Category: প্রচ্ছদ

  • সেরা ৫ প্রকারের মধু ও তাদের চমৎকার স্বাস্থ্যগুণ

    সেরা ৫ প্রকারের মধু ও তাদের চমৎকার স্বাস্থ্যগুণ

    অনলাইন ডেস্ক:   মধু শুধু একটি মিষ্টি খাবার নয়—এটি প্রকৃতির অন্যতম প্রাচীন ও নির্ভরযোগ্য ওষুধও বটে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিশ্বের নানা সভ্যতায় মধু তার চিকিৎসাগত, জীবাণুনাশক ও পুষ্টিগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুল বা উদ্ভিদের ধরন অনুযায়ী মৌমাছিরা যে মধু সংগ্রহ করে, তার স্বাদ, রঙ ও ঘনত্বে ভিন্নতা দেখা যায়। হাজারো প্রজাতির মধু থাকলেও, পাঁচটি বিশেষ ধরনের মধু তাদের অনন্য গুণাবলির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

    ১. মানুকা হানি— প্রাকৃতিক নিরাময়ক নিউজিল্যান্ডের মানুকা গাছ থেকে উৎপন্ন এই মধুটি জীবাণুনাশক ও প্রদাহনাশক গুণে বিখ্যাত। এতে থাকা ‘মিথাইলগ্লাইঅক্সাল’ (MGO) উপাদান ক্ষত, পোড়া ও ত্বকের সংক্রমণ নিরাময়ে সহায়তা করে। এছাড়া এটি কাশি ও গলার প্রদাহ কমাতে কার্যকর। ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত পণ্যেও মানুকা হানি জনপ্রিয়, কারণ এটি ত্বক শান্ত করে ও কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।

    ২. বাকহুইট হানি— রোগপ্রতিরোধের ঢাল গাঢ় রঙের ও তীব্র স্বাদের এই মধু অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি বিশেষভাবে গলা ব্যথা ও কাশি উপশমে কার্যকর। গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু ওষুধের কফ সিরাপের মতোই এটি কাজ করতে পারে, ফলে ঋতুজনিত সর্দি-কাশিতে এটি প্রাকৃতিক বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    ৩. ইউক্যালিপটাস হানি— ঠান্ডা কাশির সহায়ক মেনথলের মতো স্বাদযুক্ত এই মধু নাক বন্ধভাব দূর করে ও শ্বাস-প্রশ্বাসে আরাম দেয়। এটি ঠান্ডা, ফ্লু ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় উপকার দেয় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শীতকালে ইউক্যালিপটাস মধুর সতেজ ঘ্রাণ ও স্বাদ আরাম দেয় শরীর ও মনকে।

    ৪. ক্লোভার (বারসিম) হানি— হৃদযন্ত্রের রক্ষাকবচ হালকা রঙ ও মৃদু স্বাদের এই মধু সবচেয়ে প্রচলিত হলেও এর গুণাগুণ কম নয়। এটি রক্ত চলাচল উন্নত করে ও কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। হজমে সহায়তা করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা না বাড়িয়ে প্রাকৃতিক শক্তি জোগায়। এর মৃদু স্বাদ চা, সিরিয়াল বা বেক করা খাবারের সঙ্গে দারুণ মানায়।

    ৫. ফলের মধু— কোমল ও সবদিক থেকে উপকারী বিভিন্ন ফলের ফুল থেকে সংগৃহীত এই মধু সুগন্ধি ও হালকা স্বাদের। এটি রক্তে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা, হজমে সহায়তা ও ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকর। এর প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক গুণ শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। হালকা, সুবাসিত ও পুষ্টিগুণে ভারসাম্যপূর্ণ বিকল্প খুঁজছেন তাদের জন্য ফলের মধু আদর্শ।

    প্রকৃতির এই অনন্য উপহার শুধু স্বাদেই নয়, সুস্থতাতেও নিয়ে আসে মিষ্টি পরশ।

  • সন্তান নেওয়ার আগে যে ১০ বিষয় জানা জরুরি, জানালেন তাসনিম জারা

    সন্তান নেওয়ার আগে যে ১০ বিষয় জানা জরুরি, জানালেন তাসনিম জারা

    অনলাইন ডেস্ক:    সন্তান নেবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলে কয়েক মাস আগে থেকেই কিছু প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। এতে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা যেমন বাড়ে, তেমনি মা ও সন্তানের সুস্থতার জন্যও এই কাজগুলো সাহায্য করে। যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজের চিকিৎসক ও সহায় হেলথের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডা. তাসনিম জারা একটি ভিডিওতে জানান, সন্তান নেওয়ার আগের প্রস্তুতি সম্পর্কে।

