Category: প্রচ্ছদ

  • গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ‘সম্পূর্ণ ভুল’ : ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

    গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ‘সম্পূর্ণ ভুল’ : ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:    গ্রিনল্যান্ড দখল প্রচেষ্টার বিরোধিতা করায় ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে ‘সম্পূর্ণ ভুল’ বলে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

    লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

    এক বিবৃতিতে স্টারমার বলেন, ‘ন্যাটো মিত্রদের সম্মিলিত নিরাপত্তার স্বার্থে কাজ করা দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ করা একেবারেই ভুল। আমরা অবশ্যই সরাসরি মার্কিন প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তুলে ধরব।’

    ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলেছি যে, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পুরো ন্যাটোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলায় এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশে মিত্র দেশগুলোর আরও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন।’

  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলংকায় সরাতে আবারও অনুরোধ বিসিবির

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলংকায় সরাতে আবারও অনুরোধ বিসিবির

    অনলাইন ডেস্ক:    নিরাপত্তা ও উদ্বেগের কথা জানিয়ে আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলংকায় সরিয়ে নিতে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

    আজ রাজধানীর একটি হোটেলে বিসিবি কর্মকর্তা এবং আইসিসি প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুরোধ জানানো হয়। বৈঠকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলংকায় সরিয়ে নিতে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ দল, সমর্থক, সংবাদকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনার কথাও আইসিসিকে জানিয়েছে বিসিবি।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সব পক্ষই প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো গঠনমূলক, সৌহার্দ্যপূর্ণ, আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা করেছে।

    বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, ন্যূনতম লজিস্টিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের উপায় হিসেবে বাংলাদেশকে ভিন্ন একটি গ্রুপে স্থানান্তরের সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।

    বিসিবির সাথে আলোচনায় অংশ নেন আইসিসির ইভেন্টস ও কর্পোরেট কমিউনিকেশন্স জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা ও ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ। শেষ মুহূর্তে ভিসা না পাওয়ায় অনলাইন আলোচনায় যোগ দেন সাক্সেনা। তবে বৈঠকের জন্য ঢাকায় আসেন এফগ্রেভ।

    বৈঠকে বিসিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. সাখাওয়াৎ হোসেন ও ফারুক আহমেদ, পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখতে বিসিবি ও আইসিসি সম্মত হয়েছে।

  • উত্তর সিরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ বাড়াল সিরীয় সেনাবাহিনী

    উত্তর সিরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ বাড়াল সিরীয় সেনাবাহিনী

    অনলাইন ডেস্ক:    সিরিয়ার সেনাবাহিনী দেশটির উত্তরাঞ্চলে এক দশকের বেশি সময় ধরে কার্যত স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে আসা ভূখণ্ড থেকে কুর্দি বাহিনীকে হটিয়ে দিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা দখলে নিয়েছে।

    সিরিয়ার দেইর হাফের থেকে এএফপি এখবর জানায়।

    প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারা কুর্দি ভাষাকে ‘জাতীয় ভাষা’ ঘোষণা করে এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়ে একটি ডিক্রি জারি করার পর সরকার কুর্দি-শাসিত এলাকাগুলোতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও বিস্তৃত করছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

    কুর্দিরা বলেছেন, শুক্রবারের ঘোষণা তাদের প্রত্যাশার তুলনায় কম; পাশাপাশি মার্চে হওয়া একটি চুক্তির বাস্তবায়ন স্থিমিত  হয়ে পড়েছে, যার লক্ষ্য ছিল কুর্দি বাহিনীকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা।

    গত সপ্তাহে সরকারি সেনারা আলেপ্পোর দুটি পাড়া থেকে কুর্দি বাহিনীকে হটিয়ে দেয় এবং শনিবার শহরের পূর্বদিকে একটি এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

    রোববার সরকার রাক্কার পশ্চিমে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার (৩৪ মাইল) দূরে অবস্থিত তাবকা দখলের ঘোষণা দেয়।

    রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা’কে দেওয়া তথ্যে তথ্যমন্ত্রী হামজা আলমুস্তাফা বলেন, ‘সিরীয় সেনাবাহিনী রাক্কা জেলার কৌশলগত শহর তাবকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, যার মধ্যে সিরিয়ার সবচেয়ে বড় বাঁধ ইউফ্রেটিস বাঁধও রয়েছে।’

    তবে কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) জানিয়েছে, তারা তাবকায় ‘নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নিয়েছে।

    আলেপ্পো শহরের প্রায় ৫০ কিলোমিটার পূর্বে দেইর হাফেরে এএফপির এক সংবাদদাতা দেখেন, এসডিএফের বেশ কয়েকজন যোদ্ধা শহর ছেড়ে যাচ্ছেন এবং ভারী সেনা উপস্থিতির মধ্যে বাসিন্দারা ফিরে আসছেন।

    সিরীয় সেনাবাহিনী জানায়, তাদের চারজন সেনা নিহত হয়েছেন; অন্যদিকে কুর্দি বাহিনীও বেশ কয়েকজন যোদ্ধার মৃত্যুর কথা জানিয়েছে। প্রত্যাহার চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য উভয় পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেছে।

    কুর্দি কর্তৃপক্ষ রাক্কা অঞ্চলে কারফিউ জারি করে, সেনাবাহিনী ইউফ্রেটিস নদীর দক্ষিণ-পশ্চিমের একটি বিস্তীর্ণ এলাকা ‘বন্ধ সামরিক অঞ্চল’ ঘোষণা করার পর; একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে যে, তাদের ভাষ্যমতে সেখানে থাকা একাধিক সামরিক স্থাপনায় তারা হামলা চালাবে।

    রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা রোববার জানায়, এসডিএফ রাক্কা শহরে ইউফ্রেটিসের ওপর থাকা দুটি সেতু ধ্বংস করেছে; শহরটি নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত।

    রাক্কার মিডিয়া অধিদপ্তর আলাদাভাবে এসডিএফকে প্রধান পানির পাইপ উড়িয়ে দিয়ে রাক্কা শহরের পানির সরবরাহ বন্ধ করার অভিযোগ তোলে।

    দেইর ইজ্জরের গভর্নর গাসসান আলসায়েদ আহমদ সামাজিক মাধ্যমে বলেন, এসডিএফ দেইর ইজ্জর শহরের কেন্দ্র, আল-মায়াদিন এবং অন্যান্য সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অবস্থিত পাড়াগুলোতে ‘রকেট নিক্ষেপ’ করেছে।

    এসডিএফ জানায়, ‘দামেস্ক সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলো আমাদের বাহিনীর অবস্থানে হামলা চালিয়েছে’ এবং ইউফ্রেটিসের পূর্ব তীরের একাধিক শহরে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে—যেগুলো আল-মায়াদিনের বিপরীতে এবং দেইর ইজ্জর ও ইরাকি সীমান্তের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।

    শুক্রবার সিরীয় কুর্দি নেতা ও এসডিএফ প্রধান মাজলুম আবদি আলেপ্পোর বাইরে থাকা তাঁর বাহিনীকে ইউফ্রেটিসের পূর্বে পুনর্নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

    কিন্তু শনিবার এসডিএফ জানায়, দামেস্ক ‘সাম্প্রতিক চুক্তিগুলো লঙ্ঘন করেছে এবং আমাদের বাহিনীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে’; তাবকার দক্ষিণে সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়।

    সেনাবাহিনী এসডিএফকে ‘অবিলম্বে ঘোষিত অঙ্গীকার পূরণ করে নদীর পূর্বে সম্পূর্ণভাবে সরে যেতে’ আহ্বান জানায়।

    এসডিএফ সিরিয়ার তেলসমৃদ্ধ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে, যে অঞ্চলগুলো গত এক দশকে গৃহযুদ্ধ ও ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় দখল করা হয়েছিল।

    ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রেসিডেন্সি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের দূত টম ব্যারাক শনিবার এরবিলে আবদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

    ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে কুর্দি বাহিনীকে সমর্থন করে এলেও সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষকেও সমর্থন দিয়েছে।

    শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড সিরীয় সরকারি বাহিনীকে ‘আলেপ্পো ও আল-তাবকার মধ্যবর্তী এলাকাগুলোতে যেকোনো আক্রমণাত্মক তৎপরতা বন্ধ করার’ আহ্বান জানায়।

    ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এবং ইরাকি কুর্দিস্তানের প্রেসিডেন্ট নেচিরভান বারজানিও উত্তেজনা প্রশমন ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান।

    শুক্রবার শারার ঘোষণাটি ১৯৪৬ সালে সিরিয়ার স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো কুর্দি অধিকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার নজির স্থাপন করে।

    ডিক্রিতে বলা হয়, কুর্দিরা সিরিয়ার ‘অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদ্য অংশ’, যে দেশে তারা কয়েক দশক ধরে প্রান্তিকতার শিকার হয়েছে।

    এতে কুর্দি ভাষাকে ‘জাতীয় ভাষা’ করা হয় এবং সব কুর্দিকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়—যাদের প্রায় ২০ শতাংশকে ১৯৬২ সালের একটি বিতর্কিত আদমশুমারির সময় নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।

    সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুর্দি প্রশাসন জানায়, ডিক্রিটি ‘একটি প্রথম পদক্ষেপ’, তবে এটি ‘সিরীয় জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা পূরণ করে না।’

    দেশটির উত্তর-পূর্বের প্রধান কুর্দি শহর কামিশলিতে ৩৫ বছর বয়সী শেবাল আলী এএফপিকে বলেন, ‘আমরা কুর্দি জনগণের অধিকারের সাংবিধানিক স্বীকৃতি চাই।’

    ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সিনিয়র সিরিয়া বিশ্লেষক নানার হাওয়াচ বলেন, ডিক্রিটি ‘সাংস্কৃতিক ছাড় দেওয়ার পাশাপাশি সামরিক নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করে।’

    তিনি বলেন, ‘এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের স্বায়ত্ত-শাসনের দাবি সমাধান করে না।’

    এদিকে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানায়, উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় চালানো এক হামলায় এমন এক জঙ্গি নিহত হয়েছে, যে গত মাসে তিনজন মার্কিন নাগরিকের প্রাণঘাতী হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল।

  • তরুণদের ওপর ডিগ্রি অর্জনের চেয়ে সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব বেশি: মৎস্য উপদেষ্টা

    তরুণদের ওপর ডিগ্রি অর্জনের চেয়ে সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব বেশি: মৎস্য উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ডিগ্রি অর্জনই তরুণদের শেষ দায়িত্ব নয়। সমাজের একটি বড় অংশ এখনো উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকায় শিক্ষিত তরুণদের ওপর সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব আরও বেশি।

    উপদেষ্টা আজ সকালে ঢাকার সেনানিবাসস্থ সেনাপ্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ৩য় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত সমাবর্তন সভাপতি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন।

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে দেশকে নতুনভাবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। তবে শুধু ব্যক্তি পরিবর্তন যথেষ্ট নয়; প্রকৃত পরিবর্তনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য।

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে ভিন্ন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এ নির্বাচনে তরুণদের শুধু সরকার গঠন নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি ও কাঠামো নির্ধারণেও ভূমিকা রাখতে হবে। গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার গণভোটে হ্যাুঁনা ভোটের উদ্যোগ নিয়েছে। সংস্কার না হলে পুরনো ব্যবস্থা ফিরে আসতে পারে—এ কারণে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাছ, ডিম, দুধ ও মাংস মানুষের পুষ্টির প্রধান উৎস হলেও এখনও সবাই তা নিয়মিত পাচ্ছে না। ঘাটতি পূরণের নামে মাংস আমদানি দেশের প্রান্তিক খামারিদের ক্ষতিগ্রস্ত করে; তাই সরকার দেশীয় গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছে।

    তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণ ও নদী-নালা, খাল-বিল ভরাটের ফলে প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রাপ্যতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। অতিরিক্ত ও অবৈধ আহরণের কারণে ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ২০১৮ সালের তুলনায় সমুদ্রে মাছের পরিমাণ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি অক্সিজেন-স্বল্প অঞ্চল ও প্লাস্টিক দূষণ মাছসহ সামুদ্রিক অন্যান্য প্রাণীর জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে। পর্যটনের সময় সমুদ্রে প্লাস্টিক ও বর্জ্য ফেলা মারাত্মক অপরাধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    উপদেষ্টা তরুণদের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ধূমপান হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকসহ নানা অসংক্রামক রোগের প্রধান কারণ। আইন প্রয়োগের অপেক্ষা না করে আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিজেকে ও সমাজকে রক্ষা করতে হবে।

    সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের পক্ষ থেকে অর্পিত ক্ষমতাবলে অনুষদভুক্ত বিভিন্ন বিভাগের যোগ্যতা অর্জনকারী গ্রাজুয়েটদের স্ব-স্ব ক্ষেত্রে ডিগ্রি প্রদান করেন এবং সকল গ্রাজুয়েটকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফয়েজ। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহার এবং উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, আমন্ত্রিত অতিথি ও বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্টজনরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

  • হ্যাঁ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বাধা নেই : আলী রীয়াজ

    হ্যাঁ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বাধা নেই : আলী রীয়াজ

    অনলাইন ডেস্ক:    গণভোটে ‘হ্যাঁ’র প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

    তিনি বলেছেন, এবারের গণভোট কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানো কিংবা কোনো দলকে ক্ষমতায় যেতে বাধা দেয়ার এজেন্ডা নয়, এটি রক্তের অক্ষরে লেখা জুলাই জাতীয় সনদভিত্তিক রাষ্ট্র সংস্কারের এজেন্ডা, যা বাংলাদেশের সকল মানুষের। এই গণভোট হলো জনগণের সম্মতি নেওয়ার একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে নির্ধারণ হবে আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে চলবে।

    গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    গতকাল শনিবার রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে ঢাকা বিভাগীয় প্রশাসন।

    ঢাকা বিভাগের কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি ও পূর্ত সচিব মো: নজরুল ইসলাম এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।

    অনুষ্ঠানে প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় ‘একবাক্যে’ মত পেয়েছি-গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ওপর আইনগত নিষেধাজ্ঞা নেই। যারা এ বিষয়ে বাধা আছে বলে প্রচার করছে, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে অথবা ভিন্ন উদ্দেশ্যে বিষয়টি উত্থাপন করছে।

    তিনি আরও বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে যে ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছিল, তার বিরুদ্ধে যারা সংগ্রাম করেছেন, প্রাণ দিয়েছেন, জেলজুলুম,নিপীড়ন সহ্য করেছেন, গুমের শিকার হয়েছেন, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন-তারাই আমাদের দুইটি সুস্পষ্ট দায়িত্ব দিয়ে গেছেন। ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র যেন আর ফিরে আসতে না পারে, সেই পথ রুদ্ধ করা। আরেকটি দায়িত্ব হচ্ছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের পথনকশা নির্মাণ। বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ মানুষ ২৭ থেকে ৩৭ বছরের নিচে। আগামী অন্তত ৪০ বছর এই দেশ কেমনভাবে চলবে, আজ আমার ও আপনার দায়িত্ব হচ্ছে সে পথ নির্ধারণ এবং দুর্বার গতিতে সাফল্য ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবার আয়োজন করা।

    আলী রীয়াজ বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা কেবল কর্মকর্তা-কর্মচারী নন, তারা একই সঙ্গে নাগরিকও। তাই, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে নাগরিক দায়িত্ব পালনের প্রশ্নে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্তদের জনগণের সেবায় সর্বদা সচেষ্ট থাকার কর্তব্য এবং নাগরিকদের আইন মানা, শৃঙ্খলা রক্ষা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব উল্লেখ রয়েছে। সেই দায়িত্বের আলোকে গণভোটে মানুষকে সচেতন করা ও ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করার কাজটিও নাগরিক কর্তব্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

    গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তির বিষয়টি উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ সময় ভোট নিয়ে অনাস্থার কারণে অনেকের কাছে গণভোট নতুন অভিজ্ঞতা। ফলে জনগণকে বোঝাতে হবে কীভাবে ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের অর্থ কী। তারা জানান, গণভোটের ব্যালটে ‘টিক চিহ্ন’কে প্রচারণার মূল প্রতীক হিসেবে ধরে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে আনতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

    আলী রীয়াজ আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তিনটি ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করছে-সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। নির্বাচন সরকার আয়োজন করে না, অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে সরকার, আর নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। একইভাবে বিচারও আদালত পরিচালনা করবে, সরকার শুধু বিচার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করছে।

    অতীতে এক ব্যক্তির ইচ্ছায় সংবিধান সংশোধন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনী করার জন্য জাতীয় সংসদের একটা কমিটি করা হয়েছিল। তাতে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলের সদস্যরা ছিল না। সেই কমিটি ২৫ থেকে ২৬টি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকবে। তবে কিছু শর্ত আরোপ করা হবে। যেমন ৯০ দিনের বেশি এটা থাকতে পারবে না। বিদেশের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে পারবে না। একটা বৈঠকে সেটা পরিবর্তিত হয়েছে। সেই বৈঠকটা হয়েছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। তার একক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে পঞ্চদশ সংশোধনী তৈরি হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে এক ব্যক্তির ইচ্ছায়। সংবিধান সংশোধনী ছেলে খেলায় যেন আর পরিণত না হয় সেটা বন্ধ করা দরকার।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত ৪৮টি সুপারিশ গণভোটে আসছে চারটি ক্যাটাগরিতে। চার ক্যাটাগরিতে ৪৮টি সুপারিশ থাকলেও কার্যত প্রশ্নটি একটাই। সেটি হলো—আপনি কি জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে, না বিপক্ষে?

    তিনি বলেন, গণভোট ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবে এবং সেটি কতটা বীভৎস আর নির্মম ও নৃশংস হতে পারে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি রাষ্ট্র তৈরী করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত গত ৫৪ বছরে সেই রাষ্ট্র আমরা পাইনি। বরং এই দীর্ঘ সময়ে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীবিশেষ আমাদের স্বাধীনতাকে অ্যাবিউজ করেছে নিজেদের হীন স্বার্থে। এবার জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সেই লক্ষ্য অর্জনের। এখন গণভোটের মাধ্যমে এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।

    সভায় ঢাকা বিভাগের জেলা সমূহের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

    জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান

    অনলাইন ডেস্ক:    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত, শিল্প, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, জনতার কাফেলা জুলাই সনদের পক্ষে এবং জনতার কাফেলা নতুন বাংলাদেশের পক্ষে।

    তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।

    আজ শনিবার সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে গণভোটের কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    উপদেষ্টা বলেন, জুলাইয়ের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ ও জুলাই যোদ্ধাদের অবদানে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। দেশের এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া জরুরি।

    তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আর কাউকে ধরে নিয়ে ক্রসফায়ার দেওয়া চলবে না, আয়নাঘর বানানো চলবে না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেটি হবে বৈষম্যহীন ও ফ্যাসিবাদমুক্ত যেখানে সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে।’

    কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান ও কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

    সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    সভা শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে গণভোটের প্রচারণায় ব্যবহৃত ভোটের গাড়ির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

    পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বলেই ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যারা ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে, তারা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার করবে আর যারা জনগণের অধিকার, গুম ও ক্রসফায়ারের বিরুদ্ধে, তারাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে।

    জুলাই সনদকে প্রতিষ্ঠিত করতেই এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।