Category: বিনোদন

  • আবার অপদস্থ!

    আবার অপদস্থ!

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন ট্রোল হওয়া ডালভাত হয়ে গেছে। বিশেষ করে বলিউড নায়িকাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামেশাই অপদস্থ হতে হয়। এবার পরিণীতি চোপড়া তাঁর চুলের রং নিয়ে রীতিমতো ট্রোলের শিকার হলেন। তবে এই বলিউড সুন্দরী আগেও এই ট্রোলের শিকার হয়েছেন। তখন ট্রোল হয়েছিলেন তাঁর টাইট নীল রঙের পোশাকের জন্য। আবার তিনি প্রচারের আলোয় চলে এসেছেন। এবার এই বলিউড সুন্দরী আলোচিত হচ্ছেন তাঁর চুলের জন্য। পরিণীতি তাঁর চুলের রং বদলে লাল করেছেন।

    পরিণীতির এই নতুন লুক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। এমনকি তাঁর এই লুক নিয়ে ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গেও তুলনা করা হচ্ছে। একটি ছবিতে ক্যাটরিনাকেও এই লুকে দেখা গেছ। সবার মতে, এই লুকে ক্যাটরিনাকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল। তাঁর পাশে পরিণীতি কিছুই না।

    পরিণীতি এ ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি নিজেকে নতুন লুকে দেখতে চেয়েছিলেন। তা আগে কখনো করেননি। আর একটা ছবির জন্য এই লুক ট্রাই করা হয়েছে। ছবির প্রযোজক নাকি তাঁকে এই লুকে দেখতে চেয়েছিলেন।

    পরিণীতি চোপড়ার ছবি ‘নমস্তে ইংল্যান্ড’ মুক্তির প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে আছেন অর্জুন কাপুর। এখন তিনি ব্যস্ত সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে ‘জবরিয়া জোড়ি’ ছবির শুটিংয়ে।

  • ধর্মমন্ত্রীর ছেলের নামে হত্যা মামলা

    ধর্মমন্ত্রীর ছেলের নামে হত্যা মামলা

    ধর্মমন্ত্রীর ছেলে মোহিত উর রহমান ওরফে শান্তর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের সদস্য সাজ্জাদ আলম শেখ আজাদকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি হয়।

    গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় নিহত সাজ্জাদের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার মামলাটি করেন।

    গত ২ আগস্ট দিলরুবা যুবলীগের ২৫ জন নেতা-কর্মীকে আসামি করে মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করেনি। পুলিশের দাবি, মোহিত উর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি ও নির্দেশ দেওয়ার যে অভিযোগ, তা তদন্ত করে প্রমাণ পেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করবে।

    এ নিয়ে দিলরুবা আক্তারের পক্ষে দুজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট মামলাটি নেওয়ার জন্য ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার পুলিশকে নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশ পাওয়ায় গতকাল রাতে মামলা নেয় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা।

    পুলিশ, দলীয় সূত্র ও নিহত ব্যক্তির পরিবার সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ শহরের আকুয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় যুবলীগের দুই পক্ষের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে গত ৩১ জুলাই দুপুরে সাজ্জাদ আলম শেখ আজাদকে প্রতিপক্ষের লোকেরা প্রকাশ্যে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় গত ২ আগস্ট ময়মনসিংহ শহরের কালীবাড়ি এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে সাজ্জাদের পরিবার। স্থানীয় যুবলীগের কর্মীরাও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে দিলরুবা বলেন, সাজ্জাদ একসময় মোহিত উর রহমানের পক্ষে রাজনীতি করতেন। বিভিন্ন সময় মোহিত তাঁকে দিয়ে অপরাধমূলক কাজ করাতেন। সাজ্জাদ অপরাধমূলক কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে কয়েক মাস আগে মোহিতের পক্ষ ছেড়ে দেন। তিনি ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের দ্বিধাবিভক্ত পক্ষের একটিতে চলে যান। এতে মোহিত ক্ষেপে যান। এরপর থেকেই মোহিত সাজ্জাদকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। আকুয়া এলাকার মোহিতের পক্ষের যুবলীগ কর্মী ফরিদ শেখ ও ফরহাদের সঙ্গে সাজ্জাদ ও তাঁর পক্ষের কর্মীদের চরম বিরোধ সৃষ্টি হয়।

