Category: আন্তর্জাতিক

  • হরিণটির পেটে ছিল সাত কেজি আবর্জনা

    হরিণটির পেটে ছিল সাত কেজি আবর্জনা

    উত্তর থাইল্যাণ্ডের ন্যাশনাল পার্ক থেকে উদ্ধারকৃত মৃত এক হরিণের পেটে ৭ কেজি আবর্জনা পাওয়া গেছে।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত ওই হরিণের পেটে পুরুষদের আন্ডারওয়্যার, প্লাস্টিকের ব্যাগ, কফির থালা এবং প্লাস্টিকের দড়ির কিছু অংশ ছিল। শুধু তাই নয়, হরিণটির পেটে রাবার গ্লোভস, নুডলস, ছোট তোয়ালেও পাওয়া যায়। খুন সাথান ন্যাশনাল পার্কের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত হরিণটি দীর্ঘদিন ধরেই প্লাস্টিক খাচ্ছিল। এ কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। খবর বিবিসির

    গত বছরও থাইল্যান্ডে প্লাস্টিক খেয়ে ডুগং প্রজাতির একটি সামুদ্রিক প্রাণী মারা গেছিল।

    ওই সময় প্লাস্টিক খাওয়া শাবক ডুগংয়ের ছবি ভাইরাল হওয়ায় তা থাইল্যাণ্ডবাসীর মন কেড়েছিল। কিন্তু উদ্ধারের কয়েক মাস পরেই শাবকটি মারা যায়। পরে মেডিকেল প্রতিবেদনে জানা যায়, অতিরিক্ত প্লাস্টিক খাওয়ার কারণেই ওই প্রাণীটির মৃত্যু হয়েছে।

    থাইল্যাণ্ডের ন্যাশনাল পার্কের এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকদিন আগে পার্কের ভিতরে তারা দশ বছর বয়সী ওই পুরুষ হরিণটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তার পাকস্থলী থেকে ওইসব আবর্জনা বের করা হয়।

    হরিণটি মারা যাওয়ার কারণে থাইল্যাণ্ডের সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই পার্কে অনুপ্রবেশকারীদের সমালোচনা করছেন।

    একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, যখন পার্কে ঢুকবেন, তখন দয়া করে আপনার ফেলে যাওয়া ময়লা-আবর্জনা সঙ্গে নিয়ে বের হন। কিছু দায়িত্ব নিজে নিন।

    আরেকজন লিখেছেন, নিজের ফেলে দেওয়া আবর্জনা নিজের ওঠানোর শিক্ষা ছেলেবেলা থেকেই একজনকে দেওয়া উচিত। কারণ বড় হলে তাদের অভ্যাস পাল্টানো কঠিন হয়ে পড়ে।

    পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় প্লাস্টিক এবং অন্যান্য আবর্জনা সংগ্রহের লক্ষ্যে স্থানীয়দের যাতে একত্রিত করা যায় সে লক্ষ্যে তারা তিনটি পর্যায়ে পরিকল্পনা করছেন।

    উল্লেখ্য, অন্যান্য দেশের তুলনায় থাইল্যাণ্ডে প্লাস্টিকের ব্যাগ অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়। পরিবেশ গ্রুপ গ্রিনপিস জানিয়েছে, থাইল্যাণ্ডে প্রতিবছর ৭৫ বিলিয়ন প্লাস্টিকের ব্যাগ ফেলা হয়।

  • ব্যবসায়িক স্বার্থে বিশ্ব কাশ্মীর ইস্যুতে নীরব: ইমরান খান

    ব্যবসায়িক স্বার্থে বিশ্ব কাশ্মীর ইস্যুতে নীরব: ইমরান খান

    শুধুমাত্র ব্যবসায়িক স্বার্থের কারণে বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে নীরব রয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বুধবার এক টুইট বার্তায় এই মন্তব্য করেছেন।

    পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সরকার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের আদর্শ ও ফ্যাসিস্ট মনোভাব পোষণ করে যার কারণে জম্মু-কাশ্মীরকে এখনো অবরুদ্ধ অবস্থায় রেখছে।

    ইমরান খান আরো বলেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের আদর্শই হচ্ছে কাশ্মীরের জনগণের উপরে ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লংঘন করা আর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের নিজেদের স্বার্থের কারণে নীরব রয়েছে।

    গত ৫ আগস্ট বিজেপি শাসিত ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত কাশ্মীরের অচলাবস্থা অব্যাহত আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়ার পর থেকে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এর কড়া বিরোধীতা করছেন। এর জেরে তিনি ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন বানিজ্য চুক্তি বাতিল করেছেন। এনিয়ে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে সম্পক তলানিতে ঠেকেছে।

