Category: আন্তর্জাতিক

  • কঙ্গোতে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৮

    কঙ্গোতে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৮

    কঙ্গোতে ১৭ জন যাত্রী নিয়ে একটি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রবিবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের শহর গোমাতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে বিমানের দুইজন ক্রুসহ মোট ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর রয়টার্সের।

    কঙ্গোর নর্থ কিভুর গভর্নর কার্লি এনজানজু কাসিভিতার কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানটি স্থানীয় বিমানসংস্থা বিজি বি’র। বেনির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার জন্য টেক-অফের সময়ই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

    এ ঘটনায় ১৬ জন যাত্রী ও দুজন ক্রুসহ মোট ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পাইলট ও বেঁচে যাওয়া একজন যাত্রীর অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। বিজি বি বিমানসংস্থার পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন মন্তব্য আসেনি।

  • মুসলিম উম্মাহর সমস্যা সমাধানে একত্রিত হচ্ছে ৫ দেশ

    মুসলিম উম্মাহর সমস্যা সমাধানে একত্রিত হচ্ছে ৫ দেশ

    মুসলিম উম্মাহ সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টায় পাঁচটি মুসলিম দেশকে একত্রিত করতে যাচ্ছে। আগামী ১৮ থেকে ২১ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ায় ‘কুয়ালালামপুর সামিট-২০১৯’-এ এসব দেশ অংশ নিবে। খবর নিউ স্ট্রেইটস টাইমস’র।

    সামিট উপলক্ষে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ডা. মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, শীর্ষ সম্মেলনে মুসলিম বিশ্ব যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, সেসব বিষয়ে আলোচনা এবং সমাধান পেতে মালয়েশিয়া ও চারটি মুসলিম দেশ এক সাথে কাজ করবে।
    মহাথির বলেছেন, তুরস্কসহ অন্য চারটি ইসলামি দেশ ‘কুয়ালালামপুর-২০১৯’ শীর্ষক সম্মেলনের অগ্রদূত হবে। মালয়েশিয়ার মতো তুরস্ক, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এবং কাতারের মধ্যে যৌথ অনেক সমস্যা বিরাজ করছে। আমরা আলোচনার জন্য অল্প কয়েকটি দেশ নিয়ে বসতে যাচ্ছি। অনেকগুলো দেশ একসাথে বসলে বিভিন্ন মতানৈক্য সৃষ্টি হতে পারে যা মুসলিম উম্মাহর সমস্যা সমাধানের পথে বাধা হতে পারে। তবে আমরা আশা করছি ভবিষ্যতে অন্যান্য মুসলিম দেশগুলো আমাদের সাথে যোগদান করবে।

    মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বৈঠকের মূল বিষয় হচ্ছে, উন্নয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সার্বভৌমত্ব অর্জন করা। এই সম্মেলনে ইসলামী বিশ্বের ৪৫০ জন নেতা, রাজনীতিবিদ এবং চিন্তাবিদ অংশগ্রহণ করবেন।

  • সন্ত্রাসে ভুক্তভোগীদের ৮০ শতাংশই মুসলমান: ফরাসি গ্রুপ

    সন্ত্রাসে ভুক্তভোগীদের ৮০ শতাংশই মুসলমান: ফরাসি গ্রুপ

    বিশ্বের যেকোনও স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটলেই তার দায় চাপানো হয় মুসলমানদের ওপর। বলা হয়, এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় অমুসলিমরা। তবে এই ধারণা ভুল।

    বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী মুসলমানরাই।
    সম্প্রতি একটি ফরাসি গ্রুপ জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসে ভুক্তভোগীদের অন্তত ৮০ শতাংশই মুসলমান।

    ফ্রেঞ্চ টেরর ভিকটিম অ্যাসোসিয়েশনের (এএফভিটি) প্রধান গিলেমো দেনক্স দে সেইন্ট-মার্ক তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলুকে বলেন, সন্ত্রাসী হামলার পরিণতিতে সবার আগে ভুগতে হয় মুসলমানদের।

    তিনি বলেন, এটা মনে করানো জরুরি যে, সন্ত্রাসীরা মুসলমান আর ভুক্তভোগীরা অমুসলিম, এই কথা সত্য নয়। বিশ্বে সন্ত্রাসে ভুক্তভোগীদের ৮০ শতাংশই মুসলমান।

