Category: প্রচ্ছদ

  • আগারগাঁওয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধ

    আগারগাঁওয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধ

    অনলাইন ডেস্ক: মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের ৬ দফা দাবির পক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সড়ক অবরোধের কারণে ওই এলাকায় চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনের নিচে এবং বিটিআরসি ভবনের সামনে অবস্থান নিলে যান চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।

    দিনের শুরুতে মোবাইল ব্যবসায়ীরা আমদানি শুল্ক কমানো, সিন্ডিকেট প্রথা বিলোপ এবং এনইআইআর ব্যবস্থা বাস্তবায়নের আগে সময় বাড়ানোসহ নানা দাবিতে বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হন। সকাল থেকেই এলাকা পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। ব্যবসায়ীরা জানান, এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে লাখো ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। নতুন নিয়মে লাভবান হবে বিশেষ একটি গোষ্ঠী, আর বাড়তি করের চাপে গ্রাহকদের মোবাইলের দাম বাড়বে।

    বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটির সিনিয়র সহসভাপতি শামীম মোল্লা বলেছেন, “বিটিআরসি ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে আমাদের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসেছেন। কিন্তু ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা না হলে শুধু আলোচনায় কোনো সমাধান হবে না।” সংগঠনের অন্য নেতারাও জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা সমস্যা জানালেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, তাই বাধ্য হয়ে সড়ক অবরোধে নামতে হয়েছে।

    এর আগে সংগঠনটি শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ঘোষণা দেয় যে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ রাখা হবে। একই দাবিতে গত ৩০ নভেম্বরও দোকান বন্ধ রাখা হয়। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার বা এনইআইআর চালুর আগে ব্যবসায়ীদের হাতে সময় দেওয়ার দাবি বারবার জানালেও তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

    ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী, শুল্ক কাঠামো সহজ করা, আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা এবং অবিক্রীত মোবাইল সেট বিক্রির সুযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তারা আরও চান, এনইআইআর চালুর আগে জনগণকে ধারণা দিতে ডেমো বা টিউটোরিয়াল ভিডিও প্রকাশ করা হোক এবং কমপক্ষে ছয় মাস পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হোক।

    সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা। এর ফলে অনিবন্ধিত, চুরি হওয়া বা অনুমোদনহীন মোবাইল ফোন দেশের নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না। ঠিক একই সময় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, নিয়ম বাস্তবায়নে তাড়াহুড়া হলে তাদের জীবিকা বিপর্যস্ত হতে পারে। তাই রোববারের কর্মসূচি তাদের চাপ বাড়ানোরই অংশ।

  • গ্রেভসের ডাবল-সেঞ্চুরিতে অবিশ্বাস্য ড্র ওয়েস্ট ইন্ডিজের

    গ্রেভসের ডাবল-সেঞ্চুরিতে অবিশ্বাস্য ড্র ওয়েস্ট ইন্ডিজের

    খেলাধুলা ডেস্ক:     জাস্টিন গ্রেভসের ডাবল-সেঞ্চুরি ও কেমার রোচের দায়িত্বশীল ব্যাটিং নৈপুন্যে অবিশ্বাস্যভাবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট ড্র করল সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ।নিউজিল্যান্ডের ছুঁড়ে দেয়া ৫৩১ রানের বিশাল টার্গেটে খেলতে নেমে অধিনায়ক শাই হোপের লড়াকু সেঞ্চুরিতে চতুর্থ দিন শেষে ৪ উইকেটে ২১২ রান করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    ফলে টেস্ট জয়ের জন্য ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিন ৬ উইকেট হাতে নিয়ে আরও ৩১৯ রান দরকার ছিল ক্যারিবীয়দের।ক্রাইস্টচার্চে টেস্টের পঞ্চম দিন প্রথম ব্যাটার হিসেবে নিউজিল্যান্ড পেসার জ্যাকব ডাফির বলে আউট ১১৬ রান নিয়ে খেলতে নামা হোপ। ১৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৩৪ বলে ১৪০ রান করেন তিনি।  ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর গ্রেভসের সাথে ৩৮৪ বলে ১৯৬ রানের জুটি গড়েন হোপ।

    হোপ ফেরার পর ক্রিজে এসে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি উইকেটরক্ষক টেভিন ইমলাচ। ২৭৭ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হারের শঙ্কায় পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু সেটি হতে দেননি গ্রেভস ও আট নম্বরে নামা পেস বোলার কেমার রোচ।

