Category: প্রচ্ছদ

  • খাগড়াছড়ির দুর্গম ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টারে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছেছে

    খাগড়াছড়ির দুর্গম ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টারে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছেছে

    অনলাইন ডেস্ক:   জেলায় আজ আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২৯৮নং সংসদীয় আসনের (খাগড়াছড়ি) অতি দুর্গম এলাকায় অবস্থিত তিনটি ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টারযোগে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে।

    এই তিনটি ভোটকেন্দ্র হলো জেলার দীঘিনালা উপজেলার নাড়াইছড়ি এবং লক্ষীছড়ি উপজেলার শুকনাছড়ি ও ফুত্যাছড়ি কেন্দ্র। খাগড়াছড়ি আসনের মধ্যে এসব কেন্দ্র অধিক দুর্গম হিসেবে বিবেচিত।

    জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, আজ সোমবার দুপুরে প্রথমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টার যোগে নির্বাচনী সরঞ্জাম দুর্গম শুকনাছড়ি কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে একই হেলিকপ্টার যোগে লক্ষীছড়ির ফুত্যাছড়ি এবং দীঘিনালার নাড়াইছড়ি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হয়।

    খাগড়াছড়ির জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন জানান, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ব্যালট বাক্স ও নির্বাচনী সরঞ্জামের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওই দুর্গম ভোটকেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

    জাতীয় সংসদের ২৯৮নং খাগড়াছড়ি আসনে মোট ভোটার পাঁচলাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন এবং মোট ভোটকেন্দ্র ২০৩টি।

    এদিকে আসন্ন গণভোট ও নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও বিজিবি বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছে।

  • মিথ্যা, আতঙ্ক আর ট্রমা, জোরপূর্বক রুশ সেনায় নিয়োগের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বললেন কেনিয়রা

    মিথ্যা, আতঙ্ক আর ট্রমা, জোরপূর্বক রুশ সেনায় নিয়োগের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বললেন কেনিয়রা

    অনলাইন ডেস্ক:    ভিক্টরের হাতের আগায় থাকা ক্ষতচিহ্ন তাকে প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেয় সেই দিনের কথা, যেই দিন ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায় তিনি আহত হন।

    রুশ সেনাবাহিনীতে জোরপূর্বক নিয়োগ পাওয়ার পর, শত শত তরুণ কেনিয়ানের মতো তিনিও এমন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিলেন, যার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই ছিল না।

    ভয়াবহ ওই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে বেঁচে ফেরা ছিল তার জন্য এক এক ব্যতিক্রমী সৌভাগ্য।

    কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    ভিক্টর, মার্ক, এরিক ও মোজেস— এই চার কেনিয় এএফপিকে জানিয়েছেন, কীভাবে প্রতারণার জাল তাদেরকে ইউক্রেনের সেই ভয়াবহ রণক্ষেত্রে নিয়ে যায়।

    প্রতিশোধের আশঙ্কায় এখন তাদের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

    নাইরোবি ভিত্তিক একটি নিয়োগকারী সংস্থা রাশিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির লোভ দেখিয়ে দেশটির নাগরিকদের রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগের এই প্রক্রিয়া শুরু করে।

    ২৮ বছর বয়সী ভিক্টরকে বলা হয়েছিল যে তিনি হবেন বিক্রয় কর্মী।

    ৩২ বছরের মার্ক ও ২৭ বছরের মোজেস ভেবেছিলেন যে তারা নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করবেন।

    ৩৭ বছর বয়সী এরিকের ধারণা ছিল যে তিনি উচ্চমানের ক্রীড়া জগতে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন।

    প্রতিশ্রুতি ছিল, তাকে মাসে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ডলার বেতন দেওয়া হবে, আর কেনিয়ার বাস্তবতায় এটা বড় ধরনের একটি অঙ্ক।

    কেনিয়ায় কর্মসংস্থানের তীব্র সংকট এবং সরকার রেমিট্যান্স বাড়াতে দেশটির নাগরিকদের বিদেশে কাজ করতে উৎসাহ দেয়।

