Category: প্রচ্ছদ

  • গণভোট প্রচারণার দায়িত্ব সব রাজনৈতিক দলের : ফাওজুল কবির খান

    গণভোট প্রচারণার দায়িত্ব সব রাজনৈতিক দলের : ফাওজুল কবির খান

    অনলাইন ডেস্ক:     বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, গণভোটের প্রচারণার দায়িত্ব সরকারের একার নয়, এ দায়িত্ব সকল রাজনৈতিক দলেরও।

    তিনি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদের সব সদস্য দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগে গণভোটের প্রচারণা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী ২২ জানুয়ারির পর থেকে এ প্রচারণা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে যাবে।

    আজ সোমবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে গণভোট প্রচারণার ভোটের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

    এ সময় উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো দল নেই, কোনো প্রার্থী নেই। সুতরাং সবাই আমাদের প্রার্থী।

    তিনি বলেন, একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আরও বলেন, এ নির্বাচন আগের যে কোনও নির্বাচনের মতো নয়। এটি জাতি হিসেবে আমাদের জন্য দিকনির্দেশনা দেবে এবং একটি নতুন পথের সন্ধান দিবে।

    ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কারও পরামর্শে, নির্দেশনায় বা ইচ্ছায় নয়— নিজের ইচ্ছায় পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে। এর ফলে আমরা একটি প্রতিনিধিত্বশীল সরকার পাব, যারা জনগণের প্রভু নয়, বরং জনগণের প্রতিনিধি ও খাদেম হবে।

    এ সময় ফাওজুল  কবির খান আরও বলেন, আমরা দেশে আর গুম-খুন চাই না। এক ব্যক্তির শাসন থেকে আমাদের সরে আসতে হবে। আমরা রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার চাই।

    তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করেন যে আগেরটাই ঠিক ছিল। কেউ যদি মনে করেন যে গুম, খুন ঠিক ছিল, বিরোধী দলের লোক বাড়িতে থাকতে পারবে না— তাহলে ‘না’ ভোট দেবেন, আর যদি সংস্কার, পরিবর্তন ও বিচারব্যবস্থার উন্নতি চান, তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন— জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা তাইজুল ইসলাম ।

    এ সময় জেলার বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।

  • গণভোট নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছে, তারা মূলত পলাতক শক্তি : আদিলুর রহমান

    গণভোট নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছে, তারা মূলত পলাতক শক্তি : আদিলুর রহমান

    অনলাইন ডেস্ক:     শিল্প, গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, সরকার গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে বলে যারা প্রশ্ন তুলছে, তারা মূলত পলাতক শক্তি।

    তিনি বলেন, যারা জুলাই-আগস্টে আত্মহুতি দিয়েছেন, তাদের সহযোদ্ধাদের উদ্যোগেই জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই সনদ বাস্তবায়নের জন্যই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

    আজ সোমবার সকালে কিশোরগঞ্জ শহরের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে স্থাপিত জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই গণভোট আয়োজন করা হয়েছে। যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তারাই এখন গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ জুলাইয়ের কাফেলার সঙ্গেই আছে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সেই অবস্থান স্পষ্ট করবে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সরকার। সংগ্রামী ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়েই জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এই সনদ বাস্তবায়নেও সরকার ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে।

    এ সময় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলার আহবায়ক হাফেজ ইকরাম হোসেনসহ জুলাই যোদ্ধা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এরপর তিনি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে গণভোট বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। পরে জেলায় কর্মরত এনজিও প্রতিনিধিদের ও উপকারভোগী নারীদের সঙ্গে গণভোট বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত সভায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।

  • জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর

    জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর

    অনলাইন ডেস্ক:    ‘আমি মেজর জিয়াউর রহমান… বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি’— ১৯৭১ সালের সেই চরম সংকটময় মুহূর্তে এটিই ছিল তৎকালীন মেজর জিয়ার সেই ঐতিহাসিক আহ্বান। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত গণহত্যা চালিয়ে দেশকে রক্তগঙ্গায় পরিণত করেছিল, যখন গোটা জাতি দিশেহারা ও কিংকর্তব্যবিমূঢ়, ঠিক তখনই তাঁর এই কালজয়ী ঘোষণা আশার আলো হয়ে আসে।

    ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর নৃশংসতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে জিয়াউর রহমান হয়ে ওঠেন ‘৭১-এর কণ্ঠস্বর’। সেই ভয়াল রাতে কামানের গর্জন আর গুলির শব্দে যখন বাঙালির ঘুম ভেঙেছিল, সেই বিভীষিকাময় মুহূর্তে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা দেশজুড়ে এক অভূতপূর্ব জাগরণ সৃষ্টি করে। প্রথমে নিজের ব্যাটালিয়নের সামনে এবং পরবর্তীতে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দেওয়া তাঁর সেই ঘোষণা সব দ্বিধা ও বিশৃঙ্খলা দূর করে মানুষকে সশস্ত্র প্রতিরোধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করে।

    মেজর জিয়াউর রহমানের এই ঘোষণা স্পষ্ট করে দেয় যে, বাংলাদেশ কেবল স্বায়ত্তশাসন নয়, বরং একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। এটি মুক্তি সংগ্রামের বৈধতাকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মনোবল বাড়িয়ে দেয়। ভয় ও অনিশ্চয়তার সেই চরম মুহূর্তে তাঁর কণ্ঠস্বর মানুষের মনে সাহস জোগায় এবং বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধকে একটি সুসংগঠিত সশস্ত্র সংগ্রামে রূপ দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

    শৈশব থেকেই জিয়াউর রহমান ছিলেন আপসহীন ও স্বাধীনচেতা। স্কুলজীবন থেকেই পাকিস্তানিদের বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে ব্যথিত করত। তাঁর হৃদয়ে কেবল একটিই স্বপ্ন ছিল— সুযোগ পেলেই পাকিস্তানিদের ঔদ্ধত্যের জবাব দেওয়া। একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক হিসেবে তিনি সেই আজন্ম লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে। ২৫ মার্চ রাতে যখন পাকিস্তানি বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরীহ বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়ন নিয়ে বিদ্রোহ করে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

    পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকাকালীনও জিয়া মনে-প্রাণে ছিল বাংলাদেশ ও তার মানুষের প্রতি গভীর টান। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয়ের পর পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে অবস্থানরত বাঙালি ক্যাডেটরা যখন বিজয় উল্লাস করছিলেন, তখন পাকিস্তানি ক্যাডেটরা বাংলাদেশের নেতাদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে, ‘গাদ্দার’ বলে গালি দেয়। তরুণ জিয়া এর তীব্র প্রতিবাদ জানান, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে গড়ায়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য একটি বক্সিং ম্যাচের আয়োজন করা হয়। জিয়া বাঙালির অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় বক্সিং গ্লাভস হাতে রিংয়ে নামেন। লতিফ নামে এক পাকিস্তানি ক্যাডেট তাঁকে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার দম্ভোক্তি করলেও জিয়া মাত্র ৩০ সেকেন্ডের বিধ্বংসী লড়াইয়ে তাকে ধরাশায়ী করেন। জীবনের প্রতিটি বাঁকে তিনি এভাবেই বাঙালির সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় অকুতোভয় ছিলেন।

    মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের বীর সেনানী ও সেক্টর কমান্ডার হিসেবে তিনি যেমন সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি স্বাধীনতার পর দেশের এক চরম অস্থিতিশীল মুহূর্তে তিনি জাতির ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান পুনরায় দেশের হাল ধরেন। দেশজুড়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার মাধ্যমে তিনি সেনাবাহিনী ও আমলাতন্ত্র থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য ও গ্রহণযোগ্য নেতায় পরিণত হন। তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও দূরদর্শী নেতৃত্বই পরবর্তীতে তাঁকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির আসনে আসীন করে।

    একজন সফল ‘জাতি গঠনের কারিগর’ হিসেবে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে এক মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছিলেন। তাঁর ১৯ দফা রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল একটি আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ার পরিকল্পনা। আজকের বাংলাদেশের অর্থনীতির তিন প্রধান স্তম্ভ— কৃষি, পোশাক শিল্প এবং রেমিট্যান্স— এই তিনটিরই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল তাঁর শাসনামলে। তাঁর সময়েই বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার দাইয়ু কোম্পানির মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানকে দেশে এনে পোশাক শিল্পের বিপ্লব ঘটান এবং মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে জনশক্তি রপ্তানির বিশাল দ্বার উন্মোচন করেন।

