Category: প্রচ্ছদ

  • আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে: জামায়াত আমির

    আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে: জামায়াত আমির

    অনলাইন ডেস্ক:    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে। শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠির নেছারাবাদ মাদ্রাসা ময়দানে জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান সতর্ক করে বলেন, “বিগত দিনের মতো কেউ ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং বা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। আমাদের লড়াই সব জুলুম, ফ্যাসিবাদ ও জাতিকে বিভক্ত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অব্যাহত থাকবে। ইসলামের পক্ষে সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।” তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন হবে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক। জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে, কোনো পেশি শক্তি ব্যবহার করা হবে না। কোনো গোষ্ঠী যদি ভোট কাটার চেষ্টা করে, জনগণ তাদের প্রতিহত করবে।

    সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, “ইসলামী দলগুলো এক হতে পারলে এবং ভোটের বাক্স সম্মিলিতভাবে খোলা যায়, তাহলে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে।” খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিদ আজাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামালও বক্তব্য রাখেন।

    বক্তারা সকল ইসলামী রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তাদের মতে, ঐক্যবদ্ধ হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত এবং দেশের দিকনির্দেশ নির্ধারণ করবে জনগণ ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী শক্তিগুলো।

    নেছারাবাদী হুজুর মাওলানা খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। নেছারাবাদ দরবার শরীফের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত এই জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতারা একত্রিত হয়ে ভোট ও নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

  • দেশে তীব্র হচ্ছে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানির শঙ্কা

    দেশে তীব্র হচ্ছে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানির শঙ্কা

    অনলাইন ডেস্ক:      দেশে দিন দিন তীব্র হচ্ছে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তা আরো তীব্র হওয়ার শঙ্কা বাড়ছে। জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেএকটি পক্ষ। তারা নির্বাচনের আগে দেশকে অস্থিতিশীল করতে তারা নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেজন্য প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম ঢুকছে দেশে। আর ওসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ নির্বাচন বানচালে ব্যবহার হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরকের বিষয়েরাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি দল বনলতা এঙ্প্রেস ট্রেনে অভিযান চালায়। ওই সময় একটি বগি থেকে ৮টি বিদেশি পিস্তল, ১৪টি ম্যাগাজিন, ২৬ রাউন্ড গুলি, ২.৩৮৭ কেজি গান পাউডার এবং ২.২২৮ কেজি প্লাস্টিক বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। ওসব গান পাউডার ও প্লাস্টিক বিস্ফোরক দিয়ে ককটেল ও হাতবোমা তৈরি করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন আন্দোলনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হয়েছিল৫ হাজার ৭৬৩টি অস্ত্র। তার মধ্যে এখনো উদ্ধার হয়নিএক হাজার ৩৪২টি অস্ত্র। একই সময়ে লুট হয়েছিল ৬ লাখ ৫২ হাজার ৮টি গোলাবারুদ। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭২১টি উদ্ধার করা হলেও এখনো ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৮৭টি গোলাবারুদ উদ্ধার করা যায়নি। তাছাড়াও বিভিন্ন সময় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ হচ্ছে। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ সদর দফতরবিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে।

    সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকেচোরাচালানের মাধ্যমে সীমান্তপথে দেশে আসছেএসএমজির মতো প্রাণঘাতী অস্ত্রসহ রাইফেল, মর্টারশেল, পিস্তল, গুলি ও ভয়ংকর বিস্ফোরক। তার কিছু অংশ ধরা পড়লেও বেশির ভাগই দেশের নানা প্রান্তে চলে যাচ্ছে। আর পুরস্কার ঘোষণা করেও জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গোলাবারুদের মধ্যে এখনো ২৫ শতাংশ উদ্ধার হয়নি। ওসব অস্ত্র নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।তাছাড়া গত তিন মাসে রাজধানীতে অন্তত দুই শতাধিক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ঘটেছে। আর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের অন্তত তিন হাজারের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছেককটেল, বিস্ফোরক ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র।

