Category: বিনোদন

  • আমি প্রেমে বিশ্বাসী নই

    আমি প্রেমে বিশ্বাসী নই

    চিত্রনায়িকা বুবলী। ঢাকাই চলচ্চিত্রে উজ্জ্বল একটি নাম। সম্প্রতি ‘সুপার হিরো’র কাজ শেষ করে ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন এই নায়িকা। এসব বিষয় ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে।

    ঈদের আপনার দুইটি সিনেমা মুক্তির কথা রয়েছে সম্পর্কে বলুন

    ঈদে আমার দুইটি ছবি আসার কথা রয়েছে। আমি এখনও কনফার্ম না। এজন্য কনফার্ম হয়ে এই নিয়ে কথা বলতে চাই। ইতিমধ্যেই ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ ছবির সেন্সরও হয়ে গেছে। সুপার হিরো ছবিটিও ঈদে আসার কথা রয়েছে। তবে আমি কনফার্ম হওয়ার আগে এ নিয়ে জোর দিয়ে বলতে চাই না।

    সুপার হিরো ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ঈদে মুক্তির কথাই বলছে

    আমি সুপার হিরো ছবিতে যখন থেকে কাজ শুরু করেছি, তখন থেকেই শুনেছি ঈদকে টার্গেট করেই ছবিটি বানানো হচ্ছে। তারপরও ঈদের আগে অনেক সময় অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়। তাই ঈদের ছবি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলছি না। তবে আমি আশা করছি। কারণ সুপার হিরো ছবির শুটিং শেষ করেছি। আমার ডাবিংও আগেই শেষ হয়েছে। সম্প্রতি যে দুইদিন এই ছবির শুটিং হলো এর ডাবিং শুধু বাকি আছে।

    ঈদে আরও অনেক ছবি আসবে ওই ছবিগুলোর সঙ্গে আপনার ছবি দুটি লড়াই করতে পারবে?

    ঈদ মানেই অনেক উৎসবের একটা ব্যাপার। আমাদের বাঙালিদের জন্য অনেক বড় উৎসব হলো ঈদ। ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই অনেক ছবি মুক্তি পায়। অনেক বাজেট, সুন্দর গল্প এবং সুন্দর নির্মাণের ছবি ঈদে মুক্তি পায়। সেক্ষেত্রে আমার কাছে মনে হয় এটা অনেক ইতিবাচক আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জন্য। অনেক মুভি থাকলে সুস্থ একটা প্রতিযোগিতা থাকে। এতে করে দর্শক ভালো গল্পের ছবি দেখার সুযোগ পায়। শুধু আমার মুভি দর্শক দেখবে, অন্যদেরটা দেখবে না বিষয়টা এমন নয়। আমি ফাইট হিসেবে নিতে চাই না। আমি চাই ঈদের সব ছবি মানুষ দেখুক। সবাই সবার মতামত দিক। সব ছবির প্রতি যেন দর্শকদের ভালোবাসা থাকে।

    আপনার ছবি ব্যতীত ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত অন্য ছবিগুলো দেখার ইচ্ছে আছে?

    অবশ্যই। আমার কাছে মনে হয়,আমাদের দেশে আগে সুন্দর ছবি হতো। মাঝখানে একটু খারাপ অবস্থা গেছে। আমাদের দেশের ফিল্ম এখন কিন্তু আবারও কামব্যাক করছে। গত কয়েক বছর ধরে অনেক ভালো ভালো কাজ হচ্ছে। সবাই খুব চেষ্টা করছে। সেক্ষেত্রে আমরা শিল্পীরা যারা কাজ করছি নিজের ছবি দেখব,অন্যদের ছবি দেখব না তা নয়। আমি সবার ছবি দেখার চেষ্টা করব।

    শাকিব খান ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে আপনাকে দেখা যায় না এর বিশেষ কোনো কারণ আছে?

