Category: প্রচ্ছদ

  • দুর্গাপূজা ঘিরে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    দুর্গাপূজা ঘিরে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, পূজা একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান হওয়ায় সবার সতর্ক থাকা জরুরি। এজন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এবার প্রায় ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। উপদেষ্টা জানান, এবারের পূজায় এখন পর্যন্ত প্রতিমা ভাঙার ঘটনা তুলনামূলকভাবে কম এবং যেসব এলাকায় প্রতিমা ভাঙা হয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে।

    উপদেষ্টা আরও বলেন, পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে আগামী রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর)। তার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে নামবে এবং পূজামণ্ডপ এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

    এ সময় মাদক নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতেও কথা বলেন তিনি। তার ভাষ্যে, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম ছাড়াও বরিশাল ও বরগুনার সমুদ্রসংলগ্ন নৌরুট ব্যবহার করে দেশে মাদক প্রবেশ করছে। এর বিপরীতে চাল, সার ও ওষুধ পাচার হচ্ছে। আরাকান আর্মি মাদকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে আছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রচুর মাদক আটক হওয়ায় বাজারে এর দাম বেড়ে গেছে।

    কৃষি খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষকরা আলুর ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে কৃষকরা ভবিষ্যতে আলু চাষে নিরুৎসাহিত হবেন, যার প্রভাবে বাজারে আলুর দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • যে কোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: তারেক রহমান

    যে কোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বললেন, “সমগ্র বাংলাদেশে ধানের শীষের যত নেতাকর্মী আছে, যারা আজও গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, আমাদের সামনে একটি লক্ষ্য থাকতে হবে। আমাদের যে কোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।”

    তারেক রহমান বলেন, “আমাদের সকলকে সচেতন থাকতে হবে। আমাদের প্রত্যেকটি মানুষকে, শহীদ জিয়া এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার প্রত্যেকটি সৈনিককে অত্যন্ত সচেতেন থাকতে হবে। কেউ যেন আমাদের নাম ব্যবহার করে, এই দলের নাম ব্যবহার করে, বিএনপির নাম ব্যবহার করে তাদের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে না পারে। কেউ যেন আমাদের নাম ব্যবহার করে জনগণের মধ্যে আমাদের সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে-এই ব্যাপারে প্রত্যেককে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

    দলের নেতাকর্মীদের দুটি বিষয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর মধ্যে একটি হচ্ছে দলের যেকোনো সিদ্ধান্তে একমত থাকা এবং অপরটি হচ্ছে ব্যক্তিস্বার্থে কেউ যেন বিএনপিকে ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকা।

    তারেক রহমান বলেন, “আজ আমরা সম্মিলিতভাবে যেভাবে এই কাউন্সিলকে সফল করেছি, আমরা যদি আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, একটি সফল জনরায় আমাদের পক্ষে আনতে সক্ষম হবো।

    সবাইকে দলের যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার তাগিদ দিয়ে উদাহরণসহ তিনি বলেন, “একটি পরিবারের মুরব্বি যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় তখন সেই পরিবারের সব সদস্য সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়, পাশে এসে দাঁড়িয়ে যায়। দলের নীতি-নির্ধারকমণ্ডলী হচ্ছে বিএনপি নামক বৃহৎ দলের মুরব্বি। তারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেন তখন নেতাকর্মীদের দায়িত্ব হচ্ছে সেই সিদ্ধান্ত নেমে নেওয়া।”

    ‘আজ যারা দলীয় পদ পাওয়ার জন্য নির্বাচন করছেন তাদের কাছে কাউন্সিলররা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি আগামী নির্বাচনে জনগণ গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে, তাদের পাশে থাকতে হবে, পাশে রাখতে হবে’-উল্লেখ করেন তিনি।

    জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই সম্মেলনে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তারেক রহমান। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশের আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা আনতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ৮ পরামর্শ

    বাংলাদেশের আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা আনতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ৮ পরামর্শ

    অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা আনতে আটটি পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। মার্কিন সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রকাশিত ফিসক্যাল ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট বা আর্থিক স্বচ্ছতা প্রতিবেদনে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আগের সরকারের তৈরি বাজেট কাঠামোই মূলত অনুসরণ করছে। আগের সরকারের বাজেট কাঠামো বদলায়নি অন্তর্বর্তী সরকার। তবে সরকার অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা বাড়াতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।

     

    এবার দেখা যাক আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা আনতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কী কী পরামর্শ দিয়েছে।

    ১. বছরের শেষ হিসাব প্রতিবেদন যৌক্তিক সময়ের মধ্যে প্রকাশ করা।

    ২. বাজেট নথি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রস্তুত করা।

    ৩. নির্বাহী কার্যালয়ের ব্যয় আলাদাভাবে দেখানো।

    ৪. বাজেটে সরকারের রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রকাশ করা।

    ৫. আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরীক্ষা কর্তৃপক্ষের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। বাজেটের পূর্ণাঙ্গ তথ্য যেন তারা পায়, সেই ব্যবস্থা করা।

    ৬. নিরীক্ষা প্রতিবেদন সময়মতো প্রকাশ করা, যেখানে প্রস্তাবনা ও বিস্তারিত তথ্য থাকবে।

    ৭. প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ–সংক্রান্ত চুক্তির মূল তথ্য প্রকাশ করা।

    ৮. সরকারি ক্রয়ের তথ্য প্রকাশ করা।

    প্রতিবেদনে আরও যা বলা হয়েছে 

    মার্কিন সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরের আর্থিক স্বচ্ছতা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের সরকার নির্বাহী বাজেট প্রস্তাব ও প্রণীত বাজেট অনলাইনে সাধারণ জনগণের জন্য প্রকাশ করেছে। তবে বছরের শেষ হিসাব প্রতিবেদন যৌক্তিক সময়ের মধ্যে প্রকাশ করেনি। তারা মনে করছে, বাজেটের তথ্য সাধারণভাবে নির্ভরযোগ্য হলেও আন্তর্জাতিক মান অনুসারে হয়নি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের ঋণ বা দেনার পরিমাণ কত, তা বাজেটে প্রকাশ করা হতো। বাজেট নথিতে সরকারের পরিকল্পিত ব্যয়, রাজস্ব আয়সহ প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে অর্জিত আয় দেখানো হলেও একাধিক দিক থেকে তথ্য অসম্পূর্ণ ছিল। বিশেষ করে নির্বাহী বিভাগের ব্যয় আলাদা করে দেখানো হয়নি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক বরাদ্দ ও আয় প্রকাশ করা হলেও রাজস্ব ও ব্যয়ের সম্পূর্ণ হিসাব পাওয়া যায়নি।

  • আজ যে গণতন্ত্রের কথা সবাই বলছে, তার সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান

    আজ যে গণতন্ত্রের কথা সবাই বলছে, তার সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে বললেন, “আজ যে গণতন্ত্রের কথা সবাই বলছে, সেই গণতন্ত্রের সূচনা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপনও করেছেন তিনি।”

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “অসংখ্য রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে বিএনপি আজ মুক্ত পরিবেশে কর্মসূচি পালন করছে। এজন্য বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও যারা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাজিত করেছেন সেই ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানাই। একাত্তরে ভিন্ন অবস্থানে থাকা দল এমনকি যাদের কালকে জন্ম হয়েছে তারাও আজ বিএনপিকে নিয়ে কথা বলে। কিন্তু বিএনপি হলো ফিনিক্স পাখির মতো, এ দলকে ভাঙার নানান ষড়যন্ত্র হয়েছে কিন্তু কোনোটি সফল হয়নি, বরং ষড়যন্ত্রকারীরাই পালিয়ে গেছে।”

