Category: বিনোদন

  • হানিকে নিয়ে যত গুঞ্জন

    হানিকে নিয়ে যত গুঞ্জন

    বলিউডের নামজাদা র‌্যাপ সঙ্গীতশিল্পী হানি সিং। ক্যারিয়ারে খুব কম সময়েই সাফল্যের ছোঁয়া পেয়েছেন তিনি। স্টারডম ধরা দিয়েছে তাঁর হাতের মুঠোয়। বলিউডে তিনি ‘ইয়ো ইয়ো হানি সিং’ নামেই পরিচিত। কিন্তু তার জীবনেও রয়েছে ভয়ংকর অন্ধকারময় কিছু দিক। বিতর্কে জড়িয়ে নানা সময়েই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন এই গায়ক।

    গুঞ্জন উঠেছিল, ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ ছবির প্রমোশনাল ইভেন্টে হানি সিংকে নাকি সজোরে থাপ্পড় কষিয়েছিলেন বলিউড কিং শাহরুখ খান। যদিও এই চড় মারার ঘটনার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেছিলেন হানির স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে মিডিয়ার সামনে নীরব ছিলেন হানি নিজেও।

    র‌্যাপ গানে বেশ নামকরা হানি সিং। ছক ভাঙা গানে বাজিমাত করলেও হানির গানের কথা মাঝে মাঝেই শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়েছে বলে অভিযোগ। হানি ও র‌্যাপ গায়ক বাদশার প্লেব্যাকে একটি গানের কথা নিয়ে একবার তুমুল বিতর্ক শুরু হয়। যদিও হানির দাবি ছিল, অন্য কেউ নাকি তার গানের গলা নকল করেছিল।

    আরেক র‌্যাপ গায়ক রাফতারের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েও একবার খবরের শিরোনামে এনেছিলেন হানি সিং। নিজের অ্যালবামের একটি গান ‘সোয়াগ মেরা দেশি’-তে হানিকে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন রাফতার। শোনা যায়, দুজনের এই বিবাদ নাকি বহু দূর গড়িয়েছিল।

    হানি সিংয়ের গান তরুণ প্রজন্মকে বিপথে ঠেলে দিচ্ছে বলে এক সময় দাবি তুলেছিল লুধিয়ানার একটি এনজিও। হানির ‘ছোটি ড্রেস মে বম্ব লাগতি তু’ বা ‘চার বোতল ভদকা’ ইত্যাদি গানে নারীদের প্রতি কুরুচিকর মন্তব্যের পাশাপাশি লিঙ্গ বৈষম্যের ছোঁয়া রয়েছে বলেও অভিযোগ ছিল। এ জন্য হানির গান বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘বস’ ছবিতে হানির গাওয়া ‘পার্টি অল নাইট’ গানের কিছু কথা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়েছিল বলেও বিতর্ক চরমে উঠেছিল। ছবি থেকে গানটি নিষিদ্ধ করার জন্য সে সময় নির্দেশ দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। পরে অবশ্য ওই নির্দিষ্ট কথাগুলো বাদ দিয়ে সেন্সর বোর্ডের অনুমতি নিয়ে গানটি রিলিজ করা হয়েছিল।

    মাদকের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকারও অভিযোগ রয়েছে হানির বিরুদ্ধে। শোনা যায়, ড্রাগের ওভারডোজের কারণে নাকি বেশ কিছু দিন রিহ্যাবে ভর্তি ছিলেন গায়ক। তবে সেই দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে হানি জানান, তার নাকি বাইপোলার ডিজঅর্ডার রয়েছে। সেই কারণেই বলিউড থেকে বেশ কয়েক মাস লাপাত্তা।

  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছিলেন যারা

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছিলেন যারা

    বাংলা চলচ্চিত্রের বয়স বহুদিন হলেও ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ দেয়া হচ্ছে ১৯৭৫ সাল থেকে। এটিই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র পুরস্কার। চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন বিভাগে এই পুরস্কার দিয়ে থাকে।

    প্রতি বছরই এই পুরস্কারের আসরে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি, নৃত্য ও সঙ্গীতের আয়োজন। মধ্যে মধ্যে বিভিন্ন বিভাগে সেরাদের হাতে তুলে দেয়া পুরস্কার। এর আগে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারটি দেয়া হতো না। ২০০৯ সালে এটি প্রথম চালু করা হয়।

    পুরস্কার হিসেবে আঠার ক্যারেট মানের পনের গ্রাম স্বর্ণের একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্তকে দেয়া হয় এক লাখ টাকা। শ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক ও শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজককে দেয়া হয় ৫০ হাজার টাকা করে।  এছাড়া শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালককে ৫০ হাজার টাকা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ত্রিশ হাজার টাকা করে দেয়া হয়।