    এ রকম একটা প্রশ্ন আসতেই পারে। কারণ শাকিব খান ছাড়া আমার অন্য কারও সঙ্গে কাজ করা হয়নি। তবে এমন কিন্তু নয় যে, আমরা অনেক কাজ করে ফেলেছি। আমার তিন বছরের ক্যারিয়ারে হাতেগোনা কয়েকটা কাজ করেছি। আমি অবশ্যই সবার সাথেই কাজ করতে চাই। হয়তো একটু সময় নিচ্ছি। আমাদের পরপর যখন একসঙ্গে কাজ হচ্ছে। তখন কিন্তু অনেকেই মনে করে উনারা একসঙ্গে কাজ করছেন এর বাইরে হয়তো কাজ করবে না। কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। দর্শকদের মনেও এমন প্রশ্ন থাকতে পারে। আমি সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করছি। আর হয়তো অন্যদের সাথে করবো না। তা কিন্তু নয়। আমাদের দেশে এখন অনেক সুন্দর সুন্দর মুভি হচ্ছে। আর সালমান শাহ ও শাবনূর আপু যখন একসঙ্গে কাজ করেছেন তখনও কিন্তু তারা অনেকগুলো ছবিতে একসাথে কাজ করেছেন। জুটি প্রথা বলে একটা কথা আছে, তবে জুটি প্রথার বাইরে গিয়েও কিন্তু শিল্পীরা কাজ করে। আমার ক্যারিয়ার যেহেতু তিন বছরের কাছাকাছি। সামনে অনেক সময় পড়ে আছে। অনেক কাজ হবে। আমিও অন্যদের সাথে কাজ করব।

    শাকিব খান ছাড়া কি অন্য কারও সঙ্গে কাজের প্রস্তাব পেয়েছেন কখনও?

    ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অফার পেয়েছি। যখন আমি প্রথম ছবিতে কাজ শুরু করেছি, আমার শুটিং স্পটেই অন্যদের সাথে কাজ করার অফার পেয়েছি। তখন আমার ভালো লেগেছে। আমি সবার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ যে, অনেকেই আমাকে নিয়ে ভাবছে।

    বিয়ে কবে করবেন?

    হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ…। বিয়ের ব্যাপরটা অনেক বড় সিদ্ধান্ত। এজন্য ফ্যামিলির সবাই আছেন। আমি চাই আমার লাইফের এতো সুন্দর একটা সিদ্ধান্ত আমার ফ্যামিলি নেবেন।

    পছন্দের কেউ আছে?

    না,এই মুহূর্তে কাজ ছাড়া অন্য কিছু নিয়েই ভাবছি না। পছন্দের কেউ নেই। আর তা ছাড়া আমি চাই যে আমার  এসব বিষয় ফ্যামিলি দেখবে।

    আপনার প্রেম, বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন কিন্তু আছে?

    অনেকে তো অনেক কথাই বলে। কিন্তু আমি প্রেমে বিশ্বাসী নই। আমার কাছে মনে হয় যদি আমাকে পছন্দ করে বা যেটাই হোক তাহলে সুন্দর একটা ওয়েতে আসা উচিত। ফ্যামিলিতে জানাবে বা বিয়ে পর্যন্ত যাবে যেটাই হোক। আমি যদি বিয়ে করি,তাহলে বাসার সবাই এবং সাংবাদিক ভাইদের জানিয়ে বিয়ে করব। এখনকার সময় হোক বা যেই সময় হোক। আগের সময়ের গল্প যখন আব্বু আম্মুর কাছে শুনি তখন মনে হয়, তখনকার সময়ে কেন আমরা আসিনি। তখন অনেক সুন্দর ছিল। এখন আমার মনে হয় আগের জেনারেশনের তুলনায় আমরা সবাই একটু বেশি অস্থির। তাই জীবনের জন্য যেই সিদ্ধান্ত নেব ভেবেচিন্তে নেব।

    প্রেমে বিশ্বাসী নয় কেন?

    প্রেমে বিশ্বাসী নই এর মূলত একটা কারণ আছে। আমরা তিন বোন। আমি বোনদের মধ্যে সবার ছোট। এতোটা শাসনের মধ্যে ছিলাম আমি সব সময় এবং এখনো আছি। আমার বড় দুই বোন হলেও বড় দুই ভাইয়ের  মতো আমাকে এখনো শাসন করে। এজন্য আমি ফিল্মে আসার সময়ও অনেক ঝামেলা হয়েছিল। পরিবার চায়নি। আমি সব সময় একটা শাসনের মধ্যে ছিলাম। ওই জন্য আমি জানি এটা হয়ত করা ঠিক হবে না। কড়া শাসনের মধ্যে মেন্টালি আমি ওইভাবেই বেড়ে ওঠেছি। আমার সবকিছু ফ্যামিলির ওপর ছেড়ে দিয়েছি। তবে অনেক বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছি।

    আগে না এখন?

