Category: প্রচ্ছদ

  • আমির হামজার বক্তব্য নিয়ে যা বললেন শিশির মনির

    আমির হামজার বক্তব্য নিয়ে যা বললেন শিশির মনির

    অনলাইন ডেস্ক:  একের পর এক বেফাঁস মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচিত হচ্ছেন জনপ্রিয় বক্তা ও জামায়াত ইসলামী মনোনীত কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। ভারতীয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর সম্প্রতি ‘১৬ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসিন হলে আজান দিতে দেওয়া হয়নি’—এমন দাবি করে এক ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। আর সেই ওয়াজ মাহফিলের ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

    এরইমধ্যে আলোচনায় উঠে এলো তার আরেক বক্তব্য। জামায়াতকে ভোট দিলেই বেহেশত নিশ্চিত, সম্প্রতি এমন এক বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। যা ঘিরে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।তবে আমির হামজার এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।সম্প্রতি একটি টকশোতে উপস্থিত হয়ে আমির হামজার প্রসঙ্গে কথা বলেন শিশির মনির। প্রশ্ন উঠে, বার বার বিতর্কিত বক্তব্য দিচ্ছেন আমির হামজা। সর্বশেষ জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত নিশ্চিত, জামায়াত এটা বিশ্বাস করে কিনা? জবাবে শিশির মনির বলেন, ‘তার আগের বক্তব্যের জন্য তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

    তাকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে এবং তারপরেই তিনি আরেকটা বক্তব্য দিয়েছেন। আমি মনে করি না এটা সঠিক। জামায়াতকে ভোট দিলে কেউ বেহেশতে চলে যাবে, আরেকজনকে ভোট দিলে কেউ বেহেশতের বাইরে চলে যাবে। এই প্রপাগান্ডাটা আই ডোন্ট থিংক ইটস গুড।’

    আমির হামজার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে শিশির মনির বলেন, ‘আমি সুনির্দিষ্টভাবে তার বক্তব্যটা শুনি নাই।কিন্তু আমি আজকে এখান থেকে বের হয়ে আমি এটা দেখবো এবং আমি আমার সংগঠনের কিংবা দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিতে আনবো। যে কেউ এমনকী আমিও যদি এরকম বলে থাকি তাহলে এটা যেন ইমিডিয়েটলি স্টপ করা হয়।’

  • নতুন পিপিআরের গেজেট প্রকাশ, যেসব পরিবর্তন আনা হয়েছে

    নতুন পিপিআরের গেজেট প্রকাশ, যেসব পরিবর্তন আনা হয়েছে

    অনলাইন ডেস্ক:      সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও প্রতিযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে নতুন পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর) ২০২৫ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে, যা ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে।

    নতুন পিপিআরের কার্যক্রম পূর্বের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারাবাহিকতায় চালু করা হয়েছে। ২০০৬ সালের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট (পিপিএ), ২০০৬-এ ২০২৫ সালের ১৬নং অধ্যাদেশের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন আনার পর, সংশোধিত আইনটির সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য পিপিআর, ২০২৫ তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে দেশে সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে সংশোধিত পিপিএ, ২০০৬ এবং নতুন পিপিআর, ২০২৫ যুগপৎভাবে কার্যকর হবে। নতুন পিপিআর, ২০২৫-এ মোট ১৫৪টি বিধি এবং ২১টি তফশিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    প্রধান পরিবর্তনগুলো হলো— অভ্যন্তরীণ ক্রয়ে বিদ্যমান ১০% মূল্যসীমা বাতিল, সব ধরনের সরকারি ক্রয়ে ই-জিপি বাধ্যতামূলক, চুক্তি প্রাপ্তিতে প্রকৃত উপকারভোগী প্রকাশ বাধ্যতামূলক, টেকসই সরকারি ক্রয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন, প্রতিটি প্রকিউরমেন্টে কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ের বাধ্যবাধকতা, ভৌত সেবাকে স্বতন্ত্র প্রকিউরমেন্ট ক্যাটাগরি হিসেবে স্বীকৃতি, ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ও নেগোসিয়েশনের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, একটি ডিবারমেন্ট বোর্ড প্রতিষ্ঠা এবং সম্পদ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত সুস্পষ্ট বিধান।

