Category: প্রচ্ছদ

  • ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দোয়া চাইলেন শাকিব

    ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দোয়া চাইলেন শাকিব

    বিনোদন ডেস্ক:    চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দোয়া চেয়েছেন ঢালিউড তারকা শাকিব খান। রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক মাধ্যম ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তার আরোগ্য কামনা করেন তিনি।

    পোস্টে শাকিব খান লিখেছেন, ইলিয়াস কাঞ্চন, আমাদের প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই— যার জীবনটাই এক আন্দোলনের প্রতীক, এক আলোর যাত্রা। রূপালি পর্দায় তিনি সবার ভালোবাসার নায়ক, বাস্তব জীবনে মানবতার সৈনিক। কাঞ্চন ভাই আজ দূর লন্ডনে চিকিৎসাধীন, এক নিঃশব্দ লড়াইয়ের পথে।

    তিনি আরও লিখেছেন, দেশের কোটি মানুষের প্রার্থনা রয়েছে তার সঙ্গে, যেন আবার তিনি ফিরে আসেন আগের মতো উদ্যমী, হাস্যোজ্জ্বল, প্রেরণাদায়ী একজন মানুষ হয়ে। মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি— কাঞ্চন ভাইকে দ্রুত আরোগ্য দান করুন; তার জীবন হোক আরও সুস্থ ও শান্তিময়। আমরা সবাই কাঞ্চন ভাইয়ের পাশে আছি ভালোবাসা ও দোয়ার বন্ধনে।

    প্রসঙ্গত, ইলিয়াস কাঞ্চন ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। তিনি সাত মাস ধরে অসুস্থ। গত ছয় মাস ধরে লন্ডনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

  • ৫ কারণে দাম বাড়ছে স্বর্ণের

    ৫ কারণে দাম বাড়ছে স্বর্ণের

    অর্থনীতি ডেস্ক:  দেশে স্বর্ণের দাম পৌঁছেছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। বিশ্বের বাজারেও চলছে এক অভূতপূর্ব উর্ধ্বগতি—আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স (২৮.৩৪৯৫ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৪,০০০ ডলার। এর প্রভাবে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সর্বশেষ দেশের বাজারে প্রতি ভরির (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম বাড়িয়ে করেছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    নিচে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পেছনে থাকা পাঁচটি প্রধান কারণ তুলে ধরা হলো—

    ১. বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের ঝড়

    বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের দামের উর্ধ্বগতি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমার প্রত্যাশা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ব্যাপক স্বর্ণ ক্রয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার স্পট গোল্ডের দাম দাঁড়ায় প্রতি আউন্সে ৪,০৩৭.৯৫ ডলার (প্রায় ৪ লাখ ৯১ হাজার টাকা), যা এই ধাতুর শক্তিশালী বাজার প্রবণতাকে নির্দেশ করে।

    ২. অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ আশ্রয়

    অর্থনৈতিক মন্দা বা মুদ্রাস্ফীতির সময় বিনিয়োগকারীরা সাধারণত নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকে পড়েন। কারণ, এমন সময়ে স্বর্ণ তার মূল্য ধরে রাখতে পারে বা আরও বাড়ায়।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে ইসরাইল-গাজা সংঘাত—বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা দ্রুত স্বর্ণের দিকে ঝুঁকেছেন।

    আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈশ্বিক বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করলে স্বর্ণের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। পরে আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়ে প্রেসিডেন্টের সমালোচনার পর দাম আবারও উর্ধ্বমুখী হয়।

    ৩. কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার হার বৃদ্ধি

    ২০২২ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো প্রতিবছর ১,০০০ টনেরও বেশি স্বর্ণ কিনছে, যা ২০১০–২০২১ সালের গড় ৪৮১ টনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর পোল্যান্ড, তুরস্ক, ভারত, আজারবাইজান ও চীন ছিল স্বর্ণ ক্রয়ে শীর্ষে।

    ৪. টাকার মান হ্রাস

    বাংলাদেশ সরাসরি বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ আমদানি না করলেও স্থানীয় বাজার বিশ্ববাজারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আন্তর্জাতিক দামের পাশাপাশি টাকার অবমূল্যায়নও স্থানীয় স্বর্ণের দামে প্রভাব ফেলছে।

    ২০২১ অর্থবছর থেকে এখন পর্যন্ত টাকার মান মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রায় ৪৩ শতাংশ কমেছে। ফলে আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে।

