Category: বিনোদন

  • সালমানের ভয়ে ক্যাটরিনাকে ‘না’ করেছিলেন আয়ুষ?

    সালমানের ভয়ে ক্যাটরিনাকে ‘না’ করেছিলেন আয়ুষ?

    ভগ্নিপতি আয়ুষ শর্মাকে বলিউড পর্দায় নিয়ে আসছেন অভিনেতা সালমান খান। ‘লাভরাত্রি’ ছবি দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে তার।

    এ ছবিতে নবাগতা ওয়ারিনা হোসেনের বিপরীতে দেখা যাবে বোন অর্পিতার স্বামী আয়ুষ শর্মাকে।

    বলিমহলের খবর, লাভরাত্রি ছবির জন্য আয়ুষের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল ক্যাটরিনা কাইফকে।

    কিন্তু ক্যাটরিনা ফিরিয়ে দেন এ প্রস্তাব। বিষয়টি নিয়ে অনেক কথাই রটেছিল বলিমহলে সে সময়।

    বিটাউনের খবর, লাভরাত্রি ছবির জন্য প্রথম দিকে ভগ্নিপতির বিপরীতে নায়িকা খুঁজে পাচ্ছিলেন না সালমান।

    আয়ুষের বিপরীতে প্রথমে শ্রীদেবী তনয়া জাহ্নবী কাপুর, সাইফ তনয়া সারা আলি খানসহ অনেককেই প্রস্তাব দেন তিনি।

    কিন্তু তারা সবাই সালমান খানকে ফিরিয়ে দেন। সে কারণে এক সময় ক্যাটরিনাকেও প্রস্তাব দেয়া হয়।

    তবে এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, ক্যাটরিনা আয়ুষকে ফিরিয়ে দিক বা না দিক, আয়ুষ নিজেও নাকি ক্যাটের সঙ্গে অভিনয় করতে রাজি হন নি।সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া টুডে’তে আয়ুষ বলেন, ক্যাটরিনার সঙ্গে অভিনয় করতে আমার অস্বস্তি হওয়াটা খুব স্বাভাবিক।আর আয়ুষের এই বক্তব্যের পরই সিনে প্রেমীদের মুখেমুখে যে কথা ফুটছে তাহলো, সালমনের সঙ্গে ক্যাটরিনার বিশেষ সম্পর্কের কারণেই ক্যাটের সঙ্গে অভিনয় করতে অস্বস্তি বোধ করছিলেন ভগ্নিপতি আয়ুষ ।প্রসঙ্গত, বিটাউনে সালমান-ক্যাট প্রেমের কথা প্রায় সকলেরই জানা। যদিও মাঝে সালমানকে ছেড়ে রণবীর কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ক্যাট। তবে আজকাল ফের সালমানের সঙ্গে ভাব জমিয়েছেন তিনি।

  • ‘বিগ বস’-এ সালমানের আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক

    ‘বিগ বস’-এ সালমানের আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক

    জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস’-এ সালমান খান নাকি আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। বিগ বসের দ্বাদশ পর্ব শুরু হতে আর বাকি মাত্র দিন তিনেক।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সালমান খান নাকি এবার প্রতি পর্বের জন্য ১৪ কোটি রুপি করে নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০ কোটি রুপি রোজগার করতে চলেছেন তিনি।

    তবে প্রথমবারের মতো বিগ বসে পর্বপ্রতি আড়াই কোটি রুপি পারিশ্রমিক ছিল সালমান খানের। সেখান থেকে পারিশ্রমিক বেড়ে এবার ১৪ কোটি রুপিতে দাঁড়িয়েছে।