    ফলিক অ্যাসিড সুস্থ বাচ্চা জন্মদানের জন্য ফলিক অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে ফলিক অ্যাসিডের অভাব থাকলে শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে গুরুতর জন্মগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে। সন্তান পেটে আসার আগে থেকেই তাই সচেতন থাকতে হবে। সন্তান গর্ভে আসার অন্তত ১ মাস আগে থেকেই মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত ফলিক অ্যাসিড থাকা জরুরি। তাই সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ৪০০ মাইক্রোগ্রামের ফলিক অ্যাসিড খাওয়া শুরু করুন। সন্তান পেটে আসার পর ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত খান এটি।

    টিকা কোনো টিকা নেওয়া বাকি থাকলে সেটা নিয়ে নিন। এতে আপনি ও সন্তান সুস্থ থাকবেন। বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি টিকা নেওয়া না থাকলে অবশ্যই নিয়ে নেবেন। কারণ গর্ভাবস্থায় আপনার এই রোগ হলে সন্তানও আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া ছোট বেলায় কোনো টিকা না দেওয়া হলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

    আয়রন অনেক নারীই আয়রনের অভাবে রক্তস্বল্পতায় ভোগেন। বিভিন্ন কারণে আয়রনের অভাব হতে পারে। গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতিতে ভুগলে সন্তানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। চিকিৎসার মাধ্যমে রক্তস্বল্পতা পুরোপুরি দূর করা সম্ভব। তাই সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে পরীক্ষা করিয়ে নিন যে আপনি রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন কিনা।

    ভিটামিন ডি ভিটামিন ডি আমাদের হাড়, দাঁত ও মাংসপেশির জন্য খুব জরুরি। শিশুর সঠিক গঠনের জন্যও এই ভিটামিন প্রয়োজন। তবে আজকাল অনেকেই ভিটামিন ডি এর ঘাটতিতে ভোগেন। ২০১১-১২ সালের একটি জাতীয় জরিপে দেখা যায়, আমাদের দেশের প্রতি চার নারীর একজন এই ভিটামিনের ঘাটতিতে ভুগছেন। শুধু খাবার থেকে ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় না। রোদে গেলে শরীর ভিটামিন ডি তৈরি করে নেয়। তবে নিয়মিত রোদে না যাওয়া কিংবা কাপড় দিয়ে শরীর ঢেকে রাখার কারণে অনেকেই ভোগেন ভিটামিনটির ঘাটতিতে। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে জানবেন এই ভিটামিনের ঘাটতিতে ভুগছেন কিনা।

    ক্যাফেইন গর্ভবতী অবস্থায় অনেক বেশি ক্যাফেইন খাওয়া শিশুর জন্য ক্ষতিকর। এতে শিশু কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে। এছাড়া গর্ভপাতের মতো জটিলতাও দেখা দিতে পারে উচ্চমাত্রার ক্যাফেইন খেলে। গর্ভবতী অবস্থায় ক্যাফেইন গ্রহণ ২০০ মিলির মধ্যে রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। যেহেতু হুট করে ক্যাফেইনের মাত্রা কমিয়ে দেওয়া কষ্টকর, তা সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরপরই চেষ্টা করুন একটু একটু করে পরিমাণ কমিয়ে দিতে। গর্ভবতী অবস্থায় দুই কাপ কফি কিংবা আড়াই কাপের একটু বেশি পরিমাণ চা খেতে পারেন। এর বেশি খাওয়াটা ঝুঁকি তৈরি করবে।

    ওজন আপনার ওজন যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তবে গর্ভধারণের সময় নানা ধরনের রোগ যেমন ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে। আবার সন্তান প্রসবের সময়েও নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে গর্ভবতী অবস্থায় কোনোভাবেই ওজন কমানোর চেষ্টা করা যাবে না। ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলেও সন্তান প্রসবে জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই মায়ের স্বাভাবিক ওজন থাকা খুব জরুরি। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করার পর তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

    স্বাস্থ্যকর খাবার আমাদের সবারই সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। তবে সন্তান জন্মদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর বিশেষভাবে নজর দিতে হবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের প্রতি। প্লেটে আগে ভাত না নিয়ে সবজি নিন। চেষ্টা করবেন প্লেটের অর্ধেক শাকসবজি দিয়ে ভর্তি করতে। একভাগ নেবেন আমিষ জাতীয় খাবার। বাকি একভাগ নেবেন লাল চালের ভাত। ফাস্টফুড, অতিরিক্ত লবণ, চিনি, তেলযুক্ত খাবার বাদ দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