    পিপিআর, ২০২৫ তৈরির প্রক্রিয়া ৪ মে ২০২৫-এ শুরু হয়। বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) নতুন বিধিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়, যা ২০০৮ সালের পিপিআর প্রতিস্থাপন করেছে। এর প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা নিশ্চিত করতে বিপিপিএ একটি টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ (টিডব্লিউজি) গঠন করে। এতে মন্ত্রণালয়, ক্রয়কারী সংস্থা, বিপিপিএ কর্মকর্তা এবং জাতীয় প্রকিউরমেন্ট প্রশিক্ষকরা অংশ নেবেন। টিডব্লিউজি ৯টিরও বেশি সভায় বসে বিস্তারিত আলোচনা করেছে।

    এছাড়া, বিপিপিএ ১২টি বিস্তৃত পরামর্শ সভা আয়োজন করে, যেখানে ক্রয়কারী সংস্থা, দরদাতা, সাংবাদিক, উচ্চ পদস্থ নীতি-নির্ধারণী কর্মকর্তা, নারী উদ্যোক্তা ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীদের সর্বসম্মতিক্রমে মত ছিল যে, ২০০৮ সালের পিপিআর সম্পূর্ণভাবে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করে প্রতিস্থাপন করা উচিত। বিপিপিএ চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করে অনুমোদনের জন্য অর্থ বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের নিকট উপস্থাপন করে।  বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব কামাল উদ্দিন বলেন, এটি সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারের সচিব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, নতুন বিধিমালা দেশের সরকারি ক্রয় সংস্কারের ইতিহাসে এক মাইলফলক।

  • দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের তদন্ত শুরু

    দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের তদন্ত শুরু

    অনলাইন ডেস্ক:     দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। নিয়োগ দেয়া হয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    জুলাই-আগস্ট থেকে শুরু করে দলের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগের পাশাপাশি বিগত ১৬ বছরের গুম খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করবে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    এদিকে, শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ শেষ সাক্ষীর ৩য় দিনের জেরা অনুষ্ঠিত হবে। বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরকে জেরা করবেন শেখ হাসিনার আইনজীবী।

    এর আগে, গতকালও তাকে দিনভর জেরা করা হয়।জেরায় চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রাজসাক্ষী করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, কোনো চাপে নয়, সত্য উদঘাটনের স্বার্থেই তিনি রাজসাক্ষী হয়েছেন।

    তিনি আরও জানান, জুলাইয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারদলীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী ৫০টিরও বেশি জেলায় মারণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলায় ২৫ কার্যদিবসে ৫৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। ৫৪তম সাক্ষীর জেরা শেষ হলে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হবে। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, জুলাই গণহত্যায় জড়িত কেউই বিচার এড়াতে পারবে না।

  • সুরা এখলাসের মর্ম ও ফজিলত

    সুরা এখলাসের মর্ম ও ফজিলত

     ধর্ম ডেস্ক:   সুরা এখলাস কুরআনে কারিমের ছোট একটি সুরা। এতে চমৎকারভাবে আল্লাহ তায়ালার সত্তাগত পরিচয় ফুটে উঠেছে। আয়াত সংখ্যার বিবেচনায় ছোট হলেও মর্যাদা ও সাওয়াবের দিক থেকে কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।

    বিশেষভাবে এই সুরায় তাওহিদ তথা একত্ববাদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। এটি বিশেষ ফযিলতের অধিকারী সুরাসমূহের অন্যতম।  হাদিস শরিফে এই সুরার অনেক ফযিলতের কথা এসেছে।

    কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান: হাদিস শরিফে এরশাদ হয়েছে, হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি জনৈক সাহাবিকে দেখলেন, বারবার সুরা এখলাস  পাঠ করছেন। সকাল হলে ওই ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সামনে বিষয়টি পেশ করলেন। লোকটি হয়তো ভেবেছে, এ ছোট একটি সুরা বারংবার পড়া তেমন সওয়াবের কাজ নয়, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ওই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ! সুরা এখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০১৩ )অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন বললেন, তোমাদের কেউ কি প্রতি রাতে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করতে পারে না? সাহাবীরা উত্তর দিলেন, আমরা দুর্বল, প্রতি রাতে এত বেশি পরিমাণ তিলাওয়াত করা আমাদের জন্য কষ্টকর। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, আল্লাহ তাআলা পুরো কুরআনকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন এবং সুরা এখলাসকে তিন ভাগের এক ভাগ গণ্য করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৭৪৯৮)

