Category: আন্তর্জাতিক

  • বুরকিনা ফাসোতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৩৬

    বুরকিনা ফাসোতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৩৬

    পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে সন্ত্রাসী হামলায় ৩৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে এই হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি। খবর আন্দালু এজেন্সির।

    আন্দালু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার বুরকিনা ফাসোর নাগ্রায়োগো গ্রামে হামলা চালিয়ে ৩২ জনকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেখান সন্ত্রাসীরা একটি মার্কেটে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে তারা আলামউ নামের আরেকটি গ্রামে হামলা চালিয়ে আরো চারজনকে হত্যা করে।

    এদিকে এই হামলায় নিহতদের স্মরণে বুরকিনা ফাসোতে বুধবার থেকে দুই দিনের শোক ঘোষণা করেছে প্রেসিডেন্ট রচ মার্ক ক্রিস্টিয়ান কাবোরি ।

  • নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ দিল না ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

    নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ দিল না ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট

    ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করলো না দেশটির সুপ্রিম কোর্ট । কেন্দ্রীয় সরকারকে সংশোধিত এই আইন নিয়ে ৪ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেয়ার আদেশ দিয়েছেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে জমা হওয়া ১৪০টিরও বেশি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট এই আদেশ দেন। খবর এনডিটিভির।

    এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ১৪০টিরও বেশি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া মামলাটি ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের কাছে পাঠানো আদেশ দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত । নাগরিকত্ব আইন নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেয়ার আগ পর্যন্ত সকল উচ্চ আদালতকে এ নিয়ে কোন রায় দেয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে নাগরিকত্ব আইনের বিষয়ে স্থগিতাদেশ জারির আবেদন নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন বেশ কয়েকজন। বুধবার সেই সব আবেদনের শুনানি হয় ৩ বিচারপতির বেঞ্চে। কিন্তু ভারতের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বে গঠিত ওই বেঞ্চ জানিয়েছে, নাগরিকত্ব আইনে স্থগিতাদেশ জারি হবে কিনা সে বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেবে ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের ৩ বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, কেন্দ্রীয় সরকারের এ বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া তা না জেনে কোনও স্থগিতাদেশ জারি করতে রাজি নন তারা।

    সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দেশ জোড়া বিক্ষোভের মধ্যেই এই আইনের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে ১৪৩ টি আবেদন জমা পড়ে। শীর্ষ আদালতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে করা আবেদনগুলিতে দাবি করা হয়েছে, যে সিএএ অবৈধ এবং সংবিধানের মূল কাঠামোর পরিপন্থী। আরও বলা হয়েছে যে এই আইনটি সাম্যের অধিকারেরও পরিপন্থী কারণ এটি ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান করার কথা বলে।

    নাগরিকত্ব আইন (সিএএন) সংশোধন করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের হিন্দুসহ কয়েকটি ধর্মাবলম্বীদের ভারত তাদের দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।বিতর্কিত এই আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে সরব হয়েছে একাধিক রাজনৈতিক দল। এছাড়া এই নিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে চলছে দফায় দফায় বিক্ষোভ। এছাড়া জাতীয় নাগরিক তালিকারও বিরোধিতা করছে সাধারণ মানুষ।

  • চন্দ্রাভিযানে ২০ হাজার ‘গার্লফ্রেন্ড’র আবেদন পেলেন জাপানি ধনকুবের

    চন্দ্রাভিযানে ২০ হাজার ‘গার্লফ্রেন্ড’র আবেদন পেলেন জাপানি ধনকুবের

    একাকী জীবনে বিরক্ত হয়ে চন্দ্রাভিযানে যেতে ‘গার্লফ্রেন্ড’ খোঁজার ঘোষণা দিয়েছিলেন জাপানের ধনকুবের ইউসাকু মাজাওয়া। এ জন্য অনলাইনে আবেদনের ফরমও প্রদান করেন তিনি। ১২ জানুয়ারি মাজাওয়া আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রায় ২০ হাজার নারী ‌‘গার্লফ্রেন্ড’ হতে ফরম পূরণ করেছেন!

