Category: প্রচ্ছদ

  • স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ডেভেলপ করাই আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্দেশ্য : ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

    স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ডেভেলপ করাই আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্দেশ্য : ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

    অনলাইন ডেস্ক:    প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ডেভেলপ করাই আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্দেশ্য।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়িত আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

    ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, মেহেরপুরের মতো উদীয়মান জেলায় টেকসই উন্নয়নের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিই সবচেয়ে জরুরি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মেহেরপুরে আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, এই কেন্দ্রের মাধ্যমে তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথমত, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও আইটি-ভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোকে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহায়তা দিয়ে স্টার্টআপ হিসেবে গড়ে তোলা। দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থী ও তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং, ই-কমার্স ও আইসিটি দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিয়ে মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিল্পখাতের কার্যকর সংযোগ তৈরি করে শিক্ষা ও বাস্তব দক্ষতার মধ্যকার ব্যবধান কমানো।

    বিশেষ সহকারী আরও বলেন, ট্রেনিং সেন্টারটিতে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, স্টার্টআপ স্পেস, ইনকিউবেশন সুবিধা এবং ১৫০ আসনের একটি অডিটোরিয়াম থাকবে। এসব সুবিধা উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হবে।

    তিনি বলেন, ‘এখানে প্রদত্ত সকল প্রশিক্ষণ জাতীয় স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি(এনএসডিএ) কর্তৃক ভেরিফায়েড হবে, যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশ-বিদেশে এর স্বীকৃতি পান।’

    স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড ও আইডিয়া প্রকল্প প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘স্থানীয় উদ্যোক্তারা চাইলে এখান থেকেই সরকারি স্টার্টআপ ফান্ড, প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এতে ঢাকাকেন্দ্রিক বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে।’

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার বলেন, ‘আইটি খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অত্যন্ত কার্যকর। মেহেরপুরের তরুণদের জন্য এটি একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’

    তিনি আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারটির সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য মেহেরপুরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

    সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ সাইফুল হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সারাদেশে আইটি অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে কাজ করছে। মেহেরপুরের এই কেন্দ্র সেই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।’

    অনুষ্ঠানের শুরুতে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ‘স্পেশালাইজড আইসিটি ট্রেনিং ফর কলেজ টিচার্স’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন এবং আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন।

    মনির হায়দারও এসময় আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন।

    অনুষ্ঠানে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দিন, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির,  মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, প্রকল্প পরিচালক আরিফুজ্জামান সহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রশিক্ষণার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কলম্বিয়ায় কোকেন ল্যাবে বিস্ফোরণে নিহত ৯, আহত ৮

    কলম্বিয়ায় কোকেন ল্যাবে বিস্ফোরণে নিহত ৯, আহত ৮

    অনলাইন ডেস্ক:    কলম্বিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে একটি কোকেন ল্যাবরেটরিতে বিস্ফোরণে নয়জন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নারিঞ্জো বিভাগে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    এলাকাটি কোকেন উৎপাদনের জন্য পরিচিত এবং এখানে আদিবাসী ‘আওয়া’ সম্প্রদায়ের বসবাস। একইসঙ্গে অঞ্চলটিতে বেশ কিছু অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে।

    নিহতরা সাবেক বিদ্রোহী গোষ্ঠী ফার্ক-এর একটি বিচ্ছিন্ন অংশ ‘ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেটর বলিভারিয়ান আর্মি’র হয়ে কাজ করতেন।

    পুলিশ কর্নেল জন জাইরো উরিয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, মাদক তৈরির সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    বিদ্রোহী গোষ্ঠীটিও এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেছে, গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের অসতর্কতার কারণে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো ল্যাবে আগুন ধরে যায়।

    এই গোষ্ঠীটি ২০১৬ সালে ফার্ক-এর করা ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছিল। তবে বর্তমানে প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর বামপন্থী সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।

    বিস্ফোরণস্থলটি গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন পাচারের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। স্থানীয় চোরাকারবারিরা মেক্সিকান কার্টেল বা মাদক চক্রগুলোর সহায়তায় এখানে নিজেদের প্রভাব প্রতিষ্ঠা করেছে।