    রোচের সাথে জুটি বেঁধে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন গ্রেভস। উইকেটে সেট হয়ে রানের চাকা সচল করে ৬ উইকেটে ৩৯৯ রান নিয়ে দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষ করেন গ্রেভস ও রোচ। এতে টেস্টের শেষ সেশনে অন্তত ৩৩ ওভারে ৪ উইকেট হাতে নিয়ে আরও ১৩২ রান দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের।

    শেষ সেশনেও নিউজিল্যান্ড বোলারদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেন গ্রেভস ও রোচ। ইনিংসের ১৬৩তম ওভারের পঞ্চম বলে চার মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১২তম ম্যাচে প্রথম ডাবল-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন গ্রেভস। ডাবল-সেঞ্চুরি পাবার পরের ওভারেই ম্যাচ ড্র মেনে নেয় দু’দল। ১৬৩.৩ ওভারে ৬ উইকেটে ৪৫৭ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।টেস্ট ক্রিকেটের চতুর্থ ইনিংসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। ১৯৩৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬৫৪ রান করেছিল ইংল্যান্ড।

    টেস্ট ইতিহাসের চতুর্থ ইনিংসে বিশ্বের সপ্তম ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করলেন গ্রেভস। ১৯টি চারে ৩৮৮ বলে ২০২ রানে অপরাজিত থাকেন গ্রেভস। ৮টি বাউন্ডারিতে ২৩৩ বলে অনবদ্য ৫৮ রান করেন রোচ।

    সপ্তম উইকেট জুটিতে ৪১০ বল খেলে ১৮০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন গ্রেভস ও রোচ। টেস্ট ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে সপ্তম উইকেট জুটিতে সর্বোচ্চ রানে ভারতের  শচীন টেন্ডুলকার ও মনোজ প্রভাকরের রেকর্ড ভাঙেন গ্রেভস ও রোচ। ১৯৯০ সালের ১৬০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছিলেন টেন্ডুলকার ও প্রভাকর।দুর্দান্ত ডাবল-সেঞ্চুরির ইনিংসের সুবাদে ম্যাচ সেরা হন গ্রেভস।

    এই ড্র’তে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে প্রথম পয়েন্টের দেখা পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৬ ম্যাচে ৫ হার ও ১ ড্র’তে ৫.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নবম ও শেষ স্থানে আছে ক্যারিবীয়রা। ১ ম্যাচ খেলে ১ ড্র’তে ৩৩.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সপ্তম স্থানে আছে প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড।আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে ওয়েলিংটনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামবে নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

  • চেনা ছকেই জাদু : বছরের শেষ ব্লকবাস্টার হতে পারে ‘অ্যাভাটার ৩’

    চেনা ছকেই জাদু : বছরের শেষ ব্লকবাস্টার হতে পারে ‘অ্যাভাটার ৩’

    বিনোদন ডেস্ক:    ১৬ বছর পর ফের দর্শকদের মুগ্ধ করতে আসছে ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় ছবি। এই মাসেই এটি বড় পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে । আশা করা হচ্ছে এটিও যথারীতি সিরিজের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ধরে রাখবে। পরিবেশ ও প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে ভিজ্যুয়াল চমক এবারও থাকছে।

    প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাবে জেমস ক্যামেরনের পরিচালিত ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমাটি। প্রথম ‘অ্যাভাটার’ মুক্তির ১৬ বছর পর সিরিজের নতুন সিনেমাটি দর্শকদের মুগ্ধতা ছড়াতে আসছে। ২০০৯ সালে সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বব্যাপী ২.৯ বিলিয়ন ডলার আয় করে। ২০২২ সালে মুক্তি পায় সিরিজের দ্বিতীয় ছবি ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। দ্য হলিউড রিপোর্টার-এর তথ্যমতে, এটি করোনা পরবর্তী সময়েও প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে।চলতি সপ্তাহে নতুন ছবির প্রিমিয়ার শো হয়েছে হলিউড ও প্যারিসে।