    সূত্র আরো জানায়, মিয়ানমারের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মাধ্যমে কঙ্বাজার ও টেকনাফ দিয়ে দেশে অস্ত্র আসছে। ওসব অস্ত্র আনার পেছনে রয়েছে রোহিঙ্গা চক্রের সদস্যরা। সামপ্রতিক সময়ে মিয়ানমার থেকে যেভাবে অস্ত্র ঢ়ুকছে। অথচ কয়েক বছর আগেও তা ছিল না। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ২৭১ কিলোমিটারের সাতটি পথে পাচারকারীরা অস্ত্র আনছে। গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ১১৪টি অস্ত্র, এক হাজার ৭২৫ রাউন্ড গুলি, ৩৯টি ম্যাগাজিন, ৯টি মর্টারশেল ও ১১টি গ্রেনেড জব্দ করা হয়েছে বিজিবি। তার মধ্যে দুটি এসএমজি, ১২টি রাইফেল, ২টি রিভলভার, ৩৬টি পিস্তল এবং অন্যান্য অস্ত্র ৬২টি। ওই অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত রয়েছে অন্তত পাঁচটি সংঘবদ্ধ চক্র।তাছাড়া মাদক চোরাচালানের পাশাপাশি মানবপাচারকারী চক্রও যুক্ত হয়েছে অস্ত্র ব্যবসায়। ফলে সীমান্ত পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে। যদিও সীমান্তে বিজিবি অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং গত তিন মাসে ২২টির বেশি দেশি-বিদেশি অস্ত্রের চালান আটক করা হয়েছে।

    এদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিবেশী দেশ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাংলাদেশে আসার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাশুধু নির্বাচনি পরিবেশকেই অস্থিতিশীল করবে না, বরং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাবে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা ক্ষমতার রূপান্তরের সময়কে লক্ষ্য করে অতীতেও কিছু গোষ্ঠী সীমান্ত ব্যবহার করে অস্ত্র ও বিস্ফোরক ঢোকানোর চেষ্টা করেছে। ওই ধরনের প্রবণতা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য বড় সতর্কবার্তা। নির্বাচন কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে এখনই কঠোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাব ও পুলিশকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

    অন্যদিকে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় নজরদারি ও আগাম তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত আছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড, নাশকতা বা সংঘর্ষের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়াও পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

  • ভারত আমার মায়ের জীবন বাঁচিয়েছে, প্রত্যর্পণে সাড়া দেবে না: জয়

    ভারত আমার মায়ের জীবন বাঁচিয়েছে, প্রত্যর্পণে সাড়া দেবে না: জয়

    অনলাইন ডেস্ক:      ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বাংলাদেশের অনুরোধ ভারত মেনে নেবে না বলে মনে করেন তার ছেলে, আওয়ামী লীগ নেতা সজীব ওয়াজেদ জয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া থেকে বুধবার ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারত সবসময়ই ভালো বন্ধু, আর এই সংকটের সময় ভারত মূলত আমার মায়ের জীবন বাঁচিয়েছে। তিনি যদি বাংলাদেশ না ছাড়তেন, তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের। তাই আমার মায়ের জীবন রক্ষার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।”

    ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ ও আন্দোলনের পর দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। সেসময় হত্যার আদেশ, উসকানি এবং সহিংসতা বাস্তবায়নের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিচার শুরু হয়। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্দোলনের সময় প্রায় ১,৪০০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। গত ১৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ওই রায়ে মন্তব্য করেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যার্পণে ভারতকে পুনরায় চিঠি পাঠাবে অন্তর্বর্তী সরকার।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়, তারা যেন অবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত দু’জনকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করে। বিবৃতিতে বলা হয়, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল অপরাধী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়া অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞা।”

    ভারত সরকার জানান, “বাংলাদেশের ট্রাইব্যুনালে রায়ের বিষয় জেনে আমরা নিকট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের সর্বোচ্চ স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে আমরা সব অংশীদারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে সম্পৃক্ত থাকব।”

    সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, “আমি মনে করি নয়াদিল্লি খুব ভালোভাবে জানে এই প্রত্যর্পণ অনুরোধ কীভাবে সামলাতে হয়। আমি বিশ্বাস করি না ভারত সরকার এ ধরনের বেআইনি অনুরোধে সাড়া দেবে। এ নিয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই, কারণ আমি ভারতের গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের ওপর আস্থা রাখি।”

    জয় তার মায়ের ২০২৪ সালের বাংলাদেশ ত্যাগের প্রেক্ষাপটও ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, “আমার মায়ের জীবন রক্ষা করতে ভারত সাহায্য করেছে। আমাদের সরকার বিক্ষোভ সামাল দিতে চেষ্টা করেছিল, তবে শুরুতে কিছু ভুল ব্যবস্থাপনা হয়েছিল। পরবর্তীতে সহিংসতার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও ছিল। অনির্বাচিত সরকার দেড় বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে সবকিছু অগণতান্ত্রিকভাবে হয়েছে।”

    সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেন, বিক্ষোভ চলাকালে জামাত-নামধারী উগ্র সংগঠনগুলো, এমনকি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা, সহিংসতা উৎসাহিত করেছিল। তিনি বলেন, “অবশ্যই অস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছিল, এবং এর উৎস উপমহাদেশ ছাড়া সম্ভব নয়, যা সম্ভবত পাকিস্তানের আইএসআই।”

    উল্লেখ্য, জয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া রায় অস্বীকার করেন এবং বলেন, তার মাকে আদালতে “আত্মপক্ষ সমর্থনের ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হয়নি।”