    সাজ্জাদের স্ত্রী বলেন, হত্যার আনুমানিক সাত দিন আগে মোহিত মোবাইলে সাজ্জাদকে হত্যার হুমকি দেন। মোহিতের নির্দেশেই প্রকাশ্যে সাজ্জাদকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

    হত্যার পর থেকেই সাজ্জাদের পরিবার ও তাঁর পক্ষের নেতা-কর্মীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে আসছিলেন। তাঁরা পুলিশের কাছে মামলা গ্রহণ ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। গত ৬ আগস্ট একই দাবিতে ময়মনসিংহ নগরীর কাচারি সড়কে অনুষ্ঠিত একটি মানববন্ধনে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র মো. ইকরামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা যোগ দেন। তাঁরা মোহিতের নাম উল্লেখ না করলেও হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতার বিচার চান।

    পুলিশ জানায়, মামলায় মোহিত ছাড়াও ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল পাঠান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মন্তু বাবু, যুবলীগের কর্মী শেখ ফরিদ, ফরহাদ ও সেলিম ওরফে চৌর‌্যা সেলিমসহ যুবলীগের মোট ২৫জন নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

    মোহিত উর রহমান প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তার কোনো ভিত্তি নেই। রাজনীতিতে যাঁরা তাঁকে প্রতিপক্ষ মনে করেন, তাঁরা যড়যন্ত্রমূলক তাঁকে অভিযুক্ত করছেন। তাঁরা নিহত সাজ্জাদের স্ত্রীকে উসকানি দিয়ে এ মামলা দিতে প্ররোচিত করেছেন।

    ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, আজ বিকেল পর্যন্ত মামলার কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তবে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য কাজ শুরু করেছে।

  • আজকের সিনেমা

    আজকের সিনেমা

    দুরন্ত টিভি
    দুপুর ৩-০০ দ্য উইন্ড অব দ্য উইলোজ।
    রাত ১০-০০ আইস এজ।

    এটিএন বাংলা
    দুপুর ৩-০৫ ব্রেভহার্ট-বাংলায় ডাব (মেল গিবসন)।

    চ্যানেল আই
    দুপুর ৩-০৫ রূপকথার গল্প (তৌকীর আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, তাসকিন, হুমায়ুন ফরীদি)।

    এনটিভি
    সকাল ৮-৪৫ সে আমার মন কেড়েছে (শাকিব খান, তিন্নি, আলমগীর, আহমেদ শরীফ)।

    আরটিভি
    সকাল ১০-৪০ জান আমার জান (শাকিব খান, অপু বিশ্বাস)।
    দুপুর ২-১০ আজ গায়েহলুদ (আমিন খান, মৌসুমী)।

    বাংলাভিশন
    সকাল ৯-০৫ এক বুক জ্বালা (শাকিব খান, মৌসুমী, ফেরদৌস)।
    দুপুর ২-০৫ পুড়ে যায় মন (সাইমন, পরীমণি)।

    বৈশাখী টিভি
    সকাল ১০-৩০ কসম (ইলিয়াস কাঞ্চন, অঞ্জু ঘোষ, ওয়াসিম)।
    রাত ১২-০০ জ্বি হুজুর (সাইমন সাদিক, মিষ্টি জান্নাত)।

    মাছরাঙা টিভি
    সকাল ৯-৩০ মনের সাথে যুদ্ধ (মান্না, পূর্ণিমা)।

    নাগরিক টিভি
    দুপুর ৩-০০ আনন্দ অশ্রু।

    জি বাংলা সিনেমা
    দুপুর
    ১২-৩০ বাবা কেন চাকর (রাজ্জাক, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, শ্রীলেখা মিত্র)।
    ৩-৩০ টক্কর (প্রসেনজিৎ, রচনা ব্যানার্জি)।
    ৬-২৬ অনুসন্ধান (অমিতাভ বচ্চন, রাখী, আমজাদ খান, উৎপল দত্ত, প্রেমা নারায়ণ)।
    ৯-২৩ ভিলেন (টোটা রায় চৌধুরী, ঋতুপর্ণা)।