    -পরিবার ও অভিবাসন-

    দর্শকরা দেখতে পাবেন নায়ক জ্যাক (স্যাম ওয়ার্থিংটন) এখন ‘টোরুক ম্যাকটো’, প্যান্ডোরার কিংবদন্তি যোদ্ধা। তার স্ত্রী নেটিরি (জো সালদানা)। তারা তাদের বড় ছেলে নেটেয়ামের মৃত্যুর শোক সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    তারা তাদের তিন সন্তান নিয়ে নতুন করে জীবন গড়ার চেষ্টা করছেন। যাদের মধ্যে রয়েছে কিরি, একজন দত্তক নেওয়া নাভি কিশোরী, যার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিগার্নি উইভার এবং আরেকজন মানব স্পাইডার (জ্যাক চ্যাম্পিয়ন), যাকে নেটিরি ছাড়া সবাই পরিবারের অংশ হিসেবে গণ্য করে।

    ক্যামেরন শুক্রবার প্যারিসে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দর্শকরা দেখবেন, সন্তানরা বড় হয়ে নিজেদের পরিচয় খুঁজছে। কারণ তাদের মা পুরোপুরি নাভি প্রজাতির। আর বাবা অন্য গ্রহ থেকে আসা। এই সংকর জীবন তাদের হাসি-আনন্দের সঙ্গে এক ঝাঁক চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসে।৭১ বছর বয়সী কানাডিয়ান পরিচালক আরও বলেন, আমরা মূলত শরণার্থী বা বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের পারিবারিক অবস্থাকে দেখানোর চেষ্টা করেছি। মানুষ এটি দেখে সহজেই বাস্তবতার সংযোগ স্থাপন করতে পারবে।

    -নতুন প্রতিপক্ষ-

    ভ্রমণের পথে নায়করা মুখোমুখি হন মাংকওয়ান বা অ্যাশ পিপল-এর সঙ্গে। এটি একটি নাভি সম্প্রদায়, যার এলাকা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন তারা জীবনধারণের জন্য লুটপাট করে।মাংকওয়ানদের নেতৃত্ব দেন ভ্যারাং। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশ্বখ্যাত কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের নাতনি উনা চ্যাপলিন।তিনি নাভির অন্ধকার দিক দেখান, যা আগে শুধুই কল্যাণময় ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে চিত্রিত হয়েছিল। এর বিপরীতে মানুষ লুটপাটে আসক্ত এবং প্রকৃতির সম্পদ শোষণ করতে চাইছে।তিনি নাভি সম্প্রদায়ের অন্ধকার দিক দেখান। আগে তারা শুধুই শান্তিপ্রিয় ও প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করত। এবার তাদের আরও জটিল ও ভিন্ন দিক দেখা যাবে।মানুষের লুটপাটের লোভ আবারও প্রকৃতির সঙ্গে সংঘর্ষের গল্পে নতুন মোড় নিয়ে আসবে।

    -পরিবেশ ও ভিজ্যুয়াল চমক-

    প্যান্ডোরার বাসিন্দাদের ফের লড়তে হবে ‘স্কাই পিপল’ বা রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মানুষদের বিরুদ্ধে। তারা তুলকুন নামের সামুদ্রিক প্রাণী শিকার করতে চাইছে। লক্ষ্য তাদের মস্তিষ্ক থেকে ‘অ্যামরিটা’ সংগ্রহ।

    তুলকুন হল প্যান্ডোরা গ্রহের বিশাল ও বুদ্ধিমান সামুদ্রিক প্রাণী, যাদের মস্তিষ্ক থেকে ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণে মূল্যবান পদার্থ পাওয়া যায়।মূল ‘অ্যাভাটার’ গল্প ১৯৯৫ সালে ক্যামেরন নিজেই লিখেছিলেন। পরিচালকের মতে, সেটিতে পরিবেশ বিষয়ক বার্তা অনেক বেশি স্পষ্ট ছিল।ক্যামেরন আরও বলেন, প্রকৃতি সংরক্ষণ যে মানুষের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা মূল গল্পটি থেকে বোঝা যায়।

    সিগারনি উইভার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ক্যামেরন কোনো রহস্য রাখেননি। তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে একটি কর্পোরেট কর্পোরেশন তুলকুন শিকার করছে। তিনি এই দৃশ্যপট পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করে তৈরি করেছেন। সমুদ্র ক্রমেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে। অথচ এই সমুদ্র ছাড়া আমরা বাঁচতেও পারব না।

