Category: প্রচ্ছদ

  • সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ

    সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ

    অনলাইন ডেস্ক:    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আজ শেষ দিন। ইসির তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫ টা পর্যন্ত।

    প্রতীক বরাদ্দের তারিখ কাল ২১ জানুয়ারি। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা শুরু হবে।

    ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ১৬ অনুচ্ছেদে দলীয় মনোনয়ন ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নিম্নরূপ বিধান রয়েছে: (১) বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী তাঁর স্বাক্ষরযুক্ত কোনো লিখিত নোটিশের মাধ্যমে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত তারিখ বা তার পূর্বে নিজে অথবা লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের নিকট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবেন।

    (২) যেক্ষেত্রে কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল একটি নির্বাচনি এলাকায় একের অধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে,

    সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত লিখিত পত্রের মাধ্যমে তিনি নিজে বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্ধারিত তারিখ বা তার পূর্বে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করবেন এবং সেক্ষেত্রে উক্ত দলের অন্যান্য প্রার্থী আর প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন না।

    (৩) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য লিখিত নোটিশ দেয়া হলে বা রাজনৈতিক দল কর্তৃক প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হলে কোন অবস্থাতেই তা প্রত্যাহার বা বাতিল করা যাবে না।

    (৪) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নোটিশ এবং রাজনৈতিক দল কর্তৃক প্রদত্ত চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হলে রিটার্নিং অফিসার যদি সন্তুষ্ট হন যে স্বাক্ষর সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বা দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী কোনো ব্যক্তির, সেক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার উক্ত নোটিশের একটি অনুলিপি তার কার্যালয়ের দর্শনীয় স্থানে টাঙ্গিয়ে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবেন।

    (৫) রিটার্নিং অফিসার, প্রত্যাহারের তারিখের অব্যবহিত পরের দিন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণের
    তালিকা প্রস্তুত করে প্রকাশ করিবেন।

    প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পর কার্যক্রম: এ বিষয়ে ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরের দিন অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করতঃ নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। এক্ষেত্রে আইন ও বিধি অনুসারে নির্ধারিত ফরম-৫ এ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণের নামের তালিকায় নামগুলো বাংলা বর্ণক্রমানুসারে সাজিয়ে লিখতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে রোববার ইসি আপিল নিষ্পত্তি শেষ হয়।

    ইসির কর্মকর্তারা জানান, রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬৪৫টি আপিল আবেদন দায়ের করা হয়।  এরমধ্যে আপিল মঞ্জুর হয়েছে ৪২৫টি। এছাড়া ২০৯টি আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। আর ১১টি আপিল প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    ইসির তফসিল অনুযায়ী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ করা হয়। এসময়ে ইসিতে ৬৪৫টি আপিল আবেদন দায়ের করা হয়। এরপর গত ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি গ্রহণ করে আপিল নিষ্পত্তি করা হয়।

    আপিল নিষ্পত্তির শেষ দিনে রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কোনো রায় আমরা দেইনি। আমরা অনেক বিশ্লেষণ করে যেটা সঠিক মনে করেছি, আল্লাহতালার তরফ থেকে আন্ডারস্ট্যান্ডিং, ক্যাপাসির আলোকে করেছি। আপিল নিষ্পত্তি করতে আপনারা সুন্দরভাবে সহায়তা করেছেন। এটা শেষ সহায়তা নয়। ভোটটা যাতে সুন্দরভাবে করতে পারি সেই সহায়তা দরকার। সেই সহায়তা চাই।’

    উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।

    ইসির তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৩শ’ নির্বাচনী এলাকায় মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২টিকে বৈধ এবং ৭২৩টিকে বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।

  • চানখাঁরপুলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি

    চানখাঁরপুলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি

     অনলাইন ডেস্ক:    চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ২৬ জানুয়ারি।

    আজ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণার নতুন এই দিন ধার্য করেন।

    এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজ ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছিল।

    এই মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখাঁরপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালায়। এতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদী হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক শহীদ হন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।

    গত ১১ আগস্ট চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন শেষে এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ আনাসের বাবা সাহরিয়ার খান পলাশ। এরপর শহীদ আনাসের মা ও নানাসহ মোট ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করা হয়। এই মামলায় সাক্ষ্য দেন সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    এই মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামী হলেন— শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশেদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। অন্যদিকে পলাতক রয়েছেন- ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ ইমরুল।

