Category: আন্তর্জাতিক

  • নারী আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করেছে সৌদি

    নারী আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করেছে সৌদি

    কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গাড়ি চালাতে পারবেন সৌদি নারীরা। এমন ঘটনা কার্যকরের আগেই পাঁচজন নারী ও দুইজন পুরুষ অধিকার কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি, যাদের কয়েকজন সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছিলেন। খবর বিবিসির।

    মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করছে যে সৌদি নারীদের কণ্ঠরোধ করতেই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে ‘বিদেশি শক্তি’র সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন লাউজাইন আল-হাতলুল এবং এমান আল-নাফজান। এরা দুজনেই সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছিলেন।

    বিশ্বে সৌদি আরবই একমাত্র দেশ, যেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি ছিল না। দেশটির বিদ্যমান ব্যবস্থায় পুরুষেরাই কেবল গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পান। কোনো নারী যদি জনসম্মুখে গাড়ি চালান, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার ও জরিমানা করা হয়।

    নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দিতে কয়েক বছর ধরে দেশটির মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রচার চালিয়ে আসছিল।

    মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদির ক্রাউন প্রিন্স নির্বাচিত হওয়ার পর নারীদের স্টেডিয়ামে প্রবেশসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ কার্যকরের অনুমতি দেয়। তার মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি সংক্রান্ত একটি আদেশও জারি করা হয়। আদেশটি আগামী মাসের ২৪ জুন থেকে কার্যকর হবে।

    গাড়ি চালানোর অধিকার নিয়ে আন্দোলন করতে গিয়ে যারা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তাদের ব্যাপারে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, মিজ নাফজান এবং মিজ নুর ২০১৬ সালে সরকারের কাছে এক পিটিশনে সই করেছিলেন যেখানে সৌদি নারীদের ওপর পুরুষদের অভিভাবকের কর্তৃত্ব বিলোপ করার ডাক দেয়া হয়।

    এই কর্তৃত্বের কারণে সৌদি নারীরা নিজের ইচ্ছেমত বিয়ে করতে পারেন না, একা একা বিদেশে যেতে পারেন না এবং পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন না।

    মিজ হাথলুলকেও এপর্যন্ত দু’বার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালের একটি ঘটনায় তিনি গাড়ি চালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে চেয়েছিলেন।

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, গত ১৫ মে তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তাদের গ্রেপ্তারের পেছনে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দেখায়নি।

  • ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক করা হারাম: লেবানন মুফতি

    ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক করা হারাম: লেবানন মুফতি

    ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন লেবাননের প্রভাবশালী মুফতি শেখ রাশিদ কাব্বানি। তিনি বলেছেন, ‘কোনো মুসলমানেরই উচিত নয় ইসরাইলের সঙ্গে আপোস করা।’

    গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি। খবর পার্স টুডের।

    পশ্চিম জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস খোলার প্রতিবাদে গত সোমবার বিক্ষোভ করে ফিলিস্তিনিরা। তখন তাদের ওপর গুলিবর্ষণ চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ৫৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনীর ছোড়া গুলি, বোমা ও টিয়ারশেলে দুই সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

    ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। গাজায় গণহত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলে মন্তব্য করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্য এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।

    মুফতি রাশিদ কাব্বানি বলেছেন, ফিলিস্তিন হচ্ছে মুসলিম ভূখণ্ড। মুসলমানদের এই ভূখণ্ডকে ইহুদিবাদীরা ১৯৪৮ সালে দখলে নিয়েছে। ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি বিশ্বের সব মুসলমানের জন্য ফরজ। এক বিঘত ভূমির বিষয়েও আপোস করা যাবে না। এজন্য ফিলিস্তিন ও পবিত্র স্থানগুলো মুক্ত করার জন্য সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    এদিকে, লেবাননের সিডন অঞ্চলের জুমার নামাজের ইমাম শেইখ আফিফ নাবলুসি বলেছেন, ফিলিস্তিন হচ্ছে মুসলমানদের প্রথম কেবলা। আমেরিকা যত চেষ্টাই চালাক না কেন ফিলিস্তিন ইস্যুকে মুসলমানদের মন থেকে মুছে ফেলতে পারবে না।

  • ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক বাতিলের হুমকি উ. কোরিয়ার

    ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক বাতিলের হুমকি উ. কোরিয়ার

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য শীর্ষ বৈঠক বাতিলের হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে পরমাণু কর্মসূচি বাদ দেওয়ার জন্য চাপ অব্যাহত রাখলে আলোচিত শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটি।

    বুধবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

    আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের ওই বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে। উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসতে প্রস্তুত— এই কথার পরেই ট্রাম্প ওই বৈঠকে বসতে রাজি হন।

    এদিকে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ায় ক্ষিপ্ত হয়েছে উত্তর কোরিয়া। চলমান যৌথ সামরিক মহড়ার জেরে দক্ষিণের সঙ্গে বুধবারের শীর্ষ পর্যায়ের সংলাপ স্থগিত করে উত্তর কোরিয়া।

    দেশটি বলেছে এই সামরিক মহড়া বিভক্ত কোরিয় উপদ্বীপের উষ্ণ সম্পর্কের জন্য হুমকি। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএর খবরে আগামী মাসে উত্তর কোরিয়ারয় নেতা কিম জং উনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক পরিকল্পনা মতো হবে কিনা তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।

    উত্তর কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিম কাই গুয়ান জানায়, যদি যুক্তরাষ্ট্র আমাদের কোণঠাসা করে একতরফাভাবে পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করার জন্য চাপ দেয় তাহলে বৈঠকের বিষয়ে আমাদের আর কোনও আগ্রহ থাকবে না। সেক্ষেত্রে আসন্ন ডিপিআরকে-ইউএস শীর্ষ সম্মেলন আমরা গ্রহণ করবো কিনা সেটাও পুনর্বিবেচনা করে দেখতে হবে।

    যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বার্ষিক ‘ম্যাক্স থান্ডার’ নামে বিমানবাহিনীর মহড়া সোমবার থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় শুরু হয়েছে, যা ২৫ মে পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। এ নিয়েই প্রবল আপত্তি উত্তর কোরিয়ার। আগে থেকেই এ ধরনের মহড়ার বিরোধিতা করে আসছে দেশটি।

    এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় শীতকালীন অলিম্পিকের সময়ই আকাশ যুদ্ধের এই মহড়াটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক নতুন দিকে মোড় নিতে থাকায় ওই সময় মহড়াটি স্থগিত করা হয়েছিল।

  • সৌদি আরবে রোজা শুরু বৃহস্পতিবার

    সৌদি আরবে রোজা শুরু বৃহস্পতিবার

    সৌদি আরবে পবিত্র রমজান শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। চাঁদ দেখা কমিটি পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখতে না পেয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সৌদি আরবের চাঁদ পর্যবেক্ষণকারীরা বলেছেন, তারা মঙ্গলবার কোথাও পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখতে পান নি। এর অর্থ হলো সেখানে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। অর্থাৎ বুধবার রাতে সৌদি আরবের মুসলিমরা সেহরি খেয়ে পবিত্র রোজা রাখা শুরু করবেন। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবর অনুযায়ী, খারাপ আবহাওয়ার কারণে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়ার মতো অনেক মুসলিম দেশে বুধবার রোজা পালিত হবে না। উল্লেখ্য, বিশ্বের মুসলিমরা পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখে রোজা রাখা শুরু করেন। এ সময় সারা দিনে তারা সমস্ত রকম খাদ্য, পানীয়, ধুমপান ও নানা রকম পাপাচার থেকে বিরত থাকেন। এর মধ্য দিয়ে তারা মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন। উল্লেখ্য, এ বছর উত্তর গোলার্ধে পবিত্র রমজান পালিত হচ্ছে গ্রীষ্মকালে। এ সময় দিনের দৈর্ঘ্য অনেক লম্বা থাকে

  • ভোট চলছে ইরাকে

    ভোট চলছে ইরাকে

    মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) গ্রুপকে পরাজিত করার পর এই প্রথম ইরাকের জনগণ দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে। খবর বিবিসির।

    শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

    ইরাক ৩২৯ আসনবিশিষ্ট পার্লামেন্টের সদস্য হতে প্রতিদ্বন্দ্বী জোটগুলোর সদস্যসহ প্রায় সাত হাজার প্রার্থী এবারের নির্বাচনে লড়াই করছেন।

    ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে চার বছরের যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইরাক। এই নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনা ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এএফপির সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সংঘাতপূর্ণ এ দেশের নিবন্ধিত প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ ভোটারকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোট কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে।

    পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নির্বাচনে যারাই জিতুক না কেন, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব ও বিচ্ছিন্নতাবাদের উত্তেজনাকে কমিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পরিচালনাই তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

    শনিবারের ভোটে অংশ নেয়া প্রার্থীদের বেশিরভাগই হয় সুন্নি না হয় শিয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এর বাইরে কুর্দিদেরও আলাদা তালিকা আছে।

    গত বছরের সেপ্টেম্বরে কুর্দি নিয়ন্ত্রিত স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান এক গণভোটের মাধ্যমে নিজেদের স্বাধীন ঘোষণার পথে এগিয়ে গেলেও বাগদাদ তাতে বাদ সাধে।

    তুরস্কসহ সীমান্তবর্তী দেশগুলোও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে কুর্দিস্তানকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। কুর্দি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতেও এবারের ভোটে রমরমা প্রচার দেখা গেছে।

  • ইরান চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের

    ইরান চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের

    মিত্র দেশগুলোর অনুরোধ উপেক্ষা করে ইরানের সঙ্গে করা পরমাণু সমঝোতা চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসির।

    একইসঙ্গে ইরানের ওপর পারমাণবিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করছে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করতে ছয় মাসের সময় দেন ট্রাম্প। সেটি না করলে কঠোর ‘পরিণতি ভোগ’ করতে হবে বলে সতর্ক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    কোন দেশ যদি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টাকে সহায়তা করে তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উপরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে যে পরমাণু চুক্তি করা হয়েছে সেটি বজায় থাকলে দেশটি পারমাণবিক শক্তি অর্জন করবে। এ ধরনের চুক্তি কখনোই করা উচিত হয়নি।’

    ইরান সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন দিচ্ছে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস এবং আল-কায়েদাকে ইরান সমর্থন দিচ্ছে। আমরা যদি এখন কিছু না করি, তাহলে আমরা জানি ভবিষ্যতে কী হবে।’

    এছাড়া একজন আমেরিকান হিসেবে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক সমঝোতা চুক্তির জন্য তিনি বিব্রত বলেও মন্তব্য করেন।

    ২০১৫ সালে বারাক ওবামার সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া এবং জার্মানি পারমাণবিক সমঝোতা চুক্তি করেছিল ইরানের সঙ্গে।

    সে চুক্তির মূল বিষয় ছিল, ইরান পরমাণু কার্যক্রম বন্ধ রাখবে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন ইরানের যেকোনো পরমাণু স্থাপনায় যেকোনো সময় পরিদর্শন করতে পারবে। অর্থাৎ ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে সেজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইরানকে নজরদারির মধ্যে রাখতে পারবে। এর বিনিময়ে ইরানের উপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছিল।

    কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উপর নতুন করে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করলেন। ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি থেকে আমেরিকা যাতে সরে না যায় সেজন্য ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি গত বেশ কিছুদিন ধরে ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আমেরিকার মিত্র দেশগুলোর আহ্বানে কোনো গুরুত্ব দেননি ট্রাম্প।

    তিনি এতদিন ধরে যুক্তি তুলে ধরেছেন যে ইরানের সঙ্গে যে চুক্তি করা হয়েছে সেটি শুধু দেশটির পারমাণবিক কার্যক্রমের ওপর এবং এ চুক্তি মাত্র সাত বছরের জন্য। সে চুক্তিতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কার্যক্রম বন্ধের বিষয়ে কিছু নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    ট্রাম্প এ চুক্তিকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ এবং ‘একপেশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মনে করেন, এর মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন থামানো যাবে না।