    এদিকে, গত বুধবার ইকুয়েডরের রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া কলম্বিয়ার ওপর ৩০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করে এক ধরনের বাণিজ্যিক যুদ্ধ শুরু করেছেন।

    তার অভিযোগ, পেত্রো সরকার সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার বন্ধে যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে না। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে প্রেসিডেন্ট পেত্রোও একই হারে শুল্ক আরোপ করেছেন এবং মাদক বিরোধী অভিযানে তার সরকারের অবস্থান তুলে ধরছেন।

    গত এক বছর ধরে মাদক পাচার নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকেও একই ধরনের অভিযোগের সম্মুখীন হচ্ছেন পেত্রো। এই পরিস্থিতিতে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন সফরের কথা রয়েছে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের।

  • ঝিনাইদহে গণভোট ও নির্বাচন বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত

    ঝিনাইদহে গণভোট ও নির্বাচন বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত

    অনলাইন ডেস্ক:    জেলার মহেশপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ‘ গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ : তরুণদের ভাবনা এবং প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংলাপে মহেশপুর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

    ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন আজ দুপুর ১২টায় মহেশপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সংলাপের আয়োজন করে।

    মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তারের সভাপতিত্বে সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেনসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের গুরুত্ব, ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা এবং তরুণদের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সংলাপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও তরুণদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    গণ সংলাপে জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল বলেন, ২৪ এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অসংখ্য ছাত্র জনতা প্রাণ দিয়েছেন। আমরা তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই। এত মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ এসেছে। আসন্ন গণভোটে সংস্কারের পক্ষে থাকলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।

    সাম্য, মানবিক বাংলাদেশ ও আইনের ভিত্তিতে সমতাভিত্তিক সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে গণভোটের পক্ষে জনমত তৈরি করতে হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগের চেতনা তবেই বাস্তবায়ন হবে।

    শিক্ষার্থীদের এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ এর পক্ষে ভোট দিতে কাউকে চাপ প্রয়োগ করা যাবে না। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দিনগুলোর কথা স্মরণ রেখে নতুন ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে জনমত তৈরি করতে হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে দেশে সংস্কার বাস্তবায়ন হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি, দায়িত্ব, করণীয় ও নির্দেশনা বিষয়ে প্রশ্ন করেন।

  • তানজিদের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

    তানজিদের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

    অনলাইন ডেস্ক:   ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের দ্বাদশ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

    আজ টুর্নামেন্টের ফাইনালে রাজশাহী ৬৩ রানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে। ৬২ বলে ১০০ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন রাজশাহীর তানজিদ।

    মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস।

    ব্যাট হাতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান। পাওয়ার প্লেতে ৪০ রান তুলেন তারা। সপ্তম ওভারে দলের রান পঞ্চাশ পূর্ণ করেন এই দুই ওপেনার।

    দশম ওভারে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ২১তম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তানজিদ। এজন্য ২৯ বল খেলেন তিনি।

    ১১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে দলীয় ৮৩ রানে রাজশাহীর উদ্বোধনী ভাঙ্গেন চট্টগ্রামের পেসার মুকিদুল ইসলাম। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩০ বলে ৩০ রান করা ফারহানকে শিকার করেন মুকিদুল।

    এরপর কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে ৩২ বলে ৪৭ রান যোগ করেন তানজিদ। জুটিতে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৫ বলে ২৪ রান করা উইলিয়ামসনকে থামান চট্টগ্রামের পেসার শরিফুল ইসলাম।

    দলীয় ১৩০ রানে উইলিয়ামসন ফেরার পর ক্রিজে তানজিদের সঙ্গী হন জেমি নিশাম। তাদের ১৯ বলে ৩৩ রানের জুটিতে টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয় সেঞ্চুরির দেখা পান ৬১ বল খেলা তানজিদ। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সবগুলো সেঞ্চুরিই বিপিএলের মঞ্চে করেছেন তিনি। যা বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে বিপিএলে সর্বোচ্চ।

    তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে বিপিএলের ফাইনালে সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ। এর আগে ২০১৭ সালে রংপুর রাইডার্সের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল এবং ২০১৯ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম ইকবাল।

    শেষ পর্যন্ত মুকিদুলের বলে আউট হন তানজিদ। ৬২ বল খেলে ৬টি চার ও ৭টি ছক্কায় ১০০ রান করেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার।

    ইনিংসের শেষ দিকে নিশাম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৭ বলে ১১ রানের জুটিতে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহ পায় রাজশাহী।

    বল হাতে চট্টগ্রামের শরিফুল ও মুকিদুল ২টি করে উইকেট নেন। বিপিএলের এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারে তাসকিন আহমেদের রেকর্ড ভাঙ্গেন শরিফুল। ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে এবারের বিপিএল শেষ করেন তিনি। গত আসরে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১২ ম্যাচে ২৫ উইকেট নিয়েছিলেন তাসকিন।

    ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি চট্টগ্রামের ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনে ৯২ রানে ষষ্ঠ ব্যাটারকে হারায় তারা। শেষ পর্যন্ত স্বীকৃত ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১৭.৫ ওভারে ১১১ রানে অলআউট হয় চট্টগ্রাম।

    দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন ওপেনার মির্জা বেগ। এছাড়া আসিফ আলি ২১, হাসান নাওয়াজ ও জাহিদুজ্জামান ১১ রান করে করেন।

    ৩ ওভারে ৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে রাজশাহীর জয়ে অবদান রাখেন পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। এছাড়া হাসান মুরাদ ৩টি ও জেমস নিশাম ২টি উইকেট নেন।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর :

    রাজশাহী ওয়ারিয়র্স : ১৭৪/৪, ২০ ওভার (তানজিদ ১০০, ফারহান ৩০, উইলিয়ামসন ২৪, শরিফুল ২/৩৩, মুকিদুল ২/২০)।

    চট্টগ্রাম রয়্যালস : ১১১/১০, ১৭.৫ ওভার (মির্জা ৩৯, আসিফ ২১, বিনুরা ৪/৯, মুরাদ ৩/১৫)।

    ফল : রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৬৩ রানে জয়ী।

  • ফাইনালে উঠেই ২৫ লাখ টাকা বোনাসের ঘোষণা

    ফাইনালে উঠেই ২৫ লাখ টাকা বোনাসের ঘোষণা

    অনলাইন ডেস্ক: প্রথমবারের মতো বিপিএলে খেলতে এসেই বাজিমাত করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ফাইনালে ওঠার পর খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের জন্য বড় পুরস্কার ঘোষণা করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। দলটি মোট ২৫ লাখ টাকা বোনাস দিচ্ছে।

    শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কোয়ালিফায়ার টু ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ১২ রানে হারায় রাজশাহী। এই জয়ের মাধ্যমে তারা ফাইনাল নিশ্চিত করে। ফাইনালে রাজশাহীর প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম রয়্যালস।

    ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই রাজশাহীর ম্যানেজমেন্ট বোনাসের ঘোষণা দেয়। খেলোয়াড়দের সঙ্গে সাপোর্ট স্টাফরাও এই বোনাস পাবেন।

    ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে বলা হয়, কঠিন নকআউট ম্যাচে দল যেভাবে চাপ সামলেছে, তা প্রশংসার যোগ্য। মাঠে লড়াইয়ের মানসিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। দলের শৃঙ্খলাও ছিল ভালো।

    ম্যানেজমেন্ট মনে করে, এই পারফরম্যান্স বিশেষ স্বীকৃতির দাবি রাখে। তাই সবাইকে একসঙ্গে বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • ভূমি ও কৃষিজমির সুরক্ষায় নতুন অধ্যাদেশে

    ভূমি ও কৃষিজমির সুরক্ষায় নতুন অধ্যাদেশে

    অনলাইন ডেস্ক:   ভূমি ও কৃষিজমি অপব্যবহারের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে তিন বছরের জেল বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে।

    রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশ জারি করেছেন। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশের গেজেট জারি করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় এ অধ্যাদেশ প্রযোজ্য হবে না।

    অধ্যাদেশে বলা হয়, অনুমোদন ছাড়া কোনো ভূমির জোন পরিবর্তন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড পেতে হবে। অনুমোদন ছাড়া কৃষিভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

    কৃষিভূমি, জলাধার বা জলাভূমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কারখানা বা অনুরূপ স্থাপনা কিংবা অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

    ইটভাটায় বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য কৃষিভূমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল), পাহাড় ও টিলা অথবা জলাধারের পাড়ের মাটি ক্রয়, বিক্রয়, অপসারণ, পরিবহন বা ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

    বিশেষ কৃষি অঞ্চলের ভূমির ক্ষতিসাধন, ভূমিরূপ পরিবর্তন বা কৃষি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া যাবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অধ্যাদেশে জলাধার, জলাভূমি, পাহাড় ও টিলা এবং বন ও বনভূমির ক্ষতিসাধন ও ভূমিরূপ পরিবর্তনের অপরাধগুলোকে অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও অ-আপসযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনের একই প্রকৃতির অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের বিধান অনুসরণ করা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্তভাবে ক্ষতিপূরণ আদায়, ভূমির প্রকৃতি পুনঃস্থাপন, অবৈধভাবে ভরাট করা মাটি ও স্থাপনা অপসারণ এবং বৃক্ষরোপণসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।

    ভূমিকে ১৮টি জোনে ভাগ করে হবে জোনিং ম্যাপ

    সরকার কৃষিভূমি সুরক্ষা এবং ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে সারাদেশে ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ প্রণয়ন করবে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব মৌজা, দাগ বা নির্দিষ্ট সীমারেখা অনুযায়ী জোনিং ম্যাপ তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে এ–সংক্রান্ত একটি ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে অধ্যাদেশে।

    জোনিং ম্যাপ একযোগে পুরো দেশের জন্য বা প্রয়োজন অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিয়ে ধাপে ধাপে প্রণয়ন করা যাবে। ম্যাপ তৈরির সময় মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের গবেষণা ও পরীক্ষার ফল বিবেচনায় নেওয়া হবে।

    ভূমিকে ১৮টি জোনে ভাগ করে এ ভূমি জোনিং ম্যাপ করা হবে। জোনগুলোর মধ্যে রয়েছে- কৃষি অঞ্চল, বিশেষ কৃষি অঞ্চল, কৃষি-মৎস্য চাষ অঞ্চল, নদী ও খাল অঞ্চল, জলাশয়, জলাধার ও জলাভূমি অঞ্চল, পরিবহন ও যোগাযোগ অঞ্চল, শহুরে আবাসিক অঞ্চল, গ্রামীণ বসতি অঞ্চল, মিশ্র ব্যবহার অঞ্চল, বাণিজ্যিক অঞ্চল, শিল্প অঞ্চল, প্রাতিষ্ঠানিক ও নাগরিক সুবিধা অঞ্চল, বন ও রক্ষিত এলাকা অঞ্চল, প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা বা প্রতিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকা, সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্য অঞ্চল, পাহাড় ও টিলা অঞ্চল, পতিত ভূমি অঞ্চল এবং অন্যান্য অঞ্চল।

    খসড়া জোনিং ম্যাপ প্রস্তুত হলে জনসাধারণের মতামত জানার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। ডেটা সংরক্ষণের ওয়েবলিংক উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে তা প্রকাশ করা হবে। বিধি অনুযায়ী ফি দিয়ে যে কেউ খসড়া ম্যাপের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি এসব কার্যালয়ে খসড়া ম্যাপ জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে যে কেউ খসড়া ম্যাপের বিষয়ে লিখিত আপত্তি বা মতামত জেলা প্রশাসকের কাছে দিতে পারবেন। এসব আপত্তি বা মতামত নিষ্পত্তির জন্য জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হবে। জেলা কমিটি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিবেদন নেবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শুনানি করবে এবং সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সিদ্ধান্ত দেবে।