    ট্রাইব্যুনালে আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ এবং পলাতক চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে ছিলেন কুতুবউদ্দিন আহমেদ। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সেই সাথে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম, সহিদুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল নোমানসহ অন্যান্যরা।

  • বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিস পোর্টালের সঙ্গে ১১ প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিস পোর্টালের সঙ্গে ১১ প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    অনলাইন ডেস্ক:    দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরও সহজ, দ্রুত এবং গতিশীল করতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) পোর্টালের সঙ্গে ১১টি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    আজ সোমবার সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বিডার কনফারেন্স কক্ষে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

    সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিডার নির্বাহী সদস্য এয়ার কমোডর (অব.) মো. শাহারুল হুদা।

    সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- চারটি ব্যাংক ও সাতটি সিটি কর্পোরেশন। ব্যাংকগুলো হলো- রূপালী ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা ব্যাংক পিএলসি, ব্যাংক এশিয়া পিএলসি এবং বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি। সিটি কর্পোরেশনগুলো হলো- রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন।

    এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সিটি কর্পোরেশনগুলো বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস সিস্টেমের সঙ্গে তাদের নিজস্ব সিস্টেম সংযুক্ত করবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা অনলাইনের মাধ্যমে ব্যাংক হিসাব খোলা, ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ, বিভিন্ন আর্থিক ও সিটি কর্পোরেশন সংক্রান্ত বিনিয়োগ সেবা দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্তভাবে গ্রহণ করতে পারবেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশিক চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি জায়গায় পৌঁছানো, যেখানে একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগকারী সবাই একটি মাত্র ওয়েবসাইট ও একটি লগইনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সব সরকারি সেবা পেয়ে যাবেন। একই তথ্য বারবার বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই।’

    তিনি বলেন, ‘যেসব দেশ বিনিয়োগে অনেক এগিয়ে গেছে, তারা একবার দেওয়া ডেটা পুরো সরকারের মধ্যে ব্যবহারযোগ্য করে তুলেছে। বাংলাদেশও সেই পথে এগোচ্ছে। এই যাত্রা সহজ নয়, সময়সাপেক্ষ, কিন্তু আমরা দৃঢ়ভাবে এগোচ্ছি।’

    ওয়ান স্টপ সার্ভিসের কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘শুধু সিস্টেম চালু করলেই হবে না, সেবাগুলো ব্যবহার হচ্ছে কি না, বিনিয়োগকারীরা কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন সেটি নিয়মিত মনিটরিং ও ফিডব্যাকের মাধ্যমে জানতে হবে। সেবার মান বাড়াতে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    এসময়ে তিনি নতুন করে যুক্ত হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানান এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস বাস্তবায়নে বিডার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান।

    উল্লেখ্য, সরকার প্রণীত ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন, ২০১৮ এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) বিধিমালা, ২০২০ অনুযায়ী বিনিয়োগ সংক্রান্ত সব গুরুত্বপূর্ণ সেবা একক প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রদানের লক্ষ্যে বিডা ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস পোর্টাল চালু করেছে।

    আজকের ১১টি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ইতোপূর্বে বিডা ৫২টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। বর্তমানে ওয়ান স্টপ সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমে ৪৭টি সংস্থার ১৪২টি সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এ সিস্টেমের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ১৫ হাজার ৬৯৯টি আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সেবাসমূহও এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হবে।

    অনুষ্ঠানে বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিস কার্যক্রমের সার্বিক উপস্থাপনা করেন বিডার মহাপরিচালক জীবন কৃষ্ণ সাহা রায়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিডার উপপরিচালক আবু মোহাম্মদ নুরুল হায়াত টুটুল।

  • লা লিগায় দ্রুততম ৫০ গোলের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে এমবাপ্পে

    লা লিগায় দ্রুততম ৫০ গোলের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে এমবাপ্পে

    অনলাইন ডেস্ক:   শনিবার লা লিগায় নিজের ৫০তম গোল পূরণ করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাশি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। এর মাধ্যমে এই শতাব্দীতে দ্বিতীয় দ্রুততম খেলোয়াড় হিসেবে তিনি এই মাইলফলকে পৌঁছালেন।

