Category: বিনোদন

  • পূর্ণিমা’র আড্ডায় শাফিন আহমেদ

    পূর্ণিমা’র আড্ডায় শাফিন আহমেদ

    জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার আড্ডায় আসলেন জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ। আড্ডায় তারা নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ, ভালো লাগা, মন্দ লাগাসহ নানান বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।

    তবে এই আড্ডা শুধুমাত্র অনুষ্ঠানের খাতিরে। পূর্ণিমার উপস্থাপনায় আরটিভিতে প্রচারিত হচ্ছে সেলিব্রেটি টকশো ‘এবং পূর্ণিমা’। অনুষ্ঠানটির প্রতিটি পর্বেই অতিথি হয়ে আসেন তারকারা।

    এবারের পর্বে পূর্ণিমার সাথে আড্ডা দিয়েছেন শাফিন আহমেদ। সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে পর্বটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে।

    আগামী ২ জুন শনিবার রাত ১০টায় আরটিভিতে অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে।

    সোহেল রানা বিদ্যুতের প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি গ্রন্থনা করেছেন অনিন্দ্য মামুন।

  • ‘আমিরের নীতি’ ধরছেন কারিনা

    ‘আমিরের নীতি’ ধরছেন কারিনা

    কথিত আছে, বছরে একটার বেশি ছবিতে দেখা যায় না বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ খ্যাত অভিনেতা আমির খানকে। যদিও ক্যারিয়ারের শুরু দিকে তিনি বছরে চার-পাঁচটা ছবিও করেছেন। কিন্তু তিন দশকের অভিনয় জীবনের অধিকাংশ বছরই তার ছবির সংখ্যা একটি। যেমন ২০০৭ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত বছরগুলোতে তাকে একটি করে ছবিতেই দেখা গেছে।

    আমিরের এই ‘নীতি’ খুবই ফলপ্রদ। বছরে একটি ছবি আসলেও সেটাই হিট হয়। অভিনেতার সেই নীতিতে এবার হাটতে চলেছেন বলিউডের নবাব পরিবারের পুত্রবধূ কারিনা কাপুর খানও। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে কারিনা জানিয়েছেন, এখন থেকে তিনি বছরে একটি ছবিতে অভিনয় করবেন।

    তবে কারিনার এমন সিদ্ধান্তের কারণ অবশ্য ভিন্ন। এখন তিনি শুধু ফিল্মের একজন নায়িকাই নন, একজন দায়িত্বশীল মাও। সন্তান তৈমুর জন্ম নেয়ার আগে থেকেই তিনি অভিনয়ে খুব একটা সময় দিতে পারেন না। মা হওয়ার পর তো ব্যস্ততা আরো বেড়েছে। কেননা, মা কারিনার দিনের বেশিরভাগ সময়ই তো সন্তান তৈমুরের জন্য বরাদ্দ। যার কারণেই বোধহয় এমন সিদ্ধান্ত।

    এদিকে, কিছুদিন পরেই মুক্তি পেতে চলেছে কারিনার ‘ভিরে দি ওয়েডিং’ ছবিটি। মা হওয়ার পর এই ছবি দিয়েই প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান তিনি। ছবিটি প্রসঙ্গে কারিনা বলেন, ‘চার বন্ধুর গল্প নিয়ে ‘ভিরে দি ওয়েডিং নির্মিত হয়েছে। আমি সব সময় নায়কের সঙ্গে স্ক্রিন স্পেস শেয়ার করেছি। এই প্রথম অন্য তিনজন অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করলাম।’

    অন্যদিকে, করণ জোহারের ধর্মা প্রোডাকশনের একটি ছবিতেও সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কারিনা। যেটিতে তার নায়ক হালের সেনসেশন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। ছবিটির পরিচালনায় রয়েছেন রাজ মেহতা। সবকিছু ঠিক থাকলে এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার জুটি বাঁধবেন কারিনা ও সিদ্ধার্থ। ছবিতে কারিনাকে দেখা যাবে একজন মায়ের চরিত্রে।

