Category: প্রচ্ছদ

  • রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ১৩ জানুয়ারি

    রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ১৩ জানুয়ারি

    অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    আজ (সোমবার) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

    ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোড জালিয়াতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরে ওই অর্থ ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। দেশের অভ্যন্তরের একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের এ অর্থপাচার করেছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ঘটনার পর একই বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)-এর ৪ ধারা, তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ৫৪ ধারা ও ৩৭৯ ধারায় মামলাটি করা হয়। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে।

  • জুলাই গণহত্যা: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ

    জুলাই গণহত্যা: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ

    অনলাইন ডেস্ক: জুলাই গণহত্যাকে কেন্দ্র করে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন সূত্র সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    এদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসিনা সরকারের সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ১৭ জনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

    এদিন সকাল পৌনে ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ, কাশিমপুরসহ বিভিন্ন কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

  • ফেসবুকে এক সপ্তাহেই মনিটাইজেশন পাবেন যেভাবে

    ফেসবুকে এক সপ্তাহেই মনিটাইজেশন পাবেন যেভাবে

    অনলাইন ডেস্ক:     সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এসেছে বড় সুসংবাদ। প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাত্র তিনটি সহজ সেটিংস চালু করলেই যেকোনো ব্যবহারকারী এক সপ্তাহের মধ্যেই মনিটাইজেশনের আওতায় আসতে পারবেন। এতে নতুনদের দ্রুত আয়ের সুযোগ আরও বাড়ছে।

    ১) প্রফেশনাল মোড অন করা

    ২) ক্রিয়েটর টুলস সক্রিয় করা

    ৩) বেসিক ইউজার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা

    এই ধাপগুলো নিশ্চিত হলেই ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট অটো রিচ পেতে শুরু করে এবং অ্যালগরিদম তাদের ভিডিও বা পোস্টকে দ্রুত বিস্তৃত দর্শকের সামনে তুলে ধরে। ফলে মাত্র ৫–৭ দিনের মধ্যেই মনিটাইজেশন যোগ্যতা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

    নতুন আপডেটে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন একদম নতুন অ্যাকাউন্টধারী ক্রিয়েটররা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন মনিটাইজেশনে পৌঁছানো আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়ে গেছে, যা তরুণদের কনটেন্ট তৈরিতে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

    প্ল্যাটফর্মের টেকনিক্যাল টিম জানায়, পরীক্ষামূলকভাবে এই সিস্টেম চালুর পর নিয়মিত কনটেন্ট আপলোডকারীরা আগের চেয়ে দ্রুত আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। এ কারণে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়াকে বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন।

  • আল্লাহকে খুশি করুন, আপনার সুখের দরজা খুলে যাবে

    আল্লাহকে খুশি করুন, আপনার সুখের দরজা খুলে যাবে

    অনলাইন ডেস্ক:     মানুষের মন জোগানো কখনোই শেষ হয় না—আজ খুশি করলে কাল ভুলে যায়, আবার পরশু নতুন দাবি তোলে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা কারও ওপর অবিচার করেন না। তার সন্তুষ্টির জন্য যে কাজ করে, তিনি তার অন্তরে এমন প্রশান্তি দান করেন, যা পৃথিবীর কোনো সম্পদ দিয়ে অর্জন করা যায় না। কুরআন-হাদিসের বর্ণনা থেকে তা সুস্পষ্ট—

    আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা হলো একজন মুমিনের জীবনের চূড়ান্ত গন্তব্য ও আত্মিক প্রশান্তির উৎস। আল্লাহ তাআলা বলেন—

    وَ رِضۡوَانٌ مِّنَ اللّٰهِ اَكۡبَرُ ؕ

    ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি— এটাই সর্বোচ্চ মহত্ত্ব ও সফলতা।’ (সুরা আত-তাওবা: আয়াত ৭২)

    ২. মানুষের সন্তুষ্টি লক্ষ্য না করে আল্লাহকে অনুসরণ

    মুমিনের কাজ হলো স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন করা, মানুষের নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন—

    وَ اللّٰهُ وَ رَسُوۡلُهٗۤ اَحَقُّ اَنۡ یُّرۡضُوۡهُ اِنۡ كَانُوۡا مُؤۡمِنِیۡنَ

    ‘আর তারা যদি মুমিন হয়ে থাকে তবে কাউকে খুশি করতে চাইলে আল্লাহ ও তার রাসুলই এর সবচেয়ে বেশি হকদার।’ (সুরা আত-তাওবা: আয়াত ৬২)

    ৩. আল্লাহকে স্মরণেই হৃদয়ের প্রশান্তি

    মানুষের প্রশংসা ও সন্তুষ্টি ক্ষণস্থায়ী—কিন্তু আল্লাহর স্মরণ ও সন্তুষ্টি স্থায়ী সুখের দরজা খুলে দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন—

    أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

    ‘নিশ্চয় আল্লাহকে স্মরণেই হৃদয়ের শান্তি।’ (সুরা আর-রাআদ: আয়াত ২৮)