    আমি যখন স্কুলে পড়তাম তখন। আমি গার্লস স্কুলে পড়তাম। মেয়েদের পরিবেশেই বড় হয়েছি। যদি কেউ আমাকে পছন্দ করতো বা বিয়ের প্রস্তাব দিত, তখন আমি তাকে বাসায় এসে আব্বু আম্মুর সাথে কথা বলতে বলতাম। এরপর থেকে ভয়ে কেউ আর আমাকে কিছু বলতো না।

    ক্যাপ্টেন খান ছবির কাজ কেমন হচ্ছে

    আমি এখন কক্সবাজারে ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবির শুটিং করছি। গতকাল সোমবার এই ছবির কাজে আমি কক্সবাজার এসেছি। কাজটি ভালো হচ্ছে।

  • সব বলে দেবেন চাঁদনী

    সব বলে দেবেন চাঁদনী

    নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী চাঁদনী। অনেকদিন থেকেই আড়ালে রয়েছেন। শুধু ক্যামেরার চোখ নয়, লোকচক্ষুর আড়ালেও চলে গেছেন এই তারকা।

    এবার সামনে আসছেন তিনি। মুখোমুখি বসছেন অভিনেতা –নির্মাতা-উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়ের। যেখানে সব কথা বলে দেবেন চাঁদনী।

    একুশে টেলিভিশনের নিয়মিত আয়োজন ‘উইথ নাজিম জয়’ অনুষ্ঠানটির এবারের পর্বটি প্রচার হবে আগামীকাল ৩০ মে বুধবার রাত ১০টায়।

    জয়ের সঞ্চালনায় ও মাসুদুজ্জামান সোহাগের প্রযোজনায় এই অনুষ্ঠানে চাঁদনীর সঙ্গে অতিথি হিসেবে আরও থাকছেন সাংবাদিক এম এস রানা এবং কৌতুক অভিনেতা সজল ।

    অনুষ্ঠানটির অতিথি আড্ডায় নিজের ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয় চাঁদনীর সাবেক স্বামী সংগীতশল্পিী বাপ্পা মজুমদারকে নিয়ে খোলামেলা কথা বলবেন এই অভিনেত্রী।

  • ব্যস্ততা চম্পারও কম নয়

    ব্যস্ততা চম্পারও কম নয়

    আশির দশকে শিবলী সাদিকের ‘তিনকন্যা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে এসেছিলেন নায়িকা চম্পা। তার পরের ইতিহাস সকলেরই জানা। খুব শিগগিরই তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের সুপারহিট নায়িকাদের একজন হয়ে ওঠেন। চম্পার সঙ্গে নায়ক ইলিয়াছ কাঞ্চন ও প্রয়াত মান্নার জুটি ছিল দর্শক নন্দিত। একশটিরও বেশি ছবিতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন তিনি।

    এক সময়ের সুপারহিট নায়িকা চম্পার বয়স এখন ৫৩। নায়িকা হিসেবে এখন আর তাকে রূপালী পর্দায় দেখা যায় না। তাই বলে ব্যস্ততা কিন্তু কমে যায়নি। তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গেই লেগে রয়েছেন। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি অভিনয় করছেন টিভি নাটকেও। এছাড়া বিভিন্ন শো-তেও দেখা দেন মাঝে মাঝে।

    সম্প্রতি চম্পা শেষ করেছেন ‘পদ্মপূরাণ’ নামের একটি ছবির কাজ। নদীর পাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে ছবিটি নির্মিত হয়েছে। পরিচালনা করেছেন রাশিদ পলাশ। এই ছবিতে চম্পাকে একজন মাদক ব্যবসায়ীর চরিত্রে দেখা যাবে। এছাড়া রয়েছেন অভিনেত্রী শম্পা রেজা। তাকে দেখা যাবে একটি হিজড়া দলের প্রধানের চরিত্রে।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে চম্পা জানালেন, বেশ কিছুদিন আগে ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ নামের একটি ছবির কাজও তিনি শেষ করেছেন। পল্লীকবি জসিমউদ্দীনের অমর সৃষ্টি ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ অবলম্বনে এটি নির্মিত হয়েছে। পরিচালনা করেছেন হোসেন। ছবিটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এই ছবিতে চম্পা অভিনয় করেছেন সাজুর মায়ের চরিত্রে।

    এদিকে কলকাতার পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর ‘প্রেম আমার টু’ এবং ইদ্রিস হায়দারের ‘নীল ফড়িং’ ছবিতেও রয়েছেন নায়িকা চম্পা। দুটি ছবির শুটিংই চলমান। এদের মধ্যে ‘প্রেম আমার টু’ নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া এবং কলকাতার রাজ চক্রবর্তী প্রোডাকশনের যৌথ প্রয়োজনায়। ছবির নায়ক-নায়িকা বাংলাদেশের পূজা চেরি ও কলকাতার আদৃত।