  • ‘পোড়ামন টু’ নিয়ে সায়মনের আক্ষেপ

    ‘পোড়ামন টু’ নিয়ে সায়মনের আক্ষেপ

    হালের উঠতি তারকা নায়ক সায়মন সাদিক। ২০১২ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘জ্বী হুজুর’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে তার আগমন। ছয় বছরের ক্যারিয়ারে অভিনয় করে ফেলেছেন প্রায় দেড় ডজন ছবিতে। তবে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আলোচিত ছবি হচ্ছে ‘পোড়ামন’। এই ছবির মাধ্যমেই নায়ক সায়মনকে চিনেছিল সিনেপাড়া।

    ‘পোড়ামন’ মুক্তি পেয়েছিল ২০১৩ সালে। সে বছর সুপাহরহিট তকমা পেয়েছিল ছবিটি। ব্যক্তিগতভাবে বায়োস্কোপ বর্ষসেরা শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার জন্য মনোনীত হয়েছিলেন নায়ক সায়মন। ছবিতে সায়মনের বিপরীতে ছিলেন হালের সবচেয়ে দামি নায়িকা মাহিয়া মাহি। এই ছবিটিও পরিচালনা করেছিলেন জাকির হোসেন রাজু।

    ‘পোড়ামন’-এর সাফল্যের পর হয়তো এটির সিক্যুয়েলের অপেক্ষায় ছিলেন নায়ক সায়মন। সম্প্রতি দেয়া তার একটি বক্তব্যে তেমনটাই প্রকাশ পেয়েছে। পাঁচ বছর পর নির্মিত হয়েছে ‘পোড়ামন’-এর সিক্যুয়েল ‘পোড়ামন টু’। কিন্তু পাল্টে ফেলা হয়েছে প্রায় সবকিছুই। দ্বিতীয় সিক্যুয়েলে পরিচালকের আসনে রয়েছেন রায়হান রাফি। নেই প্রথমটির হিরো সায়মন। পাল্টে ফেলা হয়েছে নায়িকাও।

    বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে খবর, ‘পোড়ামন টু’ ছবির নায়ক হালের আরেক উঠতি তারকা সিয়াম আহমেদ। নায়িকা মাহির স্থানটি দখল করে নিয়েছেন চলচ্চিত্রের নতুন অতিথি পূজা চেরি। একটি বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন নায়ক বাপ্পারাজ। প্রথমটির মতো ‘পোড়ামন টু’ও প্রযোজনা করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।

    এই ছবি নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে তার আক্ষেপের কথা প্রকাশ করলেন নায়ক সায়মন। বললেন, ‘সবাই আমাকে পোড়ামনের সাইমন বলেই চেনেন। এটাই আমার ট্রেডমার্ক। তাই ‘পোড়ামন টু’ ছবিতেও আমার কাজ করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু জাজ মাল্টিমিডিয়া আমাকে সেই সুযোগটা দেয়নি। নতুন ছেলে সিয়ামের জন্য শুভকামনা।’

    বুঝতেই পারছেন, কতটা আক্ষেপ বুকে জমা করে রেখেছেন নায়ক। এদিকে নতুন জুটি সিয়াম-পূজাকে নিয়ে ‘পোড়ামন টু’ ছবির কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এডিটিং ও পোস্ট প্রোডাকশনের কাজও শেষ। ছবিতে রয়েছে প্রয়াত নায়ক সালমান শাহকে ঘিরে ‘নাম্বার ওয়ান হিরো’ শিরোনামের একটি গান। ‘পোড়ামন টু’ আসছে ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে

  • উৎসবে যৌথ প্রযোজনার ছবি চলবে: আপিল বিভাগ

    উৎসবে যৌথ প্রযোজনার ছবি চলবে: আপিল বিভাগ

    ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, পূজা এবং পহেলা বৈশাখের উৎসবে যৌথ প্রযোজনার ছবি ছাড়া ভারতীয় বাংলা, হিন্দি, পাকিস্তানি ছবিসহ বিদেশি ছবি আমদানি, বিতরণ ও প্রদর্শন করা যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। যৌথ প্রযোজনা এবং আমদানি করা ছবির ওপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদন নিষ্পত্তি করে দিয়ে আজ বুধবার এ আদেশ দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ।

