Category: প্রচ্ছদ

  • চোখ রাঙাচ্ছে কোলেস্টেরল-ডায়াবেটিস, যে উপায়ে রান্নায় তেল কমাবেন

    চোখ রাঙাচ্ছে কোলেস্টেরল-ডায়াবেটিস, যে উপায়ে রান্নায় তেল কমাবেন

    অনলাইন ডেস্ক:    বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন। নিজের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে তৎপর। শরীরে ওজন যেন না বাড়ে, কোলেস্টেরল-সুগার যেন বশে থাকে, সেই চেষ্টাই করে চলেন সর্বক্ষণ। তবে মনে রাখতে হবে, সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রথমেই বদল আনতে হবে রান্নাঘরে। আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি ও দানাশস্যের পরিমাণ বাড়াতে হবে এবং রান্নায় কমাতে হবে তেলের পরিমাণ।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন উপায়ে এবং কীভাবে রান্নায় তেলের ব্যবহার কমাবেন—

    প্রথমতো তেলের জার থেকে কড়াইতে সরাসরি তেল ঢালবেন না। এতে তেল বেশি ব্যবহার হয়। তাই একটা চামচ ব্যবহার করুন। মেপে মেপে তেল ব্যবহার করুন। আর সবসময়ে কষিয়েই রান্না করতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। শাকসবজি হোক কিংবা মাংস— তেল দিয়ে রান্না করার আগে ভাপিয়ে নিন। ভাজার আগে ভাপিয়ে নিলে তেল কম লাগে। এতে খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ অটুট থাকে।

    এ ছাড়া কম তেলে রান্না করতে হলে সঠিক পাত্রও বেছে নেওয়া দরকার। ননস্টিকের প্যান ব্যবহার করলে কম তেলেই সুস্বাদু পদ রান্না করা যায়। কয়েক ফোঁটা তেলে ভাজাভুজি রান্না করতে হলে এয়ার ফায়ার বেছে নিতে পারেন। এতে মুখরোচক খাবার তেল ছাড়াই খেতে পারবেন।

    দ্বিতীয়ত মাছ কিংবা মাংস রান্নার আগে ম্যারিনেট করে রাখুন। ম্যারিনেট করা খাবার দ্রুত রান্না হয়ে যায়। এর পাশাপাশি তেলও কম লাগে। ম্যারিনেশনের সময়ে ১ চামচ তেল ব্যবহার করলেই কাজ চলে যায়। এ ছাড়া ম্যারিনেশনে দই ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে আর তেল দরকার পড়বে না।

    আবার ঢাকা দিয়ে এবং আঁচ কমিয়ে রান্না করুন। আঁচ কমিয়ে রান্না করলে খাবারের পুষ্টিগুণ অটুট থাকে। আর ঢাকা দিয়ে রান্না করলে কম তেলেও সুস্বাদু খাবার তৈরি করা সম্ভব। বরং উচ্চ তাপমাত্রায় খাবারের পুষ্টি নষ্ট হয়ে যায়।

  • বিজয় থালাপতির বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ

    বিজয় থালাপতির বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ

    বিনোদন ডেস্ক:   দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিক বিজয় থালাপতির বাড়ি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে চেন্নাই পুলিশ। তামিলনাডুর নীলঙ্করাই এলাকার ওই বাড়ির চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি সাদা পোশাকের কর্মকর্তারাও টহল দিচ্ছেন সেখানে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চেন্নাই পুলিশ সদর দপ্তরে ফোন করে এক ব্যক্তি হুমকি দেন—বিজয় যদি ভবিষ্যতে আবার জনসভা করেন, তাহলে তার বাড়ি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে। ফোনটি আসে কন্যাকুমারী জেলা থেকে। এরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে বিজয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায়, যদিও কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু মেলেনি।

    পুলিশ জানিয়েছে, হুমকিদাতার অবস্থান শনাক্ত করার কাজ চলছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, ফোনটি ভুয়া বা প্র্যাঙ্ক কল হতে পারে।

    এই ঘটনার পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক এক বড় দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট। গত সপ্তাহে বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)-এর কারুরে আয়োজিত সমাবেশে পদপিষ্ট হয়ে ৪১ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি। ঘটনাটির পর থেকেই বিজয় ও তার দল ব্যাপক সমালোচনার মুখে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, বিজয় সেদিন সমাবেশস্থলে প্রায় সাত ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছান। দুপুর থেকেই হাজার হাজার মানুষ জমা হতে থাকেন। আয়োজকদের দাবি, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষের জায়গা ছিল, সেখানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভিড় করেন। নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি, ছিল না পর্যাপ্ত পানি, খাবার বা চিকিৎসা সেবা। ফলে ভিড়ের চাপে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন, অ্যাম্বুলেন্সও ভেতরে ঢুকতে পারেনি।