  • গ্রিসে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প

    গ্রিসে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প

    দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে স্থানীয় সময় সকালে এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬। খবর ডেইলি মেইল’র।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বুধবার সকালে ভূমিকম্পের ফলে পুরো দ্বীপ এবং এর বাড়ি-ঘরগুলো ‘নাটকীয়ভাবে’ কেঁপে উঠে।

    ক্রেটের আঞ্চলিক গভর্নর স্ট্যাভ্রোস আরনাউতাকিস রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানিয়েছেন, ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানলেও সৌভাগ্যজনকভাবে তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।

    কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ১’শ ৫০ মাইল দূরের শহর এথেন্সেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার গ্রিসের পার্শ্ববর্তী দেশ আলবেনিয়ায় ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ২৫ জন নিহত হয়েছেন।

  • গরুর জন্য শীতের পোশাক বানাচ্ছে উত্তর প্রদেশ

    গরুর জন্য শীতের পোশাক বানাচ্ছে উত্তর প্রদেশ

    ভারতের উত্তরপ্রদেশেও শীত আসতে আর বেশি দেরি নেই। এখনই সন্ধ্যা নামলেই হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে। আর এমন শীতে গরুদের জন্য বিশেষ পাটের কোট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অযোধ্যা পৌরসভা। খবর ইন্ডিয়া টুডের

    অযোধ্যার পৌর কমিশনের নিরাজ শুক্লা বলেন, আমরা গরুদের জন্য বিশেষ কোট তৈরি করছি। মোট তিন-চার দফায় সম্পূর্ণ কাজ হবে। প্রথমে বৈশিংপুরের গোশালায় যাওয়া হবে। সেখানে ৭০০ ষাঁড়সহ মোট ১২০০ গবাদি পশু থাকে। আমরা প্রথম দফায় ১০০ কোট অর্ডার করেছি।

    নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেই কোটগুলি গোশালায় পৌঁছে যাবে বলে জানিয়ে শুক্লা বলেন, এক-একটি কোটের মূল্য ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পড়বে। বাছুরদের কোট আবার বিশেষভাবে তৈরি করা হবে। কোটে থাকবে তিনটি স্তর। নরম কাপড় ব্যবহার করা হবে, যাতে গরম হয়।

    তিনি জানান, গাভী ও ষাঁড়দের পোশাকের ডিজাইনও হবে আলাদা। ষাঁড়রা গায়ে চাপাবে পাটের তৈরি কোট। আর গাভীর কোটটি হবে দুই স্তর বিশিষ্ট।

    এখানেই শেষ নয়। শীতের হাত থেকে গরুদের রক্ষা করতে গোশালায় বনফায়ারের ব্যবস্থাও থাকবে। অর্থাৎ গোশালার এককোণে রাতে আগুন জ্বালিয়ে রাখা হবে, যাতে ঠান্ডা কম লাগে। এছাড়াও মেঝেতে খড় বিছিয়ে রাখা হবে। ঠান্ডায় মাটিতে বসতে যাতে গরুদের সমস্যা না হয়।

    অযোধ্যার মেয়র ঋষিকেষ উপাধ্যায় জানান, গরুদের সবরকম পরিষেবা দিতে তারা বদ্ধপরিকর। গোশালাগুলির পরিকাঠামোর উন্নতির চিন্তা-ভাবনাও করছেন তারা।

  • সেরা সাংবাদিক থেকে দেশের রানি

    সেরা সাংবাদিক থেকে দেশের রানি

    স্পেনের এক মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে লেতিজিয়া অরতিজ। তার জন্ম ১৯৭২ সালে ১৫ সেপ্টেম্বর। মাদ্রিদের পাবলিক স্কুলে পড়ালেখা করেন তিনি।আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্নাতক করেন তিনি। তারপর সাংবাদিকতা শুরু করেন।

    ২০০০ সালে তিনি অনূর্ধ্ব ৩০ বিভাগে দেশের সেরা সাংবাদিকের পুরস্কার পান। স্পেনের টিভিই টেলিভিশনে সাংবাদিকতা করতেন তিনি।

    ২০০২ সালে এক বন্ধুর ব্যক্তিগত পার্টিতে যান লেতিজিয়া। সেই পার্টিতে আমন্ত্রিত ছিলেন স্পেনের রাজকুমার ফিলিপও। সেখানেই দু’জনের পরিচয়।

    তখনও তারা জানতেন না যে, তাদের সম্পর্ক একদিন পরিণতি পাবে। পরবর্তী এক বছরের মধ্যে দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ভীষণ বেড়ে যায়। ২০০৩ সালে তারা একসঙ্গে ছুটিও কাটান।

    ছুটি কাটিয়ে ফিরে প্রিন্স ফিলিপ তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এক আগেও লেতিজিয়ার একবার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু সেই সম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি। লেতিজিয়ার অতীত নিয়ে রয়্যাল পরিবারে কোনও মাথাব্যথা ছিল না।

    ২০০৩ সালের ১ নভেম্বর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কথা ঘোষণা করেন। সেরা সাংবাদিক হয়ে যান স্পেনের পরবর্তী রানি!