    আদালতে হাইকোর্টে রিটকারী সেলিনা বেগমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আবেদনকারী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন। আদেশের পরে ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, নিপা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সেলিনা বেগমের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ মে হাইকোর্ট যৌথ প্রযোজনার ছবি, আমদানি করা ছবির প্রদর্শনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ আপিল বিভাগে আবেদন করেন। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ কিছুটা সংশোধন করে যৌথ প্রযোজনার বিষয়টি খুলে দেন। অর্থাৎ যে কোনো উৎসবে যৌথ প্রযোজনার ছবি প্রদর্শন করা যাবে। কিন্তু আমদানি করা ছবি প্রদর্শন করা যাবে না।

  • ‘মাকসুদের চলে যাওয়া মনোমালিন্যে নয়’

    ‘মাকসুদের চলে যাওয়া মনোমালিন্যে নয়’

    ব্যান্ড দল ফিডব্যাককে যারা জনপ্রিয়তার তুঙ্গে নিয়ে দিয়েছিলেন, তাদের একজন মাকসুদ। কিন্তু এই শিল্পীর সঙ্গে আবার সম্পর্ক ছেদ হয় ব্যান্ডটির।

    প্রথম অ্যালবাম বের করার আগে পরের নানা ঘটনাপ্রবাহের পাশাপাশি মাকসুদের গানের দল ছেড়ে দেয়ার কথা বলছিলেন ব্যান্ডটির বর্তমান দুই শিল্পী ফুয়াদ নাসের বাবু এবং লাবু আহমেদ।

    প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের গল্পটা কেমন ছিল?

    ফুয়াদ নাসের বাবু: আমরা যখন চার দেওয়ালের ভিতরে হোটেলে পারফর্ম করি তখন আমাদের সকলের মনের ভিতরে একটি খিদে জন্মাল। কারণ আমাদের গানগুলো শুধুমাত্র হোটেলে আগত বিদেশি অতিথিরা ও ঢাকার অভিজাত শ্রেণির লোকেরা উপভোগ করতেন।

    ফলে আমাদের মনের আসল খিদেটা কোনভাবেই মিটছিল না। কারণ আমরা তো সাধারণ লোকের কাছে পৌঁছাতে পারছি না। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে আমাদের বাংলা গান করতেই হবে।

    ১৯৭৯ সালে শিল্পকলা একাডেমিতে লিও ক্লাবের একটি কনর্সাট করতে গিয়ে প্রথমবারের মত সাধারণ মানুষের সামনে আমরা পারফর্ম করি। এরপর ১৯৮৫ সালে আমরা প্রথম ‘ফিডব্যাক’ শিরোনামে বাজারে অ্যালবাম প্রকাশ করি।

    ব্যান্ডের অ্যালবাম প্রকাশ হলে কেমন ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় সেই ধারণা তখন আমাদের ছিল না। কিন্তু আমরা জানতাম বিদেশে অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। সেই সময় ক্যাসেট প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সারগামের মালিক বাদল তিনি আমাদের পিছনে লেগে থেকে একটি ক্যাসেট প্রকাশ করার জন্য রাজি করালেন।

    বাংলাদেশে তিনি একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিলেন। যার ফলে প্রচুর ব্যান্ড উঠে এসেছিল। যাই হোক বাদল আমাদেরকে দিয়ে একটি অ্যালবাম করালেন যদিও তখনও আমরা তেমন একটা সিরিয়াস না। অবশেষে একটি-দুইটি করে বাংলা গান করতে করতে অ্যালবামের জন্য গান শেষ করলাম।

    অ্যালবাম প্রকাশের পরে সাড়া কেমন মিলেছিল?

    ফুয়াদ নাসের বাবু: আমি একবার ঈদের সময় রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড দিয়ে হাঁটছিলাম তখন এক দোকান থেকে আমাদের ফিডব্যাকের গান আমার কানে ভেসে আসে। আমার বাজানো জিনিসটা সাধারণ লোকজন শুনছেন এটার অনুভুতি অন্যরকম। এটা আমার মিউজিক জীবনের এক অন্যরকম প্রাপ্তি।

    এ ব্যাপারে লাবু রহমানও শোনালেন তার অনুভুতির কথা।

    ‘এমনভাবে যে গান বাজতে পারে সেই কনসেপ্টটাই আমরা জানতাম না। তারপর যখন আমরা দেখলাম রাস্তায় আমাদের গান বাজছে। তার যে অনুভুতি তা অন্যরকম এক অনুভূতি এটা ভাষায় প্রকাশের মত নয়।

