অনলাইন ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।তবে বৈঠকের আলোচনার বিষয়বস্তু বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কিনা, তা এখনো জানা যায়নি।
Category: প্রচ্ছদ
-

বহুমুখী পরিবহণ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার
অনলাইন ডেস্ক: সরকার কৌশলগত উদ্যোগ হিসেবে একটি বহুমুখী পরিবহণ পরিকল্পনা গ্রহণে কাজ করছে। এর লক্ষ্য সারা দেশে সমন্বিত ও কার্যকর জাতীয় পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। পরিকল্পনা অনুযায়ী সড়ক, রেল ও নৌপথের সমন্বয়ে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ী পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মঈনুদ্দিন জানিয়েছেন, পরিকল্পনার খসড়া তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আমাদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরিবহণ পরিকল্পনার প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হবে।’তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা প্রণয়নের নেতৃত্বে রয়েছে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়। এতে বিদ্যমান রুটগুলোর মানচিত্র তৈরি, পণ্য ও যাত্রী চলাচলের তথ্য সংগ্রহসহ ব্যাপক ডাটা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে অবকাঠামোগত ঘাটতি চিহ্নিত করা, বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং সবচেয়ে কার্যকর পরিবহণ মাধ্যম বাছাই করা হবে।শেখ মঈনুদ্দিন জানান, পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও বিশ্বব্যাংককে যুক্ত করা হয়েছে।তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো উন্নত দেশগুলোর পরিবহণ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে পরামর্শ দিতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনার চলমান ধাপে সড়ক, রেল ও নৌপথের সমন্বয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের বন্দর, স্থানীয় বাণিজ্যকেন্দ্র, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল ও পর্যটনের মত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় এলাকাগুলোকে সংযুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে বিমান খাতকে এখনো পুরোপুরি এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, বিশেষ করে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে। কারণ, খাতটিকে এখনো বিকাশমান পর্যায় হিসেবে ধরা হচ্ছে।
তিনি বলেন, পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য শক্তিশালী ও সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা। যাতে ভবিষ্যতের সব অবকাঠামো প্রকল্প এই মাস্টারপ্লানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়িত হয়।শেখ মঈনুদ্দিন বলেন, পরিবহণ খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা সমন্বয়ের অভাব।এ সমস্যা দূর করতে নৌপরিবহণ, সড়ক ও জনপথ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং বিমান পরিবহণসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে এক ছাতার নিচে এনে পরিচালনার প্রস্তাব দেন প্রধান উপদেষ্টার এই বিশেষ সহকারী।অতীতে পরিকল্পনার ঘাটতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণের পর যাত্রীদের জন্য কোনো সরকারি গণপরিবহণ নেই। ফলে যাত্রীদের অনেক দূর হেঁটে গিয়ে গাড়ি ভাড়া করতে হয়।তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে এ সমস্যার সমাধানে মেট্রোরেল সম্প্রসারণ এবং বিমানবন্দর থেকে যাতে সহজে বাস ও ট্যাক্সি পাওয়া যায় তার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
-

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর
অনলাইন ডেস্ক: দেশের ৬৫ হাজার ৫০২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে উন্নীত করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-১৪ শাখার সহকারী সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।
তবে এই গ্রেড পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সম্মতি নিতে হবে। বেতন স্কেল নির্ধারণের দায়িত্ব থাকবে অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগের হাতে। প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির অনুমোদন নিতে হবে।
এ ছাড়া পদ উন্নীতকরণের বিষয়টি বিদ্যমান নিয়োগবিধিতে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়োগবিধি সংশোধন করতে হবে।প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, সরকারি আদেশ জারি হওয়ার তারিখ থেকে ১৬ মাসের মধ্যে নির্ধারিত প্রশিক্ষণ (Basic Training for Primary Teachers) সম্পন্ন করতে হবে।চিঠিতে আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বেতন গ্রেড উন্নীতকরণের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে সরকারি আদেশের একটি কপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগে পাঠাবে।
-

