Category: প্রচ্ছদ

  • আজ থেকে প্রবাসী ভোটাররা পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন

    আজ থেকে প্রবাসী ভোটাররা পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন

    অনলাইন ডেস্ক:     আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে নিবন্ধন করা প্রবাসী ভোটাররা আজ বুধবার বিকাল ৫টা থেকে পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন।

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, কমিশনের ওয়েবসাইট বা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট দেওয়া যাবে।

    ইসি আরও জানায়, ভোট দেওয়ার পর আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালট ডাকযোগে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।

    এ বিষয়ে আজ বুধবার ইসির পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপে নিবন্ধনকারী প্রবাসী ভোটাররা ২১ জানুয়ারি ২০২৬ বিকাল ৫টা থেকে অ্যাপে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে অথবা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ দেখে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট দেওয়ার পর হলুদ খাম আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা ডাকবাক্সে জমা দিতে হবে।

    ইসির অপর এক বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় একজন ভোটারের ভোট অন্য কেউ দেওয়ার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে ভোটাধিকার প্রয়োগের গোপনীয়তাও পুরোপুরি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসস’কে জানান, ১২১টি দেশে অবস্থানরত ৭ লাখ ৬৭ হাজার ২৮ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর কাজ নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে।

    ইসির তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।

  • শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অধিকতর অভিযোগ গঠন শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি

    শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অধিকতর অভিযোগ গঠন শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি

    ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎অনলাইন ডেস্ক:‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎    বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অধিকতর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।

    আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। কারাগারে থাকা একাধিক আসামির আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। এরপর আদালত অধিকতর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

    এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জন আসামি। এরমধ্যে শেখ হাসিনাসহ ২৫৯ জন পলাতক রয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ২৭ জন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আটক রয়েছেন।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মিটিংয়ে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ গঠন করে একটি গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে পলাতক শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বুঝিয়ে দেয়া এবং তা নিশ্চিতকরণের জন্য শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত যুদ্ধ করে যাবেন বলে অনেকেই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মোট ৫৭৭ জন অংশগ্রহণকারী দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উক্ত জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করে এবং শেখ হাসিনার সকল নির্দেশ পালন করার ব্যাপারে একাগ্রচিত্তে মত প্রকাশ করে। ড. রাব্বি আলম এর (যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি) হোস্টিং এ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং হোস্ট, কো-হোস্ট ও অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীদের কথোপকথনে ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনায় ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামক প্লাটফর্মে দেশ/বিদেশ থেকে অংশগ্রহণকারীগণ বৈধ সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে দেবে না মর্মে আলোচনা হয়।

    সেইসঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম মিটিং এ বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার জন্য গৃহযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের সুস্পষ্ট উপাদান রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক।

    এরপর সিআরপিসির ১৯৬ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সিআইডির এই কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    মামলাটি তদন্ত শেষে  গত ১৪ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. এনামুল হক।

    শেখ হাসিনা ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সাবিনা আক্তার তুহিন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলম, জয়বাংলা বিগ্রেডের সদস্য কবিরুল ইসলাম, এডভোকেট কামরুল ইসলাম, এলাহী নেওয়াজ মাছুম, জাকির হোসেন জিকু, প্রফেসর তাহেরুজ্জামান, এ কে এম আক্তারুজ্জামান, আজিদা পারভীন পাখি, শাহীন, এডভোকেট এএফএম দিদারুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান, সাবেক এমপি সৈয়দ রুবিনা আক্তার, সাবেক এমপি পংকজ নাথ, লায়লা বানু, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, রিতু আক্তার, নুরুন্নবী নিবির, সাবিনা বেগম ও শরিফুল ইসলাম রমজান।

  • সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ আজ

    সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ আজ

    অনলাইন ডেস্ক:    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ বুধবার নির্বাচনি এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়ে সারাদেশে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে বর্তমানে সারাদেশে মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে জানানো হয়েছে।

    ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে ২৯৮ আসনে (পাবনা-১ ও ২ বাদে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। নির্বাচনে ৩০০ আসনে ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৫৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ছিল এবং ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। পরবর্তীতে বাতিলের বিরুদ্ধে ৬৩৯ জন আপিল করেন এবং আপিল শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফেরত পান ৪৩১ জন।

    তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে এবং ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত এই প্রচারণা চালানো যাবে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

    প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ‘প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরের দিন অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করে নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে।’

    এ বিষয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ২০ অনুযায়ী, কোনো নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর এক বা একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ করবেন। এ ক্ষেত্রে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট দলের জন্য সংরক্ষিত প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

    স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিধি অনুসারে নির্ধারিত প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

    প্রতীক বরাদ্দের সময় যতদূর সম্ভব প্রার্থীর পছন্দ বিবেচনায় নেওয়া হবে।

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের বিধান অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অনুকূলে প্রতীক সংরক্ষিত থাকে।

    মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থী কোন রাজনৈতিক দলের মনোনীত, তা উল্লেখ থাকে। একটি দল থেকে একাধিক মনোনয়ন দেওয়া হলে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় অর্থাৎ ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে দলগুলো তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করবে। সে অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট দলের সংরক্ষিত প্রতীক মনোনীত প্রার্থীকে বরাদ্দ দেন। প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রার্থী যে রাজনৈতিক দল থেকে মনোনীত হয়েছেন, সে সম্পর্কে দলিলাদি দ্বারা প্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত হতে হবে।

    স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর বিধি ৯ অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত প্রতীক থেকে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। একই প্রতীকের জন্য একাধিক প্রার্থী দাবি জানালে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা করা হবে। সমঝোতা না হলে লটারির মাধ্যমে প্রতীক নির্ধারণ করা হবে। তবে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী আগে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে থাকলে এবং তার পছন্দের প্রতীক সংরক্ষিত না থাকলে বা অন্য কাউকে বরাদ্দ না দেওয়া হলে তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতীক পাওয়ার অধিকারী হবেন।