    শরীর প্রস্তুত করা সন্তান ধারণ ও জন্মদান একটি লম্বা জার্নি। এই ধকলের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করুন ব্যায়ামের মাধ্যমে। এতে গর্ভধারণের পর নানা ধরনের রোগ থেকেও দূরে থাকতে পারবেন।

    ধূমপান নারী-পুরুষ উভয়েরই সন্তান জন্মদান ক্ষমতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে ধূমপানের অভ্যাস। এমনকি আশেপাশের কেউ ধূমপান করলেও নানা ধরনের জটিলতা বড়তে পারে। তাই সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

    রোগ নিয়ন্ত্রণ গর্ভধারণের সময় কিছু রোগ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। তাই সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরপরই একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ে। যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, খিঁচুনি ইত্যাদি আছে কিনা, থাকলে সেটা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি এগুলো নিয়ে বিষদ আলোচনা করে নেবেন।

  • আগে মুরগির ফার্মের মালিকও টিভির লাইসেন্স পেয়েছে: উপ-প্রেস সচিব

    আগে মুরগির ফার্মের মালিকও টিভির লাইসেন্স পেয়েছে: উপ-প্রেস সচিব

    অনলাইন ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বুধবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে মন্তব্যে করে বললেন, “সৈনিক লীগের সভাপতি থেকে মুরগির ফার্মের মালিক অনেকেই লাইসেন্স পেয়েছে। অনেকেই টিভি লাইসেন্স পেয়েছে মূলত রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে।”

    পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব বলেন, “নতুন দুটি টিভি চ্যানেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এটা নিয়ে গতকাল প্রথম আলো রিপোর্ট করেছে। ভালো রিপোর্ট। আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে এই কারণে যে চাইলে আমরা এখন এই রিপোর্টকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারি। টিভি লাইসেন্স কারা পায় সেটা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ আছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে এই রিপোর্ট ঠিকই আছে। এই রিপোর্ট থেকেই জানা যাচ্ছে বাংলাদেশে এর আগে ৫০টি টিভি চ্যানেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে অপারেশনে আছে ৩৬টি।”

    আবুল কালাম আজাদ মজুমদার আরও উল্লেখ করে বলেন, “এই ৩৬টি চ্যানেলের মালিক কারা এটা নিয়ে অনেকের মোটামুটি ধারণা আছে। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন এই মালিকদের নাম পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেছে তাদের রিপোর্টে। সৈনিক লীগের সভাপতি থেকে মুরগির ফার্মের মালিক অনেকেই লাইসেন্স পেয়েছে। সরকারি দলের সাংসদ, সাংসদদের ভাই-ভাতিজা, ভাবি তাদের কথা তো বাদই দিলাম। আরও অনেকেই টিভি লাইসেন্স পেয়েছে মূলত রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে। আমাদের মিডিয়াগুলো এটা নিয়ে একটুও শব্দ করে নাই। হয় তাদের সদিচ্ছা ছিল না, অথবা স্বাধীনতা ছিল না।”

    “এখন তারা করতে পারছে, তার কারণ গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে রিপোর্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করব গণমাধ্যম তাদের এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে এখন যদি কোনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে সেটা যেমন রিপোর্ট করবে, তেমনি স্বাধীনতার অভাবে অতীতে তারা যেসব রিপোর্ট করতে পারেনি, সেই রিপোর্টগুলোর প্রতিও আলোকপাত করবে।”

    সংবাদমাধ্যমের এই স্বাধীনতা আমাদের সমাজের স্বচ্ছতার জন্য খুবই জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

  • এবার রুপার দামেও রেকর্ড, ভরি কত?

    এবার রুপার দামেও রেকর্ড, ভরি কত?

    অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে স্বর্ণের পর এবার রুপার দামেও নতুন রেকর্ড গড়েছে। ভরিতে ১ হাজার ২৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে রুপার নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করে। নতুন দাম বুধবার (৮ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় চাহিদার প্রভাব বিবেচনায় রুপার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন দামের আওতায় প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৮০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, রুপার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

    এর আগে চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৫২ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা কার্যকর হয়েছিল ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে। এবারে তা এক লাফে ১ হাজার টাকারও বেশি বাড়ানো হলো।

    চলতি বছর এটি রুপার দামের পঞ্চম সমন্বয়। এর মধ্যে চারবার দাম বেড়েছে, কমেছে মাত্র একবার। গত বছর ২০২৪ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল তিনবার।

