Category: প্রচ্ছদ

  • বিসিবি নির্বাচনে ক্রীড়া উপদেষ্টা হস্তক্ষেপ করছেন কিনা, যা বলছেন বুলবুল

    বিসিবি নির্বাচনে ক্রীড়া উপদেষ্টা হস্তক্ষেপ করছেন কিনা, যা বলছেন বুলবুল

    খেলাধুলা ডেস্ক:     বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। কোন ক্লাবগুলোর কাউন্সিলররা চূড়ান্তভাবে নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন, সে বিষয়ে আদালতের মাধ্যমে ফয়সালা এসেছে ভোটের আগের দিন। এদিকে ‘নোংরামির’ অভিযোগ তুলে তামিম ইকবালসহ একাধিক ক্লাবের কাউন্সিলররা নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন।

    রোববার (৫ অক্টোবর)  সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি বলেন, ‘যে যে এখানে আসছে না বা বয়কট করেছে, তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন করতে যাচ্ছি। এর বাইরে কোনো কথা বলব না।’

    এদিকে তামিম ইকবাল সরাসরি আঙুল তুলেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দিকে। উপদেষ্টা সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দিলেও পক্ষপাত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তামিম। তাই বিসিবি সভাপতিকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন, উপদেষ্টা কি সত্যিই নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করছেন?

    এ প্রশ্নে বুলবুলের জবাব, ‘শুধু সুষ্ঠু নির্বাচন না, (উপদেষ্টা) চেষ্টা করেছেন যেন ভালো বোর্ড তৈরি করতে পারি। এখানে আমার কাছে প্রভাবের কিছুই মনে হয়নি।’

    এদিকে আগামীকালের নির্বাচনে কে তাকে ভোট দিলেন বা ভোট দিলেন না, সে ব্যাপারে তার কিছু যায় আসে না বলে জানিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আমার চালিয়ে যাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। আমাকে যারা ভোট দিচ্ছেন বা দিচ্ছেন না, কেউ যদি মনে করেন আমি যোগ্য না, যেকোনো সময় চলে যাব।’

  • বজ্রপাতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও দুই বোনের মৃত্যু

    বজ্রপাতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও দুই বোনের মৃত্যু

    স্টাফ রিপোর্টার :   কুমিল্লার হোমনায় বজ্রপাতে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও দুই বোন মারা গেছেন। রোববার বিকালে উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের খেয়াঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের নালা দক্ষিণ এলাকার মতিউর রহমানের মেয়ে মমতাজ বেগম (৩০), জাকিয়া আক্তার (২৫), উপজেলার খোদা দাউদপুর এলাকার মো. রাশেদ (২২)। মো. রাশেদ ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার প্রণয় কুমার দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    পুলিশ এবং স্থানীয়রা জানান, রোববার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বেশ কিছু লোক উজানচর-ঘাগুটিয়া খেয়াঘাটে নদী পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে। এতে বজ্রপাতে দুই নারী এবং ওই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। এ সময় ঘটনাস্থলে দুই নারীর মৃত্যু হলেও গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। হোমনার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • ফিলিস্তিন এই সময়ের কষ্টিপাথর

    ফিলিস্তিন এই সময়ের কষ্টিপাথর

     আন্তর্জাতিক ডেস্ক:     গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সদস্য এরসিন সেলিক জানিয়েছেন, ইসরাইলি প্রশাসন গ্রেটা থুনবার্গের চুল ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে ইসরাইলি পতাকায় চুম্বন করতে বাধ্য করেছে। তাকে মারধর করা হয়েছে। পর্যাপ্ত খাবার এবং জল দেওয়া হয়নি৷ নাৎসিদের মতো আচরণ করেছে জায়নবাদীরা৷ বিধ্বস্ত গ্রেটাকে টানতে টানতে জনসমক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ যেহেতু আটক ব্যক্তিদের মধ্যে গ্রেটা সবচেয়ে পরিচিত মুখ, তাই তাকে টার্গেট করে হেনস্তা করেছে ইসরাইল।

    গ্রেটা এবং তার সঙ্গীদের সঙ্গে যা করা হয়েছে, তার সহস্রগুণ বেশি অত্যাচার প্রতিদিন, প্রতিবেলায় সহ্য করতে হয় ফিলিস্তিনিদের৷ বছরের পর বছর। মাসের পর মাস৷ দশকের পর দশক। ইসরাইল এমনই এক রাষ্ট্র।