    জান্নাতে অট্টালিকা নির্মাণ: হাদিস শরিফে এরশাদ হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি সুরা এখলাস দশবার পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি অট্টালিকা নির্মাণ করে দিবেন।

    হজরত উমর বিন খাত্তাব (রা.) বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, তাহলে তো আমরা অনেক অট্টালিকা লাভ করে ফেলব। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, আল্লাহ তাআলা এর চেয়েও অধিক দানকারী, অতি পবিত্র। (আত তারগিব ওয়াত তারহিব, হাদিস : ২২৮৮)অন্য বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি সুরা এখলাস দশবার পাঠ করবে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি অট্টালিকা নির্মাণ করবেন। যে ২০ বার পড়বে তার জন্য দুটি অট্টালিকা নির্মাণ করবেন। যে ৩০ বার পড়বে তার জন্য তিনটি অট্টালিকা তৈরি করবেন। (তাফসিরে ইবনে কাসির)

    জান্নাতের সুসংবাদ: হাদিস শরিফে এরশাদ হয়েছে, হজরত আনাস (রা.) বলেন, আমি নবীজির কাছে বসা ছিলাম একজন লোক এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল, আমার এক ভাই এই সুরাটি পড়তে ভালোবাসে, তখন নবি (সা.)বললেন, ‘তোমার ভাইকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও।’ (তাফসিরে ইবনে কাসির)

    এই সুরাকে ভালোবাসার কারণে জান্নাত: হাদিস শরিফে এরশাদ হয়েছে, হজরত আনাস (রা.) বলেন, এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসুল, আমি এই সুরাকে ভালোবাসি। নবীজি (সা.)বললেন, তোমার এই সুরার ভালোবাসাই তোমাকে জান্নাতে পৌঁছে দিবে। (তাফসিরে ইবনে কাসির) ডান দিক থেকে জান্নাতে প্রবেশ:  হাদিস শরিফে এরশাদ হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ডান কাতে শুয়ে সুরা এখলাস একশতবার পড়ে কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাঁকে বলবেন, হে আমার বান্দা, তুমি তোমার ডান পাশ দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করো। (তাফসিরে ইবনে কাসির )

    ফেরেশতা জানাজায় শরিক হওয়া: সুরা এখলাস এত দামি সুরা, এক সাহাবি অধিক পরিমাণে এই সুরা পাঠ করার কারণে তার জানাজায় ৭০ হাজার ফেরেশতা অংশগ্রহণ করেছিল। হাদিস শরিফে এসেছে, মুআবিয়া বিন মুআবিয়া মুযানি লাইসি (রা.) ইন্তেকাল করলে হজরত জিবরাঈল (আ.) সত্তর হাজার ফেরেশতাসহ নবিজীর কাছে আগমন করেন। নবি কারিম (সা.) জিবরাঈল  এবং এইসব ফেরেশতাদের নিয়ে তার জানাজায় শরিক হলেন। নামাজ শেষ হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, হে জিবরাঈল, কোন্ আমলের মাধ্যমে মুআবিয়া এই উচ্চ মর্যাদা লাভ করেছে? জিবরাঈল (আ.) উত্তরে বললেন, এই মর্যাদা লাভের কারণ হলো, সে দাঁড়িয়ে, বসে, হেঁটেহেঁটে, সওয়ারীতে তথা সর্বাবস্থায় সুরা এখলাস পাঠ করত। (মুজামে কাবির, হাদিস  : ৭৫৩৭ ) এছাড়াও সুরা এখলাসের অনেক ফজিলত রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই সুরা বেশি বেশি পাঠ করার তাওফিক দান করুন, আমিন।

    লেখক: মুহাদ্দিস, জামিয়া রশিদিয়া তালিমুল কোরআন, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।

