Category: বিনোদন

  • ৪৪ তম জন্মদিন পালন করছেন ঐশ্বরিয়া

    জীবন নিউজ, ডেস্ক:  আজ ৪৪তম জন্মদিন পালন করছেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। এ বছরেই ঐশ্বরিয়ার বাবা কৃষ্ণা রাই মারা গেছেন। তাই ঝমকালো পার্টির আযোজন করা হয়নি। জন্মদিনের ঘরোয়া আয়োজনে শুধু বচ্চন পরিবারের সদস্যরাই থাকছেন।

    প্রতিদিনের মতো আজও মেয়েকে স্কুলে নিয়ে গেছেন ঐশ্বরিয়া। এরপর বান্দ্রায় মা বিন্দা রাইয়ের এপার্টমেন্টে যান। সেখানে মা-মেয়ে কিছু সময় কাটিয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় স্বামী অভিষেক বচ্চন ও একমাত্র কন্যা আরাধ্যাকে নিয়ে কেক কাটবেন। রাতে ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

    স্থপতি হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে স্থাপত্যশিল্প বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন ঐশ্বরিয়া। কিন্তু মডেলিংয়ের প্রতি আগ্রহ থাকার কারণে এবং বিশ্বসুন্দরী খেতাব জেতার পর পড়াশোনায় আর সময় দিতে পারেননি তিনি।
    ছেড়ে দিয়েছিলেন স্থাপত্যবিদ্যা। বলিউডে সফলতা অর্জন করার পর ২০০৭ সালে তিনি বিয়ে করেন অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে। সূত্র : এনডিটিভি

  • কাজের চাপে মডেলের মৃত্যু!

    কাজের চাপে মডেলের মৃত্যু!

    ডেস্ক: অতিরিক্ত কাজের চাপে রুশ এক কিশোরী মডেলের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগের তির চীনা মডেলিং সংস্থার দিকে। ভোয়াদা জিজুবা নামের ওই মডেল সাংহাই ফ্যাশন উইকে অংশ নিয়েছিল।

    গত মঙ্গলবার কাজ করার সময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে ভোয়াদা। পরদিন তাকে সাংহাই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভোয়াদার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। সেদিনই রাশিয়ার দূতাবাস এবং তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই গত শুক্রবার তার মৃত্যু হয়।

    চীনের আইন অনুযায়ী, ১৬ বছরের নিচে বয়স হলেও মডেলিংয়ের পেশায় যোগ দেওয়া যায়। ১৪ বছরের কিশোরী ভোয়াদা তিন মাসের চুক্তিতে সাংহাইভিত্তিক মডেলিং সংস্থা ইএসইইতে কাজ শুরু করে। দুই মাস ধরে চীনের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে চলছিল ফটোশুটের কাজ।

    দ্য সানে প্রকাশিত খবরের তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার মডেলিং সংস্থাগুলো ভোয়াদার বয়স অনুযায়ী তাকে তিন ঘণ্টা কাজ করার অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু চীনে ভোয়াদা কাজ করত অন্তত আট ঘণ্টা। মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই সাংহাইয়ের ইয়ু শহরে একটি শুটের কাজ ছিল তার। তবে শারীরিক অসুস্থার কারণে সেই কাজ বাতিল করা হয়।

    রাশিয়ার গণমাধ্যম সাইবেরিয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত কাজের চাপে মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওই মডেলের। ভোয়াদার পরিবারেরও অভিযোগ, ১৩-১৪ ঘণ্টা টানা কাজ করানো হতো তাকে দিয়ে।

    চীনা গণমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস বলছে, রক্তে সংক্রমণের কারণে একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দেওয়ার ফলেই মৃত্যু হয়েছে ভোয়াদার।

    এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে মডেলিং সংস্থা ইএসইই। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দ্য গ্লোবাল টাইমসকে বলেছেন, ‘দুই মাসে ভোয়াদাকে ১৬টি কাজে লাগানো হয়েছিল। তাকে প্রতিদিন কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দেওয়া হতো। বেশির ভাগ দিন সে আট ঘণ্টা কাজ করত, যা বাকিদের তুলনায় অনেকটাই কম।’

    আর মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই ছিল ভোয়াদার ১৫তম জন্মদিন। কিন্তু তার আগেই এমন ঘটনায় ভেঙে পড়েছে পরিবার। রাশিয়া পুলিশ ও মানবাধিকারকর্মীরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন।
    সূত্র: বিবিসি