    ভুক্তভোগীদের সবাইকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয়, যেখানে অন্যান্য কেনিয়রা সোয়াহিলি ভাষায় আশ্বাস দিচ্ছিলেন যে তাদের সামনে ভালো বেতন আর রোমাঞ্চকর নতুন জীবন অপেক্ষা করছে।
    কিন্তু, বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

    ভিক্টরের প্রথম দিন কাটে সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে তিন ঘণ্টা দূরের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে। পরদিন তাকে একটি রুশ সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়, আর সেখানে রুশ ভাষায় লেখা একটি চুক্তিপত্র তার সামনে দেওয়া হয়। তিনি রুশ ভাষার লেখা পড়তেই পারতেন না।

    ভিক্টর এএফপিকে তার রুশ সামরিক নথি ও যুদ্ধ পদক দেখিয়ে বলেন, ওরা বলেছিল যে স্বাক্ষর না করলে তোমাকে মেরে ফেলব।

    পরে সামরিক হাসপাতালে ভিক্টর তার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কিছু কেনিয়কে দেখতে পান।

    ভিক্তর বলেন, হাসপাতালে ভর্তি ওই সব কেনিয়দের কারও পা নেই, কারও হাত নেই। তারা আমাকে জানিয়েছে, গ্রুপে নেতিবাচক কিছু লিখলে মৃত্যুর হুমকি দেওয়া হতো।

    মার্ক বলেন, প্রায় চার হাজার ডলার দিলে নতুন নিয়োগ প্রাপ্তদের দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ যোগার করা তখন, তাদের পক্ষে অসম্ভব ছিল।

    তিনি আরও বলেন, ‘তাই, চুক্তিতে সই করা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় ছিল না।’

    এরিকের প্রথম দিন কেটেছিল একটি বাস্কেটবল দলের সঙ্গে অনুশীলনে।

    তখন এরিক ভেবেছিলেন যে তিনি পেশাদার ক্লাবে খেলবেন।

    কিন্তু তিনি জানতেন না, তিনি যে চুক্তিতে সই করেছেন, সেটি আসলে একটি সামরিক চুক্তি ছিল।

    এর পরদিনই তাকে একটি সেনা ক্যাম্পে পাঠানো হয়।

    মার্ক ও মোজেস জানান, সেখানে এক বছরের সেবার বিনিময়ে তারা খুব সামান্যই অর্থ পেয়েছেন।

    আর ভিক্টর ও এরিকের দাবি, তারা কোনো অর্থই পাননি।

    চার জনই রাশিয়ায় গিয়েছিলেন ‘গ্লোবাল ফেস হিউম্যান রিসোর্সেস’ নামের একটি কেনিয়ান নিয়োগ সংস্থার মাধ্যমে।
    সংস্থাটির ওয়েবসাইটে লেখা রয়েছে: ‘আমাদের এইচআর জাদুকরদের আপনার জন্য রোমাঞ্চকর সুযোগ খুঁজে দিতে দিন।’

    এএফপি সংস্থাটির সঙ্গে কথা বলতে পারেনি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তারা নাইরোবিতে একাধিকবার অবস্থান পরিবর্তন করেছে।

    সংস্থাটির এক কর্মী এডওয়ার্ড গিতুকুর বিরুদ্ধে ‘মানব পাচার’-এর অভিযোগে মামলা চলছে।

    গত সেপ্টেম্বরে নাইরোবির উপকণ্ঠে তার ভাড়া নেওয়া একটি ফ্ল্যাটে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২১ তরুণকে উদ্ধার করে।

    এই তরুণরা রাশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

    জামিনে মুক্ত গিতুকু অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে তার আইনজীবী জানান।

    চার জনই বলেছেন, তারা গিতুকুর সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং তিনি এই প্রতারণার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।