    ফিডব্যাকের জোয়ার অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচন নাকি সলিল চৌধুরীর হাতে হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার কথা শুনতে চাই।

    ফুয়াদ নাসের বাবু: কলকাতার এইচএমভির হিজ মাস্টার ভয়েজ থেকে ১৯৯২ সালের জানুয়ারি মাসে আমাদের ব্যান্ডের একটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। সেখানে আমরা দশটি গানের কমপ্লিমেশন করে ‘জোয়ার’ অ্যালবামটি প্রকাশ করি।

    এই অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচন করেছিলেন সলিল চৌধুরী। যেটা ছিল আমার জীবনের স্মরণীয় একটি মূহূর্ত। আমাদের অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচনে সলিল চৌধুরীর হাতে হওয়া আমাদের ব্যান্ডের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। তিনি আমাদের যে প্রশংসা করেছেন তা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। তার মত একজন কিংবদন্তদী আমাদেরকে (ফিডব্যাক) বিশেষভাবে প্রশংসা করতে পারেন এবং আমরাও প্রশংসিত হতে পারি তা আমরা কখনোই চিন্তা করিনি।

    এছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অ্যালবামটির বেশ ভালো সাড়াও পেয়েছিলাম। আমরা অনেক বেশি সম্মানিত হয়ে ছিলাম।

    দেহঘড়ি অ্যালবাম করার পরিকল্পনা কেন করেছিলেন?

    ফুয়াদ নাসের বাবু: আবদুর রহমান বয়াতীর সঙ্গে আমরা একটা ফিউশন করেছিলাম। গানটি খুবই ভালো হয়েছিল। গানটি টেলিভিশনে প্রচারের পরে খুব জনপ্রিয়তা পেল। তখন সাউন্ডটেকের বাবু ভাই আমাদেরকে আরও কিছু গান নিয়ে অ্যালবাম প্রকাশের প্রস্তাব করেছিলেন।

    কিন্তু আমরা একটি মাত্র গান দিয়েই অ্যালবাম প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম। আমরা দেখতে চেয়েছিলাম একটা এক্সপেরিমেন্টাল কাজ করলে কেমন হয়? সে সময় ক্যাসেটের যুগ ছিল।

    শুধুমাত্র একটি গান দিয়েই ‘দেহঘড়ি’ অ্যালবামটি প্রকাশ করি। এক পাশে সাত বার আর অন্য পাশে সাত বার একটি গান রেকর্ড করে বাজারে প্রকাশ করেছিলাম। সেই সময় এটা একটা সফল অ্যালবাম ছিল।

    হঠাৎ ফিডব্যাক থেকে চলে গেলেন মাকসুদ। তার চলে যাওয়ার কারণে ব্যান্ড কেমন ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল?

    ফুয়াদ নাসের বাবু: একটি দলে সবাই এক সঙ্গে চলার পরে হঠাৎ করেই একজনের অনুপস্থিতির কারণে একটা দলে একটা শূন্যতা অনুভব করেছি। তবে মাকসুদের চলে যাওয়া কোন ধরনের মনোমালিন্যের কারণে মোটেই হয়নি।

    আমি ব্যক্তিগতভাবে তার গানের ধারার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সেই সময়ে তিনি (মাকসুদ) একটু ফোক ঘরানার গান বেশি করতে চাইছিল। এখানে মুলত গানের ধারার বিষয়টি ছিল।

    এই প্রসঙ্গে কিছুটা যোগ করলেন লাবু রহমান।

    ‘তিনি (মাকসুদ) অসম্ভব মেধাবী একজন শিল্পী। আমরা ফোক নিয়ে একটি অ্যালবাম করেছিলাম। যার নাম ছিলো বাউলিয়ানা। সেই অ্যালবামটি প্রকাশের পর থেকে তিনি (মাকসুদ) আরো বেশি ফোক নিয়ে কাজ করতে চাইছিলেন।’

    শ্রোতাদের কীভাবে আপনারা ফিডব্যাকের গান শুনতে অভ্যস্ত করে তুলেছিলেন?