বৃষ্টি নামাতে না পারলেই হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: দক্ষিণ সুদানের লোপিত পর্বতমালার পশ্চিম দিকে অবস্থিত প্রত্যন্ত গ্রাম লোহোবোহোবো। যেখানে ছোট কৃষি সম্প্রদায়ের জন্য বৃষ্টি ছিল ফসলের রক্ষাকবচ। আর এই বৃষ্টি আনার দায়িত্বে ছিলেন সলোমন অতুর। একজন প্রথাগত ‘রেইনমেকার’। যিনি প্রার্থনা ও আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বৃষ্টির আহ্বান করতেন। কিন্তু কয়েক বছরের ধারাবাহিক খরা গ্রামের মানুষদের জীবনের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে। ফসল নষ্ট হচ্ছে। খাবারের অভাব দেখা দিয়েছে। ফলে মানুষের হতাশা ও ক্ষোভও বেড়েছে। যা ঝুঁকিতে ফেলে অতুর জীবন। ক্ষুধার্ত সম্প্রদায়ের নেতারা অতুরের কাছে বৃষ্টি নামাতে না পারার ব্যর্থতার ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন। উত্তর না জানায় ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান অতুর। তবুও শেষরক্ষা হয়নি তার। জোর করে গ্রামে ফিরিয়ে এনে জীবন্ত কবর দেওয়া হয় তাকে। শুধু অতুরই নয়, ভয়াবহ কুসংস্কারে আচ্ছন্ন গ্রামটিতে বৃষ্টি নামাতে না পারলেই হত্যা করা হয় ‘রেইনমেকার’দের।
বেশ কয়েক বছর ধরে জলবায়ু সংকটের ভয়াবহ কবলে পড়েছে দক্ষিণ সুদান। গত কয়েক বছরের খরা মানুষের জীবিকা ধ্বংস করেছে দেশটিতে। যা ক্ষুধা সংকটকে আরও তীব্র করেছে। আর কৃষিনির্ভর গ্রামগুলোতে মানুষের মধ্যে ক্রমেই হতাশা বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ক্রোধও। সংকটের উত্তর খুঁজে না পেয়ে অন্যকে দোষারোপ করছে তারা। এই ক্ষোভ রেইনমেকারদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। বৃষ্টি না হওয়ার কারণ খুঁজে বের করতে না পেরে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন অতুর। তিন-চার ঘণ্টার পথ অতিক্রম করে তার ভাইয়ের বিধবা স্ত্রীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পালিয়েও পার পাননি।
২০২৪ সালের অক্টোবরের প্রথম দিকে কয়েকজন যুবক তাকে গ্রামে ফিরতে বাধ্য করেন। গ্রামে ফেরার পরের দিন সকালে তাকে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ‘অতুর কোনো প্রতিরোধ করেনি। তাকে গ্রাম থেকে বাইরে এবং পর্বতের নিচে একটি সদ্য খনন করা গর্তে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে জীবিতই কবর দেওয়া হয়।’ সলোমন অতুরের হত্যার খবর প্রথম স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং পরে তার পরিবারের সদস্য, রাজ্যের রাজধানী তোরিতের সরকারি কর্মকর্তা এবং গ্রামের বাসিন্দাদের মাধ্যমে আল-জাজিরার কাছে নিশ্চিত হয়। শুধু অতুরই নয়, এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন আরও অনেকেই। সম্প্রদায়ের নেতাদের এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত চার দশকে লোপিত পর্বতমালায় অন্তত আরও পাঁচজন রেইনমেকারদের জীবিত কবর দেওয়া হয়েছে। আশপাশের এলাকার আরও অনেককে কবর দেওয়া হয়েছে, জীবিত পোড়ানো হয়েছে, পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, বা নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত সংখ্যা বের করতে পারেনি আল-জাজিরা।
-

