Category: প্রচ্ছদ

  • গাজা ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প

    গাজা ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয় নিয়ে মুসলিম প্রধান একাধিক দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  খবর রয়টার্সের।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, বৈঠকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মিশর, জর্ডান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের নেতা বা শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। আলোচনায় মূল বিষয় হবে গাজার যুদ্ধ পরিস্থিতি ও শাসনব্যবস্থা।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এর তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প বৈঠকে একটি শান্তি প্রস্তাব ও যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা শাসন কাঠামোর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আলোচনায় জিম্মি মুক্তি, যুদ্ধের অবসান, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার ও হামাস-বহির্ভূত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয় গুরুত্ব পাবে।

    ওয়াশিংটন চাইছে আরব ও মুসলিম দেশগুলো গাজায় শান্তিরক্ষী সেনা পাঠাক, যাতে ইসরাইল সেনা প্রত্যাহার করতে পারে। একইসঙ্গে গাজা পুনর্গঠন ও স্থানান্তরকালীন খরচের জন্য অর্থায়নেও দেশগুলোর সহযোগিতা চাওয়া হবে।

    ট্রাম্পের এই উদ্যোগ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বহু পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের মতো দেশগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, শান্তির একমাত্র পথ হলো দুই-রাষ্ট্র সমাধান।

    যদিও ইসরাইল এই স্বীকৃতিকে ‘সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করা’ বলে উল্লেখ করেছে। স্বীকৃতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে আপত্তি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।

  • জামায়াতের প্রস্তাবে সম্মত না হওয়ায় তারা চাপ সৃষ্টি করছে : দাবি মির্জা ফখরুল

    জামায়াতের প্রস্তাবে সম্মত না হওয়ায় তারা চাপ সৃষ্টি করছে : দাবি মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির কাছ থেকে জামায়াতে ইসলামী ৩০টি আসনে ছাড় চেয়েছিল বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, বিএনপি সেই প্রস্তাবে সম্মত না হওয়ায় জামায়াত এখন পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি তুলে বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাংলা দৈনিক ‘এই সময়’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সম্প্রতি পত্রিকাটির সাংবাদিক অনমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নেওয়া সাক্ষাৎকারটি গতকাল সোমবার প্রকাশিত হয়।

    এসময় সাক্ষাৎকারে ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রশ্ন করা হয়, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন কি আদৌ হবে? জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির দাবি পূরণ না হলে কি নির্বাচন হতে দেবে? হলেও কি দেশজুড়ে অশান্তি ও রক্তপাত হবে?

    জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতেই ভোট হবে। সংশয়ের কোনো জায়গা নেই। কোনো অশান্তি হবে না। মানুষ ভোটাধিকার ফেরত চাইছেন, নির্বাচন চাইছেন। উৎসবের মতো ভোট হবে ফেব্রুয়ারিতে।

    সাংবাদিকের জামায়াতের পিআর পদ্ধতি ও এনসিপির গণপরিষদের নির্বাচনের দাবি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, জামায়াত ভোটে আসবে। পিআর-টিআর নয়, মানুষ যে পদ্ধতিতে ভোট বোঝেন, সেই প্রচলিত পদ্ধতিতেই হবে বাংলাদেশের ভোট। জামায়াতও দেখবেন অংশ নেবে। আর এনসিপিকে আমরা কোনো শক্তি বলেই আর মনে করি না।

    এনসিপি কি বিএনপির কাছে আসন চেয়েছিল-এমন এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, না, এনসিপি কখনো চায়নি। তবে জামায়াত চেয়েছে। এনসিপির এখন একমাত্র লক্ষ্য, বিএনপিকে সরকার গঠন করতে না দেওয়া।

    জামায়াত কি ৫০টি আসন চেয়েছিল-জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ৩০টা চেয়েছে। আমরা উৎসাহ দেখাইনি। অনেক কম একটি সংখ্যার কথা বলেছি, যা তাদের পছন্দ হয়নি। আপনাকে আশ্বাস দিচ্ছি, জামায়াতকে আর আমরা মাথায় উঠতে দেব না। তারা যত বড় না শক্তি, আমরা অকারণে তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। পিআর-টিআর সবই বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল। জামায়াত কিন্তু নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    নির্বাচন বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর এখন আস্থা আছে কি না-জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, পরিস্থিতি বদলেছে। দলের পক্ষে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলি। দেখছি, এখন তিনি সর্বোচ্চ সিরিয়াস। আন্তরিকভাবেই চান ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হোক।