    ৪. আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার মধ্যে সফলতা

    কার খুশির জন্য কাজ করবেন— আল্লাহর নাকি মানুষের, বিষয়টি সুস্পষ্ট করে হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

    مَنِ الْتَمَسَ رِضَاءَ اللَّهِ بِسَخَطِ النَّاسِ كَفَاهُ اللَّهُ مُؤْنَةَ النَّاسِ وَمَنِ الْتَمَسَ رِضَاءَ النَّاسِ بِسَخَطِ اللَّهِ وَكَلَهُ اللَّهُ إِلَى النَّاسِ

    ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি আকাঙ্ক্ষা করে তা মানুষের অসন্তুষ্টি হলেও, মানুষের দুঃখ-কষ্ট থেকে বাঁচানোর জন্য আল্লাহ তাআলাই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। আর যে ব্যক্তি মানুষের সন্তুষ্টি আশা করে আল্লাহ তাআলাকে অসন্তুষ্ট করে,  আল্লাহ তাআলা তাকে মানুষের দায়িত্বে ছেড়ে দেন।’ (তিরমিজি ২৪১৪)

    ৫. মানুষের মন রক্ষা করতে গিয়েও হারিয়ে যায় শান্তি

    মানুষকে খুশি করতে গেলে আল্লাহর প্রশান্তি থেকে বঞ্চিত হতে হয়। মানুষকে খুশি করতে গিয়ে যদি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করি, তা কখনোই কল্যাণ বয়ে আনে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

    مَنِ الْتَمَسَ رِضَا اللَّهِ بِسَخَطِ النَّاسِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَأَرْضَى عَنْهُ النَّاسَ وَمَنِ الْتَمَسَ رِضَا النَّاسِ بِسَخَطِ اللَّهِ سَخِطَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَأَسْخَطَ عَلَيْهِ النَّاسَ

    ‘যে ব্যক্তি মানুষকে নারাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টি চায়, তার ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট থাকেন, আর মানুষকেও তার প্রতি সন্তুষ্ট করে দেন। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি আল্লাহকে নারাজ করে মানুষের সন্তুষ্টি চায়, তার ওপর আল্লাহও অসন্তুষ্ট হন এবং মানুষকেও তার প্রতি অসন্তুষ্ট করে দেন।’ (ইবনে হিববান)

    ভাবুন— মানুষকে খুশি করতে গেলে খুব কষ্ট হয়, কারণ সবাইকে খুশি করা অসম্ভব। কিন্তু আল্লাহকে খুশি করা খুব সহজ—সৎ পথে চললে, নামাজ পড়লে, সত্য বললে আল্লাহ খুশি হন। আর আল্লাহ খুশি হলে আপনার মনটা ফুলের মতো হালকা ও শান্ত হয়ে যায়।

    মানুষের খুশি লাভের চেষ্টা জীবনকে ক্লান্ত ও ভারী করে দেয়। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টিকে লক্ষ্য করলে হৃদয় হালকা হয়, আত্মা প্রশান্ত হয়, আর জীবন পায় প্রকৃত দিশা। আল্লাহ বলেন— তার সন্তুষ্টিই সর্বোচ্চ সফলতা। নবিজী (সা.) বলেন— যে আল্লাহকে খুশি রাখে, আল্লাহ তাকেই সম্মানিত করেন।

  • শিশুর হাতে স্মার্টফোন দিয়ে দেওয়ার ক্ষতিকর দিক জানুন

    শিশুর হাতে স্মার্টফোন দিয়ে দেওয়ার ক্ষতিকর দিক জানুন

    অনলাইন ডেস্ক:      এখনকার অধিকাংশ শিশুর হাতে স্মার্টফোন থাকে। যদিও স্মার্টফোন শিশুদের নিরাপদ রাখা এবং তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে সুবিধা প্রদান করতে পারে, তবুও বিজ্ঞান বলে যে খুব অল্প বয়সে স্মার্টফোন দেওয়া শিশুর জন্য বেশ কিছু সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    পেডিয়াট্রিক্স জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১২ বছর বয়সের আগে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার শুরু করে তাদের স্থূলতা, বিষণ্ণতা এবং ঘুমের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদিও গবেষণাটি এই সমস্যাগুলোর জন্য সরাসরি স্মার্টফোনের দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেনি, তবে এটি স্পষ্টভাবে একটি সম্পর্ক দেখায়।

    মার্কিন কিশোর মস্তিষ্কের বিকাশ (ABCD) গবেষণায় ৯ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১০,০০০ এরও বেশি শিশু-কিশোরের ওপর দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই গবেষণায় ১২ বছর বয়সে প্রথম স্মার্টফোন ব্যবহার শুরু করা শিশুরা তাদের ফোন না থাকা সমবয়সী শিশুদের তুলনায় ৩০% বেশি বিষণ্ণতা, ৪০% বেশি স্থূলতা এবং ৬০% বেশি ঘুমের অভাবের সম্মুখীন হয়।

    গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, যারা অল্প বয়সে স্মার্টফোন ব্যবহার শুরু করে, তাদের মানসিক স্বাস্থ্য, শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং ঘুমের স্বাভাবিক রুটিনে সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিশেষত ১২ বছর বয়সের আগে ফোন ব্যবহার শুরু করার কারণে শিশুদের মানসিক, শারীরিক এবং সামাজিক বিকাশে বাধা তৈরি হয়।

    গবেষণার প্রধান লেখক জানিয়েছেন যে, ১২ এবং ১৬ বছর বয়সী শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও মানসিক অবস্থা একে অপর থেকে ভিন্ন। স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের মধ্যে স্থূলতা বাড়িয়ে দেয়, কারণ তারা ভিডিও দেখা, গেম খেলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় কাটায়, যা তাদের শারীরিক গতিশীলতা কমিয়ে দেয়।

    এছাড়া, স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে শিশুদের খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আসে। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে বসে থাকার ফলে অতিরিক্ত খাবার এবং চিনিযুক্ত পানীয় খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা স্থূলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    বিষণ্ণতা সম্পর্কিত গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১২ বছর বয়সের আগে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার শুরু করেছে, তাদের মধ্যে বিষণ্ণতার হার বেশি (৬.৫%)। এর কারণ হতে পারে, অনলাইনে অন্যদের সঙ্গে নিজেদের তুলনা, সাইবার বুলিং-এর শিকার হওয়া এবং সামাজিক আলোচনা থেকে বাদ পড়ার অনুভূতি।

    গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, ১২ বছর বয়সে প্রথম স্মার্টফোন ব্যবহার শুরু করা শিশুদের ঘুমের মান খারাপ হয়ে যায়। স্ক্রিন টাইম এবং নীল আলো রাতে মেলাটোনিন উৎপাদনে বাধা দেয়, যার ফলে ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি হয়। এই ঘুমের সমস্যা, বিষণ্ণতা এবং স্থূলতার সমস্যা একে অপরকে আরও তীব্র করে তোলে।

    এভাবে, গবেষণাটি দেখায় যে, ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সের মধ্যে ফোন ব্যবহার শুরু করলে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য এবং ঘুমের মান খারাপ হতে পারে, এমনকি যারা কখনো ফোন ব্যবহার করেনি তাদের তুলনায় এই সমস্যা আরও বড় হয়ে ওঠে।

  • রাষ্ট্রকে ধর্মের নামে বিভাজনের চেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল

    রাষ্ট্রকে ধর্মের নামে বিভাজনের চেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টির প্রচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষ ধর্ম মানে এবং ধর্ম পালন করে, কিন্তু রাষ্ট্রকে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করার ধারণায় বিএনপি কখনও বিশ্বাস করে না। রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    এর আগে খামারবাড়িতে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও সহাবস্থানের রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তিও ছিল সবার বাংলাদেশ। তাঁর দাবি, একটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করতে চাইছে, যা দেশের জন্য অশুভ সংকেত। তিনি বলেন, বিএনপি ধর্মে বিশ্বাসী হলেও ধর্ম দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা বা সমাজ বিভাজনের পথ মেনে নেয় না।

    ঘটনার পটভূমিতে তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর পর দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যদিও সেই পথে বাধা বাড়ছে। বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং সাইবার আক্রমণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে নেতিবাচক দল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে। তাঁর ভাষায়, এই প্রবণতা ভাঙতে হবে এবং তরুণদের সজাগ থাকতে হবে।

    অনুষ্ঠানে নতুন বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা উল্লেখ করে তিনি জানান, তারেক রহমান দেড় বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন। ফখরুলের মতে, এই পরিকল্পনা প্রমাণ করছে বিএনপি এখনও একটি উন্নত রাজনৈতিক দল। তিনি বলেন, অতীতে দেশের বড় অর্জনগুলো বিএনপির হাত ধরেই এসেছে এবং ভবিষ্যতেও সেই পথ ধরে এগিয়ে যেতে হবে।

    বিএনপির অতীত ভূমিকা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। খালেদা জিয়া নারীদের শিক্ষায় সুযোগ তৈরি করে এগিয়ে যাওয়ার পথ খুলে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের উপস্থিতি কমে যাওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে। তিনি বলেন, ছাত্রদলের সক্রিয়তার অভাবেই সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি ভালো করতে পারেনি এবং এই জায়গায় তাদের আরও সংগঠিত হতে হবে।

    কর্মসূচির বক্তৃতায় তিনি খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম তারেক রহমান ব্যক্তিগতভাবে তদারকি করছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের চিকিৎসকরা চিকিৎসায় যুক্ত আছেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের দোয়া আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন।

    অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ছাত্রদলই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রথম পাঠশালা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে ছাত্রদল আবারও তাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।