    জেলা কমিটির সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে সিদ্ধান্তের তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সরকারের কাছে আপিল করা যাবে। সরকার নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আপিল নিষ্পত্তি করবে এবং সে সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। সব প্রক্রিয়া শেষে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত জোনিং ম্যাপ প্রকাশ করবে।

    সরকার স্পারসোর সহায়তায় ও নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে জোনিং ম্যাপের তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করবে এবং প্রতি ১০ বছর অন্তর ম্যাপ হালনাগাদ করবে। জোনিংয়ের পর স্থানিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে এবং জোনিং ম্যাপের সঙ্গে তার সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা হবে। এ কাজে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনাবিদ, ভূমি ব্যবহার বিশেষজ্ঞ, আইটি, জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং বিশেষজ্ঞ, কৃষি ও মৎস্য বিশেষজ্ঞ, আইন ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে অধ্যাদেশে।

    খসড়া জোনিং ম্যাপের আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা কমিটি গঠন করা হবে।

    কৃষিভূমি সুরক্ষা

    অধ্যাদেশে বলা হয়, জোনিংয়ের ভিত্তিতে কৃষিভূমি সুরক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খাদ্য নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায় বিশেষ কৃষি অঞ্চল ঘোষণা করা যেতে পারে। এসব অঞ্চলে ভূমির ব্যবহার পরিবর্তন বা অকৃষি কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। বিশেষ কৃষি অঞ্চল না হলেও দুই বা ততোধিক ফসলি কৃষিভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহার করা যাবে না। তিন বা ততোধিক ফসলি জমিতে তামাক চাষ নিষিদ্ধ থাকবে এবং এক ও দুই ফসলি জমিতেও ধাপে ধাপে তামাক চাষ সীমিত করা হবে।

    জাতীয় প্রয়োজনে জ্বালানি, খনিজ বা প্রত্নসম্পদ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ প্রভাব নিরূপণের শর্তে সীমিত পরিমাণ কৃষিভূমি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। তবে আগে অধিগ্রহণ করা অব্যবহৃত জমি ব্যবহারে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং মোট কৃষিভূমির ১০ শতাংশের বেশি অকৃষি কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

    কৃষিভূমি, পাহাড়, টিলা বা জলাধারের উপরিভাগের মাটি ক্রয়-বিক্রয়, অপসারণ বা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে জলাধার বা জলাভূমি ভরাট, পাহাড় কাটা কিংবা প্রাকৃতিক বন ধ্বংস করা যাবে না। এসব কাজে জড়িত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং দায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত জমি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে বা অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করতে হবে।

    সরকার উপকূলীয় ও সাগরসংলগ্ন ভূমি সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। বিধি অনুযায়ী কৃষিভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহারের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা যাবে। কোনো ভূমির রেকর্ডীয় শ্রেণি পরিবর্তন করতে হলে পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

    কৃষিভূমিতে আবাসন-অবকাঠামো নির্মাণ

    সরকারি বা বেসরকারি সব প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এ অধ্যাদেশের বিধান মানা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    অধ্যাদেশে বলা হয়, নির্ধারিত অনুমতি সাপেক্ষে কেউ নিজস্ব কৃষিভূমিতে বসতবাড়ি, উপাসনালয়, কবরস্থান, গুদামঘর, পারিবারিক পুকুর বা কুটির শিল্প স্থাপন করতে পারবেন। অনুমতির শর্ত ভঙ্গ হলে তা বাতিল করা যাবে। অনুমতি ছাড়া কৃষিভূমিতে স্থাপনা নির্মাণ করলে তা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হবে।

    কৃষিভূমি, পাহাড়, টিলা, জলাধার ও জলাভূমি ছাড়া অন্য জমির জোন পরিবর্তন বা জোনিং বহির্ভূত ব্যবহার করতে হলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনুমোদন নিতে হবে। অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে জনস্বার্থ, পরিবেশ ও এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য অক্ষুণ্ন থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে বলেও অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।