  • মূসক আইনের অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশ

    মূসক আইনের অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশ

    অর্থনীতি ডেস্ক: মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আইনের অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ (বৃহস্পতিবার) এনবিআর থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর আইন, ২০১২, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এবং আয়কর আইন, ২০২৩ এর অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট (Authentic English Text) সরকারি গেজেট নোটিফিকেশন আকারে প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

    এই আইন তিনটির অধীন প্রনীত বিধিমালার অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট না থাকায় দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারী, পেশাদার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষক ও বিশ্লেষকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

    বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের রাজস্ব সংক্রান্ত আইনের বিধিবিধান বিচার-বিশ্লেষণ এবং তা যথাযথভাবে অনুধাবন করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তার জন্য এ সংক্রান্ত সকল আইনের অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট জরুরী।

    ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৪ এবং কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ বাতিল করে ২০২৩ সালে আয়কর আইন, এবং কাস্টমস আইন প্রণয়নের পর থেকেই দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা রাজস্ব বিষয়ক মৌলিক এ আইন তিনটির অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট প্রকাশের জোর দাবী জানান।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন নিরলসভাবে কাজ করে আইনগুলোর ইংরেজী ভার্সন চূড়ান্ত করে। পরে পৃথক কমিটির মাধ্যমে কয়েক দফা রিভিউ করে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়।

    লেজিসলেটিভ বিভাগ সময় নিয়ে অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইন তিনটির ইংরেজী ভার্সনে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করে ভেটিং চূড়ান্ত করে। এরপর বিজি প্রেস হতে গেজেট নোটিফিকেশন আকারে প্রকাশ করা হয়।

    গত ১৬ অক্টোবর আয়কর আইন, ২০২৩ এর অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট SRO No-404-Law/২০২৫ এর মাধ্যমে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনে ÔIncome Tax Act, ২০২৩’ আকারে প্রকাশিত হয়।

    এরপর ১৩ নভেম্বর মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট SRO No-440-Law/২০২৫/৩২৬-Mushak এর মাধ্যমে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনে ÔValue Added Tax and Supplementary Duty Act, ২০১২’ আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

    একই দিন কাস্টমস আইন, ২০২৩ Authentic English Text SRO No-441-Law/২০২৫ এর মাধ্যমে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনে ÔCustoms Act, ২০২৩’ আকারে প্রকাশ করা হয়।

    এর আগে, গত ১০ নভেম্বর SRO নং-৪৩৯-আইন (অনুবাদ)/২০২৫ এর মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনে ÔValue Added Tax and Supplementary Duty Rules, ২০১৬’ আকারে প্রকাশিত হয়।

    মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এবং আয়কর আইন, ২০২৩ এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর Authentic English Text সরকারি গেজেটে প্রকাশের ফলে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, কাস্টমস আইন এবং আয়কর আইনের বিধি-বিধান সম্পর্কে যথাযথভাবে জানতে পারবেন। এতে রাজস্ব সংক্রান্ত আইনের প্রতি করদাতাদের আস্থাও বাড়বে।

    অথেন্টিক ইংলিশ টেক্সট সরকারি গেজেটে প্রকাশের ফলে আইনগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে অস্পষ্টতা ও দ্ব্যর্থবোধকতা দূর হবে এবং দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নতিতে সহায়তা করবে।

    আইন তিনটির ইংরেজী ভার্সন প্রণয়নে শতভাগ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করায় আয়কর ও কাস্টমস ক্যাডারে কর্মরত মেধাবী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

    এ কাজে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য বিশ্ব ব্যাংকসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঋণও স্বীকার করছে এনবিআর।

  • তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় আস্থা দেখছেন আমীর খসরু

    তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় আস্থা দেখছেন আমীর খসরু

    অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের রায়কে দেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা হিসেবে দেখছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার মতে, এই রায় কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তনের বার্তা নয়, বরং দীর্ঘদিনের আন্দোলনের বাস্তব সাফল্যের প্রতিফলন। তিনি বিশ্বাস করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব, যা গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনবে।

    বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি মেডিকেল ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফের এসেছে, তাই এর কাঠামো এবং বাস্তবায়নের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বাড়বে। তার বক্তব্যে ছিল আত্মবিশ্বাস, এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশে বহু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং এবারও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ পরিষ্কার হবে।

    এই রায়কে বিএনপির আন্দোলনের ফসল হিসেবে বর্ণনা করে আমীর খসরু বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না থাকায় দেশের মানুষকে বহু ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো এখন নতুন করে নিজেদের দর্শন ও লক্ষ্য ব্যাখ্যা করছে, সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনগণের কাছে বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তিনি বারবার তুলে ধরেন। তার ভাষায়, অনির্বাচিত সরকারের অধীনে দেশ কতটা পিছিয়েছে, তা এখন জনসমক্ষে পরিষ্কার। জনগণের রায় নিয়ে প্রশাসন পরিচালনার মধ্যে যে স্বচ্ছতা থাকে, তা জোর করে ক্ষমতায় থাকা সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়।