    বছর দুয়েক আগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর স্ত্রী সারার ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতা এবং অফিস ম্যানেজার জিপি নাভোন ইসরাইলের সেনাবাহিনীর কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন, অবরুদ্ধ গাজার বাসিন্দাদের হত্যা না করে বাঁচিয়ে রেখে বাড়ি বাড়ি ঢুকে অত্যাচার করা হোক। আটক ফিলিস্তিনিদের জিভ যেন না কেটে ফেলা হয়। কারণ ইসরাইলিরা তাদের আর্তনাদ উপভোগ করতে চান। আটক আরবদের কান এবং চোখ যেন আস্ত রাখা হোক, যাতে তারা দেখতে এবং শুনতে পান তাদের নির্যাতিত হতে দেখে ইসরাইলিদের উল্লাস।

    গ্রেটার হেনস্তার কথা বলা জরুরি, কারণ ইসরাইল একজন আর্ন্তজাতিক সেলিব্রিটিকেও রেয়াত করে না। যারা দিনের পর দিন খাদ্যের সারিতে প্রতীক্ষারত নিরস্ত্র মানুষকে গুলি করে খুন করে, হাসপাতালে বোমা ফেলে, চিকিৎসকদের নির্যাতন করে হত্যা করে, হাজারে হাজারে শিশুকে গুলিতে, বোমায় এবং অনাহারে হত্যা করে, যারা জেলখানায় বন্দি ফিলিস্তিনিদের উপর কুকুর লেলিয়ে দেয়, তারা যে গ্রেটা থুনবার্গকেও হেনস্তা করবে তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

    ইসরাইলের এমন বিকৃত উল্লাস ২০২৩ সালে শুরু হয়নি। বছরের পর বছর এমন বিকৃত উল্লাসের দৃশ্য গোটা পৃথিবী দেখেছে। ২০১৪ সালে ফিলিস্তিনের নিরস্ত্র জনতার ওপর যখন বোমা পড়ছে, রকেট বৃষ্টি হচ্ছে, ঝলসে যাচ্ছে ফিলিস্তিনি শিশুর দল, সেই অপরূপ মনোরম দৃশ্য দেখার জন্য তখন উঁচু পার্বত্য এলাকায় ইসরাইলিদের ভিড়। সোফায় বসে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার এবং পানীয় নিয়ে তারা ‘উপভোগ’ করছেন মারণ উৎসব। আন্তর্জাতিক মিডিয়া তখনই এই বীভৎসতার খবর করেছে। আমরা অনেকে হয়তো দেখিনি। আমাদের চোখ খুলতে এক লাখ মানুষকে মরে যেতে হয়।

    অনেকে বলার চেষ্টা করেন এই তথাকথিত ‘যুদ্ধ’ শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। হামাসের আক্রমণের মাধ্যমে। মিথ্যে কথা৷ এই সংঘাত শুরু হয়েছে ১৯৪৮ সালে। ফিলিস্তিনিদের নিজভূমে পরবাসী করে, ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। ‘৪৮ সালের সেই প্রথম ‘নকবা’ থেকেই শুরু হয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার সংগ্রাম। সেই লড়াই চলছে। আগামীতেও চলবে। একজন ফিলিস্তিনি বেঁচে থাকা পর্যন্ত এই স্বাধীনতা সংগ্রাম শেষ হবে না।

    এই মুক্তিযুদ্ধে কখনও ছায়া দিয়েছে আরাফতের পিএলও বা ফাতাহ্, কখনও হামাস। কোথাও কমিউনিস্ট পিএফএলপি। কোথাও মাওবাদীদের ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। কোথাও পিপিপি বা অন্য কেউ। জেনিন, নাবলুস, গাজায় অসংখ্য তরুণ কোনো মতাদর্শের তোয়াক্কা না করেই স্বাধীনতার যুদ্ধ লড়তে হাতে তুলে নিয়েছেন বন্দুক বা পাথর। দশকের পর দশক ফিলিস্তিনকে রক্তের বন্যায় ডুবিয়ে দিয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট ইসরাইল এখনও সেই যুদ্ধে জিততে পারেনি।