    -কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নয়, অভিনয়ই মূল-

    দ্বিতীয় ও তৃতীয় ‘অ্যাভাটার’ ছবির শুটিং হয়েছে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ১৮ মাস ধরে। তখন জেনারেটিভ এআই-এর উত্থান হয়নি। এই দশকের শেষের দিকে আরও দুই ছবি মুক্তির জন্য তৈরি হচ্ছে।

    ক্যামেরন মার্কিন ওয়েবসাইট কমিকবুক ডটকমকে বলেন, আমি জেনারেটিভ এআই-এর বিরোধী নই। শুধু বলতে চাই, ‘অ্যাভাটার’ ছবিতে আমরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করি না। অভিনেতারা নিজেরাই অভিনয় করেছেন।এতে অভিনেতাদের নড়াচড়া ধরে নাভির চরিত্রের ওপর স্থানান্তর করা হয়।ক্যামেরন তার ‘পারফরম্যান্স ক্যাপচার’ কৌশল ব্যবহার করেছেন। এতে অভিনেতাদের নড়াচড়া রেকর্ড করে নাভির চরিত্রে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

    -প্রতিক্রিয়া-

    মুক্তির আগে সমালোচকরা সীমিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তবে যেগুলো প্রকাশিত হয়েছে, তা মোটামুটি ইতিবাচক।কিছু মার্কিন সমালোচক সামাজিক মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে মতামত প্রকাশ করেন। বেশিরভাগের মত, ক্যামেরন আরও একবার ভিজ্যুয়াল চমক দেখিয়েছেন। তবে, মূল সমালোচনা হয়েছে চিত্রনাট্য ও আগের দুই ছবির থিমের পুনরাবৃত্তি ঘিরে।এর জবাবে ক্যামেরন হাসতে হাসতে বলেন, আমার জীবনে মাত্র পাঁচটা ভালো আইডিয়া আছে। সেগুলোই প্রতিবার নতুন মোড়কে উপস্থাপন করার চেষ্টা করি।

  • ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসন অবসানের দিন: তারেক রহমান

    ৬ ডিসেম্বর স্বৈরশাসন অবসানের দিন: তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বললেন, “অবিস্মরণীয় একটি দিন ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালের এ দিনে রক্তাক্ত পিচ্ছিল পথে স্বৈরশাসনের অবসান হয়েছিল।”

    ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, “এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ পেশাগত বিশ্বস্ততা ও শপথ ভেঙে অস্ত্রের মুখে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র হত্যা করে জারি করেছিল অসাংবিধানিক শাসন। যে সাংবিধানিক রাজনীতি ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা, যার সূচনা করেছিলেন স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। একনায়ক হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ গণতান্ত্রিক সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেন।”

    তিনি আরও লিখেন, “গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ ৯ বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে আপসহীন নেত্রী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। গড়ে তুলেন এক দুর্বার গণ-আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ’৯০-এর ৬ ডিসেম্বর এই দিনে ছাত্র-জনতার মিলিত শক্তিতে স্বৈরাচারকে পরাজিত করে মুক্ত হয়েছিল গণতন্ত্র।”

    তিনি বলেন, “সেই অর্জিত গণতন্ত্রের চেতনায় আবারও ছাত্রজনতা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এক হিংস্র ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাস্ত করে। ঐতিহাসিকভাবেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ছিল গণতন্ত্রের ভয়ংকর শত্রু। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দুঃশাসনের অবসানের পর আবারও গণতন্ত্রের সম্পূর্ণ পুনরুজ্জীবন এবং রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের নিরলস সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। তারেক রহমান লেখেন, শেখ হাসিনার দুঃশাসনে ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ওপর জেল-জুলুমসহ নানামাত্রিক নিপীড়ন নামিয়ে আনা হয়েছিল। অবিরাম নির্যাতনের কষাঘাতে অসুস্থ দেশনেত্রীর জীবন এখন চরম সংকটে। আল্লাহর কাছে তার আশু-সুস্থতা কামনা করছি। এ ছাড়াও দেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে সীমাহীন অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছিল। সারাদেশকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল।”

    স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে তিনি লেখেন, আজকের এ দিনে আমি ’৮২ থেকে ’৯০ পর্যন্ত রক্তস্নাত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আত্মদানকারী বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ স্মরণীয় দিনে আমি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী গণতন্ত্রের হেফাজতকারী দেশবাসীকে।