    কিন্তু বিভিন্ন বছরে বিভিন্ন কারণে এই সম্মানজনক পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের কয়েকজন খ্যাতিমান অভিনয়শিল্পী। ১৯৭৭ সালে তখনকার সুপারহিট নায়িকা শাবানার মাধ্যমে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার গ্রহণ না করার প্রচলন শুরু হয়েছিল। ‘জননী’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল তাকে। কিন্তু সে পুরস্কার শাবানা গ্রহণ করেননি।

    ১৯৮২ সালে ‘বড় ভালো লোক ছিল’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার পুরস্কার পেলেও তা গ্রহণ করেননি সৈয়দ শামসুল হক। সুবর্ণা মুস্তাফা ১৯৮৩ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য পুরস্কার পেয়েছিলেন। ‘নতুন বউ’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সুবর্ণা সেটা গ্রহণ করেননি।

    ১৯৯০ সালে মেয়ে সুবর্ণা মুস্তফার দেখানো পথে হেটেছিলেন তার বাবা খ্যাতিমান অভিনেতা গোলাম মুস্তফাও। সে বছর ‘ছুটির ফাঁদে’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার দেয়া হলেছিল এই গুণি অভিনেতাকে। কিন্তু পুরস্কারটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনিও।

    চলতি বছরেও ঘটতে পারে এমন একটি ঘটনা। গত এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬’-এর বিজয়ীদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। সেখানে ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘নিয়তি’ ছবির জন্য সেরা নৃত্য পরিচালক হিসেবে হাবিবের নাম উঠে আসে।

    হাবিব সে সময়ই দাবি করেন, এটা নাকি জালিয়াতী। ‘নিয়তি’ ছবিতে তিনি কাজই করেননি। কাজেই তার পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করা সম্ভব নয়। বিষয়টি নিয়ে সে সময় অনেক সমালোচনা ও অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু কোনো সঠিক সমাধান হয়নি।

  • চলচ্চিত্র পুরস্কার ৮ জুলাই, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    চলচ্চিত্র পুরস্কার ৮ জুলাই, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় ও সম্মানজনক পুরস্কার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’। ১৯৭৫ সাল থেকে প্রতি বছরই দেয়া হচ্ছে এই পুরস্কার। চলতি বছরে দেয়া হবে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬’। আগামী ৮ জুলাই সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বসছে এবারের আসরটি। এদিন অভিনয় ও সঙ্গীত জগতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেরাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে।

    এ বছরও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিল্পী ও কলাকুশলীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (চলচ্চিত্র) শাহিন আরা বেগম। সরকার এ বছর বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পে অবদানের জন্য ২৬টি বিভাগে ২৯ জন ব্যক্তিকে পুরস্কার দিচ্ছে।

    গত এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬’-এর বিজয়ীদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করে। সেই গেজেট থেকে জানা যায়, এ বছর সেরা অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন দেশসেরা অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘আয়নাবাজি’ ছবিতে একাই সাতটি চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

    অন্যদিকে, সেরা অভিনেত্রী হিসেবে যৌথভাবে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ পাচ্ছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও কুসুম শিকদার। ‘অস্তিত্ব’ ছবিতে তিশার অভিনয় ছিল নজরকাড়া। ‘শঙ্খচিল’ ছবিতে কুসুম শিকদার ছিলেন অনবদ্য। এ দুটি ছবির জন্যই সেরা অভিনেত্রীর তকমা পেয়েছেন তারা।

    এদিকে, সেরা গায়কের পুরস্কার পাচ্ছেন ওয়াকিল আহমেদ। ‘দর্পণ বিসর্জন’ ছবিতে তার গাওয়া ‘অমৃত মেঘের বারী’ গানটি ছিল অসাধারণ। আর সেরা গায়িকার পুরস্কারটি বাগিয়ে নিয়েছেন মেহের আফরোজ শাওন। শাওনের প্রয়াত স্বামী প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘কৃষ্ণপক্ষ’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত একই নামের ছবিটিতে তার গাওয়া ‘যদি মন কাঁদে’ গানটি হৃদয় ছুঁয়েছিল দর্শকদের। ছবিটি পরিচালনাও করেন শাওন।

    এছাড়া এ বছর আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান দুই অভিনয়শিল্পী নায়ক ফারুক ও নায়িকা ববিতা। বাংলা চলচ্চিত্রে তাদের দুজনেরই অসামান্য অবদান রয়েছে। বর্তমানে অভিনয়ে দেখা না গেলেও বিভিন্ন কাজেকর্মে তারা বাংলা চলচ্চিত্রের সঙ্গেই রয়েছেন।

    এ বছর আরও যারা পুরস্কার পাচ্ছেন

    শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ‘ঘ্রাণ’, প্রযোজক এস এম কামরুল আহসান।

    শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: ‘জন্মসাথী’, প্রযোজক একাত্তর মিডিয়া লি. ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

    শ্রেষ্ঠ পরিচালক: অমিতাভ রেজা চৌধুরী, ‘আয়নাবাজি’।

    শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: অনম বিশ্বাস ও গাউসুল আলম, ছবি- ‘আয়নাবাজি’।

    শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: ইকবাল আহসানুল কবির, ছবি- ‘আয়নাবাজি’।

    শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: রাশেদ জামান, ছবি- ‘আয়নাবাজি’।

    শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: রিপন নাথ, ছবি- ‘আয়নাবাজি’।

    শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-অভিনেতা: যৌথভাবে আলীরাজ, ছবি- ‘পুড়ে যায় মন’ ও ফজলুর রহমান বাবু, ছবি- ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’।

    শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-অভিনেত্রী: তানিয়া আহমেদ, ‘কৃষ্ণপক্ষ’।

    শ্রেষ্ঠ খল-অভিনেতা: শহীদুজ্জামান সেলিম, ছবি- ‘অজ্ঞাতনামা’।

    শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: তৌকীর আহমেদ, ছবি- ‘অজ্ঞাতনামা’।

    শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: আনুম রহমান খান সাঁঝবাতি, ছবি- ‘শঙ্খচিল’।

    শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক: ইমন সাহা, ছবি- ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’।

    শ্রেষ্ঠ গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ছবি- ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’, গান- ‘বিধিরে ও বিধি’।

    শ্রেষ্ঠ সুরকার : ইমন সাহা, গান- ‘বিধিরে ও বিধি’, ছবি- ‘মেয়েটি এখন কোথায় যাবে’।

    শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: রুবাইয়াত হোসেন, ছবি- ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’।

    শ্রেষ্ঠ শিল্পনির্দেশক: উত্তম গুহ, ছবি- ‘শঙ্খচিল’।

    শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা: যৌথভাবে সাত্তার, নিয়তি ও ফারজানা সান, ছবি- ‘আয়নাবাজি’।

    শ্রেষ্ঠ মেকাপম্যান: মানিক, ছবি- ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’।

  • সালমান খানের সঙ্গে শাকিব খানের তুলনা

    সালমান খানের সঙ্গে শাকিব খানের তুলনা

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের তুলনা টানলেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল সরকার।

    ঈদে মুক্তি পেতে চলেছে শাকিব খান অভিনীত ছবি ‘ভাইজান এলো রে’। এতে শ্রীবন্তীর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন পায়েলও। ছবিটিসহ ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলাকে একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সেখানে একটি প্রশ্নের জবাবে পায়েল বলেন, ”বাংলাদেশে শাকিব আমাদের দেশের সালমান খানের মতো জনপ্রিয়। ওর মতো একজন সুপারস্টারের সঙ্গে অভিনয় করা নিয়ে একটু চিন্তাতেই ছিলাম। তবে শ্যুটিংয়ের সময় দেখলাম, শাকিব অসম্ভব ডাউন-টু-আর্থ! ওর বিন্দুমাত্র ট্যানট্রাম নেই! অভিনেতা হিসেবেও অসম্ভব ডেডিকেটেড। জয়দ্বীপদা (মুখোপাধ্যায়, পরিচালক) যেভাবে শট দিতে বলেছে, শাকিব সেভাবেই অভিনয় করেছে।”

    মুখের কথা শেষ হতেই সাংবাদিকের প্রশ্ন ‘ভাইজান’ কথাটা শুনলে প্রথমেই যার কথা মাথায় আসে তিনি সালমান খান। তাই না? জবাবে অভিনেত্রী হেসে বলেন, সালমান তো সকলের ভাইজান। তা নিয়ে সন্দেহ নেই! তবে আমার বিশ্বাস, এই ছবিটা মুক্তি পেলে বাঙালি দর্শকও শাকিবকে ভাইজান বলে মেনে নেবেন। ছবিতেও দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছে। দুটি চরিত্রেই নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে শাকিব।

  • অপুর ‘শ্বশুরবাড়ি’র কাজ শুরু

    অপুর ‘শ্বশুরবাড়ি’র কাজ শুরু

    বাংলা চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা অপু বিশ্বাস। ২০১৬ সালে শেষ বার তাকে দেখা গিয়েছিল ‘পাঙকু জামাই’ ছবিতে। যেটিতে তার নায়ক ছিলেন প্রাক্তন স্বামী শাকিব খান। এরপর মাতৃত্বজনিত কারণে হঠাৎই লাপাত্তা হয়ে যান নায়িকা। ২০১৭ সালে ফিরে আসেন ছেলে আব্রাম খান জয়কে সঙ্গে নিয়ে। দুই বছরের বিরতি ভেঙে অবশেষে কোনো ছবির শুটিংয়ে অংশ নিলেন জনপ্রিয় এই নায়িকা।