    এরিক ও মোজেসের দাবি, গিতুকুরই তাদের নাইরোবি বিমানবন্দরে পৌঁছে দেন।

    গিতুকুর সাবেক আইনজীবী গত সেপ্টেম্বরে এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেন, সংস্থাটি ‘১ হাজারের বেশি মানুষকে’ রাশিয়ায় পাঠিয়েছে। তবে তারা সবাই নাকি সাবেক কেনিয়ান সৈনিক, যারা স্বেচ্ছায় রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন।

    এ সময়েই রুশ নাগরিক মিখাইল লিয়াপিনকে রাশিয়ার অনুরোধে কেনিয়া থেকে বহিষ্কার করা হয়।
    রুশ দূতাবাস দাবি করেছে, মিখাইল লিয়াপিন স্বেচ্ছায় কেনিয়া ছেড়েছেন এবং তিনি কখনোই রুশ সরকারি সংস্থার কর্মী ছিলেন না।

    ডিসেম্বরে কেনিয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় ২০০ কেনিয়ান ইউক্রেনে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে এবং ২৩ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    রাশিয়া যাওয়ার আগে সম্ভাব্য অভিবাসীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হতো।

    নাইরোবির একটি ক্লিনিক জানিয়েছে, মাত্র এক মাসের একটু বেশি সময়ে তারা ১৫৭ জনকে পরীক্ষা করেছে।

    ক্লিনিকটির এক কর্মীর দাবি, এদের অধিকাংশই সাবেক কেনিয়ান সৈনিক ছিলেন।

    ভিক্টর ও মোজেস অন্য একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা দেন, যেটি এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

    এএফপি আরও দুটি নিয়োগ সংস্থার সন্ধান পেয়েছে, যারা কেনিয়দের রাশিয়ায় পাঠাচ্ছিল।

    গ্লোবাল ফেস হিউম্যান রিসোর্সেসের প্রতিষ্ঠাতা ফেস্টাস ওমওয়াম্বা গত বছর প্রতিবেশী দেশ উগান্ডায় রুশ দূতাবাসে
    একাধিকবার যান বলে একটি সূত্র জানায়।

    তিনি এএফপির ফোন ধরেননি।

    ইউক্রেনে আগ্রাসনের শুরুতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তারা নিজেদের জাতিগত সংখ্যালঘুদের ‘ব্যয়যোগ্য বাহিনী’ হিসেবে ব্যবহার করছে

    পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার মতে, রাশিয়ার বাহিনীতে হতাহতের সংখ্যা ১২ লাখ ছাড়িয়েছে, যা ইউক্রেনের দ্বিগুণ।
    এই বিপুল সংখ্যক সেনা হতাহতের কারণে মস্কো আরও দূরে গিয়ে সেনা সংগ্রহ করছে।

    কেনিয়ায় ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ইউরি টোকার বলেন, প্রথমে মধ্য এশিয়া, পরে ভারত ও নেপাল, এখন আফ্রিকা তাদের লক্ষ্য ছিল।

    চার কেনিয় জানান, প্রশিক্ষণ শিবির ও যুদ্ধক্ষেত্রে তারা নাইজেরিয়া, ক্যামেরুন, মিসর ও দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের দেখেছেন।

    টোকার বলেন, তারা যেখানে সম্ভব, সেখানেই ‘কামানের খাদ্য’ হয়েছে।

    ডনবাসের ভোভচানস্কের কাছে ভয়াবহ দৃশ্যের বর্ণনা দেন ভিক্টর।

    তিনি বলেন, ‘আমাকে দুটি নদী পার হতে হয়েছিল। নদী দুটি ভাসমান লাশে পরিপূর্ণ ছিল। তারপর একটি বিশাল মাঠ ছিল। মাঠটি শত শত লাশে ঢাকা। ড্রোনের মাঝখানে জীবন হাতে নিতে দৌড়ে পার হতে হতো।’

    তার ইউনিটের ২৭ জনের মধ্যে মাত্র দুই জন বেঁচে ছিলেন।

    ভিক্টর একটি লাশের নিচে লুকিয়ে প্রাণে বাঁচেন, তবে ড্রোন হামলায় তার ডান হাত আহত হয়।