    জলসা মুভিজ
    সকাল
    ১১-০০ বউমার বনবাস।
    ২-৪০ আওয়ারা (জিৎ, সায়ন্তিকা)।
    ৬-১০ মোয়ানা।
    ৮-৩০ বলো না তুমি আমার (দেব, কোয়েল মল্লিক, টোটা রায় চৌধুরী, সব্যসাচী চক্রবর্তী)।
    ১২-০০ জিও পাগলা (যিশু সেনগুপ্ত, শ্রাবন্তী, কৌশিনী, ঋত্বিকা সেন)।

    জি সিনেমা
    সকাল
    ১০-০০ ধামাল (সঞ্জয় দত্ত, রিতেশ দেশমুখ, আরশাদ ওয়ার্সি)।
    ১-০১ এক রিস্তা (অক্ষয় কুমার, কারিশমা কাপুর, জুহি চাওলা, অমিতাভ বচ্চন)।
    ৪-৪৭ সুপার সিং (দিলজিৎ, সোনম বাজওয়া, পবন মালহোত্রা)।
    ৮-০০ জানোয়ার (অক্ষয় কুমার, কারিশমা কাপুর, শিল্পা শেঠি)।
    ১১-৩৯ লাভ অ্যাকশন ধামাকা (নাগা চৈতন্য, পূজা)।

    সেট ম্যাক্স
    সকাল
    ১১-০০ কাঞ্চনা দ্য ওয়ান্ডার কার (নয়নতারা)।
    ১-৫৩ রাওড়ি রাঠোড় (অক্ষয় কুমার, সোনাক্ষী সিনহা)।
    ৫-০০ মার মিটেঙ্গে টু (এনটি রমা রাও জুনিয়র, শ্রুতি হাসান, সামান্থা)।
    ৭-৫৩ সনু কে টিটু কি সুইটি (নুসরাত ভারুচা, কার্তিক আরিয়ান)।
    ১০-৫৩ ডেয়ারিংবাজ খিলাড়ি।

  • খুঁড়িয়ে চলছে মিলনায়তনটি

    খুঁড়িয়ে চলছে মিলনায়তনটি

    যুরালে আঁকা চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের মুখটি হাস্যোজ্জ্বল। তবে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত তাঁর নামাঙ্কিত মিলনায়তনটির চেহারা বেজায় মলিন। জহির রায়হান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এখন বলতে গেলে খালিই পড়ে থাকে। প্রতি মাসে হাতে গোনা কয়েকটি নাটকের প্রদর্শনী করে মিলনায়তনটিকে বাঁচিয়ে রেখেছে স্থানীয় নাট্যদলগুলো। অবকাঠামোগত উন্নয়নও নেই তেমন একটা।

    ২০০৮ সালে এই মিলনায়তনটি তৈরি হয়। পুরান ঢাকার মানুষের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হতে পারত এটি। প্রথমে বেশ আগ্রহ দেখা গিয়েছিল মিলনায়তনটিকে ঘিরে। পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে সেই আগ্রহে ভাটা পড়ে। এখন মিলনায়তনটিতে অনুষ্ঠান থাকে না বললেই চলে। গত বছরের জুলাই থেকে এ বছরের জুলাই পর্যন্ত মিলনায়তনটিতে নাটকের প্রদর্শনী হয়েছে মাত্র ৩০ টি। এর মধ্যে গত বছরের জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর এবং এ বছরের মে ও জুন মাসে, অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে পাঁচ মাসই কোনো নাটকের প্রদর্শনীই হয়নি সেখানে। হাতে গোনা যে কটি নাটকের প্রদর্শনী হয়েছে, তার সবই স্থানীয় নাট্যদলগুলোর।

    স্থানীয় নাট্যদলগুলোর নির্দেশকদের একটি মোর্চা বাংলাদেশ নাট্য নির্দেশক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক খোকন রানা বলেন, ‘মিলনায়তনটি এখানকার নাটকের কাজের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখানে আমরা নিয়মিত নাটক প্রদর্শনী করি। তবে সাউন্ড, লাইটসহ আরও কিছু কাঠামোগত অসুবিধা আছে। এগুলোর সংস্কার হলে ভালোভাবে কাজ করা যাবে।’

