্ফোরণ ঘটে।

  • রাশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১৮

    রাশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১৮

    রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে এর ১৮ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।স্থানীয় সময় শনিবার সকালে সাইবেরিয়ার ক্রাশনুইয়ার্স্ক অঞ্চলে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর বার্তা সংস্থা তাসের। উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই হেলিকপ্টারটি সাইবেরিয়া অঞ্চলের ক্রাশনুইয়ার্স্কে বিধ্বস্ত হয়।

    রাশিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমআই-৮ হেলিকপ্টারটিতে ১৫ জন যাত্রী এবং তিনজন ক্রু ছিলেন।

    এটি ইউটায়ার এয়ারলাইনসের হেলিকপ্টার। হেলিকপ্টারটি সাধারণত তেল উত্তোলনকারী শ্রমিকদের বহন করে থাকে।