    শেখ মুজিবুর রহমানের একদলীয় শাসন থেকে দেশকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে ফিরিয়ে এনে তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও প্রকৃত জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বহুদলীয় রাজনীতির এই পুনর্জাগরণ দেশের জন্য এক যুগান্তকারী রূপান্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। তিনি বাংলাদেশের মানুষকে একটি সুস্পষ্ট পরিচয় দিয়েছেন— ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ নানা মত, পথ ও ধর্মের বৈচিত্র্যময় জনপদ, যেখানে মানুষের সংস্কৃতি ও জীবনধারা ভিন্ন। তিনি বিশ্বাস করতেন, জাতীয়তাবাদ কেবল ভাষা বা সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয়, বরং এর মূল ভিত্তি হওয়া উচিত দেশের ভৌগোলিক পরিচয়।

    জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন, দুর্নীতি ও অবিচারের অবসান ঘটান এবং দেশকে খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতার পথে পরিচালিত করেন। স্বপ্রণোদিত হয়ে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করার মাধ্যমে তিনি এ দেশের কৃষিখাতে এক যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করেন।

    বিএডিসি’র (বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন) মাধ্যমে জিয়াউর রহমান কৃষকদের মাঝে সার, উন্নত বীজ ও কীটনাশকের যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিত করেন। বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর পাশাপাশি তিনি নতুন নতুন শিল্প গড়ার ডাক দেন, যা বেকারদের একটি কর্মক্ষম ও উৎপাদনশীল জনশক্তিতে পরিণত করতে সহায়তা করে। এভাবেই কৃষক ও শ্রমিকের ভাগ্য বদলাতে তিনি ‘উৎপাদমুখী রাজনীতি’র সূচনা করেন এবং দেশের যুব ও নারী সমাজকে স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন।

    জিয়াউর রহমান বৈশ্বিক কূটনীতিতেও দূরদর্শিতার পরিচয় দেন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে কেবল ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আমেরিকা ও চীন পর্যন্ত প্রসারিত করেন। তাঁর উদ্যোগেই মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক জোট ‘সার্ক’ (SAARC) গঠনের নেপথ্যে তিনি প্রধান রূপকারের ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তাঁর সুদক্ষ কূটনৈতিক তৎপরতার কারণেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

    জিয়াউর রহমান কেবল একটি নাম বা কোনো সাধারণ রাজনৈতিক নেতা নন, বরং জাতীয় সংকটের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে তিনি একজন ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে তিনি দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন; এরপর ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পুনরায় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেন এবং পরবর্তীতে দেশকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে রূপান্তরের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু করেন। এ কারণেই তাঁকে ‘বারবার দেশের ত্রাণকর্তা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। জাতির প্রতি তাঁর এই গৌরবোজ্জ্বল কর্ম এবং অসামান্য অবদানই তাঁকে ‘এক অকুতোভয় দেশপ্রেমিক ও মহান জাতি গঠনের কারিগর’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।

  • কথোপকথনের ভিত্তিতে চ্যাটজিপিটিতে দেখানো হবে বিজ্ঞাপন

    কথোপকথনের ভিত্তিতে চ্যাটজিপিটিতে দেখানো হবে বিজ্ঞাপন

    অনলাইন ডেস্ক:   চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথোপকথনের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন দেখানোর পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছে। এই পরীক্ষাটি প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাপ্তবয়স্ক, লগইন করা ফ্রি ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হবে।

    ওপেনএআই জানিয়েছে, নতুন মাসিক ৮ ডলারের ‘গো’ সাবস্ক্রিপশনেও বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। তবে ২০ ডলারের ‘প্লাস’, ২০০ ডলারের ‘প্রো’ এবং ব্যবসায়িক গ্রাহকরা বিজ্ঞাপন থেকে মুক্ত থাকবেন।

    প্রথমে চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন যুক্ত করার প্রতি অনীহা প্রকাশ করলেও, বৃহৎ খরচ সামলাতে এবং নতুন আয়ের উৎস তৈরি করতে ওপেনএআই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, আগামী আট বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত অবকাঠামোতে প্রায় ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে।