    এদিন সকালেই প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করার যে রায় ছিল, সেটির পুনর্বিবেচনা থেকে উঠে আসা আপিল শুনানি শেষে সর্বোচ্চ আদালত সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত দেন। বিচারপতিরা স্পষ্ট করেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, আর চতুর্দশ নির্বাচন থেকে কার্যকর হবে পূর্ণাঙ্গ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা।

    রায় ঘোষণার পর বিএনপি নেতাদের প্রতিক্রিয়া ছিল স্বস্তির। তাঁদের মতে, দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা দূর করতে এই সিদ্ধান্ত একটি ভিত্তি স্থাপন করবে। নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত করার যে দাবিতে আন্দোলন চলছিল, এই রায় সেই দাবির ন্যায়সঙ্গত স্বীকৃতি।

    সমগ্র ঘটনার প্রেক্ষাপটও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০১১ সালের ১০ মে তৎকালীন আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে। এর পর রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক মহলের উদ্বেগ তৈরি হয়। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ২০২৫ সালের রায় আবারও নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকারের বৈধতা ফিরিয়ে দিল। বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত দেশে রাজনৈতিক আস্থা পুনর্গঠনের সুযোগ তৈরি করবে।

    আলোচনা এখন ঘুরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো কী হবে, কোন মডেল অনুসরণ করা হবে, সে প্রশ্নে। তবে রায়ের পর বিএনপি ও বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরে যে নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছে, তা দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরল সংবিধানে, কার্যকর হবে চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরল সংবিধানে, কার্যকর হবে চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে

    অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আবারও সংবিধানে ফিরল আপিল বিভাগের রায়ে। বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ সংশোধনীর বৈধতা বহাল রেখে সর্বোচ্চ আদালত স্পষ্ট করেছে, সামনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে, আর তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা কার্যকর হবে চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে।

    প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারকের পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর রায় ঘোষণা করে। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মো. রেজাউল হক, এস এম ইমদাদুল হক, এ কে এম আসাদুজ্জামান ও ফারাহ মাহবুব এই বেঞ্চের অন্য সদস্য ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতকক্ষ ছিল আইনজীবী ও সাংবাদিকে পূর্ণ।

    রায়ের পটভূমিতে দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময়ের আইনি লড়াই রয়েছে। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার সংবিধানে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যুক্ত করে, যার অধীনে ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচন হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আপিল বিভাগ সংশোধনীটি বাতিল ঘোষণা করলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার সমাপ্তি ঘটে এবং একই বছরের ৩০ জুন সংসদে পাস হয় পঞ্চদশ সংশোধনী।

    সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক ধারা বাদ পড়ার পরই নানা রাজনৈতিক বিতর্ক, বর্জন আর সংকট দেখা দেয়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধীদলগুলোর দাবি আরও জোরালো হয়। সরকার পরিবর্তনের পর গত বছরের ৫ আগস্ট সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি রিভিউ আবেদন করেন। এরপর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেনও পৃথকভাবে রিভিউ আবেদন করেন।

    আদালত গত ২১ অক্টোবর থেকে টানা ১০ দিনের শুনানি শেষে ২০ নভেম্বর রায় দেয়। রায়ে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের আপিল বিভাগের রায়টি স্পষ্ট ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং তা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হলো। এর ফলে সংবিধানের চতুর্থ ভাগের পরিচ্ছদ ২ (ক)-এ থাকা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান পুনরুজ্জীবিত হলো।

    রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের পথ তৈরি হলো। তার ভাষায়, “এই রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফেরত এসেছে, মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে।”

    রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান আদালতে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায় সমাজে গভীর ক্ষত তৈরি করেছিল। মৃত ব্যক্তির ভোট দেওয়া, অনিয়ম, প্রশাসনিক অস্থিরতা—সব তৈরি হয়েছিল সে সিদ্ধান্তের ফলে।

    বিচারাধীন থাকা এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আবারও সামনে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার গুরুত্ব। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার ভিত্তি রচনা করে। এরপর সেনানিয়ন্ত্রিত ২০০৭–২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং ২০০৬ সালের সংকটও রাজনৈতিক দলগুলোকে বারবার টেনে আনে এই ব্যবস্থার আলোচনায়।

    নতুন রায় অনুযায়ী, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ভবিষ্যৎ দৃশ্যপটে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলবে চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে কার্যকর হতে যাওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা।