Category: প্রচ্ছদ

  • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • দেশে সপ্তাহব্যাপী ঈদের ছুটি শুরু

    দেশে সপ্তাহব্যাপী ঈদের ছুটি শুরু

    আজ থেকে শুরু হয়েছে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল ফিতরের সপ্তাহব্যাপী ছুটি।

    লাখ লাখ মানুষ ইতোমধ্যেই রাজধানীসহ প্রধান শহরগুলো ছেড়ে নিজেদের বাড়িতে পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে উৎসবটি উদযাপন করতে রওনা হয়েছেন।

    ঈদের জন্য বাড়ি ফেরা মানুষদের যাতে কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করেছে।

    সেই হিসেবে গতকাল (সোমবার) ছিল ঈদের আগে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য শেষ কর্মদিবস।

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ অথবা ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ: মাহদী আমিন

    প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ: মাহদী আমিন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে একে ‘এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ বলে বর্ণনা করেছেন তাঁর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

    আজ সকালে নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপের কথা তিনি তুলে ধরেন।

    মাহদী আমিন বলেন, আজ ১৭ মার্চ। ঠিক এক মাস আগে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। মাত্র ২৮ দিনে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি মুহূর্তে তিনি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এই পদক্ষেপগুলো শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার স্পষ্ট প্রতিফলন।

    প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

    স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন সরকারের ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে বলেন, এসব পদক্ষেপ সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের প্রতিটি অঙ্গনকে আলোকিত করেছে।

    মাহদী আমিনের ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখা প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ সমূহ হলো-

    সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা

    ১. ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে, প্রতিটি কার্ডে মাসিক ২,৫০০ টাকা সহায়তা। মাত্র ২১ দিনে বাস্তবায়ন, সরকারের মানবিক অগ্রাধিকারের উদাহরণ।

    ২. ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবকদের সম্মানী: ৪,৯০৮ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০ মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪ বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬ গির্জার যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন।

    ৩. ঈদে ত্রাণ ও উপহার বিতরণ: নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও গরিবদের জন্য শাড়ি, থ্রিপিস ও হাজি রুমাল বরাদ্দ। সকল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জন্য ঈদ উপহার।

    ৪. প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা:ু দরিদ্রদের কাছে সম্পদ পৌঁছানো ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য আলেম মাশায়েখদের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ।

    কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি

    ৫. কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফ: প্রায় ২৭,০০০ কৃষককে বহুলপ্রত্যাশিত কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে শীঘ্রই কার্যক্রম শুরু, প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ, নতুন উদ্যমে চাষাবাদে সহায়তা।

    ৬. দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি: ২০,০০০ কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন, ইতোমধ্যে ৫৪ জেলায় শুরু। সেচ উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

    প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসন

    ৭. সাপ্তাহিক অফিস ও অফিস সময়: প্রধানমন্ত্রী শনিবারও অফিস করছেন। কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

    ৮. ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস: প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন পরিবর্তন, জনগণও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত।

    ৯. বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত: উপস্থিত থাকবেন একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

    ১০. এমপিদের বিশেষ সুবিধা বাতিল: শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমবে, জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে।

    অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতা

    ১১. বাজার মনিটরিং ও জ্বালানি স্থিতিশীলতা: রমজান ও ঈদে মূল্যবৃদ্ধি রোধ, বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিতিশীলতার মাঝেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে স্পট এলএনজি ক্রয়।

    ১২. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ: ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া।

    ১৩. শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিশ্চিতকরণ: সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস সময়মতো পরিশোধ। পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।

    ১৪. রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু:ু পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।

    ১৫. স্থানীয় উদ্যোগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি: স্বল্প ব্যবহৃত ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা, হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা প্রস্তুত করে সেখানে সম্ভাবনাময় ব্যবসা ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইকোসিস্টেম তৈরী শুরু।

    শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন

    ১৬. পুনর্ভর্তি ফি বাতিল ও লটারী বাতিল:ু প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল, লটারীর পরিবর্তে আধুনিক ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ।

    ১৭. বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা: রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি।

    ১৮. ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ: ৯,০০০ শিক্ষক নিয়োগ, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার।

    ১৯. ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন কুঁড়ি কর্মসূচি:  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত, নতুন কুঁড়ি সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত উদ্যোগ, উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু।

    স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ

    ২০. ই-হেলথ কার্ড ও চিকিৎসা কেন্দ্র: স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ই-হেলথ কার্ড চালু, ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ শুরু যার ৮০ ভাগ হবেন নারী।

    ২১. ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান: সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি সমন্বয়ে কার্যক্রম।

    আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা

    ২২. চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

    ২৩. নারীর নিরাপত্তা ও পিংক বাস: সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত পিংক বাস চালুর নির্দেশ, সাইবার বুলিং প্রতিরোধ।

    রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ

    ২৪. রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়: সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি, অপচয় রোধে ইফতার সীমিত।

    ২৫. অবৈধ দোকান উচ্ছেদ: কক্সবাজার সুগন্ধা সি বিচে ২০ বছর পরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ এবং দেশজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ।