    এরিককেও একই স্থানে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে ২৪ জনের মধ্য থেকে মাত্র তিন জন প্রাণ নিয়ে ফেরেন।

    মার্ক ড্রোন থেকে নিক্ষিপ্ত গ্রেনেডে কাঁধে গুরুতর আহত হন। শেষ পর্যন্ত তিন জন মস্কোর একটি হাসপাতালে পৌঁছে কেনিয় দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফেরেন।

    মোজেস পালিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

    শারীরিকভাবে অক্ষত থাকলেও মোজেস মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। উড়ন্ত পাখিকে দেখেও এখন তিনি
    আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের নির্মম ভয়াবহতায় তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

    অনেকে আরও ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

    এদের মধ্যে একজন গ্রেস গাথোনি।

    তিনি জানতে পারেন যে তার স্বামী মার্টিন যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। তিনি রাশিয়ায় চালক হতে গিয়েছিলেন।

    কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘মস্কো আমার জীবন ধ্বংস করে দিয়েছে।’

    ৭২ বছর বয়সী চার্লস ওজিয়াম্বো মুটোকা জানুয়ারিতে জানতে পারেন যে তার ছেলে অস্কার গত আগস্টে রাশিয়ায়

    নিহত হয়েছেন। তার লাশটি রাশিয়ার রোস্তভ-অন-ডনে রয়েছে।

    তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘রুশ কর্তৃপক্ষের লজ্জা পাওয়া উচিত।’

    চার্লস একটি প্রশ্ন রেখে যান, ‘আমরা আমাদের যুদ্ধ নিজেরাই লড়ি। আমরা কখনো রুশদের এনে আমাদের হয়ে
    যুদ্ধ করাই না। তাহলে কেন তারা আমাদের মানুষদের নিয়ে যাচ্ছে?’

  • আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না বিএনপি: তারেক রহমান

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না বিএনপি: তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না বিএনপি।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার গঠন করতে পারলে আমাদের সর্বপ্রথম কাজ হবে আইনশৃঙ্খলা কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই— যেখানে মা-বোনেরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন। মানুষ নিরাপত্তার সঙ্গে চাকরি ও ব্যবসা করবে এবং রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবে।’

    আজ সোমবার রাজধানীর মতিঝিলের পীরজঙ্গি মাজার রোডে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

    দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘২০০১ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে দুর্নীতি থেকে দেশকে বের করে নিয়ে এসেছিলেন, ভবিষ্যতেও সেভাবেই দুর্নীতি দমনে কাজ করবে বিএনপি। এই ব্যাপারে আইন নিজের গতিতে চলবে, কারো সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।’

    একটি দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনা করতে হলে দেশের মানুষের জন্য তাদের পরিকল্পনা নেই, কিন্তু বড় বড় কথা আছে।

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘মঞ্চে দাঁড়িয়ে অনেকেই বড় বড় কথা বলতে পারেন, হাততালি পাওয়ার জন্য অনেকেই সুন্দর কথা বলেন। কিন্তু দেশ চালানো এত সহজ কোনো কাজ নয়।’

    তিনি আরো বলেন, ‘দেশ চালাতে হলে দেশের মানুষের জন্য পরিকল্পনা দরকার, কোথায় তাদের পরিকল্পনা? শুধু বড় বড় কথা আছে। দেশ চালানোর জন্য দরকার কর্মসূচি, কোথায় তাদের কর্মসূচি? দেশ চালানোর জন্য অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। তাদেরই বন্ধু-বান্ধব গত এক দেড় বছর যাবৎ দেখেছি সরকারের অংশ ছিল, তাহলে আজকে এই দুর্গতি কেন?’