    ২০০৪ সালে তাদের রাজকীয় বিয়ে হয়। ১২০০ অতিথি আমন্ত্রিত ছিলেন বিয়েতে। লেতিজিয়া হয়ে যান প্রিন্সেস অব অস্ট্রিয়াস। তারপর মিয়ামিতে হানিমুন করেন তারা।

    ঠিক যেন কোনও সিনেমার গল্প। এরপর থেকে লেতিজিয়ার জীবন পুরোপুরি বদলে যায়। তার পোশাক-পরিচ্ছদ থেকে আদব-কায়দা বদলাতে হয় সবই। রাজপরিবারের সঙ্গে তাল মেলাতে নিজের চালচলনও বদলে ফেলেন লেতিজিয়া।

    এরপর সাংবাদিকতা ছেড়ে পুরোপুরি রাজ পরিবারের কাজে মন দেন। এতদিন তিনি খবরের পিছনে দৌড়াতেন। এবার তার পিছনে দৌড়াতে শুরু করল ক্যামেরা। তিনি যেখানেই যেতেন, সাংবাদিকরাও সেখানে গিয়ে ভিড় করতে শুরু করলেন।

    ২০০৫ সালে প্রিন্স ফিলিপ এবং লেতিজিয়ার প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। নাম রাখা হয় লিওনর। সন্তানের জন্ম উপলক্ষে এই নামে যতজন স্পেনীয় রয়েছেন,ওই দিন তাদের সমস্ত ফ্লাইট বিনামূল্যে করার ঘোষণা দেন প্রিন্স ফিলিপ।

    এরপর ২০০৮ সালে সোফিয়া নামে আরও এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন তারা। মায়ের মতো দুই সন্তানও মিডিয়ার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

    ২০১৪ সালে ১৯ জুন রাজা জুয়ান কার্লোসের মৃত্যুর পর ফিলিপ এবং লেতিজিয়া স্পেনের রাজা এবং রানি হন।

  • ভারতে প্রতি ৫ পর্যটকের ১ জন বাংলাদেশি

    ভারতে প্রতি ৫ পর্যটকের ১ জন বাংলাদেশি

    ভারতে ঘুরতে যাওয়া প্রতি ৫ জন পর্যটকের মধ্যে ১ জন বাংলাদেশি। দেশটির সংসদে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

    ওয়াইএসআরসিপি সাংসদ বঙ্গা গীতা বিশ্বনাথের এক প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার দেশটির রাজ্য পর্যটনমন্ত্রী প্রহল্লাদ সিংহ প্যাটেল ২০১৬ -২০১৮ সালে ভারতে ঘুরতে বিদেশি পর্যটকের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন।

    ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৪০৯ জন, ২০১৭ সালে বেড়ে ২১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৭ জন এবং ২০১৮ সালে ২২ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ জন।

    এছাড়া ২০১৮ সালে ভারতে যেসব বিদেশি পর্যটকরা এসেছেন তাদের মধ্যে বাংলাদেশের পরে মার্কিন ও ব্রিটিশ নাগরিকদের অবস্থান। এরপরে শ্রীলংকা ও কানাডা। তবে ২০১৬ সাল থেকে ভারতে পাকিস্তানি পর্যটকের সংখ্যা ক্রমাগত কমেছে।

    ২০১৬ সালে ভারতে পাকিস্তানি পর্যটকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭২০ জন, ২০১৭ তে ৪৪ হাজার ২৬৬ জন এবং ২০১৮ তে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৪১ হাজার ২৬৬ জন।

    রাজ্যগুলির নিরিখে দেখতে গেলে ২০১৮ সালে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটক এসেছেন তামিলনাড়ুতে, সংখ্যাটা ৬০ লক্ষেরও বেশি। এর পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র ও উত্তর প্রদেশের স্থান। মহারাষ্ট্রে ২০১৮ সালে ৫০ লক্ষের বেশি পর্যটক এসেছেন, উত্তর প্রদেশে সে সংখ্যাটা ৩৭ লক্ষ।

    এছাড়া জানা যায়, ২০১৮ সালে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটক এসেছেন তামিলনাড়ুতে। যার সংখ্যা ৬০ লাখেরও বেশি। এর পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র ও উত্তর প্রদেশের স্থান। মহারাষ্ট্রে ২০১৮ সালে ৫০ লাখের বেশি পর্যটক এসেছেন, অন্যদিকে উত্তর প্রদেশে ৩৭ লাখ।