    ফুয়াদ নাসের বাবু: আসলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব পরিবর্তন হয়েছে। আমরা যে ধরনের গান করেছি সেগুলো ছিলো পাশ্চাত্য সঙ্গীতের সঙ্গে আধুনিকতার মিশেলের গান।

    আর এখানে বৈশ্বিক একটা প্রভাবও ছিল। সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণরা যেমন একই ধরনের গান শুনতে চায় ঠিক তেমনি প্রভাব বর্তমানের মত সেই সময়ও ছিল। আমরা যেহেতু সেই সময় তরুণ ছিলাম তাই তখন সেই তরুণদের ভাষায় গান করেছিলাম। তরুণরা আমাদের কনসার্টে আসত, তারা আমাদের গান উপভোগ করতেন।

    মূলত সেই সময়ের তরুণ শ্রোতাদের কাছে যে কথাগুলোর চাহিদা ছিল আমরা সেই কথাগুলো বলেছিলাম। তাই হয়ত একটা যোগসূত্র তৈরি হয়ে যেতো। আমরা তাদের উপর জোড় করে কিছুই চাপিয়ে দেইনি। তাদের মনে চাহিদাগুলোই আমরা গানের মাধ্যমে তাদের কাছে তুলে ধরেছিলাম।

    এই প্রসঙ্গেও কিছুটা যোগ করলেন লাবু রহমান।

    ‘সবাই তো আধুনিক বিষয়গুলোকে কমবেশি প্রত্যাশা করেন। কেউ আধুনিক কাপড় পরিধান করতে চায় আবার কেউ একটু আধুনিক রেস্তেঁরায় গিয়ে নতুন কিছুর স্বাদ গ্রহণ করতে চায়। ঠিক একই ভাবে আমরা সেই সময় শ্রোতাদের গানের ক্ষেত্রে আধুনিকতার যে খিদে ছিল তা আমাদের গান দিয়ে তাদেরকে সন্তুষ্ট করতে চেয়েছি।’

    আগামীকাল পড়ুন: ব্যান্ড সঙ্গীতের জনপ্রিয়তা নেই, এটা মানতে পারি না

  • ‘বউ সেজে’ ইমনের জন্মদিনে পূর্ণিমা

    ‘বউ সেজে’ ইমনের জন্মদিনে পূর্ণিমা

    ২৮ মে, রবিবার ছিল নায়ক ইমনের জন্মদিন। কিন্তু বিশেষ এ দিনটিতেও অবসর পাননি অভিনেতা। ওইদিন ঈদের জন্য নির্মিত ‘রোদ্দুরে তোমাকে পেয়েছি একদিন’ নামের একটি টেলিছবির শুটিং করছিলেন তিনি। কাজেই, শুটিং স্পটেই কেক কেটে জন্মদিন পালন করেন ইমন। শুটিং ইউনিটের সকলেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    ইমনের জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতায় পাশে ছিলেন জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমাও। ‘রোদ্দুরে তোমাকে পেয়েছি একদিন’ টেলিফিল্মে ইমনের নায়িকা তিনি। কিন্তু এদিন গায়ে লাল শাড়ি জড়িয়ে, মাথায় টিকলী এবং গলায় মোটা নেকলেস পরে একেবারে বৌ-য়ের সাজে হাজির হন পূর্ণিমা। তবে তার এই সাজ টেলিফিল্মটির কোনো দৃশ্যের জন্য নাকি ইমনের জন্মদিন উপলক্ষ্যে সেটা স্পষ্ট নয়।

    ‘রোদ্দুরে তোমাকে পেয়েছি একদিন’ রচনা ও পরিচালনা করছেন রাজিবুল ইসলাম রাজিব। আসছে ঈদুল ফিতরে এটি চ্যানেল আইতে প্রচার হওয়ার কথা। ২৬ মে থেকে টানা তিন দিন টেলিফিল্মটির শুটিং হয়েছে। ইমনের জন্মদিনেই শুটিং শেষ হয়। এদিন শুটিং শেষে বাসায় গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় জন্মদিন পালন করেন বলে জানান ইমন।

    এদিকে নায়ক ইমন ও নায়িকা পূর্ণিমা জুটি এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০১১ সালে ‘মায়ের জন্য পাগল’ নামের একটি ছবিতে তারা জুটি বেঁধে অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রেও ইমন-পূর্ণিমাকে একসঙ্গে দেখা গেছে।