    ২৬. শহীদ সেনা দিবস: ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা ও পালনের পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারে গুরুত্বারোপ।

    ২৭. ঢাকা হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল: উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে এবং বহুপাক্ষিক আলোচনা ও কর্মকৌশল ঠিক করে দ্রুত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ।

    ২৮. বিমানবন্দর ও চলন্ত ট্রেনে ফ্রি ইন্টারনেট: ঢাকা, চট্রগ্রাম ও সিলেটে শাহজালাল, শাহ আমানত ও এম এ জি ওসমানী বিমানবন্দরে উন্নত দেশের মতো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থার নির্দেশ ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উদ্বোধন।

    স্ট্যাটাসের শেষ দিকে মাহদী আমিন বলেন, সরকার গঠনের প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তারেক রহমানের দৃঢ় নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তাঁর নেতৃত্ব এভাবেই সাধারণ মানুষের আশা ও অনুভূতিকে ধারণ করছে, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করছে। অভূতপূর্ব এ পথযাত্রায় নতুন প্রজন্মও দেশের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে,ইনশাআল্লাহ। তাই তো তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেন, ‘সবাই মিলে করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

  • ইরান যুদ্ধে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ২০০

    ইরান যুদ্ধে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ২০০

    ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধে ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০০ জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

    মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, আহতদের বড় অংশই সামান্য আঘাত পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮০ জন এরইমধ্যে তাদের দায়িত্বে ফিরেছেন। আর ১০ জনের আঘাত গুরুতর। এই সেনারা কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন, ইরাক ও ইসরাইলে আহত হন।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্র দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালানো শুরু করে ইরান। সংঘাত শুরুর পর থেকে হামলায় এ পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।

    সোমবার মার্কিন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় এক ডজন এমকিউ-৯ ড্রোন হারিয়েছে।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার সেন্টকম ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার খবর জানিয়েছিল।

    গত ১ মার্চ যুদ্ধ শুরুর মাত্র একদিনের মাথায় ফ্রেন্ডলি ফায়ারের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। সেন্ট্রাল কমান্ড তখন জানায়, তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভুলবশত কুয়েতি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুলিতে ভূপাতিত হয়।

  • গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার

    গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার

    পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার আগে রাজধানীর অন্যতম প্রধান প্রবেশ ও বাহির্গমন পথ গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শুরু করেন তারা।

    এ সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা, টিকিট বিক্রি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তারা।

    আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার টার্মিনালে উপস্থিত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের যাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেন।

  • ট্রাম্পের কথা শুনবে না ন্যাটো

    ট্রাম্পের কথা শুনবে না ন্যাটো

    বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর চাপ বেড়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাই মিত্র দেশগুলোর কাছে সাহায্য চেয়েছিল। কিন্তু তারা উল্টো অবস্থান নিয়েছে। ন্যাটোও এই যুদ্ধে জড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

    ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখান করে জার্মান সরকার জানিয়ে দিয়েছে বার্লিন এই যুদ্ধে জড়াবে না। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করেছে, এই যুদ্ধে ন্যাটোর কোনো ভূমিকা থাকবে না।

    জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডেরিক মের্ৎসের মুখপাত্র স্টিফেন কর্নলিয়াস সোমবার (১৬ মার্চ) বার্লিনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ন্যাটোর যুদ্ধ নয়। ন্যাটো একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট, যার কাজ নিজস্ব ভূখণ্ড রক্ষা করা।’

    এর আগে রোববার ট্রাম্প ন্যাটো মিত্রদের সতর্ক করে বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় সহায়তা না করলে তাদের জন্য ‘খুব খারাপ ভবিষ্যৎ’ অপেক্ষা করছে। তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পুনরায় চালু করতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করার আহ্বান জানান।

    তবে জার্মানি জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে তারা এ ধরনের কোনো সামরিক উদ্যোগে অংশ নেবে না। কর্নেলিয়াস বলেন, যতদিন এই যুদ্ধ চলবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার জন্য সামরিকভাবে কোনো উদ্যোগে আমরা অংশ নেব না।

    তিনি আরও জানান, এ ধরনের কোনো মিশনে অংশ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জার্মানিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে—এমন তথ্য তার জানা নেই।

    তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আমাদের সঙ্গে পরামর্শ করেনি। বরং শুরুতেই ওয়াশিংটন জানিয়ে দিয়েছিল যে ইউরোপের সহায়তা প্রয়োজন নেই।

    শুরুতে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী হামলার প্রতি অনেক ইউরোপীয় নেতার তুলনায় বেশি সমর্থন জানিয়েছিলেন। যেখানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোসহ অন্যান্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নেতারা এসব হামলাকে অবৈধ বলে নিন্দা জানান। সেখানে মের্ৎস ওয়াশিংটনে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ‘একই অবস্থানে’ থাকার কথা বলেছিলেন।

    তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতি জার্মানির ওপর এর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করায় মের্ৎস এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই হামলার সমালোচনায় আরও সরব হয়েছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পারস্য উপসাগরের এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার জন্য ট্রাম্পের কোনো সুস্পষ্ট কৌশল নেই।