    দুর্ঘটনার পর বিজয় গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। টিভিকে নেতারা অবশ্য দাবি করছেন, ‘আমরা এর আগে বহু বড় সমাবেশ আয়োজন করেছি, কখনও এমন দুর্ঘটনা ঘটেনি।’এই পরিস্থিতিতেই তার বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে তামিলনাডু জুড়ে।

  • গম্ভীরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

    গম্ভীরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

    খেলাধুলা ডেস্ক:   দাবিটি আগেই তুলেছিলেন কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। ভারতের সাবেক এই তারকার জানিয়েছেন, গৌতম গম্ভীর সেচ্ছ্বাচারিতা করছেন। শ্রীকান্তের মতে, ভারতের দল ঘোষণার সময় নাকি অধিনায়কের আগে লেখা হয় প্রধান কোচের পছন্দের এক খেলোয়াড়ের নাম। ওই খেলোয়াড়কে নিয়েই ঘটেছে বড় কাণ্ড। বিতর্কও ছড়িয়েছে বহুদূর!

    ভারতের কোচ গৌতমকে নিয়ে বিতর্ক মূলত একটি ডিনার পার্টি থেকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে নিজের বাড়িতে সবাইকে দাওয়াত দেন গৌতম। ভারত দলের স্কোয়াডের সবাই ছিলেন সেখানে। ক্যারিবিয়ানরাও। ওই দলে যোগ হন হার্ষিত রানা। ডিনারে এই ক্রিকেটারের থাকা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন!

    হার্ষিত এই সিরিজে খেলছেন না। কিন্তু কেন টিম হোটেলের বাকি সবার সঙ্গে আছেন, সেই বিষয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। তবে হার্ষিত টিমের সঙ্গে গৌতমের বাড়িতে আসেনি। নিজের গাড়িতে চেপে এসেছেন। তবুও টিমের ডিনারে তার থাকা নিয়ে অনেকের ক্ষোভ।দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছেন অনেকে। কেউ বলছেন, ‘গৌতম যেখানে যাবেন সেখানে হার্ষিত থাকবেন না, তা কি হয়!’  সমর্থকদের আরেক অংশের দাবি, গৌতম এই কাজটি ঠিক করেননি মোটেও।

    অনেকে আবার এই দাবির বিপক্ষে। যেহেতু এটা গৌতমের ব্যক্তিগত পার্টি, তাই তিনি কাকে ডাকবেন সেটা সম্পূর্ণরূপে তার সিদ্ধান্ত। এখানে ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের বাধা দেওয়ার এখতিয়ার নেই। তবে গৌতমকে নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে একমাত্র হার্ষিতকে ডাকার কারণেই। তাছাড়া সিরিজ চলাকালে দলের সঙ্গে বাইরের কারও আলোচনা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এই বিতর্ক নিয়ে এখনও কিছু বলেননি গৌতম। হার্ষিতও এড়িয়ে গেছেন মিডিয়া।

  • যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও গাজায় ইসরাইলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ

    যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও গাজায় ইসরাইলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   দুই বছরের বিধ্বংসী যুদ্ধ শেষ করতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘোষণা সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ভোররাত থেকে গাজা উপত্যকায় অব্যাহত রয়েছে ইসরাইলের হামলা। গাজা সিটি ও খান ইউনিসে ইসরাইলি বিমান ও আর্টিলারির ব্যাপক গোলাবর্ষণে অন্তত নয়জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ইসরাইলি কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকেও গাজা শহরের বেসামরিক মানুষের ওপর বোমা ফেলা হয়েছে। রাতভর তীব্র বিস্ফোরণ ও আগুনে আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে।

    মিডলইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এদিকে ইসরাইলি ট্যাংকগুলো আল-রাশিদ সড়ক অবরোধ করে দক্ষিণ গাজা থেকে উত্তরাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ফেরা ঠেকিয়ে দিয়েছে। সেনারা মাঝেমধ্যেই গুলি ও গোলা ছুড়ছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।ফিলিস্তিনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগ স্থানীয় জনগণকে সতর্ক করে বলেছে, ইসরাইলি সেনারা যেখানে অবস্থান করছে—সেসব এলাকায় না যেতে।

    মধ্যস্থতাকারীদের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার সকালে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা আসে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি জানান, ‘উভয় পক্ষ প্রথম ধাপের এমন এক চুক্তিতে পৌঁছেছে যা যুদ্ধের অবসান, বন্দি বিনিময় ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের পথ সুগম করবে।’হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘চুক্তির লক্ষ্য গাজায় যুদ্ধের সমাপ্তি, দখলদার বাহিনীর প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তার প্রবেশ এবং বন্দি বিনিময় নিশ্চিত করা।’