    বর্তমানে স্বর্ণের বড় অংশ বিদেশফেরত যাত্রীদের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের লাগেজ রুলসের আওতায় দেশে আসে।

    ৫. সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি

    বাংলাদেশে প্রতিবছর ২০ থেকে ৪০ টন স্বর্ণের চাহিদা থাকে। এর প্রায় ৮০ শতাংশই আসে অনানুষ্ঠানিক পথে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে দেশে প্রবেশ করেছে প্রায় ৪৫.৬ টন স্বর্ণ, তবে এটি চাহিদার তুলনায় এখনো কম। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুম ও উৎসবের সময়ে এই ঘাটতি আরও স্পষ্ট হয়।

    অভিযোগ রয়েছে, আমদানিকৃত স্বর্ণের একটি অংশ চোরাপথে ভারতে পাচার হয়। ফলে বাজারে সরবরাহের ঘাটতি তৈরি হয়ে দাম আরও বেড়ে যায়।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, টাকার মান হ্রাস, এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয়প্রবণতা একসঙ্গে মিলে স্বর্ণের বাজারকে এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় নিয়ে গেছে—যা নিকট ভবিষ্যতে কমার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

  • সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  বিগত তিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের বিরত রাখা হবে

    সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিগত তিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের বিরত রাখা হবে

    অনলাইন ডেস্ক:  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের আসন্ন নির্বাচনে বিরত রাখা হবে। তাদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও নিরাপদ করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণসহ একগুচ্ছ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। উপদেষ্টা বলেন,সুষ্ঠু ভোটপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য যে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ব্যক্তি বা গ্রুপকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওসিদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাতে কোন আইন বহির্ভূত কাজ না করে সে বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ সকল ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না ঘটে, সেজন্য নিরাপত্তা বাহিনীর টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা হবে। আপনারা জানেন, এ প্রশিক্ষণ চলছে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রায় দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ২৮টি ব্যাচে তিনদিন মেয়াদী প্রশিক্ষণ সারাদেশে (জেলা, মহানগর ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান) ১৩০টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনের জন্য পুলিশের চূড়ান্ত (৪র্থ পর্যাযের) প্রশিক্ষণ গত ৫ অক্টোবর শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ এ সকল ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, আনসার ভিডিপি সদস্যদের জন্য ‘প্রাক নির্বাচনী প্রশিক্ষণ’ শিরোনামে প্রতি কেন্দ্রে ১৩ জন হারে আনুমানিক ৪৫ হাজার ভোটকেন্দ্রের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৫ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এরমধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার জনকে অস্ত্রসহ ও ৪ লাখ ৫০ হাজার জনকে অস্ত্রবিহীন প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আগামী জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এ প্রশিক্ষণ শেষ হবে।

    উপদেষ্টা বলেন, এবারের নির্বাচনে বিজিবির ১১শ’ প্লাটুনে ৩৩ হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবে। ইতোমধ্যে ৬০% নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বিজিবি’র প্রশিক্ষণ শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তাছাড়া এবারের নির্বাচনে প্রায় ৮০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিতে বিশৃঙ্খলাকারীদের আইনের আওতায় আনায় লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিতে বিশৃঙ্খলাকারীদের আইনের আওতায় আনায় লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের শান্তি ও সুষ্ঠু ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য যে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ব্যক্তি বা গ্রুপকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নকরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা। মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসিদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়ার বিষয় আলোচনা হয়েছে।”

    জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “আজকের সভায় মূলত আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাতে কোনো আইন বহির্ভূত কাজ না করে সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়ার আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তাছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবস্থা করা।”

    ‘গত ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের আসন্ন নির্বাচনে যথাসম্ভব দায়িত্ব প্রদান করা থেকে বিরত থাকা। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না ঘটে, সেজন্য টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা’-উল্লেখ কনে তিনি।

    আপনারা জানেন, এ প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। নির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রায় দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২৮টি ব্যাচে তিনদিন মেয়াদি প্রশিক্ষণ সারা দেশে (জেলা, মহানগর ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান) ১৩০টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে একটি ব্যাচের (৬,৫০০ জন) প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরেকটি (২য়) ব্যাচের (৬,৫০০ জন) প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। নির্বাচনের জন্য পুলিশের চূড়ান্ত। (৪র্থ পর্যায়ের) প্রশিক্ষণ গত ৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সব ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে-বলেন উপদেষ্টা।