  • শহীদ মিনারে নয়, মসজিদের পাশে আমার কবর চাই: শিল্পী কনকচাঁপা

    শহীদ মিনারে নয়, মসজিদের পাশে আমার কবর চাই: শিল্পী কনকচাঁপা

    মৃত্যুর পর শহীদ মিনারে যেতে চাই না, মসজিদের পাশে কবর চাই বলে নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী রোমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা।নিজের ৪৯তম জন্মদিনে এ ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন তিনি। ১৯৬৯ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।কনকচাঁপা বলেন, ‘এ বছর আমি ৪৯ এ পা রাখব। কর্মহীন দীর্ঘজীবন আমার খুবই অপছন্দ। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকতে চাই, সুরের সঙ্গে ন্যায়ের সঙ্গে ভালো কাজের সঙ্গেই থাকতে চাই। আরও ভালো কিছু কাজ করতে চাই। এই আমার বড় ইচ্ছা। মৃত্যুর পর শহীদ মিনারে যেতে চাই না একদমই। এটাও আমার বড় ইচ্ছা, মসজিদের পাশে কবর চাই এটাও আরেকটি সুপ্ত ইচ্ছা।’জন্মদিনে বেশ কিছু ইচ্ছে-অনিচ্ছার কথা জানিয়ে কনকচাঁপা বললেন, ‘প্রতিটি কর্মদিবসই আমার জন্মদিন। কাজের মাঝেই এবং কাজের জন্যই আমার জন্ম। আমি একজন আপাদমস্তক কণ্ঠশ্রমিক। যে মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্য এই পৃথিবীর জন্ম তার জন্মদিন মৃত্যু দিবস পালন যেখানে নিয়ম নেই সেখানে আর কারো জন্মদিবস পালন অর্থহীন। যদিও সেপ্টেম্বর মাস এবং এগারো সংখ্যা আমার খুবই প্রিয়। হাজার হলেও আমি মানুষ, নিজেকে ভালোবাসি, তাই হয়তো এর বাইরে যাওয়ার সাধ্য আমার নেই। তবে আমি কখনোই আমার জন্মদিন এবং মৃত্যুদিন পালন করা হোক এ আমি চাই না।’তবে দিনটি উপলক্ষে সবার কাছে দোয়া চেয়ে এ শিল্পী বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে সুন্দর একটি জীবন হয়েছে আমার। সুস্থ সুন্দরভাবে বেঁচে আছি, তাই তার কাছে সবসময়ই আমি শুকরিয়া আদায় করি। আগামী দিনগুলোও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে যেন এভাবে বেঁচে থাকতে পারি এটাই কাম্য।’আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর যশোরে একটি স্টেজ শোতে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন বলে জানান কনকচাঁপা। প্রসঙ্গত, গানের বাইরে লেখালেখিও করেন এ শিল্পী।২০১০ সালে অনন্যা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘স্থবির যাযাবর’ বই প্রকাশের মাধ্যমে লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে তার। এরপর ‘মুখোমুখি যোদ্ধা’, ‘মেঘের ডানায় চড়ে’ ও ‘কাটা ঘুড়ি’ নামে আরও তিনটি বই লিখেছেন। ২০১৬ সালে তার একক চিত্রপ্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়।

  • গল্প এবং নির্মাণে আরও মনোযোগী হতে হবে

    গল্প এবং নির্মাণে আরও মনোযোগী হতে হবে

    ঢাকা ও কলকাতায় সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন বিদ্যা সিনহা মিম। সর্বশেষ তার অভিনীত ‘সুলতান’ নামে একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে।

    সম্প্রতি ‘সাপলুডু’ নামে নতুন একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

    * যুগান্তর: ‘সাপলুডু’ ছবিটি নিয়ে আপনাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা গেছে…

    ** বিদ্যা সিনহা মিম: এমন গল্পের একটি ছবিই খুঁজছিলাম এতদিন। সম্পূর্ণ অ্যাকশন ধাঁচের ছবি এটি। অভিনয়ের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আমি এবং আরিফিন শুভ ছাড়াও অনেক গুণী শিল্পী থাকছেন এ ছবিতে। সব মিলিয়ে দারুণ একটি কাজ করতে যাচ্ছি আমরা। ছবির পরিচালক গোলাম সোহরাব দোদুল ভাইয়ের সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ।

    * যুগান্তর: ছবিতে আপনার চরিত্র কেমন?

    ** বিদ্যা সিনহা মিম: একটি চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করব। দর্শকদের জন্য এটা একটা চমক বলা যায়। তাই আগেই কিছু বলতে চাই না। এটুকু বলতে পারি, এর আগে আমি এমন চরিত্রে অভিনয় করিনি। আমি চাই নতুন চমক দর্শক হলে গিয়ে দেখুক। এটা নিশ্চিত যে এ ছবিতে দর্শক আমাকে ভিন্ন চরিত্রে দেখতে পাবেন।

    * যুগান্তর: টিভি মিডিয়ায় খুব একটা দেখা যায় না, কেন?

    ** বিদ্যা সিনহা মিম: ব্যস্ত থাকার কারণে টিভি মিডিয়ায় কাজ করার সময় পাই না। তবে এ মাধ্যমে কাজ একেবারেই ছেড়ে দেইনি। সিনেমার ব্যস্ততা কমলে নাটকেও হয়তো অভিনয় করতে পারি।

    * যুগান্তর: সিনেমায় অভিনয়ের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য দেন?