    অন্যদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘আজ ইসরাইলের জন্য এক মহান দিন।’ তিনি বন্দিমুক্তির প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।নেতানিয়াহু বলেন, বৃহস্পতিবারই তার মন্ত্রিসভা বৈঠক বসবে চুক্তি অনুমোদনের জন্য, যাতে ‘ইসরাইলি বন্দিদের ঘরে ফেরানো যায়।’মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল নাগাদ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।

    চুক্তির প্রথম ধাপে রোববার বা সোমবারের মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দেবে, এর বিনিময়ে ইসরাইল প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দেবে। চূড়ান্ত তালিকা এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই প্রায় ৪০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশের অনুমতি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা পরবর্তী দিনগুলোতে আরও বাড়ানো হবে।ইসরাইলি বাহিনী ধাপে ধাপে গাজা উপত্যকা থেকে সরে যাবে, তবে প্রথম ধাপে প্রত্যাহারের সীমানা কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।চুক্তির বাকি অংশ—যেমন ইসরাইলের পূর্ণ প্রত্যাহার, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন ও অন্যান্য শর্ত—পরে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

    দুই বছরের ভয়াবহ যুদ্ধের প্রেক্ষাপট

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক অভিযানে ইসরাইলে আঘাত হানার পর শুরু হয় এ যুদ্ধ। হামাস জানায়, ইসরাইলের দখলনীতি, আল-আকসা মসজিদে ক্রমবর্ধমান লঙ্ঘন, গাজায় মানবিক অবরোধ ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতনের জবাবেই তাদের এই অভিযান।

    প্রথম ঘণ্টাগুলোতেই ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড ভেঙে পড়ে, ফলে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। হামাসের হামলায় অন্তত ১,১৮০ জন নিহত হয়, যাদের প্রায় অর্ধেকই বেসামরিক নাগরিক। পরবর্তী সংঘাতে আরও সাত শতাধিক ইসরাইলি নিহত হয়।

    জবাবে ইসরাইল গাজায় ভয়াবহ বিমান ও স্থল অভিযান চালায়, যা টানা দুই বছর ধরে চলে। অবরুদ্ধ জনগোষ্ঠীর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও বোমাবর্ষণে ধ্বংস হয়ে যায় গাজার প্রায় প্রতিটি স্থাপনা—বাড়ি, হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদ ও গির্জা।ফাঁস হওয়া ইসরাইলি সেনা তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৬৭ হাজার ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই সাধারণ নাগরিক।এই সময় গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয় দেখা দেয়। জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিভিন্ন রাষ্ট্র ইসরাইলের এ কর্মকাণ্ডকে ‘ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

  • আজকের স্বর্ণের দাম: ৯ অক্টোবর ২০২৫

    আজকের স্বর্ণের দাম: ৯ অক্টোবর ২০২৫

    অর্থনীতি ডেস্ক:      দেশের বাজারে আজ বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ৯ হাজার ১০১ টাকায় বিক্রি হবে। বুধবার (০৮ অক্টোবর) স্বর্ণ ভরিতে ৬ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৯ হাজার ১০১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫ টাকা ও ৯৪ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০১ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে, এর আগে সবশেষ গত ৭ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি, যা এতদিন ছিল দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা কার্যকর হয়েছিল ৮ অক্টোবর থেকে।

    এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৬৩ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৫ বার, আর কমেছে মাত্র ১৮ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

  • মুফতি ফয়জুল করিমকে লিগ্যাল নোটিশ

    মুফতি ফয়জুল করিমকে লিগ্যাল নোটিশ

    রাজনীতি ডেস্ক:     ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ ওমর রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান।

    নোটিশে বলা হয়, গত ৬ অক্টোবর ইউটিউবে ‘চরমোনাই দর্পণ’ চ্যানেলে পোস্ট করা একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করিম পবিত্র কোরআন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। সেই বক্তব্যে ফয়জুল করিম বলেছিলেন, ‘শুধু কোরআন কিচ্ছু না’ এবং ‘শুধু কোরআন কোরআন, এর মধ্যে শুভঙ্করের ফাঁকি’।

    এতে বলা হয়, ফয়জুল করিমের এসব মন্তব্য পবিত্র কোরআনুল কারিমের মর্যাদা ও পবিত্রতার পরিপন্থি এবং মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে। কোরআন একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক গ্রন্থ, যার প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করা বাংলাদেশের সংবিধান ও দণ্ডবিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

    নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, নোটিশ পাওয়ার তিনদিনের মধ্যে ফয়জুল করিমকে সুস্পষ্ট বিবৃতি দিয়ে তার উল্লিখিত মন্তব্যগুলো প্রত্যাহার করতে হবে এবং নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।

    ভবিষ্যতে ধর্ম অবমাননামূলক মন্তব্য আর করবেন না—এমন প্রতিশ্রুতি দিতেও আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।