Category: প্রচ্ছদ

  • স্বর্ণ ভরিতে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা

    স্বর্ণ ভরিতে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা

    অর্থনীতি ডেস্ক:   দেশের বাজারে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণ ভরিতে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকায় বিক্রি হবে। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণ ভরিতে ১ হাজার ৮৮৯ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ১ হাজার ৮৮৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৭৯৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৫৪০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৩১৮ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ টাকা।

    স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। অবশ্য গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়ানো হয় রুপার দাম

    এদিকে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ১৮ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হয়। অবশ্য তার আগে ১৭, ১০, ৯, ৮, ৪ ও ২ সেপ্টেম্বর এবং ৩১ ও ২৭ আগস্ট দাম বাড়ানো হয়। এতে ১৭ সেপ্টেম্বর ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬২২ টাকা।

    মঙ্গলবার থেকে নতুন রেকর্ড দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ। এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৮৮৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৭৯৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৫৪০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৩১৮ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ টাকা।

    এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৫৬ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩৯ বার, আর কমেছে মাত্র ১৭ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

  • কাল ভারত, পরশু পাকিস্তান—দুই দিনে দুই ম্যাচ খেলা নিয়ে ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

    কাল ভারত, পরশু পাকিস্তান—দুই দিনে দুই ম্যাচ খেলা নিয়ে ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

    খেলাধুলা ডেস্ক:   এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচগুলো নকআউট পর্ব। এই পর্বে একটি ম্যাচে হেরে যাওয়া মানেই ফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়া। অথচ সুপার ফোরে বাংলাদেশকে পরপর দুই দিনের দুই কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হবে।

    সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকাকে হারিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। আগামীকাল দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত, পরদিন খেলতে হবে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

    সূচিতে পরপর দুই দিন খেলা থাকায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। টানা দুটি টি-টোয়েন্টি কিংবা ওয়ানডে খেলা খুবই কঠিন। এটা কোনো ভালো বিষয় নয়, তবে আমরা প্রস্তুত আছি। কিন্তু টানা দুই দিনে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলা ন্যায্য নয়। মানুষ যেমনটা ভাবে, কাজটা তার চেয়ে অনেক কঠিন।

    আজ ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এমন সূচি নিয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন কোচ ফিল সিমন্স। তিনি বলেন, ‘টানা দুটি টি-টোয়েন্টি কিংবা ওয়ানডে খেলা খুবই কঠিন। এটা কোনো ভালো বিষয় নয়, তবে আমরা প্রস্তুত আছি। কিন্তু টানা দুই দিনে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলা ন্যায্য নয়। মানুষ যেমনটা ভাবে, কাজটা তার চেয়ে অনেক কঠিন।’

    এই এশিয়া কাপের সুপার ফোরে  বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স শুরু থেকে তেমন ভালো ছিল না। বিশেষ করে মিডল অর্ডারের তাওহিদ হৃদয়। হংকংয়ের বিপক্ষে ৩৪ বলে ৩৫, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯ বলে ৮ আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২০ বলে ২৬ রান করেছিলেন তিনি। তবে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৭ বলে ৫৮ রান করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন হৃদয়।

    তাওহীদ হৃদয়ের প্রশংসা করে সিমন্স বলেছেন, ‘টুর্নামেন্ট বিষয়টাই এমন—কেউ ভালো শুরু করে আবার ফর্ম হারিয়ে ফেলে। কেউ আবার খারাপ শুরু করেও ভালো করতে পারে। আমি খুব আনন্দিত যে হৃদয় ভালো ব্যাটিং করছে। এখন আমরা একটা ভালো ব্যাটিং ইউনিট পেয়েছি, যারা পারফর্ম করছে। এটাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

  • সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতির ইন্তেকাল

    সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতির ইন্তেকাল

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আলে শায়খ ইন্তেকাল করেছেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মঙ্গলবার সকালে তিনি মারা যান বলে সৌদি রাজকীয় আদালতের বরাতে আল আরাবিয়া জানিয়েছে।

    সৌদি বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান গ্র্যান্ড মুফতির পরিবার, সৌদি জনগণ এবং মুসলিম বিশ্বের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

    এক বিবৃতিতে তারা বলেন, গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আলে শায়খের ইন্তেকালে সৌদি আরব এবং মুসলিম বিশ্ব একজন বিশিষ্ট পণ্ডিতকে হারালো যিনি ইসলাম এবং মুসলমানদের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।

    জানা যায়, রিয়াদের ইমাম তুর্কি বিন আব্দুল্লাহ মসজিদে আজ ʿআসর নামাজের পর তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

    এছাড়া মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববিসহ দেশের সব মসজিদে তার গায়েবানা জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এ মর্মে বাদশাহ নির্দেশও জারি করেছেন।

    শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আলে শায়খ ১৯৮১ সাল থেকে টানা ৩৫ বছর হজের খুতবা দিয়েছেন। ২০১৬ সালে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে অবসর নেন ।

  • বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে লুকিয়ে আফগানিস্তান থেকে ভারতে কিশোর

    বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে লুকিয়ে আফগানিস্তান থেকে ভারতে কিশোর

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  আফগানিস্তানের কাবুল থেকে উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারের ভেতরে ঢুকে ভারতে পৌঁছায় এক কিশোর।

    রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কেএএম এয়ারলাইনসের আরকিউ-৪৪০১ ফ্লাইট দিল্লিতে নামার পর ওই কিশোর সেখান থেকে বের হয়ে আসে।  খবর এনডিটিভির।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৩ বছরের ওই ‍কিশোর কৌতূহলের বশে কাবুলে উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারে প্রবেশ করে। এরপর উড়োজাহাজটি দুই ঘণ্টা আকাশে উড়ে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। তখন ছেলেটিকে পাওয়া যায়। উড়োজাহাজের আশেপাশেই ঘোরাফেরা করছিল সে।

    এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীদের বললে তারা ছেলেটিকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ছেলেটি বলে, সে আফগানিস্তানের কুন্দুজ শহরের বাসিন্দা। পরবর্তীতে ফিরতি ফ্লাইটে তাকে ফেরত পাঠানো হয়।

    ছেলেটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে বলে, সে কাবুল বিমানবন্দরে লুকিয়ে প্রবেশ করে এবং কোনোভাবে উড়োজাহাজের ‘ল্যান্ডিং গিয়ারের’ জায়গায় ঢুকে পড়ে। নিজের ‘কৌতূহল থেকেই’ সে এই কাজ করে বসে।

    পরে ‘ল্যান্ডিং গিয়ারের’ জায়গাটি নিরাপত্তাকর্মীরা তল্লাশি করেন। সেখানে তারা একটি লাল রঙের স্পিকার পান, যেটা ছেলেটি সঙ্গে এনেছে। পরবর্তীতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি করে উড়োজাহাজটিকে নিরাপদ ঘোষণা করা হয়।

  • ফিলিস্তিনকে নিরাপত্তা পরিষদের স্বীকৃতি দেওয়া ‘ঐতিহাসিক’: এরদোগান

    ফিলিস্তিনকে নিরাপত্তা পরিষদের স্বীকৃতি দেওয়া ‘ঐতিহাসিক’: এরদোগান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসহ বিভিন্ন দেশের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।  এসব সিদ্ধান্তকে তিনি ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন।

    এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা আনাদোলু বলছে,  জাতিসংঘের ফিলিস্তিন বিষয়ক এক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এরদোগান ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোকে অভিনন্দন জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, এসব পদক্ষেপ দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বাস্তবায়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজায় ইসরাইলের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত আছে। বিবেকবান কেউই এ ধরনের গণহত্যার মুখে নীরব থাকতে পারে না।

    তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে ফিলিস্তিনি ইস্যু প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।তিনি পুনরায় বলেন, এখন জরুরি হলো গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা, মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং ইসরাইলি সেনাদের প্রত্যাহার।

    একইসঙ্গে তিনি পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ, পূর্ব জেরুজালেমে জবরদস্তিমূলক পরিস্থিতি তৈরি এবং অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ছড়ানোর প্রচেষ্টা বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে অসম্ভব করে তোলা এবং ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা।

    তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহুর সরকার এমন এক সমাজ থেকে এসেছে, যারা একসময় হলোকাস্টের শিকার হয়েছিল; অথচ এখন তারা সেই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে, যাদের সঙ্গে হাজার বছর ধরে ভূমি ও পানি ভাগাভাগি করে এসেছে।

    এরদোগান জোর দিয়ে বলেন, ‘ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও সংযুক্তিকরণ নীতির লক্ষ্য হলো দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের স্বপ্নকে হত্যা করা এবং ফিলিস্তিনিদের নির্বাসনে ঠেলে দেওয়া।  আর এ ধরনের প্রচেষ্টা কখনোই মেনে নেওয়া যাবে না।’

  • চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় কিমের

    চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় কিমের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ‘জোরদার’ করবে উত্তর কোরিয়া—এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উন।  মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ (কেসিএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

    কেসিএনএ জানায়, উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পাঠানো অভিনন্দন বার্তার জবাবে কিম এ মন্তব্য করেন।

    কিম আরও বলেন, চলতি মাসের শুরুর দিকে বেইজিং সফরের সময় তিনি চীনের সমর্থন ‘ভালোভাবে অনুভব করেছেন’।   এ সফরে তিনি শি জিনপিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে সামরিক কুচকাওয়াজ দেখেন।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শি জিনপিং কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের মধ্যে ছয় বছর পর একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চীন উত্তর কোরিয়ার প্রধান মিত্র এবং অর্থনৈতিক সহায়তার মূল উৎস।

    এদিকে, কিম আগেই বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগের দাবি থেকে সরে আসে, তবে আলোচনায় বসতে তার কোনো আপত্তি নেই।

    তবে তিনি স্পষ্টভাবে এও জানিয়ে দেন, শুধু নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে কখনোই তিনি তার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ত্যাগ করবেন না।