    মঙ্গলবার থেকে অপু বিশ্বাস কাজ শুরু করেছেন দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত ‘শ্বশরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ ছবির। আজ বুধবার, আগামীকাল এবং পরশুদিনও এফডিসি ও এর আশপাশ এলাকায় টানা শুটিং করবেন তিনি। এই ছবিতে অপুর হালের সেনসেশন নায়ক বাপ্পী চৌধুরী।

    ‘শ্বশরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’-এর শুটিং শুরু হয় গত ১৩ মে থেকে। প্রথম দিনের শুটিংয়ে অংশ নেন নায়ক বাপ্পী চৌধুরী। সে সময়ই পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস জানিয়েছিলেন, ‘অপু বর্তমানে অন্য কাজে ব্যস্ত। কয়েকদিন পর তিনি শুটিংয়ে অংশ নেবেন।’ সেদিন রাজধানীর প্রিয়াংকা শুটিং হাউজে ছবিটির শুভ মহরতও অনুষ্ঠিত হয়। সেই অনুষ্ঠানেও ছিলেন না অপু বিশ্বাস।

    তবে সব ব্যস্ততা কাটিয়ে শুটিংয়ে অংশ নিলেন তিনি। প্রথম দিনের শুটিং শেষে জানালেন, ‘অনেক দিন পর নতুন ছবির কাজ করলাম। এর মধ্যে নিজেকে অভিনয়ের জন্য প্রস্তুত করেছি। এই লটে চার দিনের শুটিং করব। ঈদের পর করব বাকি অংশের শুটিং। এরই মধ্যে শারীরিক ফিটনেস ৮০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। এখন থেকে নিয়মিত অভিনয় করতে চাই। তবে খুব বেশি ছবিতে নয়, বেছে বেছে।’

    ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ ছবিটি প্রযোজনা করছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড। এটি ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুপারহিট রিয়াজ-শাবনূর জুটির সুপারডুপার হিট ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ ছবির দ্বিতীয় সিক্যুয়েল। দীর্ঘ ১৭ বছর পর পরিচালক দেবাশীষ পর্দায় আনতে চলেছেন ছবির দ্বিতীয় কিস্তি। কাজেই, এত বছর পর তখনকার সুপারহিট জুটি রিয়াজ-শাবনূরের জায়গায় হালের আলোচিত অপু-বাপ্পী কেমন করেন সেটা দেখার অপেক্ষায়ই এখন দর্শক।

  • না ফেরার দেশে অভিনেত্রী তাজিন

    না ফেরার দেশে অভিনেত্রী তাজিন

    মারা গেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ। মঙ্গলবার বিকাল চারটা ৪০মিনিটে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

    মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে তাজিন তার উত্তরার বাসাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর দ্রুত তাকে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ডা. নূর হোসেনের অধীনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তাজিন।

    জানা গেছে, যখন তাজিনের হার্ট অ্যাটাক হয় তখন বাসায় পরিবারের কেউ ছিলেন না। কেবলমাত্র একজন মেকাপ আর্টিস্ট ছিলেন। তিনি তাজিনের সঙ্গেই থাকতেন। তিনিই তাজিনকে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে আইসিউতে ভর্তি করা হয়। রিজেন্ট হাসপাতালের তথ্য বিভাগের কর্মকর্তা আরিফ আহম্মেদ ঢাকাটাইমসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তাজিন আহমেদের জন্ম ১৯৭৫ সালের ৩০ জুলাই। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর করেন। বিটিভির সোনালি দিনগুলোতে তাজিন আহমেদের উত্থান। জাহিদ হাসান, আজিজুল হাকিম, আজাদ আবুল কালাম, তৌকীর আহমেদ, টনি ডায়েসদের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিতই তিনি হাজির হতেন টিভি দর্শকদের সামনে।

    দিলারা ডলি রচিত ও শেখ নিয়ামত আলী পরিচালিত ‘শেষ দেখা শেষ নয়’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তাজিন আহমেদের অভিনয়যাত্রা শুরু হয়েছিল। নাটকটি ১৯৯৬ সালে বিটিভিতে প্রচার হয়েছিল। অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিংয়েও সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি।

    এছাড়াও ভোরের কাগজ, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেছেন। আনন্দ ভুবন ম্যাগাজিনের কলামিস্টও ছিলেন তিনি। পরে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাজিন আহমেদের লেখার হাতও ছিলো অসাধারণ। রেডিও এবং টেলিভিশনে উপস্থাপনাও করেছেন।

    গত বছর ববি হাজ্জাজের নতুন রাজনৈতিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে’ (এনডিএম) যোগ দিয়েছিলেন তাজিন আহমেদ। পেয়েছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির বিভাগীয় সম্পাদক (সাংস্কৃতিক) পদ।