    বছরের পর বছর ঝাঁকে ঝাঁকে ফিলিস্তিনকে খুন করেছে ইসরাইল। খুব আগের কথা যদি বাদও দিই, কেবল ২০১৮ সালে ২৯৯ জন খুন হয়েছেন। ২০১৯ সালে ১৩৩ জন। ২০২১ সালে ৩১৩ জন। ২০২২ সালে ২০৪ জন। শয়ে শয়ে খুন। বছরের পর বছর। মৃতদের মধ্যে অসংখ্য শিশু। কাজেই ফিলিস্তিনিরা নয়, যুদ্ধের নামে নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করেছে ইসরাইল। ক্ষুদিরাম বসু বা ভগৎ সিং যেমন ব্রিটিশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেননি। তাদের ওপর সাম্রাজ্যবাদী নিপীড়ন চাপিয়ে দিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার। তারা প্রতিরোধ করেছিলেন। মার খেতে খেতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া ভারতবাসীর হয়ে প্রতিরোধ করেছিলেন। অসম যুদ্ধে মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও লড়ে গিয়েছিলেন। ফিলিস্তিনের মুক্তিসংগ্রামীরাও তাই করছেন।

    এই অসম যুদ্ধ শুধু ফিলিস্তিনের নয়। গোটা বিশ্বের আপামর মুক্তিকামী জনতার। ফিলিস্তিনই আজকের ভিয়েতনাম। ভিয়েতনামে যখন বৃষ্টির মতো নাপাম বোমা পড়ছিল, তখন লন্ডন, প্যারিস, নিউইয়র্ক, বার্লিন, কলকাতা ভেসে গিয়েছিল যুদ্ধবিরোধী জনস্রোতে। বহু দশক পরে আজ সেই একই দৃশ্য দেখছে পৃথিবী। ইতালির শ্রমিকরা ধর্মঘটে গোটা দেশ স্তব্ধ করে সংহতি জানাচ্ছেন ‘উন্মুক্ত কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’ পরিণত হওয়া গাজাকে। এথেন্সের শ্রমিক ও ছাত্ররা বন্দর অবরোধ করে বলছেন, ইসরাইলে যুদ্ধাস্ত্র পাঠানো যাবে না। লাতিন আমেরিকার দেশে দেশে জনজোয়ার। বার্লিনে পুলিশের বীভৎস নির্যাতনের মুখে লক্ষ লক্ষ মানুষ পথে নামছেন৷ ফ্রান্সে ব্যারিকেড ফাইট হচ্ছে। জনস্রোতে ভেসে যাচ্ছে ব্রাসেলস থেকে ব্রাজিল, কিউবা থেকে কলম্বিয়া, মেক্সিকো থেকে মিলান।

    ফিলিস্তিনের লড়াই কেবল মুসলমানের নয়। এই লড়াই মজলুম জনতার। পৃথিবীর সব নিপীড়িত মানুষের। মুসলিম, খ্রিস্টান, হিন্দু, ইহুদি, বৌদ্ধ- সকলের। ফিলিস্তিনি গেরিলাদের পপুলার ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাতা জর্জ হাবাস নিজে ছিলেন একজন খ্রিস্টান৷ জেরুজালেমের যে আস্তাবলে যিশুর জন্ম হয়েছিল বলে মনে করা হয়, সেখানে এখন একটি চার্চ আছে। সেই চার্চের ভিতরে একটি সুড়ঙ্গ। প্রতি বছর বড়দিনে সেই সুড়ঙ্গের মুখে একটি তারা আলো দিয়ে সাজানো হয়। মনে করা হয়, এই সুড়ঙ্গের পাশেই ছিল সেই প্রাচীন আস্তাবল, দুই হাজার বছর আগে যেখানে মা মেরির কোল আলো করে জন্মেছিলেন যিশু। গত দুই বছর বড়দিনে ওই চার্চে কোনো আলো জ্বলেনি। পাদ্রীরা জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের মুক্তিসংগ্রামের শরিক তারাও, তাই গণহত্যার প্রতিবাদে আলো জ্বলবে না চার্চে। এই লড়াই ইহুদিদেরও। লন্ডনে আমি মিছিলে হাঁটি জায়নবাদ বিরোধী ইহুদিদের সঙ্গে। মিছিলে হাঁটি হিটলারের হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা, কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে জীবন কাটানো ইহুদি বাপমায়ের সন্তানদের সঙ্গে। তাদের হাতে থাকে প্যালেস্টাইনের পতাকা। গোটা পৃথিবীতে জায়নবাদবিরোধী ইহুদিরা পথে নামছেন ফিলিস্তিনের পক্ষে, গণহত্যার বিরুদ্ধে। তারা এই সংগ্রামের শরিক।