    তিনি বলেন, আগস্টের ৫ তারিখে ইউনূস নির্বাচনের দিন ঘোষণা করলেন। তার আগের দিন রাতে ইউনূস সাহেবের বাসভবনে তাঁর ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আমার দীর্ঘ আলোচনা হয়। সেনাপ্রধান বলেন, পুলিশ কম বলে এক বছর ধরে সেনাদের রাস্তায় ডিউটি করতে হচ্ছে, যা কাম্য নয়। তিনি ডিসেম্বরে ভোটের কথা বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারিতে আপত্তি নেই। সব রকম সহযোগিতা করবেন।

    জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুরের পরের দিন ড. ইউনূস বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতৃত্বকে তাঁর বাসভবনে ডেকেছিলেন কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, ড. ইউনূস সেদিন আমাদের একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। সে বার্তা সংক্ষিপ্ত, এক লাইনের। এক ধরনের ফাইনাল বেল বলতে পারেন। ইউনূস সেদিন আমাদের জানিয়ে দেন, ফেব্রুয়ারিতে ভোটের বাস ধরতে না পারলে তিনি মার্চ থেকে আর থাকবেন না।

    আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিক দলগুলো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না-এমন প্রশ্নে ফখরুল বলেন, আমরা বলেছি আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিকেরা সবাই, এমনকি জাতীয় পার্টিও নির্বাচনে অংশ নিক। একটা সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট হোক। এজন্য অনেকে আমাকে ভারতের এজেন্ট, আওয়ামী দালাল বলে গালাগাল দিচ্ছে। কিন্তু শেখ হাসিনার অপকর্ম আমরাও কেন করব?

    বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, ভারত মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী। ভৌগোলিকভাবেও বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, এক দিকে সাগর। সুতরাং ভারতের প্রভাব বাংলাদেশে থাকবেই। সমস্যা হলো, বাংলাদেশ বলতে শুধু আওয়ামী লীগকে বুঝেছে ভারতের শাসকেরা।

    ভারতীয় সাংবাদিকের ‘২৫ বছর ধরে জামায়াত আপনাদের শরিক’-এমন মন্তব্যের জবাবে ফখরুল বলেন, ভুল। আওয়ামী লীগ এই অপপ্রচারটা ভারতকে বিশ্বাস করিয়েছে। তারা শুধুই নির্বাচনী শরিক। তারা ধর্মীয় রাজনীতি করে, আমরা করি না।

    ‘আসলে আওয়ামী চশমা দিয়ে ভারত বাংলাদেশকে দেখেই ভুলটা করেছে। বাকিদের সঙ্গে যোগাযোগই রাখেনি। আজ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ক্ষোভের পাহাড় তীব্র ভারত-বিরোধিতায় পর্যবসিত হয়েছে। তবে বিএনপির পক্ষে আমি আশ্বাস দিচ্ছি, জামায়াতকে আর সুবিধা নিতে দেবো না। আমরা চাই, ভারত সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখুক’-যোগ করেন তিনি।

  • রাকসু নির্বাচন নিয়ে চার প্যানেলের প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

    রাকসু নির্বাচন নিয়ে চার প্যানেলের প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

    অনলাইন ডেস্ক: শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউনের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট প্রতিনিধি নির্বাচন হতে পারে না বলে মনে করেন চারটি স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থীরা। তারা নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মাকেটে প্যানেল চারটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে মোট ১১টি প্যানেলের মধ্যে সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ, রাকসু ফর র‍্যাডিকাল চেঞ্জ, সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ ও ইউনাইটেড ফর রাইটস প্যানেলের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদের ভিপি প্রার্থী ও সাবেক সমন্বয়ক তাসিন খান। তিনি বলেন, ২৫ সেপ্টেম্বর রাকসু নির্বাচন উপলক্ষ্যে আমরা সকলেই উৎসবমুখর পরিবেশে রাকসুর প্রচারণা করছিলাম। কিন্তু পোষ্য কোটাকে সামনে এনে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হয়েছে সেখানে ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সকলেই পরষ্পরের মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে যা আমাদের কখনোই কাম্য নয়। রাকসু আমরা চাই, রাকসু দিতে হবেই। নির্বাচন কোনোভাবেই বন্ধ করা চলবে না। কিন্তু নির্বাচনের প্রাণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ না হলে সেই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবেই। তাসিন বলেন, পোষ্য কোটা ইস্যুতে ক্যাম্পাস কমপ্লিট শাটডাউনের শিক্ষার্থীরা অলরেডি বাসায় যাওয়া শুরু করেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছুটির পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত এই কমপ্লিট শাটডাউন আমাদের সকল প্যানেলের, সকল সতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে এবং দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রাকসু নির্বাচনকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করবে। তিনি বলেন, আমরা চাই শান্তিপূর্ণ, আনন্দমুখর পরিবেশে রাকসু নির্বাচন যা শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের নিয়েই সম্ভব যে পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় এখন নেই। বিশ্ববিদ্যালয়কে কমপ্লিট শাটডাউনে রেখে কোনোভাবে রাকসু নির্বাচন হতে পারে না। এটা সুস্পষ্ট রাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র। সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়, রাকসু নির্বাচন হতে হবে এবং কোনোভাবে সেটা প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না। তবে ক্যাম্পাস শাটডাউন, ক্লাস অফ রেখে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস বিমুখ রেখে কোনোভাবে রাকসু নির্বাচন হতে পারে না। সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু রাকসু নির্বাচন হবার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অতি দ্রুত পোষ্য কোটা ইস্যু মিমাংসা করে ক্যাম্পাসের স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। তাসিন বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রেখে রাকসু নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। আমরা কোনোভাবে আমাদের প্রাণের রাকসু নির্বাচনকে একতরফা নির্বাচন হতে দিতে চাই না।