    এছাড়া আসছে ঈদে বিভিন্ন চ্যানেলের সেলিব্রেটি শো-তেও অভিনেত্রী চম্পার দেখা মিলবে। সেগুলোর মধ্যে এনটিভিতে প্রচারিত ‘মা আমার মা’ অনুষ্ঠানটিতে প্রথমবারের মতো মেয়ে এশা আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে হাজির হবেন চম্পা। এই অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক অভিনেত্রী শম্পা রেজা। এটিএন বাংলায় প্রচারিত একটি রান্নার অনুষ্ঠানেও দেখা যাবে তাকে।

  • জন্মদিনে ফরিদীকে মনে পড়ে

    জন্মদিনে ফরিদীকে মনে পড়ে

    বাংলা চলচ্চিত্রের একজন কিংবদন্তী অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদী। খল-অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি পেলেও তার জনপ্রিয়তা ছিল অনেক নায়ক-নায়িকাদের থেকেও বেশি। যার অভিনয় ছিল নজরকাড়া। শুটিং সেটে ছবির মূল অভিনেতা-অভিনেত্রীদের তুলনায় দর্শকেরা হুমায়ুন ফরিদীর দিকেই বেশি আকর্ষিত হতেন বলে প্রচলিত আছে। শুধু চলচ্চিত্র নয়, মঞ্চ ও টিভিতে অভিনয় করেও তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।

    আজ সেই কিংবদন্তী অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদীর জন্মদিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার নারিন্দায় জন্মেছিলেন তিনি। শুভ জন্মদিন কিংবদন্তী। স্বাভাবিকভাবেই জন্মদিনটা যে কারো জন্যই একটা বিশেষ খুশির দিন। কিন্তু বিশেষ এ দিনেও দুঃখ ভারাক্রান্ত দেশের লাখো ফরিদীভক্ত।

    বহু প্রতিভাধর এই অভিনেতাকে মনে করে আজ হয়তো দেশের বিভিন্ন জায়গায় জন্মদিনের কেক কাটা হবে। কিন্তু সেই কেক কাটতে হবে বিমর্ষ মনে। কেননা, যার স্মরণে কেক কাটবেন ভক্ত-শুভাকাঙ্খীরা, তিনিই তো নেই পৃথিবীতে। কেকে তো সেই মানুষটার হাতের ছোঁয়াই থাকবে না।

    হুমায়ুন ফরিদী চলচ্চিত্রে এসেছিলেন ১৯৯০ সালে। এর আগে তিনি বিভিন্ন মঞ্চ, থিয়েটার ও টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেন। এ সকল জায়গায় খ্যাতি পাওয়া ফরিদী চলচ্চিত্রেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বাংলাদেশের নাট্য ও চলচ্চিত্র জগতে অসাধারণ ও অবিসংবাদিত চরিত্রে অভিনয়ের জন্যই তিনি চির স্মরণীয় হয়ে আছেন।

    অভিনয় জীবনে হুমায়ুন ফরিদী একবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১০ সালে তাকে সম্মাননা দেয়া হয়। কারণ তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৭৬ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টির নাট্য উৎসবের অন্যতম সংগঠকও। চলতি বছরে আবার নৃত্যকলা ও অভিনয় শিল্পের জন্য একুশে পদকও (মরণোত্তর) লাভ করেছেন ফরিদী।

    ব্যক্তিগত জীবনে হুমায়ুন ফরিদী দুইবার বিয়ে করেন। প্রথম বিয়ে করেন ১৯৮০ সালে। দেবযানী নামে এক মেয়ে রয়েছে সেই সংসারে। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর খ্যাতনামা অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফাকে বিয়ে করেন ফরিদী। ২০০৮ সালে সুবর্ণার সঙ্গেও বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। চার বছর নিঃসঙ্গ থেকে ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি না ফেরার দেশে চলে যান দেশসেরা এ অভিনেতা।

  • ‘আসামি’ মেয়ের পাশে সাইফ

    ‘আসামি’ মেয়ের পাশে সাইফ

    বলিউডে আসতে না আসতে মামলার প্যাঁচে পড়েছেন নবাবপুত্র সাইফ আলী খানের মেয়ে সারা আলী খান। সারার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন তার অভিষেক ছবি ‘কেদারনাথ’-এর পরিচালক ও প্রযোজক। বলি সূত্রে খবর, এই মামলা নিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়েছেন সারা। মেয়ের এই বিপদের সময়ে উদ্ধারকর্তা হিসেবে এগিয়ে এসেছেন সারার বাবা সাইফ আলী খান।