    এসময় মৌলবাদ প্রতিরোধে বিশ্ববাসীকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান এএফভিটি প্রধান।

    ফ্রান্সের নিস শহরে গত বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী সন্ত্রাসে ভুক্তভোগীদের আন্তর্জাতিক সম্মেলন।

    গিলেমো দেনক্স দে সেইন্ট-মার্ক জানান, সন্ত্রাসীরা বিশ্বজুড়ে ভ্রাতৃত্বের যে ক্ষতিসাধন করেছ, তা পুনর্নিমাণের লক্ষ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এএফভিটি ও নিস কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলন চলবে শনিবার (২৩ নভেম্বর) পর্যন্ত। এতে ৮০টি দেশের বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসে ভুক্তভোগী সাড়ে চারশ’ জন অংশ নিচ্ছেন।

  • ইসরায়েলের পক্ষ ত্যাগ, জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পক্ষে ভোট কানাডার

    ইসরায়েলের পক্ষ ত্যাগ, জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পক্ষে ভোট কানাডার

    কানাডা ১০ বছর পর প্রথম ফিলিস্তিনের পক্ষে কোনও জাতিসংঘ প্রস্তাবে ভোট দিল। এর আগে ধারাবাহিকভাবে দেশটি ইসরায়েলের পক্ষেই ভোট দিয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েল ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখল করে আসছে। সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ও জায়গা দখলকে বৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
    মার্কিন প্রশাসনের এ সম্মতির সমালোচনা করেছেন খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস।

    এতে পোপ ফ্রান্সিস ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পোপ ফ্রান্সিস বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের আগের অবস্থান পরিবর্তন করায় মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হবে।’

    এদিকে, ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের এ অবৈধ দখলদারিত্বকে মার্কিন প্রশাসন বৈধতা দেয়ায় কানাডাও তাদের নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেছে। দেশটি আগে দখলদার ইসরায়েলকে সমর্থন করলেও গত দশ বছরে এই প্রথম কানাডা ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে জাতিসংঘ রেজুলোশনে ভোট দিয়েছে।

    কানাডা মনে করে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

  • ছোট্ট ছেলের অঙ্গ দান করে দিলেন মা

    ছোট্ট ছেলের অঙ্গ দান করে দিলেন মা

    নির্মম মৃত্যুর পর আদরের সাত বছরের ছেলের সব অঙ্গ অন্যের জীবন বাঁচাতে দান করে দিয়েছেন মা। ১৩ নভেম্বর নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে এই ঘটনা ঘটেছে।

    নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯ নভেম্বর সাউন্ডভিউ এলাকার ব্রঙ্কস রিভার হাউসেসের বাসার ১০ তলার জানালা দিয়ে নিচে পড়ে যায় কিংস্টোন স্পেনসার নামের সাত বছর বয়সী ওই শিশুটি। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় জ্যাকোবি মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ১৩ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়। সন্তান হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে যান কিংয়ের মা রোজি মানসেবো। পরে নিজের ও সন্তানের আত্মার শান্তির জন্য তিনি কিংয়ের সব অঙ্গ অন্যের সেবায় দান করে দেন। তার অঙ্গ দিয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক ও শিশুসহ পাঁচজনের জীবন রক্ষা হবে।

    কিংয়ের মা রোজি মানসেবো বলেন, ‘যদি আপনি সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন, তাহলে অন্যদের নিয়েও আপনাকে ভাবতে হবে। আপনার খুব কষ্টের মুহূর্তেও তা ভাবতে হবে।’