    ** বিদ্যা সিনহা মিম: সুন্দর গল্প খুঁজি। গল্প ভালো না হলে তো ছবি ভালো হবে না। তারপর চরিত্রের বিষয়ে খুব সতর্ক থাকি। ভালো চরিত্র ছাড়া অভিনয় করি না। এরপর অবশ্যই পরিচালক। একজন ভালো নির্মাতা একটি দুর্বল গল্পকেও অনেক সময় দর্শকনন্দিত করে তুলতে পারেন।

    * যুগান্তর: ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে কাজের পার্থক্য কেমন?

    ** বিদ্যা সিনহা মিম: দুই জায়গাতে ভালো কাজ হয়। মাঝে ঢাকার ছবিগুলোতে একটু সমস্যা ছিল। এখন ভালো ছবি হচ্ছে। তবে আমাদের আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। গল্প এবং নির্মাণেও মনোযোগ দিতে হবে। না হলে অন্যদের চেয়ে আমরা পিছিয়ে পড়ব।

    * যুগান্তর: দেশের সেরা নায়ক শাকিব খান ও কলকাতার সেরা নায়ক জিতের সঙ্গে কাজ করেছেন। অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

    ** বিদ্যা সিনহা মিম: শাকিব ভাইয়া শুটিং সেটে খুব শান্ত থাকেন, চুপচাপ। তার মুখে অন্যের সমালোচনা কখনও শুনি না। আর জিৎ দা’ও ভালো। কিন্তু শুটিং সেটে একটু বেশি কথা বলতেন। অভিনয়ের সময় দু’জনই খুব সিরিয়াস থাকতেন। যত ছোট দৃশ্যই হোক না কেন, একবারই মনোযোগ দিয়ে অভিনয় করেন।

  • সোনালি বেঁচে নেই, গুজব রটিয়ে সমালোচিত বিজেপি নেতা

    সোনালি বেঁচে নেই, গুজব রটিয়ে সমালোচিত বিজেপি নেতা

    ‘সোনালি বেন্দ্রে ইজ নো মোর’ নিজের টুইটার হেন্ডেলে এ বার্তা দিয়ে বিপাকে পড়লেন ভারতের বিজেপি বিধায়ক রাম কদম।

    ভুল তথ্য শেয়ার করে সামাজিকমাধ্যমে তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি। খবর: টাইমস অব ইন্ডিয়া

    শুক্রবার রাম কদম তার টুইটার হেন্ডেলে একটি হোয়াটস্অ্যাপ মেসেজের স্ক্রিন শট শেয়ার করেছিলেন।

    সেখানে লেখা ছিল, ‘সোনালি বেন্দ্রে, যিনি হিন্দি এবং মরাঠি সিনেমা শাসন করেছেন, তিনি আর নেই।’

    ব্যাপারটি ভাইরাল হবার পরপরই ট্রোলড হতে হয় রামকে। এমন গুজব ছড়ানোর দায়ে তীব্র সমালোচনা করে অনেকেই তার শাস্তি দাবি করেন।

    এরপরই ওই পোস্ট সরিয়ে নেন রাম কদম।

    নিজের ভুল স্বীকারও করেন তিনি। পরে রাম কদম আবার একটি টুইট করেন, ‘সোনালি বেন্দ্রে সম্পর্কে যে তথ্য ছড়িয়েছে তা গুজব। গত দু’দিন ধরে আমি ঈশ্বরের কাছে ওর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’

    প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে ক্যানসারে আক্রান্ত সোনালি বেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে রয়েছেন।

    কেমন আছেন, স্বাস্থ্যের কতটা উন্নতি হচ্ছে, সব খবর নিজেই টুইট করেন এ ভারতীয় অভিনেত্রী।

    কেমোথেরাপি দেয়া হচ্ছে তাকে। সে কারণে চুল ফেলে ন্যাড়া হতে হয়েছে তাকে।

    গত ৬ সেপ্টেম্বর ‘রিড বুক ডে’ তে ইনস্টা প্রোফাইলে বই হাতে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন সোনালি।

    সেখানে তার ন্যাড়া মাথার ছবি দেখে বেদনাপ্লত হয়েছেন ভক্তরা

  • কিসে ভয় পান বলিউড তারকারা?

    কিসে ভয় পান বলিউড তারকারা?