    বিজ্ঞাপনগুলো ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর শেষে ‘স্পনসরড’ লেবেলসহ দেখানো হবে এবং চ্যাটজিপিটির উত্তরকে প্রভাবিত করবে না। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য বা কথোপকথন কোনো বিজ্ঞাপনদাতার কাছে বিক্রি করা হবে না। চাইলে ব্যবহারকারীরা বিজ্ঞাপন বন্ধও করতে পারবেন। তবে স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য বা রাজনীতি সম্পর্কিত আলোচনায় কোনো বিজ্ঞাপন দেখানো হবে না।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্যক্তিগত কথোপকথনের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন দেখানো নিয়ে বিতর্ক হতে পারে, কারণ এতে ব্যবহারকারীদের সংবেদনশীল তথ্য যুক্ত থাকলেও ক্ষতিকর পণ্যের বিজ্ঞাপন ঠেকানোয় ওপেনএআইয়ের ওপর চাপ বাড়বে।

    উল্লেখ্য, মেটাও সম্প্রতি তাদের চ্যাটবটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কথোপকথনের তথ্য কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞাপন দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

  • ঈগল বাংলাদেশ এবং ক্যাট লাভারস্ কুমিল্লার উদ্দ্যোগে ফ্রী রেবিস ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প-২০২৬

    ঈগল বাংলাদেশ এবং ক্যাট লাভারস্ কুমিল্লার উদ্দ্যোগে ফ্রী রেবিস ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প-২০২৬

    নিজস্ব প্রতিনিধি: সমাজসেবামূলক সংস্থা Eagle Bangladesh এবং Cat Lovers Cumilla (CLC) -এর যৌথ উদ্যোগে গতকাল রোজ শনিবার,নগরীর বাদুরতলা,সিডি প্যাথ হসপিটালের গলিতে ফ্রী রেবিস ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
    ক্ষুদ্র পরিসরে ৭০ এর অধিক বিড়ালকে ফ্রি রেবিস ভ্যাকসিন সহায়তা দেয়া হয়েছে। কুমিল্লাকে জলাতঙ্ক মুক্ত রাখতে ও সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় ব্যাপক সাড়া ও সহযোগিতা এসেছে। আমরা বিশ্বাস করি প্রাণীদের সুস্থতা মানেই আমাদের সুস্থতা।
    ঈগল বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে আজীম কাফী,মনসুর আলম,কাজী সাব্বির সহ ক্যাটস লাভার কুমিল্লার এডমিন ইমরান রাহিল উপস্থিত ছিলেন আয়োজনে।

    ​Pets Baba (পেটস বাবা),ডাক্তার মনিরুল ইসলাম রিমন, দ্যা বিলাইম্যান এবং তানিয়া ক্যাট ফেমিলি এন্ড ফোস্টার হোম ভ্যাকসিন দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

    কুমিল্লায় সুপরিচিত ভেট শেখ ইসমাইল আহমেদ,ভ্যাট জাহিদুল ইসলাম জুয়েল ছিলেন ভ্যাকসিন পরিচালনায়।

    বিড়াল প্রেমীদের অনেকেই সচেতনতার সাথে তাদের আদরের বিড়ালকে ভ্যাকসিন দিতে নিয়ে এসেছেন।
    ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগ চলমান থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

  • রংপুরে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

    রংপুরে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

    অনলাইন ডেস্ক:    জেলায় ফৌজদারি মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে গতি আনয়ন এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি আদালত গুলোর কার্যক্রম আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গতকাল শনিবার সকালে রংপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কনফারেন্স কক্ষে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির আওতাধীন সব আদালতের কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়।

    কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মো. নাজিব। সভাপতিত্ব করেন জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদ আলী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলার পুলিশ সুপার মো. মারুফাত হুসাইন।

    বক্তারা বলেন, পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স বিচার বিভাগের সঙ্গে পুলিশের কার্যকর সমন্বয় ও সেতুবন্ধন তৈরি করে। পারস্পরিক আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা সম্ভব। এতে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

    তারা আরও বলেন, বিচার বিভাগের সব অংশীদারের সঙ্গে নিয়মিত আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা সহজ হবে।