    রোজি মানসেবো আরও বলেন, ‘কিং তো বয়স সাতেই আটকে গেল। কিন্তু আমরা তা চাই না। আমরা চাই সে অন্যের জীবনে আরও অনেক অনেক দিন বেঁচে থাকুক। আর আমাদের সন্তান কিং আমাদের কাছে অনেক অনেক বছর বেঁচে থাকার আবদার করেছিল। তাহলে আজ আমরা কেন তাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করব না?’
    পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, কিং শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী ছিল। তারা পুরো পরিবার কিছুদিন আগেই একটি আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ওই বাসায় উঠেছে। ঘটনার দিন সকালে কিং ১০ তলার জানালার কাছ থেকে একটি কার্ডবোর্ড সরাতে গিয়ে পিছলে নিচে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার তদন্ত চলছে। এ কারণে ছেলে কিংয়ের মৃত্যুর ব্যাপারে তেমন কিছু জানাননি ৩৮ বছর বয়সী মানসেবো।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত কিংয়ের ১২ ও ১৯ বছর বয়সী দুই বোন রয়েছে। তারা সবাই মা মানসেবোর সঙ্গেই থাকত। মানসেবো হান্টার কলেজে স্প্যানিশ ও ইংরেজি অনুবাদের শিক্ষার্থী।

    কিংয়ের অঙ্গ ‘লাইভ অন এনওয়াই’ নামে নিউইয়র্কের একটি অলাভজনক অঙ্গ দান গ্রুপের কাছে দেওয়া হয়েছে। তার দান করা অঙ্গ দিয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক ও শিশুসহ পাঁচজনের জীবন রক্ষা হবে।

    মানসেবো বলেন, ‘আমার ছেলে আমার পুরো অস্তিত্ব পরিবর্তন করে দিয়েছে। তার সব অঙ্গই তো দান করে দিলাম। তবে একটা বিশেষ অংশ নিজের কাছে রেখে দিয়েছি। সেটা হলো কিংয়ের হাসি। যেটা আমার হৃদয়ে গেঁথে আছে।’

  • সিডনি ঢাকা পড়েছে ধোঁয়ায়

    সিডনি ঢাকা পড়েছে ধোঁয়ায়

    অস্ট্রেলিয়ার সিডনির আকাশ আজ মঙ্গলবার ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। রাতভর প্রচণ্ড বাতাস ছিল। আবহাওয়া বিভাগ বলছে, বায়ুদূষণের মাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ। এতে চোখ জ্বালাপোড়া করা এবং নাক ও গলায় অস্বস্তিকর অনুভূতির মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

    বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সিডনির মানুষ কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ ও বাড়িতে কটু গন্ধে ভরা ধোঁয়ার কথা লিখেছেন। সিডনির নীল আকাশ এখন ধূসর

    সিডনির রাজধানী নিউ সাউথ ওয়েলসে ৫০ লাখ মানুষের বাস। এই এলাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে দাবানলের প্রভাব ছিল। নিউ সাউথ ওয়েলসের উত্তরে গত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া দাবানলে ছয়জনের প্রাণহানি হয়েছে।

    সিডনির বাসিন্দাদের মঙ্গলবার অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ বলছে, সিডনির পশ্চিমে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে।
    সিডনির বিভিন্ন এলাকায় বায়ুদূষণ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণে রেকর্ড করা হয়েছে। আটবার এমন ঘটনা ঘটেছে।

    এএফপির খবরে জানা যায়, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সিডনিবাসীকে ঘরের ভেতর থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কায়িক শ্রমের কাজ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা বলছে, শ্বাসপ্রশ্বাস-সংক্রান্ত জটিলতা যাদের রয়েছে, তাদের বিশেষ যত্নে থাকতে হবে।সিডনির অপেরা হাউস ধোঁয়ায় ঢাকা। ছবি: এএফপিনিউ সাউথ ওয়েলস রুরাল ফায়ার সার্ভিস সতর্কতা জারি করে বলেছে, আগামী কয়েক দিনে ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে যাবে। গত সপ্তাহে সিডনিতে দাবানল হয়। এর উপকণ্ঠ ও আশপাশের এলাকা ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়।

    কর্তৃপক্ষ বলছে, ওয়ালামাই ন্যাশনাল পার্ক আগুনের উৎসস্থল। এটি সিডনি থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। আকারে প্রায় 1 লাখ ৫০ হাজার হেক্টরের মতো।

    সিডনির উত্তরে উপকূলীয় এবং দ্বীপের এলাকাগুলোতে ৫০-এর কাছাকাছি দাবানল হয়েছে। এসব এলাকার ঘর কয়েক সপ্তাহ ধরে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ছিল।

    কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করে বলেছে, এ সপ্তাহে কুইন্সল্যান্ডে তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেখানে দাবানল হতে পারে।