    ‘বিএনপি হঠাৎ করেই উঠে আসেনি, দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ জায়গায় এসেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় যে নেতাকে নির্যাতন করে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল, সেই নেতাই নতুন করে গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। এখন নতুন সুযোগ এসেছে তারেক রহমানকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার। তাই সবাইকে বিএনপির পাশে দাঁড়াতে হবে’-উল্লেখ করেন তিনি।

    জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর পর অনুষ্ঠিত এ সম্মেলন শুরু হয়। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা স্টেডিয়ামে সমবেত হন। কয়েক হাজার কর্মীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয় সম্মেলন।

  • সরকারি আমন্ত্রণে আফগানিস্তানে মামুনুল হকসহ ৬ আলেম

    সরকারি আমন্ত্রণে আফগানিস্তানে মামুনুল হকসহ ৬ আলেম

    অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে মাওলানা মামুনুল হকসহ বাংলাদেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরামের একটি প্রতিনিধি দল আফগানিস্তান সফরে গেছেন। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তারা দেশটির রাজধানী কাবুলে পৌঁছান।

    বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, সফরকালে প্রতিনিধি দল ইমারাতে ইসলামিয়া (তালেবান) সরকারের প্রধান বিচারপতি, একাধিক মন্ত্রী, শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। বিশেষভাবে মানবাধিকার ও নারী অধিকার বিষয়ে পশ্চিমা মহলে যে সমালোচনা রয়েছে, সে প্রসঙ্গেও তারা বাস্তব অবস্থান সরাসরি পরিদর্শন করবেন।

    আলোচনায় দুই দেশের আলেমদের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করা, কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং বাণিজ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে। প্রতিনিধিদলটি আফগানিস্তানে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাও পরিদর্শন করবে।

    মামুনুল হক ছাড়াও প্রতিনিধি দলে রয়েছেন– হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল হামিদ (মধুপুরের পীর), মাওলানা আবদুল আউয়াল, মাওলানা আবদুল হক, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, মাওলানা মনির হোসাইন কাসেমী ও মাওলানা মাহবুবুর রহমান।

    প্রসঙ্গত, গত ১৪ সেপ্টেম্বর মাওলানা মামুনুল হকসহ প্রতিনিধি দল পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান। সেখানে তারা ওমরাহ আদায় করেন। ওমরাহ পালন শেষে গতকাল সকালে দুবাই হয়ে কাবুলে পৌঁছান।

    এই সফরে আফগানিস্তান ছাড়াও মধ্য এশিয়ার আরও দেশে মাওলানা মামুনুল হকের যাওয়ার কথা রয়েছে।

  • ঢাকায় ৪ দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় বাণিজ্য মেলা শুরু

    ঢাকায় ৪ দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় বাণিজ্য মেলা শুরু

    অর্থনীতি ডেস্ক: সার্কভুক্ত দেশগুলোর অংশগ্রহণে ঢাকায় শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় বাণিজ্য মেলা ২০২৫। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা’য় এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ইপিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ, সার্ক চেম্বারের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই), বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সহায়তায় এ মেলার আয়োজন করেছে সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসসিসিআই)।

    মেলায় তৈরি পোশাক, গয়না, কসমেটিকস, চামড়াজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ইলেকট্রনিক পণ্যসহ নানা ধরনের সামগ্রী প্রদর্শিত হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর শতাধিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্য ও সেবা নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করেছে।

    প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এই মেলা চলবে আগামী রোববার পর্যন্ত।

    পণ্য প্রদর্শনীর পাশাপাশি, এই অনুষ্ঠানে বিটুবি ম্যাচমেকিং সেশন, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ এবং সার্ক অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি ও অভিজ্ঞতা শেয়ারের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

    মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। আয়োজকরা মনে করেন, মেলাটি আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য মেলাটি গুরুত্বপূর্ণ হবে।

    সম্ভবনা থাকা সত্ত্বেও, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কম রয়েছে। বাণিজ্য মেলার লক্ষ্য হলো ব্যবসায়িক সম্পর্কগুলো গভীর করে তোলা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য প্রদর্শন করে বিধ্যমান ব্যবধান দূর করা।