    প্রথম দিকে মিলনায়তনটিকে ঘিরে বেশ উৎসাহ দেখায় বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন। বেশ কয়েকটি নাট্যদল তাদের নাটকের প্রদর্শনী ও উৎসবও আয়োজন করে এখানে। কিন্তু দিন দিন এই উৎসাহ কমে যায়। মিলনায়তন সূত্র জানায়, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনভুক্ত নাটকের দলের শেষ প্রদর্শনী ছিল ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। এরপর এই বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ে আর কোনো প্রদর্শনী তারা করেনি। যদিও বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ও নাটকের দলগুলোর মধ্যে হরহামেশাই মঞ্চসংকটের অজুহাত শোনা যায়। এমনকি এখানে ফেডারেশনের নাটকের দলগুলোর জন্য ভাড়াও কমিয়ে রাখা হয়েছে।

    বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের জন্য ভ্যাটসহ মিলনায়তন ভাড়া ৮ হাজার ৫০ টাকা। অন্যদিকে ফেডারেশনের বাইরে মিলনায়তনের ভাড়া ৯ হাজার ২০০ টাকা। অন্যান্য অনুষ্ঠানের জন্য ১৩ হাজার ৮০০ টাকা। গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনভুক্ত নাটকের দলগুলোর আগ্রহ নেই কেন? এমন প্রশ্নে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের মহাসচিব কামাল বায়েজীদ বলেন, ‘প্রথমত, ওই মিলনায়তনটির সমস্যা হলো ওটা শহরের একটা পাশে পড়ে গেছে। তা ছাড়া ওটা একটা বাণিজ্যিক এলাকা। ওখানে সন্ধ্যা সাতটায় প্রদর্শনী শুরু করা যায় না। লোকজনের ব্যবসা-বাণিজ্য শেষ হলে রাত আটটার দিকে শো শুরু করতে হয়। তা ছাড়া শিল্পকলা একাডেমির মতো নাটক দেখার সংস্কৃতিও ওখানে নেই। যার কারণে মাইকিং করে কিংবা লিফলেট বিতরণ করে বিশাল একটা প্রচার না করলে দর্শক পাওয়া যায় না। সে কারণে নিয়মিত একটা দলের ওই জায়গায় প্রদর্শনী করাটা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তা ছাড়া অবকাঠামোগত সংস্কারও দরকার। এই নানা কারণে ফেডারেশনের নাটকের দলগুলো সেখানে নিয়মিত প্রদর্শনী করতে পারেনি। তবে আমরা আবার মেয়র উৎসবের মাধ্যমে ওখানে প্রদর্শনী শুরু করার পরিকল্পনা করছি এবং কীভাবে ওখানে নিয়মিত নাটক প্রদর্শনী করা যায়, সে বিষয়েও চিন্তাভাবনা করছি।’

    পুরান ঢাকায় এই মিলনায়তনটি সংস্কৃতিচর্চার একটি কেন্দ্র হতে পারত। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদাসীনতায় নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে আছে মিলনায়তনটি। সরেজমিনে দেখা যায়, মিলনায়তনের ১৮টি শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের মধ্যে মাত্র ছয়টি সচল। এর তত্ত্বাবধায়ক অমরেশ মণ্ডল বলেন, মিলনায়তনটিতে শীতাতপযন্ত্র না থাকার কারণে এখানে বড় কোনো প্রদর্শনী বা সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা যাচ্ছে না। লাইট, সাউন্ড ও অন্যান্য সরঞ্জামের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। স্থানীয় নাট্যসংগঠনগুলোও লাইট ও সাউন্ড পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ করেছে। অমরেশ আরও বলেন, ‘লাইট ও সাউন্ড বাইরে থেকে ভাড়ায় আনা যায়। কিন্তু শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র তো আর আনা যায় না। আর সেটি না থাকলে মিলনায়তনে কাজ করাটা কঠিন। আগে বিভিন্ন চ্যানেলের কাজ হতো। গত রোজার সময় সেটিও করা যায়নি।’

    মিলনায়তনের নিচতলায় আছে একটি লাইব্রেরি। সেখানে পর্যাপ্ত বই নেই। থাকে না খবরের কোনো কাগজও। অমরেশ মণ্ডল বলেন, ‘এখানে বই নেই বললেই চলে। যা আছে তার বেশির ভাগই ব্যক্তিগতভাবে সংগ্রহ করা। তা ছাড়া এখানে কোনো দৈনিক পত্রিকা রাখা হয় না। অন্ততপক্ষে পাঁচটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা থাকা দরকার।’ মিলনায়তনের তত্ত্বাবধায়ক জানান, তাঁরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বেশ কয়েকবার আবেদন করেছেন, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

    এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (অঞ্চল-৫) সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমাদের তিন বছরের একটি পরিকল্পনা আছে। আমরা এগোচ্ছি। আস্তে আস্তে সব সংস্কার করা হবে। মানুষ যাতে সেবা পায়, তার জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’ কত দিনের মধ্যে করা হবে-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা একেকটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য পাঠাচ্ছি। প্রশাসনিকভাবে অনুমোদন হয়ে গেলেই কাজ শুরু হবে।’

    রাজধানীজুড়ে ঢাকা সিটি করপোরেশনের বেশ কতগুলো কমিউনিটি সেন্টার আছে। গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চ ও জহির রায়হান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও এই কমিউনিটি সেন্টারের নিয়মকানুনের আওতায় রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। আলাদা করে এই দুটি নাট্যমঞ্চ নিয়ে কোনো ভাবনা নেই। এমনটি জানাল জহির রায়হান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের এক সূত্র। এ কারণে ঠিক সাংস্কৃতিক একটি মিলনায়তন যেভাবে পরিচালনা হওয়া দরকার, সেভাবে এটি পরিচালিত হচ্ছে না।

    রাজধানীর গুলিস্তানের বশির আহমেদ মিলনায়তন পরিচিত মহানগর নাট্যমঞ্চ নামে। সেখানেও নাটক মঞ্চায়ন হয় না বললেই চলে। বরং সেখানে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বেশি হয়। জহির রায়হান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও এই পথে যাচ্ছে কি না, এই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ নাট্য নির্দেশক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক খোকন রানা এ বিষয়ে অভিযোগ করে বলেন, ‘আসলে এটি মিলনায়তন হিসেবে চালানো হচ্ছে না। কমিউনিটি সেন্টারগুলো যে আদলে চলে, এটাকে সেভাবে চালাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কমিউনিটি সেন্টারে যে নিয়মগুলো সেই নিয়মের মাধ্যমে চলছে। ভাড়াও কমিউনিটি সেন্টারের আদলে নির্ধারণ করা হয়েছে, যার কারণে ঠিক মিলনায়তনের মতো এটি চলছে না।’

  • ইংরেজি কম বোঝেন বলিউড কিং শাহরুখ খান!

    ইংরেজি কম বোঝেন বলিউড কিং শাহরুখ খান!

    বলিউড কিং শাহরুখ খান ইংরেজি কম বোঝেন! সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন তথ্য জানিয়েছেন। শাহরুখ বলেন, ‘আমাকে কখনও হলিউড থেকে ছবিতে অভিনয় করার প্রস্তাব দেয়া হয়নি।’

    কেন দেয়া হয়নি তার প্রাথমিক কারণও তিনি জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে শাহরুখ বলেন, ‘হয়তো ইংরেজি কম বুঝি, তাই সেখান থেকে আমাকে প্রস্তাব দেয়া হয়নি।’ তবে যদি কখনও হলিউড থেকে প্রস্তাব আসত তবুও তিনি বলিউডকেই প্রাধান্য দিতেন।

    কারণ বলিউডের কাজ বাদ দিয়ে কখনও হলিউডমুখী হওয়ার ইচ্ছে নেই তার। এ প্রসঙ্গে শাহরুখ বলেন, ‘হলিউডের সিনেমায় কাজের প্রস্তাব এলেও বলিউড থেকে কখনোই বিচ্ছিন্ন হতে চাই না।

    আমি চাই আরও ভালো অভিনয় করে ভারতীয় ছবিকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে যেতে। পুরো বিশ্ব বলিউড ছবি দেখবে। বলিউড সম্পর্কে জানবে।’ বর্তমানে এ অভিনেতা ‘জিরো’ ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। জিরো ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন আনুশকা শর্মা ও ক্যাটরিনা কাইফ প্রমুখ।