    প্রতীক বরাদ্দের পরপরই সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে প্রতীকের একটি নমুনা সরবরাহ করা হবে, যা নির্বাচনী প্রচারণার জন্য প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও প্রতীকগুলোর নমুনা পাওয়া যাবে। বিধিতে উল্লিখিত প্রতীকের নমুনাসহ পোস্টার ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন থেকে সরবরাহ করা নমুনার বাইরে অন্য কোনো প্রতীক বরাদ্দ বা প্রতীকের নমুনা কোনো প্রার্থীকে দেওয়া যাবে না।

    এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।

  • সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

    সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

    অনলাইন ডেস্ক:    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে এখন মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বাসসকে এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৯৮টি আসনে (পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন বাদে) মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    ইসির কর্মকর্তারা জানান, ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৫৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। পরে ৬৩৯ জন প্রার্থী আপিল করেন। আপিলের মাধ্যমে ৪৩১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান।

    ইসির তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

    আজ বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচারণা, যা ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত চালানো যাবে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

    এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।

  • নাসিক ১নং ওয়ার্ড কৃষকদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি মাহবুবুর, সম্পাদক আব্দুল মতিন রাজু

    নাসিক ১নং ওয়ার্ড কৃষকদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি মাহবুবুর, সম্পাদক আব্দুল মতিন রাজু

  • ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যামের পথে দূরন্ত সূচনা জকোভিচের

    ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যামের পথে দূরন্ত সূচনা জকোভিচের

    অনলাইন ডেস্ক:     রেকর্ড ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের লক্ষ্যে দূর্দান্তভাবে যাত্রা শুরু করেছেন নোভাক জকোভিচ। সোমবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রথম রাউন্ডে তিনি সহজেই সরাসরি সেটে জয় তুলে নেন।

    দুই ঘন্টার লড়াইয়ে সার্বিয়ান এই তারকা স্পেনের পেড্রো মার্টিনেজকে ৬-৩, ৬-২, ৬-২ ব্যবধানে হারান। দ্বিতীয় রাউন্ডে জকো ইতালিয়ান কোয়ালিফায়ার ফ্রানচেস্কো মায়েস্ত্রেত্রেল্লির মুখোমুখি হবেন।

    এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে জকোভিচের ১০০তম জয়ের মাইলফলক।

    রড লেভার অ্যারেনায় হাসিমুখে ৩৮ বছর বয়সী জকোভিচ বলেন, “আবার এখানে ফিরতে পেরে দারুণ লাগছে, নিঃসন্দেহে এটি আমার প্রিয় কোর্ট। সেঞ্চুরিয়ান হওয়াটা বেশ আনন্দের। কোর্টে আমি সবসময় সেরাটা দেই, ইতিহাস গড়া আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “এখনও এই পর্যায়ে খেলতে পারছি, এ জন্য আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।”

    বিশ্বের সাবেক এক নম্বর তারকা প্রথম সেটে দ্রুত ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এসময় সার্বিয়ান সমর্থকেরা তাদের নায়ককে উচ্ছসিত সমর্থন দিচ্ছিলেন।

    বর্তমানে চার নম্বরে থাকা জকোভিচ এই মাসে শারীরিকভাবে প্রস্তুন নন বলে জানিয়ে একটি ওয়ার্ম-আপ টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করেছিলেন। তার শেষ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ ছিল গত বছরের নভেম্বরের শুরুতে, শরীরের ওপর চাপ কমাতে তিনি ম্যাচ সংখ্যা সীমিত রাখছেন।

    তবে মেলবোর্ন পার্কের হার্ড কোর্টে সাবলীলভাবে নড়াচড়া করে প্রথম সেট সহজেই জিতে নেন তিনি, কোনো অস্বস্তি বা জড়তা তার মধ্যে লক্ষ্য করা যায়নি।

    দ্বিতীয় সেটের শুরুতেই ৭১তম র‌্যাঙ্কের মার্টিনেজের সার্ভিস ব্রেক করেন জকোভিচ এবং নিজের সার্ভে খুব একটা সমস্যায় না পড়ে ২-০ সেটে এগিয়ে যান।

    তৃতীয় সেটেও চিত্র একই ছিল। একমাত্র উদ্বেগের মুহূর্ত আসে সেটের মাঝপথে, যখন একটি গেমের ফাঁকে ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে টান পড়ে।

    মার্গারেট কোর্টকে ছাড়িয়ে সর্বকালের রেকর্ড ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিততে হলে জকোভিচকে কার্লোস আলকারাজ ও ইয়ানিক সিনারের আধিপত্য ভাঙতে হবে। সিনার টানা দুইবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন এবং গত দুই বছরে আলকারাজের সঙ্গে মিলে মেজর টুর্নামেন্টগুলোতে আধিপত্য দেখাচ্ছেন।

    ২০২৩ সালের ইউএস ওপেন জয়ের পর থেকে জকোভিচ ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামেই আটকে আছেন। গত বছর মেলবোর্নে তিনি সেমিফাইনালে উঠলেও চোটের কারণে আলেক্সান্ডার জেভরেভের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান।

    তবে সোমবার তিনি ইতিহাসের আরেকটি পাতায় নাম লেখান, এটি ছিল তার ৮১তম গ্র্যান্ড স্ল্যামে অংশগ্রহণ, যা পুরুষ এককের সর্বকালের রেকর্ডে তার পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বী রজার ফেদেরার ও ফেলিসিয়ানো লোপেজের সঙ্গে যৌথভাবে সমান।