    ‘কেদারনাথ’-এর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য স্কাই পিকচার্স-এর সঙ্গে শুটিংয়ের ডেট নিয়ে কিছু সমস্যা হয়েছিল সাইফকন্যা সারার। এই প্রযোজনা সংস্থাই মামলা করেছে সারার বিরুদ্ধে। তারা সারার কাছে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে। এ কথা জানতে পেরেই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কথা বলেন সাইফ। বিষয়টি যাতে মধ্যস্থতা করে মিটিয়ে নেয়া যায় সেই পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

    বলিউড সূত্র বলছে, অভিষেক ছবি ‘কেদারনাথ’-এর সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে ‘সিম্বা’ ছবির জন্য পরিচালক রোহিত শেটি ও করণ জোহারের সঙ্গে চুক্তি করেন সারা আলী খান। সে কারণেই নাকি পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল প্রযোজক সংস্থা। তারা গোটা বিষয়টি নিয়ে মুম্বাই হাইকোর্টে যেতেও প্রস্তুত ছিল। কিন্তু সাইফের হস্তক্ষেপে আপাতত বিষয়টি আদালতের দরজায় পৌঁছায়নি বলে খবর।

    সারার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি ‘কেদারনাথ’ ছবির শুটিং শেষ না করেই ‘সিম্বা’ ছবির জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ছবিটির অধিকাংশ অংশের শুটিং শেষ। কিছু অংশের শুটিং বাকি। এ জন্য চলতি বছরের জুন-জুলাইয়ে সারার ডেট চেয়েছিলেন ‘কেদারনাথ’-এর পরিচালক অভিষেক। কিন্তু জুনের পরে ‘কেদারনাথ’-এর জন্য কোনো সময় দিতে পারবেন না বলে এক প্রতিনিধির মাধ্যমে জানিয়ে দেন সারা। এর পরই ছবির পরিচালক ও প্রযোজক আইনের আশ্রয় নেন।

  • ২০ বছরের ঘর ভাঙল অর্জুনের

    ২০ বছরের ঘর ভাঙল অর্জুনের

    বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপাল। ২০১৪ সালে তারকা দম্পতি ঋত্বিক রোশন ও সুজান খানের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পেছনে যিনি নাটের গুরু ছিলেন বলে তখন গুঞ্জন উঠেছিল। এবার ঘর ভাঙল সেই ‘নাটের গুরু’ অর্জুনেরই। স্ত্রী মেহের জেসিয়ার সঙ্গে দুই দশকের সম্পর্কের ইতি টানলেন তিনি। যৌথ বিবৃতি দিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের খবর জানিয়েছেন এ দম্পতি।

    বিবৃতিতে তারা লিখেছেন, ‘আমরা দুজনে আলাদা হচ্ছি। অনেকে হয়তো এই সিদ্ধান্তে চমকে যাবেন। তবে এটাই বাস্তবতা। সত্যিটা বিকৃত করা হয়। আমরা একটা পরিবার। একে-অপরের প্রতি আমাদের ভালোবাসা সারা জীবন একই থাকবে। আমরা সব সময় একে-অপরের পাশে থাকবো।’

    তারা আরো লেখেন, ‘আমরা একে-অপরের ব্যক্তিগত জীবনকে সম্মান দেব। পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। সম্পর্ক শেষ হতে পারে, কিন্তু ভালোবাসা বেঁচে থাকবে চিরকাল। এ বিষয়ে আমরা আর কোনো মন্তব্য করব না।’

    অর্জুন-মেহের দম্পতির দুটি মেয়ে রয়েছে, মাহিকা ও মায়রা। চলতি মাসের শুরুর দিকেই তাদের সম্পর্কে চিড় ধরার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। অর্জুন বাড়ি থেকে বেরিয়ে আলাদা থাকাও শুরু করেছিলেন। বছর দুয়েক আগেও তাদের সম্পর্ক নিয়ে কানাঘোষা শোনা গিয়েছিল। ঋত্বিক রোশনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সুজানের সঙ্গে অর্জুনের ঘনিষ্ঠতাই যেটির কারণ ছিল।

    এই ঘটনার পর ফের সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। অর্জুন ও মেহের সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতেও গেছেন। এতে সবাই মনে করেছিলেন, সবকিছু আবার আগের মতোই হয়ে গেছে। তবে সেটা ভাবনা বেশিদিন স্থায়ী হল না। সব গুঞ্জনকে সত্যি করে এবার বিবাহবিচ্ছেদই হয়ে গেল অর্জুন ও মেহেরের।