    ক্যাম্পাসের অস্থিতিশীল পরিবেশ, কমপ্লিট শাটডাউন, পূজার ছুটি সব কিছু বিবেচনা করে রাকসু নির্বাচন কমিশনারকে পরবর্তী পদক্ষেপ অতি দ্রুত নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, কোনোভাবে রাকসু নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ স্থিতিশীল করে রাকসু নির্বাচন হতে দিতে হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে এই প্যানেলগুলোর তাপসি রাবেয়া, সোহরাওয়ার্দী হল, জিয়া হল, বিজয় ২৪ হল ও সৈয়দ আমির আলি হলের প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • যৌথ অভিযানে টেকনাফের পাহাড়ে মানব পাচারকারীদের আস্তানা হতে ৮৪ জনকে উদ্ধার

    যৌথ অভিযানে টেকনাফের পাহাড়ে মানব পাচারকারীদের আস্তানা হতে ৮৪ জনকে উদ্ধার

    অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফে মানব পাচারকারীদের পাহাড়ি আস্তানায় বিজিবি ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে ৮৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় গুলিসহ তিন পাচারকারীকে আটক করা হয়। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে যৌথ বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

    আটকরা হলেন— বাহারছড়ার কচ্ছপিয়া এলাকার আব্দুল্লাহ (২১), রাজরছড়ার সাইফুল ইসলাম (২০) ও একই এলাকার ইব্রাহিম (২০)। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বিজিবি-র‍্যাব জানায়, রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বাহারছড়া কচ্ছপিয়ার গহিন পাহাড়ে প্রথম ধাপের অভিযান চালানো হয়। এ সময় একজন পাচারকারীকে আটক ও চার ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী বৃহৎ অভিযানে নামে। পাচারকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং কিছু ভুক্তভোগীকে পাহাড় থেকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে কৌশলে ঘিরে ফেলে তাদের আটক করা সম্ভব হয়।

    অভিযানে একটি ওয়ান শুটারগান, একটি একনলা বন্দুক, একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি রামদা, একটি চাকু এবং তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৮৪ জনের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে পাচারের জন্য পাহাড়ে আটকে রাখা হয়েছিল।

    সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি-২-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, “সম্প্রতি টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় একাধিক মানব পাচারকারী গ্রুপ সক্রিয় হয়েছে। আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি এবং অভিযান চালাচ্ছি।” র‍্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান জানান, আটক তিন পাচারকারীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের মূল হোতাদের খোঁজে তৎপরতা চলছে।

  • শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

    শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

    অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব ছাড়াও অংশ নিয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    অন্যদিকে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু, তপন চৌধুরী, একে আজাদ, নাসিম মনজুর, কামরান টি রহমান, আহসান খান চৌধুরী, তাসকিন আহমেদ, এমএ হাতেম, ফজলে এশান শামীম, ডা. রশিদ আহমেদ হোসেনী প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

    সূত্রের ভাষ্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকটিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।

  • জাতিসংঘে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

    জাতিসংঘে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করছেন। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তিনি নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

    সফরসূচি অনুযায়ী, সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন এবং শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। এতে তিনি বিগত এক বছরে দেশে সংঘটিত সংস্কারের ধারাবাহিকতা এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    জাতিসংঘ সফরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাকবেন চার রাজনৈতিক নেতা— বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।

    এ ছাড়া সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য ‘হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য সিচুয়েশন অব রোহিঙ্গা মুসলিমস অ্যান্ড আদার মাইনোরিটিজ ইন মিয়ানমার’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও অংশ নেবেন।

    অধ্যাপক ইউনূসের দেশে ফেরার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর)।