  • স্বর্ণের পর রুপার দামেও নতুন ইতিহাস

    স্বর্ণের পর রুপার দামেও নতুন ইতিহাস

    অর্থনীতি ডেস্ক:  বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার পাশাপাশি রুপার দাম পৌঁছেছে কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায়। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রুপার দাম আউন্সপ্রতি ৫০ ডলার ছুঁয়েছে—যা ১৯৮০ সালের পর সর্বোচ্চ।

    তিনি আরও জানান, রুপার দাম বৃদ্ধির আরেকটি কারণ হলো—বিশ্ববাজারে ধাতুটির ঘাটতির কথা শোনা যাচ্ছে। বিনিয়োগের পাশাপাশি সৌর প্যানেলসহ বিভিন্ন শিল্পেও রুপার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিশ্চিত সময়ে স্বর্ণ ও রুপা—উভয়ই নিরাপদ বিনিয়োগের আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।

    এদিকে, মার্কিন ডলার প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে আবারও শক্তিশালী হচ্ছে। ২০২৫ সালের বেশিরভাগ সময় দুর্বল থাকার পর এখন ডলারের পুনরুদ্ধার শুরু হয়েছে। কনভেরা নামের এক বিশ্লেষণ সংস্থা জানিয়েছে, ফ্রান্সের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও জাপানের নরম আর্থিক নীতির কারণে বিদেশি মুদ্রাবাজারে ডলার পুনরায় গতি পাচ্ছে।

    শেয়ারবাজারে বৃহস্পতিবার মিশ্র প্রবণতা দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কার্যক্রম বন্ধ (শাটডাউন) থাকায় নতুন অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ ছিল কোম্পানিগুলোর ত্রৈমাসিক ফলাফলের দিকে।

    সফট ড্রিংকস ও স্ন্যাকস প্রস্তুতকারী জায়ান্ট পেপসিকোর শেয়ার ৪.২ শতাংশ বেড়েছে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো বিক্রির কারণে। একইভাবে, ডেলটা এয়ারলাইনসের শেয়ারও ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে শক্তিশালী মুনাফা ও ভ্রমণচাহিদার আশাবাদী পূর্বাভাসে।

    অন্যদিকে, বোয়িংয়ের শেয়ার ৪.১ শতাংশ কমেছে। ইউরোপে, ফ্রান্সের শেয়ারবাজার সামান্য নিম্নমুখী হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ নতুন প্রধানমন্ত্রী খুঁজতে ব্যস্ত, সাবেক প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নুর পদত্যাগ রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর করেছে। তবে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের ডিএএক্স সূচক নতুন রেকর্ড গড়েছে।

    ইতালির ফেরারির শেয়ার ২০১৬ সালের পর সবচেয়ে বড় পতনের মুখে পড়েছে—একপর্যায়ে প্রায় ১৫ শতাংশ নিচে নামে। কোম্পানিটির ২০৩০ সালের আর্থিক পূর্বাভাস বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে।

    এশিয়ায়, জাপানের টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জ ১.৮ শতাংশ বেড়ে বন্ধ হয়। সম্প্রতি জাপানের শাসকদলের নতুন নেতা হিসেবে ব্যবসাবান্ধব সানায়ে তাকাইচি দায়িত্ব নেওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

  • জাতীয় পার্টির কর্মী সমাবেশ পণ্ড

    জাতীয় পার্টির কর্মী সমাবেশ পণ্ড

    রাজনীতি ডেস্ক:   রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ডাকা কর্মী সমাবেশ ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় দলটির নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পুলিশ। পানি ছোড়া হয় জলকামান থেকেও।আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া, দলীয় প্রতীক নিয়ে ‘ষড়যন্ত্র’সহ সার্বিক বিষয়ে শনিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের জরুরি সভা ডাকেন।

    এ দিন বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।এর আগে ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে শুরু হয় কর্মী সমাবেশ। মঞ্চে উপস্থিত হন জি এম কাদের, শামীম হায়দার পাটোয়ারীসহ প্রথম সারির নেতারা। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে যোগ দেন নেতাকর্মীরা।চারপাশে মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ।

    জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করার পরও পুলিশ তাদের সমাবেশ করতে দেয়নি। সমাবেশে বক্তব্য চলাকালীন হঠাৎ করে পুলিশ জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপ করে। এ সময় কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে নেতাকর্মীদের অভিযোগ।

    রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমরা তাদের সমাবেশ করতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তারা সমাবেশ শুরু করে। সমাবেশ ঘিরে যেন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছি।’