Category: প্রচ্ছদ

  • গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চাইলো ইসি

    গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চাইলো ইসি

    অনলাইন ডেস্ক:      গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের মতে, নির্বাচনী সফলতার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তুলনায় রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আচরণবিধি মেনে চলা থেকে শুরু করে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় দলগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে কমিশন। বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দিনব্যাপী সংলাপে এসব বিষয় উঠে আসে।

    সকালে প্রথম পর্বে সাতটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি, ইনসানিয়াত বিপ্লব, গণসংহতি আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রতিনিধি দল এতে অংশ নেয়। সংলাপের শুরুতেই নির্বাচন কমিশনের অবস্থান তুলে ধরেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন একা নয়, রাজনৈতিক দলগুলোও জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ।

    সংলাপে সিইসি জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনই সুষ্ঠু ভোটের প্রধান শর্ত। আচরণবিধি তৈরির সময় নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের বিভিন্ন সুপারিশ এবং রাজনৈতিক দল ও নাগরিকদের লিখিত মতামত বিবেচনায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, আচরণবিধি প্রস্তুত করার চেয়ে এটি যথাযথভাবে মানাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নির্বাচনী ভরসা পুনর্গঠনে রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতিই সবচেয়ে জরুরি।

    সিইসি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর বিষয়ে দলগুলোর সহযোগিতা চান। তাঁর ভাষায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও ভোটে বড় ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলোর। দলগুলো আন্তরিক হলে কমিশনকে বাড়তি চাপ নিতে হয় না। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে দলগুলো তাদের কর্মীদের মাধ্যমে জনগণকে ভোট দিতে উৎসাহিত করবে। সিইসি বলেন, গত কয়েকটি নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ভোটবিমুখতা তৈরি হয়েছিল, জনগণের মধ্যে এমন ভাবনাও ছিল যে ভোট আগেই হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি কাটাতে রাজনৈতিক দলের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ চললেও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কাজের কারণে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা শুরু করতে দেরি হয়েছিল। তিনি বলেন, ইআরএসসির সুপারিশ শেষ হওয়ার পরই কমিশন নতুন করে সংলাপ শুরু করেছে এবং সামনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

    এদিকে সংলাপে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দল সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে। কমিশন জানায়, সবার সহযোগিতা থাকলে একটি শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও সবার কাছে স্বীকৃত নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।

  • আপেলের বীজ কতটা বিষাক্ত? চিবিয়ে খেলে কী হতে পারে?

    আপেলের বীজ কতটা বিষাক্ত? চিবিয়ে খেলে কী হতে পারে?

    অনলাইন ডেস্ক:       আপেল খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। পুষ্টিতে ভরপুর এই ফলকে অনেকেই বলেন ‘পাওয়ার হাউজ’। তবে নিয়মিত আপেল খাওয়া স্বাস্থ্যকর হলেও এর বীজ চিবিয়ে খাওয়া বিপদ ডেকে আনতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। ইউরোপিয়ান জার্নাল অব বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেসের তথ্য অনুযায়ী, আপেলের বীজে থাকে অ্যামিগডালিন নামের একটি যৌগ।

    বীজ চিবিয়ে ফেললে এই যৌগ ভেঙে তৈরি হয় হাইড্রোজেন সায়ানাইড, যা উচ্চমাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে, এমন কি মৃত্যু পর্যন্ত। তবে বীজ গিলে ফেললে এই ঝুঁকি নেই। কারণ বীজের শক্ত খোলস ভাঙে না, ফলে অ্যামিগডালিন সক্রিয় হয় না।

    বিপদ হতে হলে বীজকে চূর্ণ করা বা চিবানো জরুরি। গবেষণা বলছে, একটি আপেলে সাধারণত ৫-৮টি বীজ থাকে এবং প্রতিটি বীজে ১-৪ মিলিগ্রাম অ্যামিগডালিন পাওয়া যায়। চিবিয়ে খেলে এর একটি অংশ সায়ানাইডে রূপ নেয় ঠিকই, তবে পরিমাণ এত কম যে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয় না। মানবদেহ অল্পমাত্রার হাইড্রোজেন সায়ানাইড সহজেই নিষ্ক্রিয় করতে পারে। তাই ১-২টি বীজ ভুল করে চিবিয়ে ফেললে চিন্তার কোনো কারণ নেই।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝুঁকি তৈরি হতে গেলে ১০০-২০০টির মতো বীজ চিবিয়ে খেতে হবে, যা বাস্তবে প্রায় অসম্ভব। তাই দৈনন্দিন জীবনে আপেলের বীজ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভুলবশত বীজ গিলে ফেললে দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই।

    বীজ হজম না হয়ে স্বাভাবিকভাবেই শরীর থেকে বের হয়ে যায়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। তাদের শরীর সংবেদনশীল, তাই বীজ চিবানো থেকে বিরত রাখা উচিত। আপেল পুষ্টিকর ও নিরাপদ একটি ফল। এর বীজ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। অল্প কয়েকটি বীজ চিবিয়ে ফেললেও সাধারণত কোনো ক্ষতি হয় না। বিপদের জন্য প্রয়োজন অস্বাভাবিকভাবে অনেক বেশি বীজ চিবানো, যা বাস্তবে ঘটে না। তাই নিশ্চিন্তে আপেল খান, শুধু বীজ চিবানো এড়িয়ে চলুন।

  • এআই ভিডিও; আসল-নকল পার্থক্য করার কিছু টিপস

    এআই ভিডিও; আসল-নকল পার্থক্য করার কিছু টিপস

    অনলাইন ডেস্ক:     বুদ্ধিমত্তার দাপটে এখন এমন ভিডিও বানানো সম্ভব, যেটা দেখে আসল আর নকল আলাদা করা সত্যিই কঠিন। বিশেষ করে ডিপফেক ভিডিও যেখানে কারো মুখ, কণ্ঠ বা পুরো পরিবেশ পর্যন্ত বদলে ফেলা যায়। ফলাফল? মানুষ বিভ্রান্ত হয়, ভুয়া খবর ছড়ায়, আর ব্যক্তিগত মানহানি পর্যন্ত ঘটে। তবে একটু খেয়াল করলেই অনেক সময় বোঝা যায় ভিডিওটি আসল নাকি এআইয়ের বানানো। আসুন জেনে নেই কিভাবে এআই ভিডিও চিহ্নিত করতে পারবেন-

    মুখের অভিব্যক্তি ও লিপ-সিঙ্কে অস্বাভাবিকতা

    এআই-জেনারেটেড ভিডিওতে মুখের নড়াচড়া স্বাভাবিক হলেও ঠোঁটের সঙ্গে কথার মিল অনেক সময় পুরোপুরি ঠিক থাকে না। হাসার সময় চোখের কোণে ভাঁজ না পড়া, মুখের মাংসপেশির অস্বাভাবিক নড়াচড়া, অথবা কথার সময় মুখের ফ্রেম আলাদা মনে হওয়া এসবই ডিপফেকের লক্ষণ হতে পারে।

    চোখের নড়াচড়ায় সমস্যা

    মানুষ স্বাভাবিকভাবে পলক ফেলে, চোখ ঘোরায়, কখনো বড় করে তোলে আবার কখনো ছোট করে। কিন্তু এআই জেনারেটেড ভিডিওতে চোখ অনেক সময় একই দিকে তাকিয়ে থাকে, পলক কম পরে বা অস্বাভাবিকভাবে পরপর পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘অন্যরকম’ চোখের নড়াচড়া ডিপফেক ধরার অন্যতম সহজ উপায়।

    আলো আর ছায়ার অসামঞ্জস্যতা

    আসল ভিডিওতে আলোর উৎস, দিক ও তীব্রতা একরকম থাকে। কিন্তু নকল ভিডিওতে মুখে বা দেহে আলো-ছায়া অস্বাভাবিক দেখায়। মুখের ওপর আলো পড়ছে বাম দিক দিয়ে, কিন্তু ঘাড় বা শরীরে তা ডান দিক থেকে আসছে এমন অসামঞ্জস্যতা ভিডিওটি এআই দিয়ে বানানো হওয়ার ইঙ্গিত।

    অডিও কোয়ালিটিতে সমস্যা

    ডিপফেক ভিডিওতে কণ্ঠস্বর অনেক সময় কৃত্রিম শোনায়। শব্দ একটু রোবোটিক হয়, স্বরলয়ের ওঠানামা স্বাভাবিক নয়, আর শব্দের টোন দ্রুত পরিবর্তন হয়। অনেক সময় ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড বাস্তব পরিবেশের সঙ্গে মিল খায় না যেটা ভুয়া ভিডিওর আরেকটি চিহ্ন।

    শরীরের ভঙ্গি ও অঙ্গভঙ্গিতে অদ্ভুতপনা

    কারও মাথা, হাত বা কাঁধের নড়াচড়ায় আপাতদৃষ্টিতে অস্বাভাবিকতা থাকলে সেটি এআই জেনারেটেড হতে পারে। কখনো দেখা যায় মুখের অভিব্যক্তি আর শরীরের অঙ্গভঙ্গির সাথে মিল নেই-মুখ হাসছে কিন্তু শরীর স্থির, বা শরীর নড়ছে কিন্তু মুখ অবিকল একই রকম।

    ব্যাকগ্রাউন্ডে বিকৃতি বা অদ্ভুত প্যাটার্ন

    এআই ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক সময় ঝাপসা অংশ দেখা যায়, কিছু অবজেক্ট অদ্ভুতভাবে মোচড়ানো থাকে বা মানুষের ছায়া স্পষ্ট হয় না। বিশেষ করে চুল, গয়না, গ্লাস এসব জায়গায় বিকৃতি সাধারণত বেশি দেখা যায়।

    ভিডিওর মেটাডেটা পরীক্ষা

    ভিডিওটি ডাউনলোড করে মেটাডাটা চেক করলে অনেক সময় সফটওয়্যার বা মডেলের তথ্য দেখা যায়। যদি এডিটিং সফটওয়্যার বা জেনারেটিভ টুলের নাম পাওয়া যায়, তাহলে সন্দেহ হওয়াই উচিত। যদিও অনেক সময় নির্মাতারা মেটাডাটা মুছে ফেলেও দেয়।

    ভিডিও সোর্স যাচাই করা

    ভিডিওটি কোথা থেকে এসেছে তা জানা খুব জরুরি। অচেনা পেজ, ফেক অ্যাকাউন্ট বা সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে আসা ভিডিও হলে তা যাচাই না করা পর্যন্ত বিশ্বাস করা ঠিক নয়। একই ভিডিও অন্য নির্ভরযোগ্য মিডিয়াতে পাওয়া যায় কি না সেটাও দেখতে হবে।

    রিভার্স ভিডিও সার্চ ব্যবহার করা

    গুগল বা বিশেষ এআই-ডিটেকশন টুল দিয়ে ভিডিওর একটি ফ্রেম সার্চ দিলে বোঝা যায় এটি আগে কোথায় ব্যবহার হয়েছে। যদি অন্য কোনো ভিন্ন ঘটনাতে একই ফ্রেম পাওয়া যায়, তাহলে এটি নিঃসন্দেহে নকল।

    এআই ডিটেকশন টুল ব্যবহার করা

    এখন অনেক অনলাইন টুল রয়েছে যা ভিডিও বিশ্লেষণ করে বলে দেয় সেটি ডিপফেক কিনা। যেমন- ডিপওয়্যার স্ক্যানার, হাইভ মোডারেশন, ইনটেল ফেকক্যাচার ইত্যাদি। এগুলো ভিডিওর ফ্রেম, মুখের নড়াচড়া এবং ভিজ্যুয়াল সিগন্যাল বিশ্লেষণ করে ফল দেয়।

  • অবশেষে পর্দায় আসছে ‘ব্ল্যাক প্যান্থার থ্রি’

    অবশেষে পর্দায় আসছে ‘ব্ল্যাক প্যান্থার থ্রি’

    বিনোদন ডেস্ক:     সিনেমাটিক ইউনিভার্স -এর ভক্তদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’-এর তৃতীয় কিস্তি আসছে, তা এক প্রকার নিশ্চিত করে দিলেন পরিচালক রায়ান কুগলার। সম্প্রতি ‘সিনার্স’ ছবির প্রচারের ফাঁকে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। যখন তৃতীয় কিস্তি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন, তখন তিনি বলেন, ‘হয়তো তোমার জায়গায় থাকলে আমি বলতাম, ‘আমি পুরোপুরি হ্যাঁ-ও বলছি না, আবার না-ও করছি না’। তবে এই বিষয়টি নিয়ে আমরা সবাই মিলে জোরদার চেষ্টা চালাচ্ছি।

    এটা আমাদের আগামী ছবি।’ এই ছবির মাধ্যমে কিংবদন্তি অস্কারজয়ী অভিনেতা ডেনজেল ওয়াশিংটন হয়তো মার্ভেল ইউনিভার্সে পা রাখতে চলেছেন। কিছুদিন আগেই ডেনজেল নিজে জানিয়েছিলেন, কুগলার নাকি তার জন্য ‘ব্ল্যাক প্যান্থার ৩’-এর একটি চরিত্র লিখছেন।

    পরে কুগলারও সেই গুঞ্জন নিশ্চিত করে বলেন, ‘ডেনজেলের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। যদি উনি এই ছবির জন্য আগ্রহী হন, তাহলে তো হবেই এই ছবি।’ ২০১৮ সালে চ্যাডউইক বোসম্যানের নেতৃত্বে প্রথম ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর এটি শুধু একটি সিনেমা থাকেনি, বরং আফ্রো-ফিউচারিস্টিক ডিজাইন, ওয়াকান্ডার রাজনীতি এবং টি’চালার আইকনিক চরিত্রের কারণে এটি পরিণত হয়েছিল একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লবে।

    তবে ২০২০ সালে চ্যাডউইকের অকালপ্রয়াণ গোটা মার্ভেল টিমের জন্য বিশাল ধাক্কা ছিল। তার অনুপস্থিতিতে তৈরি হয় ‘ব্ল্যাক প্যান্থার: ওয়াকান্ডা ফরএভার’, যেখানে শুরি (লেটিশিয়া রাইট) ভাইয়ের উত্তরাধিকার রক্ষা করে নতুন ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ হিসেবে আবির্ভূত হন এবং রামোন্ডার মৃত্যু গল্পে আবেগের বন্যা নিয়ে আসে।

  • দেশের কিছু স্থানে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে

    দেশের কিছু স্থানে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে

    অনলাইন ডেস্ক:    সারাদেশের কোথাও কোথাও ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।আজ (মঙ্গলবার) ভোর ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

    আগামী ২২ নভেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এবং এটি ঘনীভূত হতে পারে।আজ ভোর ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮১ শতাংশ।

    গতকাল (সোমবার) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ফেনীতে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ১২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৬টা ১৬ মিনিটে।

  • পলাতক ও দণ্ডিত আসামিদের বক্তব্য প্রচারে এনসিএসএ’র সতর্কতা

    পলাতক ও দণ্ডিত আসামিদের বক্তব্য প্রচারে এনসিএসএ’র সতর্কতা

    অনলাইন ডেস্ক:   দেশের বিভিন্ন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মে পলাতক ও দণ্ডিত আসামিদের দেওয়া মিথ্যা বক্তব্য প্রচারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ)। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।সোমবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এনসিএসএ জানায়, গত এক সপ্তাহ ধরে এসব মিথ্যা  বক্তব্য জাতীয় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ন করেছে এবং এখনো করছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, কিছু ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক এমন বক্তব্য প্রচার করছে, যা সহিংসতা তৈরি করছে, জনমনে সহিংসতার উদ্বেগ সৃষ্টি করছে এবং ব্যাপক বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করছে ।এনসিএসএ জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায় দিয়েছেন ।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দুটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত। দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

    এই প্রেক্ষাপটে এনসিএসএ জানায়, দেশের আদালতে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য ও বিবৃতি প্রচার দেশের সার্বিক সামাজিক স্থিতিশীলতা (সোশ্যাল হারমনি) নষ্ট করছে। বিবৃতিতে এ ধরনের বক্তব্যে সহিংসতার আহ্বান থাকায় এগুলো সহিংসতা উসকে দিচ্ছে, বিশৃঙ্খলা, নাশকতা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্ররোচনা দিচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়।

    সাইবার সিকিউরিটি অর্ডিন্যান্স ২০২৫-এর ২৬(১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে, জেনেু বুঝে বা ভুয়া পরিচয়ে নিজের বা অন্যের আইডিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে সাইবার জগতে ঘৃণামূলক বক্তব্য প্রকাশ বা প্রচার করে যা সহিংসতা সৃষ্টি করে বা উদ্বেগ বাড়ায়, অথবা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কাজের নির্দেশনা দেয় তাহলে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।২৬(২) ধারায় বলা হয়েছে, এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।

    এ কারণে এনসিএসএ সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সতর্ক করে বলেছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা প্রয়োজনীয় তথ্য বা বক্তব্য অপসারণ, ব্লক বা প্রয়োজন হলে স্থানান্তরের ব্যবস্থা নিতে পারে। এনসিএসএ মহাপরিচালকের মাধ্যমে এসব ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।প্রয়োজনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করা যেতে পারে।