    ফিলিস্তিন এই সময়ের কষ্টিপাথর। গোটা পৃথিবী আড়াআড়ি দুই ভাগ হয়ে গিয়েছে। হয় গণহত্যার বিরুদ্ধে, অথবা পক্ষে। মাঝামাঝি কিছু নেই৷ এই কষ্টিপাথর মানুষ চেনার আমোঘ হাতিয়ার। আমি যে মতাদর্শের কথাই বলি না কেন, আমার হাতে যে রঙের নিশানই থাকুক, আমি কি ফিলিস্তিনের পক্ষে? আমি কি গণহত্যার বিরুদ্ধে? এই চেয়ে জরুরি রাজনৈতিক প্রশ্ন আর কিছু নেই।

  • মির্জা ফখরুলের সঙ্গে জাতিসংঘের গোয়েন লুইসের বৈঠক

    মির্জা ফখরুলের সঙ্গে জাতিসংঘের গোয়েন লুইসের বৈঠক

    অনলাইন ডেস্ক: ঢাকাস্থ জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস এর সঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

    রাজধানীর গুলশানে রোববার (৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও চেয়ারপারসন ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক বিশেষ সহযোগী উপদেষ্টা কমিটি সদস্য শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

    গোয়েন লুইসের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী অফিসের সিনিয়র হিউম্যান রাইটস অ্যাডভাইজার হুমা খান।

  • শিগগিরই ঐকমত্য কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা

    শিগগিরই ঐকমত্য কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা

    অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, “খুব শিগগিরই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।”

    রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় রোববার সকালে কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে এমন কথা জানালেন তিনি।

    কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ঐকমত্য কমিশন সব রাজনৈতিক দল থেকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা পেয়েছে। এছাড়া, গণমাধ্যমগুলো ঐকমত্য কমিশনকে অকল্পনীয় সমর্থন দিয়েছে।

    কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস কমিশনের সব সদস্যকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। কমিশনের কাজের চূড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ঐকমত্য কমিশনের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    বৈঠকে শুরুতে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে জুলাই সনদের বিষয়বস্তু এবং এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব ও এবিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের অবস্থান সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়েছে।

    আজকের বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল ও আদিলুর রহমান খান বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।

  • যেসব ফল খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়

    যেসব ফল খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়

    অনলাইন ডেস্ক:        ফল খাওয়া ভালো। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে একটু একটু করে ফল খান, তাতে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবেন। এই যেমন—কমলা। আপেল, নাশপাতি, ব্লুবেরি, কমলালেবু, পেঁপে, স্ট্রবেরি, কিউই, তরমুজ ও ডালিমসহ আরও অনেক ফল রয়েছে, যা খেলে আপনার ত্বক, স্মৃতিশক্তি—সর্বোপরি স্বাস্থ্য উজ্জ্বল হবে।

    কারণ ফলে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। তবে মনে রাখতে হবে, সবসময় খাওয়া খাওয়া কিংবা অতিরিক্ত পরিমাণে ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। আর ফল অতিরিক্ত ফল খেলে কী ক্ষতি হতে পারে, তা জেনে নিন।

    ফলে প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে

    বিশেষ করে, এতে থাকে ফ্রুক্টোজ, যা অতিরিক্ত মাত্রায় শরীরে গেলে ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। অতিরিক্ত ফল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, যা ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। এর ফলে হার্টে চাপ পড়তে পারে এবং করোনারি আর্টারির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ফল খাওয়ার পরিমাণ কমানো উচিত।

    কখন ফল খাবেন

    এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, দিনে একবার ফল খাওয়া উচিত। বিশেষ করে সকালের নাশতায় ফল খাওয়া সবচেয়ে উপকারী। নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণে ফল না খেয়ে ঋতুভিত্তিক ফল অল্প পরিমাণে খাওয়া ভালো। এতে শরীরে পুষ্টিও পায়, আবার নেতিবাচক প্রভাব থেকেও দূরে থাকা যায়।