    তারেক রহমান বলেন, ‘এটি আজ প্রমাণিত— যদি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কেউ পরিবর্তন করতে পারে, দেশে যদি দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়, তাহলে কে পারবে? পারবে ধানের শীষ।’

    দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নারীদের উন্নয়নযাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত না করলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের খেটে খাওয়া পরিবারের গৃহিণীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে এবং এর মাধ্যমে সরকার প্রতি মাসে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে, যাতে পরিবারগুলো ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে।’

    কৃষকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কৃষক ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে। অতীতে বিএনপি সরকারের সময় কৃষকদের জন্য সুদ মওকুফ ও কৃষি জমির খাজনা মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।’

    দেশের তরুণ যুবক সমাজের সদস্য যারা— ছেলে হোক মেয়ে হোক, কীভাবে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব, আইসিটিসহ ভোকেশনাল বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন গঠনের মাধ্যমে করব। দল-মত নির্বিশেষে, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে, সেই পরিকল্পনা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।

    তারেক রহমান বলেন, উন্নয়নের নামে যে লুটপাট হয়েছে, তা দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। জনগণের করের টাকা ব্যবহার করে বড় বড় প্রকল্প করা হলেও সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার মতো মৌলিক চাহিদা উপেক্ষিত থেকেছে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের নামে লুটপাট নয়, জনগণের বাস্তব প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে।

    ঢাকা-৮ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আপনাদের সঠিক মানুষ বেছে নিতে হবে। যে মানুষটি এই এলাকার, তাকেই বাছাই করতে হবে। কারণ, এলাকার সমস্যা সমাধানে বাইরের কেউ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না। মনে রাখবেন, বাইরের মানুষ কখনো ঘরের মানুষকে চিনতে পারে না।’

    জনসভায় ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যে মানুষটির বেড়ে ওঠা এই এলাকায়, তিনি হচ্ছেন মির্জা আব্বাস। আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত আপনারা তাকে দেখে রাখুন। তার পাশে থাকুন। এরপর থেকে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত মির্জা আব্বাস বিপদে আপদে আপনাদের পাশে থাকবে।’

    বক্তব্যের শেষে উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আমি আমার পরিকল্পনার কথা আপনাদের বললাম, এবার আপমারা বলুন— ১২ তারিখে আপনাদের পরিকল্পনা কী? উত্তরে উপস্থিত জনতা একসঙ্গে উচ্চস্বরে বলে ওঠেন— ১২ তারিখ সারাদিন, ধানের শীষ ভোট দিন; ১২ তারিখ সারাদিন, ভোটকেন্দ্র পাহারা দিন।

  • গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:   প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে দেশ পাল্টে যাবে এবং দেশে আর অপশাসন ফিরে আসবে না। সামনে যে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তা দেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন নিয়ে আসবে।

    আজ সোমবার সকালে সচিবদের সঙ্গে গেট টুগেদার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তার বক্তব্য তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    প্রেস সচিব জানান, গেট টুগেদার অনুষ্ঠানে সিনিয়র সচিব ও সচিবসহ প্রায় ৭০ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে প্রধান উপদেষ্টা সীমিত পরিসরে বক্তব্য রাখেন এবং পরে সচিবদের সঙ্গে ছবি তোলেন।

    শফিকুল আলম জানান, আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, অতীতে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সেগুলো প্রকৃত অর্থে নির্বাচন ছিল না; সেগুলো ছিল এক ধরনের ভুয়া নির্বাচন। তবে এবারের নির্বাচন হবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি এবং দেশ প্রায় লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে।

    অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচন ও গণভোট দেশের রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন নিয়ে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা সরাসরি দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। অতীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণঅভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক আন্দোলনে প্রবাসীদের যে ভূমিকা ছিল, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে সেই ভূমিকা আরো মর্যাদাপূর্ণ ও সুসংহত হয়েছে। এখন থেকে তারা দেশের বিভিন্ন বিষয়ে আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ভোটদান প্রক্রিয়াকে সবার জন্য আরো সহজ করেছে। ভোটাররা কীভাবে ভোট দেবেন, সে বিষয়ে একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে, সে জন্যও আলাদা নির্বাচনভিত্তিক অ্যাপ ব্যবহৃত হচ্ছে।