     
  • ঈদ শেষ, শুটিং শুরু

    ঈদ শেষ, শুটিং শুরু

    নেপালে শুটিংয়ে ব্যস্ত নাঈম ও মমঈদের আগে তারকারা ব্যস্ত ছিলেন ঈদের নাটক নিয়ে। রাত-দিন মিলিয়ে শুটিং করেছেন এসব নাটকের। এরপর কয়েক দিন বিশ্রাম ছিল বটে, কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই দাঁড়িয়েছেন ক্যামেরার সামনে। শুরু করে দিয়েছেন নিয়মিত নাটকের শুটিং; যার বেশির ভাগই নিয়মিত ধারাবাহিক নাটক। নতুন ধারাবাহিক নাটকও রয়েছে। সব মিলিয়ে আবার ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তারকারা।

    ২৭ আগস্ট থেকেই সচল হয়েছে রাজধানীর উত্তরার শুটিংবাড়িগুলো। মুখর হয়েছেন ক্যামেরার সামনের ও পেছনের মানুষেরা। তবে সবখানেই ছিল ঈদের আমেজ। একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। গল্পগুজব চলেছে ঈদ নিয়েই। আপন ঘর নামের শুটিংবাড়ির স্বত্বাধিকারী খলিলুর রহমান বলেন, ‘ঈদের পর মনে হয় আমার শুটিংবাড়িতেই সবার আগে কাজ শুরু হয়েছে। ২৭-২৮ আগস্ট দুই দিনই আমার দুই শুটিংবাড়িতে শুটিং করেছেন দুজন পরিচালক। মাঝে এক দিনের বিরতি দিয়ে আজও (গতকাল বৃহস্পতিবার) শুটিং চলছে।’

    খলিলুর রহমান জানালেন, প্রথম দিন আপন ঘর ৪-এ চলেছে ডিবি ধারাবাহিকের শুটিং। নাটকটি নিয়মিতভাবে এটিএন বাংলায় প্রচারিত হয়। আর আপন ঘর ২-এ চলেছে অরণ্য আনোয়ার পরিচালিত ফুল এইচডি ধারাবাহিক নাটকের শুটিং। এটি প্রচারিত হচ্ছে মাছরাঙা টিভিতে।
    ঈদের পর তারকাদের শিডিউল পেতে সমস্যা হয় কি না-জানতে চাইলে অরণ্য আনোয়ার বললেন, ‘ঈদের আগে থেকেই শিডিউল নেওয়া ছিল। সেই অনুযায়ী শুটিং করেছি। আর এটা আমার নিয়মিত ধারাবাহিক। তাই নিয়মিতই শুটিং করতে হয়।’ জানালেন, ২৭ ও ২৮ আগস্ট ফুল এইচডি নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন তারিক আনাম খান, সাজু খাদেম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, নাবিলাসহ অনেকেই।

    ফুল এইচডি নাটকের শুটিংয়ে তারিক আনাম খান ও নাবিলা এ ছাড়া ঈদের পরপরই স্বপ্নীল শুটিংবাড়িতেও চলেছে শুটিং। এই বাড়ির স্বত্বাধিকারী আবদুল আলীম জানালেন, ২৮ আগস্ট থেকে শুটিং করছেন দুজন পরিচালক। আগামী সপ্তাহে শুটিংয়ের জন্য বুকিং করেছেন নির্মাতারা।

    এদিকে ঈদ কাটিয়েই ২৮ আগস্ট নেপালে শুটিং করতে পৌঁছে গেছে একটি দল। এই দলে আছেন অপূর্ব, জাকিয়া বারী মম, এফ এস নাঈম, নাদিয়াসহ অনেকে। সঙ্গে আছেন নির্মাতা সৈয়দ শাকিল। সেখানে নির্মিত হবে একটি ধারাবাহিক ও বেশ কয়েকটি একক নাটক।

    নেপাল থেকে এফ এস নাঈম জানালেন, ধারাবাহিক নাটকটির নাম এখনো ঠিক হয়নি। তবে তারকাবহুল এই নাটকের শুটিং এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

    সব মিলিয়ে তারকারাও আবার ফিরছেন শুটিংয়ে। ঈদ ছাড়াও নিয়মিত ধারাবাহিক ও একক নাটকে সারা বছরই ব্যস্ত থাকেন তাঁরা। তবে ঈদের পর নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করছেন বলে জানিয়েছেন তারকারা।