‘বন্ধুকে হত্যার উপায়’ জানতে চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন, যুক্তরাষ্ট্রে কিশোর গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এক ১৩ বছর বয়সি ছাত্র শ্রেণিকক্ষে স্কুলের কম্পিউটারে ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটিতে ‘আমার বন্ধুকে হত্যার উপায়’ জানতে চাইলে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যম ডব্লিউএফএলএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি ঘটে সাউথওয়েস্টার্ন মিডল স্কুলে। স্কুল কম্পিউটার মনিটরিং সিস্টেম ‘গ্যাগল’ ছাত্রটির বার্তা শনাক্ত করে সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সতর্ক করে।স্কুলের নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুযায়ী, সতর্কবার্তাটি ক্যাম্পাস পুলিশ অফিসারের কাছে পাঠানো হয়। পরে ওই ছাত্রকে শনাক্ত করে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরটি দাবি করে, সে নাকি ‘বন্ধুকে নিয়ে মজা করছিল’। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে সহিংসতার দীর্ঘ ইতিহাস বিবেচনায় কর্মকর্তারা বিষয়টিকে হালকাভাবে নেননি।ভোলুশিয়া কাউন্টি শেরিফ অফিস নিশ্চিত করেছে যে ওই কিশোরকে আটক করে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সতর্ক করে বলেছে, ‘এটি ক্যাম্পাসে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করেছে। অভিভাবকদের অনুরোধ করছি, সন্তানদের সঙ্গে এমন বিষয়ে কথা বলুন যেন তারা একই ভুল না করে।’
এটাই প্রথম নয় :এর আগে গত এপ্রিল মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার ১৬ বছর বয়সি এক কিশোর আত্মহত্যা করে, অভিযোগ অনুযায়ী, চ্যাটজিপিটি তাকে একঘরে করে ফেলে এবং নিজের মৃত্যুর পরিকল্পনা করতে সাহায্য করেছিল।পরবর্তীতে তার পরিবার ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে মামলা করে। তাদের অভিযোগ, চ্যাটবটটি মানব সহায়তার পরামর্শ না দিয়ে কিশোরটির নেতিবাচক চিন্তাকে আরও উৎসাহিত করেছিল।পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের শেষ ভাগে সে মূলত পড়াশোনার জন্য চ্যাটজিপিটি ব্যবহার শুরু করে, পাশাপাশি সঙ্গীত, ব্রাজিলিয়ান জিউ-জিৎসু ও জাপানি কমিকস নিয়ে আলাপ করত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তার কথোপকথনের ধরন বদলে যায়—স্কুল বা শখের বিষয় থেকে তা ধীরে ধীরে হতাশা ও অন্ধকার ভাবনার দিকে মোড় নেয়।
গ্যাগল বিতর্ক :‘গ্যাগল’ নামের মনিটরিং সফটওয়্যারটি যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। এটি অনেক সময় ভুল সংকেত দেয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘নজরদারি পরিবেশ’ তৈরি করছে বলে সমালোচিত।অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে হাজার হাজার স্কুল শিক্ষার্থীদের স্কুল-অ্যাকাউন্ট ও ডিভাইসে লেখা প্রায় সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে।এই ধরনের সফটওয়্যার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের কথোপকথন স্ক্যান করে সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করলেই সঙ্গে সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সতর্কবার্তা পাঠায়। -

মোবাইলের ওয়ালপেপারে আল্লাহর নাম দেওয়া যাবে?
ধর্ম ডেস্ক: প্রশ্ন: ফোনের ওয়ালপেপারে আল্লাহ তায়ালার নাম, বা কুরআন মাজিদের কোনো আয়াত দেওয়া যাবে কি ? সেটা সরাসরি আরবিতে না হয়ে বাংলা বা ইংরেজিতে অনুবাদ যদি হয় তবেও কোনো সমস্যা কি?
আর যদি এমন অবমাননার আশঙ্কা থাকে, তাহলে এমন কোনো ওয়ালপেপার ব্যবহার করাই উচিৎ নয়, যাতে আল্লাহর নাম, কুরআনের আয়াত বা কাবা শরীফের ছবি থাকে।বাংলা বা ইংরেজি অনুবাদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
কুরআনের আয়াত, হাদিস বা আল্লাহর নাম ইত্যাদি সম্মানিত কোনো লেখা দৃশ্যমান অবস্থায় টয়লেটে নিয়ে যাওয়া নাজায়েজ। লেখা দৃশ্যমান না হলে সমস্যা নেই। বর্তমানে অনেকের মোবাইলে কুরআন পড়ার অ্যাপ থাকে বা কুরআন তিলাওয়াতের অডিও থাকে। মোবাইলে এ রকম কুরআন থাকলে তা যদি দৃশ্যমান না থাকে, তাহলে ওই মোবাইল নিয়ে টয়লেটে যাওয়া নাজায়েজ হবে না।
একইভাবে কুরআনের আয়াত, হাদিস লেখা কাগজ ভাজ করা অবস্থায় পকেটে থাকলে যেহেতু লেখা দৃশ্যমান থাকে না, তাই এ অবস্থায় টয়লেটে যাওয়া নাজায়েজ হবে না।তবে সব ক্ষেত্রেই সুযোগ থাকলে এ সব জিনিস টয়লেটে না নিয়ে যাওয়াই উত্তম।