  • হবিগঞ্জে শাকিব খানের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

    হবিগঞ্জে শাকিব খানের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

    জীবন নিউজ,  ডেস্ক: চিত্র নায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জে মামলা হয়েছে। একই মামলায় “রাজনীতি” সিনেমার পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস, প্রযোজক আশফাক আহমদকে আসামি করা হয়েছে।
    রোববার হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পা জাহানের আদালতে মামলাটি করেন বানিয়াচং উপজেলার যাত্রাপাশা গ্রামের সিএনজি অটোরিকশাচালক ইজাজুল মিয়া।
    মামলায় প্রতারণা ও মানহানির অভিযাগ আনা হয়েছে।
    অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রায় ২ ঘণ্টা ১৬ মিনিট ১১ সেকেন্ডব্যাপ্তির রাজনীতি সিনেমার ২৬ মিনিট ১২ সেকেন্ড সময়ে শাকিব খানের সঙ্গে নায়িকা অপু বিশ্বাসের ডায়ালগে শাকিব খান তার ফোন নম্বর হিসেবে ০১৭১৫-২৯৫২২৬ নম্বরটি উল্লেখ করেন।
    তবে প্রকৃতপক্ষে গ্রামীণফোনের এই সংযোগ নম্বরটির মালিক হচ্ছেন হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার যাত্রাপাশা গ্রামের ইজাজুল মিয়া।
    এদিকে সিনেমায় এই নম্বর দেয়ার পর ইজাজুলের নম্বরে অসংখ্য ফোন আসতে থাকে। তাদের বেশিরভাগই মেয়েদের নম্বর। এ ছাড়া শাকিব খান মনে করে খুলনা থেকে এক গৃহকর্মী চলে আসেন বানিয়াচংয়ে ইজাজুলের বাড়িতে।
    এ ধরনের বিভিন্ন বিব্রতকর ঘটনায় ১ সন্তানের জনক ইজাজুলের সংসার ভাঙার উপক্রম হয়।
    এ অবস্থায় অনুমতি ছাড়া সিনেমায় মোবাইল নম্বর ব্যবহার এবং তা প্রচারের ঘটনায় প্রতারণা ও ৫০ লাখ টাকার মানহানির মামলা করা হয়।
    ম্যাজিস্ট্রেট সম্পা জাহান মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী আদেশ দেয়া হবে বলে জানান।
    এ ব্যাপারে মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ জানান, কারো অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নম্বর প্রচার করা একটি প্রতারণা। মোবাইল নম্বরটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ায় বাদীর দিনের অধিকাংশ সময় ব্যয় হয় মোবাইল ফোন রিসিভ করে। তাতে বাদী আর্থিকভাব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
    আমরা মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রাজনীতি সিনেমা প্রচার বন্ধের আবেদন জানিয়েছি।
    একই সঙ্গে প্রতারণা ও মানহানি করায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছি।

  • মানসিক সমস্যায় ভুগেছিলেন যে তারকারা

    মানসিক সমস্যায় ভুগেছিলেন যে তারকারা

    বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের নামী তারকা সবাই। ভুগেছেন মানসিক দুশ্চিন্তা, অবসাদে। কারোর সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সময় লেগেছে। কেউ কেউ আবার তাড়াতাড়ি সেরে উঠেছেন। ভক্তদের কাছে লুকিয়ে রাখেননি। সেরে ওঠার পর জনসমক্ষে বলেছেন তাঁদের অবসাদের কথা।

    শাহরুখ খান: মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন শাহরুখ খান। সালটা ২০১০। কাঁধে চোট পান শাহরুখ। মারাত্মক যন্ত্রণা হত। আর তা থেকেই ডিপ্রেশন শুরু হয় শাহরুখের। বলেছিলেন, কাঁধে যন্ত্রণার জেরে মানসিক যন্ত্রণা শুরু হয়েছিল। তবে সেসব কাটিয়ে উঠে সুস্থ হয়েছি।

    দীপিকা পাড়ুকোন : ডিপ্রেশনের মধ্যে দীর্ঘদিন কাটিয়েছেন। সেরে ওঠার পর জানিয়েছিলেন সেকথা। অনেকে মনে করেন, মানসিক সমস্যার কথা জনসমক্ষে বললে নিজের ইমেজ খারাপ হবে। দীপিকা সেসবের পরোয়া করেননি। জানিয়েছিলেন, অত্যাধিক চাপের কারণে  ডিপ্রেশনে ভুগতেন। তখন কাজের মধ্যে ডুবে থেকে ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছেন। মানুষের সঙ্গে মিশেছেন। তাতে অনেকটাই হালকা হতে পেরেছেন। সবটা কাটিয়ে উঠতে পারেননি। বারবার ভেঙে পড়েছেন আর ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।

    হৃতিক রোশন : ডিপ্রেশনে ছিলেন হৃতিকও। নিজের মুখেই স্বীকার করেছিলেন সেকথা। উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে আমার জীবন এগিয়েছে। ডিপ্রেশনে ভুগেছি। ধন্দে ভুগেছি। সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধে হয়েছে। তবে সবার জীবনে এসব আসে। জীবনেরই অঙ্গ আসলে। আর উত্থান-পতন, অবসাদ, ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে এসেছি। ডিপ্রেশনে থাকলে চিন্তার স্বচ্ছতা দরকার। তবেই বেরিয়ে আসা যাবে। ” বলেছিলেন অভিনেতা।