    রুপালি পর্দায় তাদের চাহনিতেই কেঁপে ওঠেন শত্রুরা। তাদের বুদ্ধি ও শক্তিমত্তায় পরাজয় বরণ করেন বাঘা বাঘা মাফিয়া। ভক্তদের কাছে তাদের একেকজন যেন বাহুবলিস্বরূপ।

    কিন্তু বাস্তবে তাদের রয়েছে হাস্যকর আর অদ্ভুত সব ভয়। তাদের কেউ কেউ ভয় পান আরশোলাকে, কেউ ঘুমান বাতি জ্বালিয়ে।

    অদ্ভুত সব ফোবিয়ায় ভোগেন এসব বলিউড তারকা।

    শাহরুখ খান: সিনেমায় কাউকেই পরোয়া করেন না বলিউড ডন শাহরুখ খান। শত্রুদের দেয়া যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জয়ী হন তিনি। কিছুতেই ভয় নেই তার।

    কিন্তু বাস্তবে কিং খান সবচেয়ে বেশি নাকি ভয় পান ঘোড়াকে। এ কারণেই ছবিতে তারা ঘোড়া ছোটানোর দৃশ্য খুব একটা দেখা যায়নি।

    রণবীর কাপুর: হালের ক্রেজ বলিউডের হ্যান্ডসাম ডুড রণবীর কাপুর। অভিনয়ে ইতিমধ্যে নিজের বহুমুখী প্রতিভা দেখিয়েছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে রণবীর জানান, তিনি নাকি সবচেয়ে বেশি ভয় পান আরশোলা ও মাকড়শাকে। শুটিং সেটে এসব কীটপতঙ্গ দেখলেই অভিনয় ছেড়ে লাফ দিয়ে কোথাও পালিয়ে যান তিনি।

    অজয় দেবগন: তার থাবায় শোনা যায় বাঘের গর্জন। যেখানে পা ফেলেন অপরাধীরা সব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পালায়। কিন্তু এ বলিউড সিংঘামখ্যাত অজয় দেবগনের রয়েছে উচ্চভীতি। ভার্টিগোর সমস্যাও রয়েছে তার।

    এ ছাড়া তার রয়েছে আরেকটি হাস্যকর ফোবিয়া। হাত দিয়ে খাবার খেতে সবচেয়ে বেশি ভয় পান এ অ্যাকশন-জ্যাকশন অভিনেতা।

    অর্জুন কাপুর: অদ্ভুত এক ফোবিয়ায় ভুগছেন অর্জুন কাপুর। সবচেয়ে বেশি নাকি ভয় পান তিনি সিলিংফ্যানকে। আর এ কারণেই তার বাড়িতে নেই কোনো সিলিংফ্যান।

    ক্যাটরিনা কাইফ: হলিউডের অ্যাঞ্জেলিনা জলির চেয়ে কম যান না বলিউড কুইন ক্যাটরিনা কাইফ। এক থা টাইগার ও এর সিকোয়েলে সালমান খানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সমানে মারপিট ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে খেলেছেন তিনি। কিন্তু এ অভিনেত্রীর রয়েছে আজব একটি ফোবিয়া। তা হল টমেটো নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে ভোগেন তিনি।

    ‘জিন্দগি না মিলেগি দোবারা’ ছবির শুটিংয়ের সময় নাকি লা তোমাতিনা ফেস্টিভালে টমেটো নিয়ে শুটের সময়ও বেশ ভয়ে থাকতেন তিনি।

    বিদ্যা বালান: বিড়ালকে বেশ ভয় পান বিদ্যা। চারপাশে কোথাও বিড়ালের আওয়াজ পেলেই আতঙ্ক শুরু হয় এই দাপুটে অভিনেত্রীর।

    অভিষেক বচ্চন: ফল খেতে ভয় পান বিগবিপুত্র অভিষেক বচ্চন। ছোটবেলায় ফল একেবারেই খেতে চাইতেন না তিনি। তাই সিনেমাতেও তাকে ফল খেতে তেমন একটা দেখা যায় না।

    আনুশকা শর্মা: প্রথম ডেবিউ ছবি ‘রাবনে বানা দি জোড়ি’তে বাইকচালক শাহরুখ খানকে পছন্দ করে তার পেছনে চড়ে উড়ে বেরিয়েছিলেন আনুশকা শর্মা। অথচ বাইক চড়তে নাকি সবচেয়ে বেশি ভয় পান এ অভিনেত্রী।

    সানি লিওন: অন্ধকারকে ভয় পান সানি। ঘুমানোর সময়ও আলো জ্বালিয়ে রাখেন তিনি। কোনো স্ক্রিপ্টে কাজ করার আগে নাকি তিনি জেনে নেন ছবিতে অন্ধকারের দৃশ্য আছে কিনা।

    দীপিকা পাড়ুকোন: সাপ নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে ভোগেন বলিউড পদ্মাবত। সাপকে এতই ভয় পান তিনি যে, কোনো দড়ি দেখলেও তিনি সাপ ভেবে আঁৎকে ওঠেন।