    এদিকে, সম্প্রতি বাজুস স্বর্ণের দামও ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। ভরিতে ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    স্বর্ণের ক্ষেত্রে চলতি বছরে এ পর্যন্ত ৬২ বার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার বেড়েছে, আর ১৮ বার কমেছে। গত বছরও সমন্বয়ের সংখ্যা ছিল একই, তবে তখন ৩৫ বার দাম বাড়ানো ও ২৭ বার কমানো হয়েছিল।

    বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা ও স্বর্ণের দামের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধিই দেশের বাজারে এই রেকর্ডমূল্যের প্রধান কারণ।

  • শহিদুল আলমকে অপহরণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

    শহিদুল আলমকে অপহরণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে যাত্রা করা ফ্রিডম ফ্লোটিলা নামের আন্তর্জাতিক নৌবহরটি আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক শহিদুল আলম এই নৌবহরের একটি জাহাজে ছিলেন। আটক হওয়ার পর তিনি একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনী তাঁকে “অপহরণ” করেছে এবং গাজায় প্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল জানায়, গাজামুখী ফ্রিডম ফ্লোটিলার জাহাজ ও যাত্রীদের আটক করে ইসরায়েলি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানায়, “আইনি নৌ অবরোধ ভেঙে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের আরেকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করা হয়েছে। সব যাত্রী নিরাপদ আছেন এবং তাঁদের দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।”

    অন্যদিকে, ফ্রিডম ফ্লোটিলার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের জাহাজগুলো ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে এবং গাজা উপত্যকার দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় একাধিক জাহাজ আটক করা হয়েছে।

    এই অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। তিনি ‘কনসেন্স’ নামের একটি জাহাজে ছিলেন, যা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের অংশ। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন,

    “আমি শহিদুল আলম, বাংলাদেশের একজন আলোকচিত্রী ও লেখক। আপনি যদি এই ভিডিওটি দেখে থাকেন, তাহলে এতক্ষণে আমাদের সমুদ্রে আটক করা হয়েছে। আমাকে ইসরায়েলের দখলদার বাহিনী অপহরণ করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির সহায়তায় গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে। আমি আমার সকল বন্ধুদের ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

    শহিদুল আলমের ফেসবুক পোস্ট অনুযায়ী, তাঁদের বহর বুধবার ভোর নাগাদ ‘রেড জোন’—অর্থাৎ বিপজ্জনক অঞ্চলের কাছাকাছি পৌঁছায়, যেখানে সম্প্রতি আরেকটি নৌবহর ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’কে আটক করেছিল ইসরায়েল। ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “আমরা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে আছি, কারণ ধীরগতির জাহাজগুলোকে পেছনে না ফেলতে আমরা অপেক্ষা করেছি। এখন আমরা রেড জোন থেকে প্রায় ৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে।”

    এর আগে, ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামের আরেকটি নৌবহরের ৪০টিরও বেশি জাহাজ ও যাত্রীকে আটক করেছিল ইসরায়েল। তাদের মধ্যে ৪৭৯ জনেরও বেশি সদস্যকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

    ফ্রিডম ফ্লোটিলা মূলত আন্তর্জাতিক মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক ও চিকিৎসাকর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শান্তিপূর্ণ উদ্যোগ। এর লক্ষ্য ছিল গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

    ইসরায়েলি বাহিনীর এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গাজায় প্রবেশের যে কোনো মানবিক উদ্যোগ ইসরায়েল “নিরাপত্তা”র অজুহাতে বন্ধ করে দিচ্ছে।

    দুই বছর ধরে চলমান যুদ্ধে গাজায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল। এই সময়ে দেশটির হামলায় এখন পর্যন্ত ২৭০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন এবং অনেকেই বন্দী রয়েছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, ফ্রিডম ফ্লোটিলার ওপর ইসরায়েলের এই হামলা কেবল মানবিক সাহায্যকে বাধাগ্রস্ত করছে না, বরং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপরও সরাসরি আঘাত।

  • ইমেইল-পাসওয়ার্ড ছাড়াই হারানো ফেসবুক আইডি ফিরিয়ে আনার উপায়

    ইমেইল-পাসওয়ার্ড ছাড়াই হারানো ফেসবুক আইডি ফিরিয়ে আনার উপায়

    অনলাইন ডেস্ক:     আমাদের অনেকেরই এমন একটি ফেসবুক আইডি আছে, যা একসময় নিয়মিত ব্যবহার করা হতো কিন্তু এখন ভুলে যাওয়া স্মৃতির অংশ হয়ে গেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আইডির পাসওয়ার্ড, ফোন নম্বর বা ইমেইল হারিয়ে যায়, ফলে প্রিয় অ্যাকাউন্টটি চিরতরে হারিয়ে গেছে মনে হয়। কিন্তু হতাশ হওয়ার কিছু নেই—ফোন নম্বর, ইমেইল বা পাসওয়ার্ড ছাড়াই হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়া সম্ভব। নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো।