    আনুশকা শর্মা : দুশ্চিন্তায় ভুগতেন আনুশকা। সমস্যা থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য খেতে হয়েছে ওষুধও। হৃতিকের মতো একই কথা বলেছিলেন আনুশকা। জানিয়েছিলেন, দুশ্চিন্তা গ্রাস করেছিল তাঁকে। ওষুধ খেয়েছেন সেজন্য। এসব বলতে তাঁর বিন্দুমাত্র লজ্জা নেই। কারণ, খুব স্বাভাবিক বিষয়। হতেই পারে। এনিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা যেতে পারে। সব্বার উচিত খোলামেলা আলোচনা করা। তাতে সমস্যা কমবে। অনেক মুক্ত হওয়া যাবে।

    করণ জোহর : দা আনসুইটেবল বয় নামের আত্মজীবনীতে নিজের মানসিক দুশ্চিন্তার কথা খোলসা করেছিলেন করণ। লিখেছিলেন, একটা সময় সম্পর্ক নিয়ে হতাশায় ভুগেছেন। ভালোবাসার অভাব তাঁকে মনানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। আমি কারোর সঙ্গে থাকতে পারবো তো? এই প্রশ্নটা বারবারা হাজির হত সামনে। এখন আর সেসব নেই। মনে হয়, এছাড়াও জগতে অনেককিছু নিয়ে ভাবার আছে।

  • ক্যাটরিনার কোলে কে এই শিশুটি? জল্পনা তুঙ্গে

    ক্যাটরিনার কোলে কে এই শিশুটি? জল্পনা তুঙ্গে

    বিনোদন ডেস্ক : আলি আব্বাস জাফরের পরিচালনায় ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ে গ্রিসে রয়েছেন ক্যাটরিনা। এই ছবিতে তিনি সালমান খানের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন।

    শুটিংয়ের ফাঁকেই বিমানবন্দরে শপিং করছিলেন তিনি। কোলে এক শিশুও ছিল। পরিচালক নিজেই সেই শপিংয়ের ভিডিও শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর তার পরই তা ভাইরাল। তিনি জানতে চেয়েছেন, কে বেশি সুন্দর? ওই শিশু নাকি ক্যাটরিনা।

  • শুভ জন্মদিন ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’

    শুভ জন্মদিন ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’

    জনপ্রিয় সিনেমা ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’কে স্মরণ করলেন নায়ক রিয়াজ। ৯ বছর আগে এ দিনে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। মূলত ‘হৃদয়ের কথা’র সাফল্যের রেশ ধরে রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটিকে নিয়ে ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’ নির্মাণ করেন এসএ হক অলিক।

    এ নিয়ে রিয়াজ অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে মঙ্গলবার লেখেন— “শুভ জন্মদিন ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’।

    পরিচালক এসএ হক অলিক ২০০৬ সালে ‘হৃদয়ের কথা’ ছবির ব্যাপক সাফল্যের পর নির্মাণ করেন ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’ ছবিটি।

    মাল্টিকাস্ট ছবি ছিল ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’। নায়করাজ রাজ্জাক, শর্মিলী আহমেদ, দিতির মতো গুণী শিল্পীরা কাজ করেছিল। প্রেম, দুই পরিবারের আবেগ, সুখ আর দুঃখ— সব মিলিয়ে পরিবার নিয়ে দেখার মতো ছবি ছিল।

    এমন কিছু সুন্দর লোকেশনে ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’ ছবির শুটিং করা হয়েছিল যা অন্য কোন ছবিতে আগে দেখা যায়নি।

    গান, লোকেশন সবকিছুতে ছিলো চমক আর নতুনত্ব।

    ছবিটি রিলিজের পর টানা বৃষ্টি অপেক্ষা করে দর্শক সিনেমাহলে ভিড় করেছিল। ২০০৮ সালের সুপার হিট ব্যবসা করা একটি ছবি ছিল ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’। বিশেষ দিনে সবার জন্য বিশেষ ভালোবাসা রইল।”

    গল্প ও নির্মাণের পাশাপাশি ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’র গানগুলো শ্রোতাদের সমাদর লাভ করে। এর মধ্যে রয়েছে হাবিব ওয়াহিদ ও ন্যানসির কণ্ঠ দেওয়া ‘পৃথিবীর যত সুখ’ ও ‘হাওয়ায় হাওয়ায় দোলনা দোলে’ এবং এসআই টুটুলের ‘নজর না লাগে যেন’।

    বছর দেড়েক আগে সিনেমাটি ইউটিউবে আপ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দেখা হয়েছে ১১ লাখের বেশিবার।