    তিনি জানান, ‘নির্বাচন বন্ধু হটলাইন-৩৩৩’ চালু করা হয়েছে। প্রায় ২৫ হাজার ৭০০টি বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের ফলে এবারের নির্বাচন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নানা দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক নির্বাচন পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আসছেন। এটি প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে এটি প্রতিফলন করে যে, তারা বাংলাদেশের এই নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সময়ে অনুষ্ঠিত আগের তিনটি নির্বাচনের কোনো বৈধতা ছিল না এবং সে সময় উল্লেখযোগ্য কোনো আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষকও আসেননি।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ পর্যন্ত নির্বাচনকে ঘিরে তেমন কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি হয়নি। নির্বাচনী প্রচারণা খুবই শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। নেতারা যেখানে যাচ্ছেন, সেখানে মানুষের উপস্থিতি বেশি হলেও প্রচারণা শান্তিপূর্ণ থাকছে।

    অধ্যাপক ইউনূস সচিবদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গত ১৮ মাসে তারা যে কাজ করেছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রায় ১৩০টি অধ্যাদেশ জারি ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সচিবরা সহযোগিতামূলক ভূমিকা রেখেছেন এবং এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন করেছেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ সামনে উত্তরোত্তর উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে এসে কারখানা স্থাপন করবেন। দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী একটি বিশাল সম্পদ, যা ভবিষ্যতে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে অন্যান্য দেশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাওয়া যাবে। এই বাস্তবতার কারণে অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনে আগ্রহী হবেন।

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সুন্দরভাবে নির্মিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।

  • উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    অনলাইন ডেস্ক:  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

  • সুপরিকল্পিত শহর হিসেবে উপহার দিতে চান কুমিল্লা ৬ আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী

    সুপরিকল্পিত শহর হিসেবে উপহার দিতে চান কুমিল্লা ৬ আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী

    মোঃ ইমরান হোসেন: কুমিল্লা ৬ আসনের ২ নং উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড শাসনগাছা বাস টার্মিনালে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায় এক বিশাল জনসভার আয়োজন করেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি উপজেলা সভাপতি জনাব রেজাউল কাইয়ুম। জনসভায় দলে দলে ২ নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। উক্ত জনসভায় অংশগ্রহণ করেন ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী।
    জনাব মনিরুল হক চৌধুরী জনসভায় বক্তব্য দেখেছেন কুমিল্লার উন্নয়নমূলক কর্মসূচির পরিকল্পনা নিয়ে, এ সময় উনি কুমিল্লায় পরিকল্পিতভাবে কিভাবে একটি আধুনিক কুমিল্লা শহর তৈরি করা সম্ভব তা ব্যাখ্যা করেন। উক্ত জনসভায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সদর উপজেলা বিএনপির উপজেলা সভাপতি জনাব রেজাউল কাইয়ুম, তিনি বক্তব্যের এক পর্যায়ে জামাত ইসলামকে দাজ্জাল নমরুদের সাথে তুলনা করে নারীদেরকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা ৬ আসনের ২ নং উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড শাসনগাছা বাস টার্মিনালে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে, নির্বাচনী প্রচারনায় ভোট চাইতে উপস্থিত ছিলেন, মরহুম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা জনাব ইয়াসিন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাইতুল বারি আবু,উপজেলা বিএনপি সহ-সভাপতি জনাব ফারুক, এবং উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সকল নেতৃবৃন্দ,আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপি ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আজিম কাফি, উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুবদলের যুগ্ন আহব্বায়ক মাহবুল আলী রাশেদ ও যুগ্ন আহব্বায়ক ইকরাম হোসেন সুমন সহ বিএনপির ছাত্রদল,যুবদল, শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।