    গণতন্ত্র বিরোধী পরাজিত শক্তির যাতে আর পুণরুত্থান না ঘটে সেজন্য গণতান্ত্রিক শক্তিক সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবানও জানান তারেক রহমান।

    প্রসঙ্গত, আজ ৬ ডিসেম্বর, ‘স্বৈরাচার পতন দিবস।’ ১৯৯০ সালের এ দিনে স্বৈরশাসক এরশাদের পতন হয়। দীর্ঘ ৯ বছর সামরিক শাসনের পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য ও রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত আন্দোলনের সাথে দেশের জনগণ সম্পৃক্ত হলে তা গণ-আন্দোলন থেকে গণ-অভ্যুত্থানে রুপ নেয়। সেই গণ অভ্যুত্থানে জেনারেল এরশাদ ৪ ডিসেম্বর পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং ৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

  • বেগম জিয়াকে লন্ডন নেওয়া নিয়ে বিপত্তি—সিদ্ধান্ত রাতে

    বেগম জিয়াকে লন্ডন নেওয়া নিয়ে বিপত্তি—সিদ্ধান্ত রাতে

    অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের ইনটেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ভোরে লন্ডন যাত্রার কথা থাকলেও এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কারিগরি ত্রুটির কারণে ঢাকায় আসতে পারেনি। তাই লন্ডন যাত্রা পিছিয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে রোববারে বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়া হবে। কিন্তু তাতেও বিপত্তি।

    আজ শনিবার সকালে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, “বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেয়া হবে কি না, সে বিষয় রাতে সিদ্ধান্ত দেবে মেডিকেল বোর্ড।”

    এদিকে শুক্রবার প্রফেসর ডা. এ কিউ এম মহসিনের তত্ত্বাবধানে বিএনপি চেয়ারপারসনের এন্ডোস্কোপি সম্পন্ন হয়। এন্ডোস্কোপি রিপোর্ট অনুযায়ী তার পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আল মামুন।

    এর আগে ঢাকাস্থ কাতারের দূতাবাস জানায়, বেগম জিয়াকে নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাবে কাতার সরকার। শুক্রবার পাঠানোর কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে সেদিন পৌঁছায়নি। পরে দূতাবাস থেকে জানানো হয়, জার্মানির এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় আসবে। তবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি জার্মানির কোম্পানি হলেও ভাড়া থেকে শুরু করে যাবতীয় সব ব্যবস্থাপনা করছে কাতার সরকার।

    সূত্রে জানা গেছে, বেগম জিয়াকে লন্ডনে নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত এলেই কাতার আমিরের পক্ষে পাঠানো হবে জার্মানির এয়ার অ‍্যাম্বুলেন্স।

    সবশেষ গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপাসনকে। এরপর থেকে তিনি সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে রয়েছেন বলে জানিয়ে আসছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেনসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। সবশেষ গত ১৩ দিন ধরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন।

  • রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ, আগুনে দগ্ধ এক পরিবার

    রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ, আগুনে দগ্ধ এক পরিবার

    অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর আগারগাঁওয়ের একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের শিশু ও নারীসহ ৬জন দগ্ধ হয়েছেন।

    দগ্ধরা হলেন- মো. জলিল মিয়া (৫০), আনেজা বেগম (৪০), আসিফ মিয়া (১৯), সাকিব মিয়া (১৬), ইভা (৬), ও মনিরা আক্তার (১৭)।

    জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে দগ্ধদের ।

    জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে দগ্ধদের এনে ভর্তি করা হয়।

    দগ্ধদের হাসপাতালে আনা ব্যক্তি জানান, “ভোরের দিকে আগারগাঁওয়ের পাকা মার্কেট ইসলামি ফাউন্ডেশনের পাশে ২০৪/এফ নম্বর বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুন লেগে যায়। পরে আমরা সবাইকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্নে নিয়ে আসি। দগ্ধদের গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলার নলিতাবাড়ী থানার তালুকপাড়া গ্রামে।”

    এ বিষয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, “আগারগাঁও থেকে নারী ও শিশুসহ ৬জন দগ্ধ হয়ে আমাদের এখানে এসেছেন। তাদের ড্রেসিংয়ের কাজ চলছে। এখনো বলা যাচ্ছে না তাদের কত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।”