    ধাপ ১: ব্রাউজার প্রস্তুত করুন

    মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকেই কাজটি শুরু করুন, কারণ ফেসবুক অ্যাপের চেয়ে ব্রাউজারে বেশি অপশন পাওয়া যায়।

    • মোবাইলে Chrome খুলুন।

    • অ্যাড্রেস বারে m.facebook.com লিখে প্রবেশ করুন।

    • এরপর ব্রাউজারের থ্রি-ডট মেনু (⋮) থেকে ‘Desktop Site’ চালু করুন। এতে ফেসবুকের ডেস্কটপ ভার্সন দেখা যাবে, যা আইডি খুঁজতে সহজ করে।

    ধাপ ২: ‘Forgotten Password’ অপশন ব্যবহার করুন

    লগইন পেজে গিয়ে ‘Forgotten Password?’ বা ‘পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?’ লিঙ্কে ক্লিক করুন।

    যদি ফোন নম্বর বা ইমেইল মনে না থাকে, তবে ‘Search by your email address or name instead’ বেছে নিন।

    এরপর নির্দিষ্ট বক্সে আপনার ফেসবুক আইডির পুরোনো নামটি লিখে সার্চ করুন—প্রোফাইলে যেভাবে নামটি লেখা ছিল, ঠিক সেভাবেই লিখুন।

    ধাপ ৩: নিজের আইডি শনাক্ত করুন

    সার্চের পর একই রকম নামের একাধিক প্রোফাইল দেখা যেতে পারে।

    তালিকা থেকে আপনার প্রোফাইল ছবি ও তথ্য দেখে সঠিক আইডিটি শনাক্ত করুন।

    পাওয়া গেলে ‘This is my account’ বাটনে ক্লিক করুন।

    ধাপ ৪: পুনরুদ্ধারের উপায় নির্বাচন করুন

    ফেসবুক এখন আপনার পরিচয় যাচাই করবে। এ সময় নিচের এক বা একাধিক বিকল্প আসতে পারে—

    • কোড পাঠানো: পূর্বের ফোন নম্বর বা ইমেইলে OTP পাঠানো হবে। যেটিতে অ্যাক্সেস আছে সেটি বেছে নিন।

    • ভিডিও ভেরিফিকেশন: পূর্বে যদি জাতীয় পরিচয়পত্র বা সরকারি আইডি দিয়ে ফেসবুক ভেরিফাই করা থাকে, তাহলে মুখের একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও আপলোড করে যাচাই করতে হতে পারে।

    • পুরোনো ডিভাইস ব্যবহার: যদি কোনো পুরোনো ডিভাইসে আগে লগইন করা থাকে, ফেসবুক সেই ডিভাইসে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে লগইনের সুযোগ দিতে পারে।

    ধাপ ৫: নতুন পাসওয়ার্ড সেট করুন

    • পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর নতুন পাসওয়ার্ড সেট করতে বলা হবে।
    • সঠিক কোড ইনপুট করে ‘Continue’ চাপুন এবং একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্ধারণ করুন।
    • লগইন করার সময় ‘Trust this device’ অপশনটি চালু রাখলে ভবিষ্যতে সহজে প্রবেশ করা যাবে।
    • এভাবেই আপনি আবার ফিরে পাবেন আপনার হারানো ফেসবুক আইডি।

    বিশেষ সতর্কতা ও পরামর্শ

    • ধৈর্য ধরুন: একাধিক ভুল প্রচেষ্টায় ফেসবুক আপনার আইপি সাময়িকভাবে ব্লক করতে পারে।

    • নামের ভিন্নতা: ইংরেজি বা বাংলা বানানের ভিন্নতা চেষ্টা করুন।

    • বন্ধুদের সহায়তা নিন: বন্ধুর প্রোফাইল থেকে আপনার পুরোনো আইডি লিংক বা ইউজারনেম দেখে নিতে পারেন।

    • ইন্টারফেস পরিবর্তন: ফেসবুক নিয়মিত আপডেট দেয়, ফলে অপশনগুলো কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

    • ভিডিও ভেরিফিকেশন: এই ফিচারটি মূলত আগে ভেরিফাই করা আইডির জন্যই প্রযোজ্য।

    সতর্কভাবে ধাপগুলো অনুসরণ করলে পাসওয়ার্ড ছাড়াই আপনার পুরোনো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়া সম্ভব।