    এই তালিকায় এমবাপ্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবলমাত্র সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো।

    ২০২৪ সালে পিএসজি থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়া এমবাপ্পের ৫০ গোল করতে লেগেছে মাত্র ৫৩ ম্যাচ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে লেভান্তের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে এই গোলটি করেন তিনি।

    তবে রোনাল্ডো এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন আরও দ্রুত- ২০০৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর মাত্র ৫১ ম্যাচেই ৫০ গোল পূর্ণ করেন তিনি।

    এরপর রোনাল্ডো রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা লিগায় ২৯২ ম্যাচে ৩১১ গোল করেন, যা একটি বিশাল রেকর্ড। এই রেকর্ড এমবাপ্পের জন্য এখনো স্বপ্নের মতোই।

    লেভান্তের বিপক্ষে ম্যাচের পর রিয়াল মাদ্রিদের নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়া বলেন, “তার প্রচেষ্টার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সে আমাদের নেতা। হাঁটুর ব্যথা নিয়েও সে খেলতে নেমেছে এবং দলকে সাহায্য করতে চেয়েছে। এমবাপ্পে অসাধারণ একজন ছেলে।”

    ২০০০-০১ মৌসুমের পর লা লিগায় দ্রুততম ৫০ গোল :

    খেলোয়াড়        ম্যাচ    দল
    ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো    ৫১    রিয়াল মাদ্রিদ
    কিলিয়ান এমবাপ্পে    ৫৩    রিয়াল মাদ্রিদ
    লুইস সুয়ারেজ        ৫৯    বার্সেলোনা
    রাদামেল ফ্যালকাও    ৬৪    এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ
    রবার্ট লিওয়ানডোস্কি    ৭৮    বার্সেলোনা
    নেইমার            ৮৪    বার্সেলোনা
    গ্যারেথ বেল        ৮৭    রিয়াল মাদ্রিদ
    রুড ফন নিস্তেলরয়    ৮৯    রিয়াল মাদ্রিদ
    দিয়েগো মিলিতো        ৯৩    জারাগোজা
    গঞ্জালো হিগুয়েইন    ৯৮    রিয়াল মাদ্রিদ

  • গণভোটে জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধারণ করতে চায় সরকার : ধর্ম উপদেষ্টা

    গণভোটে জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধারণ করতে চায় সরকার : ধর্ম উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের চেতনা গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়ভাবে ধারণ করতে চায় সরকার। জনগণ যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে এ উদ্যোগকে সমর্থন করে, তবে দেশে আর সর্বগ্রাসী ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

    তিনি বলেন, ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার মানসিকতা থেকে নামমাত্র নির্বাচন আয়োজন করে দেশে যে প্রহসনমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, গণভোটের মাধ্যমে তা পরিহার করা সম্ভব হবে।

    আজ সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জের নিমতলায় গণভোটের প্রচার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম একটি সত্যিকার অর্থে ফ্রি, ফেয়ার ও ইনক্লুসিভ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অতীতে সরকার নির্ধারণ করত কারা ক্ষমতায় আসবে, কিন্তু এবার জনগণ যাকে ভোট দেবে, সেই দলই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাবে।’

    তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সবাই নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন নির্বাচনে ভোটের বাক্স পাহারা দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াসমিন খাতুনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের সিদ্ধান্ত

    নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের সিদ্ধান্ত

    অনলাইন ডেস্ক:    আদালতের নির্দেশে নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকদের আইনানুগ বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানিয়েছেন।

    তিনি রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রম ও ব্যবসা পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৫তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    উপদেষ্টা জানান, ইতোমধ্যে আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত প্রশাসকের মাধ্যমে নাসা গ্রুপের শেয়ার বিক্রি করে তাদের শ্রমিকদের ৭৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এ ছাড়াও নাসা গ্রুপ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আটটি ব্যাংকের ডাউন পেমেন্ট করেছে।

    তিনি বলেন, অবশিষ্ট ১৫টি ব্যাংকের ডাউন পেমেন্ট ও শ্রমিকদের অবশিষ্ট বকেয়া আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে নাসা গ্রুপের কিছু সম্পত্তি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিক্রি করে পরিশোধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন— শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত মহা-পরিদর্শক এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নাসা গ্রুপের প্রশাসকসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তারা।