    স্ট্রিমিং সার্ভিস এবিমা টিভি’র বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, জাপানি এই ধনকুবেরের শর্ত মেনে প্রায় ২০ হাজার নারী আবেদন করেছে ইয়ন মাস্কের চন্দ্রাভিযান পরিকল্পনার প্রথম যাত্রী ইউসাকু মাজাওয়ার সঙ্গী হতে।

    ১৯৭২ সালে প্রথম মানুষ চাঁদে পা রাখার পর দ্বিতীয়বারের মত চাঁদে পা রাখবে মানুষ। আর মাজাওয়া জানান, এই অভিযানের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নিতে ‘বিশেষ’ এক নারীকে খুঁজছেন তিনি।

    ওয়েব সাইটে এই আবেদন জানিয়েই ক্ষান্ত হননি এই ধনকুবের। বরং নারীদেরকে বাছাইয়ের জন্য অনলাইন এই ওয়েবসাইটে আবেদন করতে বলেছেন!

    সম্প্রতি এই উদ্যোক্তা সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন তার বান্ধবী ও অভিনয় শিল্পী আয়ামা গোরেকির সঙ্গে।

    ওয়েব সাইটে মাজাওয়া লেখেন, একাকীত্ব ও শূন্যতা আমাকে গ্রাস করছে। আমি শুধু একটা বিষয়েই ভাবতে পারি। আর তা হল কোন এক নারীকে ভালবাসা।

    এরপর তিনি লেখেন, একজন ‘জীবনসঙ্গী খুঁজে পেতে চাই। আমার ভবিষ্যৎ এই সঙ্গীকে নিয়ে মহাকাশে ভালবাসা ও শান্তি খুঁজে পেতে চাই।

    ওয়েব সাইটে তিন মাস ব্যাপী বাছাই প্রক্রিয়ায় আবেদনের জন্য বেশ কিছু শর্ত প্রদান করা হয়েছে। যেখানে বলা আছে, আবেদনকারীকে অবশ্য ‘সিঙ্গেল’ হতে হবে, ইতিবাচক মানসিকতার হতে হবে, বয়স ২০ বছরের বেশি হতে হবে এবং মহাকাশে যাবার ইচ্ছা থাকতে হবে। রয়টার্স ও বিবিসি।

  • ধর্ষকদের ক্ষমা করার আহ্বানে ক্ষুব্ধ নির্ভয়ার মা

    ধর্ষকদের ক্ষমা করার আহ্বানে ক্ষুব্ধ নির্ভয়ার মা

    ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ফাঁসির দণ্ড পাওয়া ৪ আসামিকে ক্ষমা করে নির্ভয়ার মা আশা দেবীর রোষের মুখে পড়েছেন ভারতের প্রখ্যাত আইনজীবী ইন্দিরা জাইসিং । যেভাবে সনিয়া গান্ধি তার স্বামী ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধির হত্যাকারীদের মধ্যে অন্যতম নলিনী মুরুগানকে ক্ষমা করেছিলেন সেভাবেই নির্ভয়ার মা আশা দেবীকে দোষীদের ক্ষমা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।

    সংবাদসংস্থা এএনআইকে বলেন ক্ষুব্ধ আশা দেবী বলেন, ইন্দিরা জাইসিং কীভাবে আমাকে এ জাতীয় পরামর্শ দেওয়ার সাহস করেছেন তা বিশ্বাস করতে পারছি না। কয়েক বছর ধরে আমি সুপ্রিম কোর্টে তার সঙ্গে অনেকবার সাক্ষাৎ হয়েছে, সেই সময় একবারও তিনি আমার কুশল সংবাদ নেননি অথচ আজ তিনি দোষীদের পক্ষ নিয়ে কথা বলছেন। এ জাতীয় লোকেরা ধর্ষকদের সমর্থন করে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে। আর এই জন্যেই দেশে ধর্ষণের ঘটনা কমছে না।

    সম্প্রতি নির্ভয়া মামলায় ৪ অভিযুক্তের ফাঁসির সাজার বিরোধিতা করে আইনজীবী ইন্দিরা জাইসিং টুইট করেন, আমি আশা দেবীর কষ্টের প্রতি পুরোপুরি সহানুভূতিশীল। কিন্তু তারপরেও তাঁকে আমি অনুরোধ করবো যেভাবে সনিয়া গান্ধি রাজীব গান্ধির অন্যতম হত্যাকারী নলিনী মুরুগানকে ক্ষমা করে তাঁর মৃত্যুদণ্ড রদ করে দেন সেভাবেই যেন এগিয়ে আসেন নির্ভয়ার মা। তিনিই পারেন এই ফাঁসি আটকাতে। আমরা সবাই আপনার (আশা দেবী) সঙ্গে রয়েছি তবে মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী আমরা

    উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে দিল্লিতে বাসের মধ্যে প্যারাম্যাডিক শিক্ষার্থী নির্ভয়াকে ছয়জন মিলে ধর্ষণ করে। পরে তাকে বাস থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় তারা। এতে গুরুতর আহত হওয়া নির্ভয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় ছয় জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। তাদের এক জন মারা যাওয়ায় তাকে মামলার বাইরে রাখা হয় এবং আরেকজন ওই সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। ২০১৭ সালের ৫ মে বাকি চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। রায়ের পর চার আসামিই তা রিভিউয়ের আবেদন করে। গত শুক্রবার নির্ভয়া গণধর্ষণ মামলার ৪ আসামির জন্য নতুন করে মৃত্যুদণ্ড পরোয়ানা জারি করা হয়। ১ ফেব্রুয়ারি ওই ৪ আসামির ফাঁসি হবে ভোর ৬ টায়। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ গণধর্ষণের অন্যতম আসামি মুকেশ সিংয়ের দায়ের করা প্রাণভিক্ষার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই নতুন করে এই ফাঁসির পরোয়ানা জারি করা হয়। এর আগে বিনয় শর্মা, মুকেশ সিং, অক্ষয় কুমার সিং এবং পবন গুপ্তকে ২২ জানুয়ারি সকাল ৭ টায় দিল্লির তিহার জেলে ফাঁসিতে ঝোলানোর কথা ছিল। কিন্তু আসামি মুকেশ নতুন করে ফাঁসি মওকুফের আবেদন জানিয়ে আবেদন করায় ফাঁসি পেছানো হয়।

  • ইরান সংকট: ৮ বছর পর জুম্মার নামাজ পড়াবেন খামেনি

    ইরান সংকট: ৮ বছর পর জুম্মার নামাজ পড়াবেন খামেনি

    ইরানের সর্বোচ্চীয় ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খমেনি আট বছর পর আজ জুম্মার নামাজের ইমামতি করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন হামলায় কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি নিহতের পর যে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে সেটি নিয়েই জাতির উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন তিনি।

    ইতিমধ্যে ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা নিয়ে মিথ্যা বলার প্রতিবাদে ইরান জুড়ে চলছে তীব্র বিক্ষোভ। এছাড়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে দেশটির অর্থনীতি নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ইরানের নেতারা।

    উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন থেকে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়। এই হত্যার বদলা নিতে গত ৮ জানুয়ারি ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এর কয়েক ঘণ্টা পরই ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পিএস৭৫২ তেহরানে বিধ্বস্ত হয়। বিমানের ১৭৬ আরোহীর সবাই নিহত হন।বিমান বিধ্বস্তের পর পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ দাবি করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রতেই ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত হয়। তবে কিছুদিন অস্বীকার করলেও শেষ পর্যন্ত মানবিক ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ইরান সেনাবাহিনী জানায়, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয় ইউক্রেনগামী বিমান পিএস৭৫২।

  • ভারতে দলীয় আয়ের শীর্ষে বিজেপি

    ভারতে দলীয় আয়ের শীর্ষে বিজেপি

    গত আর্থিক বছরে ভারতের ছয়টি জাতীয় রাজনৈতিক দল মোট যা আয় করেছে, তার ৬৫.১৬% গিয়েছে বিজেপির তহবিলে। ২০১৮-১৯-এ তাদের মোট আয় হয়েছে ২৪১০ কোটি ৮ লক্ষ টাকা। খরচ করেছে তার ৪১.৭১%, টাকার অঙ্কে যা ১০০৫ কোটি ৩৩ লক্ষ। এর মধ্যে ৭৯২ কোটি টাকার বেশি প্রচারের কাজে ব্যবহার করেছে বিজেপি। বাকিটা সাংগঠনিক কাজে।

    আয়ে দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেস, ৯১৮ কোটি ৩ লক্ষ টাকা। তাদের খরচের পরিমাণ ৪৬৯ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা, অর্থাৎ আয়ের ৫১.১৯%। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হিসেব বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস। সংগঠনটি জানাচ্ছে, আগের আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৮-২০১৯-এ বিজেপির সম্পদ বেড়েছে ১৩৪.৫৯%। আর কংগ্রেসের বেড়েছে ৩৬০.৯৭%।

    আয় সবচেয়ে বেশি বেড়েছে তৃণমূলের, ৩৬২৮.৪৭%। তৃণমূল তার মোট আয় ১৯২ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা থেকে খরচ করেছে সাড়ে ১১ কোটি ৫০ লক্ষ (আয়ের ৫.৯৭%)।