  • হোয়াটসঅ্যাপে আসছে নতুন ফিচার, নিয়ন্ত্রণ করা যাবে স্ট্যাটাস রিশেয়ার

    হোয়াটসঅ্যাপে আসছে নতুন ফিচার, নিয়ন্ত্রণ করা যাবে স্ট্যাটাস রিশেয়ার

    অনলাইন ডেস্ক:     ফেসবুকের মতো হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাস একটি জনপ্রিয় ফিচার। এবার মেটার মালিকানাধীন ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে নতুন একটি ফিচার পরীক্ষা করছে, যা ব্যবহারকারীদের স্ট্যাটাস আপডেটের উপর আরও নিয়ন্ত্রণ দেবে।

    বর্তমানে ব্যবহারকারীরা স্ট্যাটাসে ছবি, ভিডিও বা টেক্সট শেয়ার করেন বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে। তবে অনেক সময় তারা চান না তাদের স্ট্যাটাস পুনরায় শেয়ার হোক। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই হোয়াটসঅ্যাপ নতুন এই ফিচারটি নিয়ে কাজ করছে।

    নতুন ফিচারটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নির্ধারণ করতে পারবেন, কে তাদের স্ট্যাটাস পুনরায় শেয়ার করতে পারবে। শুধু তাই নয়, কেউ যদি স্ট্যাটাস রিশেয়ার করে, তবে মূল ব্যবহারকারীর তথ্য গোপন থাকবে এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকবে।  পুনরায় শেয়ারের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি এড়াতে স্ক্রিনের উপরে একটি লেবেল দেখা যাবে। একই সঙ্গে কেউ স্ট্যাটাস রিশেয়ার করলে, মালিক একটি নোটিফিকেশন পাবেন, তবে তার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ পাবে না।

    হোয়াটসঅ্যাপ ফিচার ট্র্যাকার ওয়েবিটাইনফোর তথ্য অনুযায়ী, এই ফিচারটি অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ২.২৫.২৭.৫-এর হোয়াটসঅ্যাপ বিটাতে দেখা গেছে। বর্তমানে এটি কেবল গুগল প্লে বিটা প্রোগ্রামে রেজিস্টারড বিটা টেস্টারদের জন্য সীমিত। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে এটি বৃহত্তর ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করা হতে পারে।

  • বয়সজনিত চোখের সমস্যা দূর করতে টনিকের মতো কাজ করে গাজর

    বয়সজনিত চোখের সমস্যা দূর করতে টনিকের মতো কাজ করে গাজর

    অনলাইন ডেস্ক:    গাজর লিউটিন এবং বিটা-ক্যারোটিনের সমৃদ্ধ উৎস, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং বয়সজনিত চোখের বিভিন্ন সমস্যা, বিশেষ করে ম্যাকুলার ডেজেনারেশন থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।দেহ বিটা-ক্যারোটিনকে ভিটামিন এ তে রূপান্তর করে, যা কম আলোতে ভালোভাবে দেখতে সাহায্য করে।

    যদিও গাজর ভিটামিন এ সরবরাহ করে, এই পুষ্টি অন্য খাবার থেকেও পাওয়া যায়, যেমন দুধ, পনির, ডিমের কুসুম এবং লিভার। তাই যদি আপনার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এ পর্যাপ্ত থাকে, তবে গাজরের পরিমাণ বাড়ানো দেখার ক্ষমতা উন্নত করবে না।

    আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব অফথালমোলজি জানায়, কেবল গাজর খেলে খারাপ দেখার সমস্যা দূর হয় না। চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে একটি সুষম খাদ্য অপরিহার্য, যেখানে গাজরেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তবে এটি একক সমাধান নয়।

    গাজরের অন্যান্য স্বাস্থ্য উপকারিতা

    হজমে সহায়ক: গাজরে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজমে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে এবং পাকা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ: ফাইবারের কারণে চিনি শোষণ ধীর হয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

    হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য: গাজরে থাকা লাইকোপিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে, রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

    চামড়া রক্ষা: ভিটামিন এ ও লাইকোপিন চামড়াকে সূর্যের ক্ষতি থেকে আংশিক রক্ষা করতে পারে, যদিও এটি সানস্ক্রিনের বিকল্প নয়।

    চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে গাজর সহ সুষম খাদ্য, সানগ্লাস পরা, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ত্যাগ এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে বসা এড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।