Category: প্রচ্ছদ

  • দেশের সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    দেশের সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আজ (বুধবার) ভোর ৬টায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

    এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
    এতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন (০৩) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

     

    সূত্র : বাসস

  • একদল মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করছে, আরেকদল চব্বিশ: আমীর খসরু

    একদল মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করছে, আরেকদল চব্বিশ: আমীর খসরু

    অনলাইন ডেস্ক: একদল মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করে সুবিধা নিয়েছে, আরেকদল চব্বিশ দিয়ে আখের গোছাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আন্দোলনের কৃতিত্ব শুধু জনগণের। বিএনপি কোন কৃতিত্ব নিতে চায় না।

    আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে এক সেমিনারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    আমীর খসরু বলেন, বিপ্লবোত্তর যেসব দেশ দ্রুত নির্বাচন হয়নি বরং দাবি আদায় পূরণে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে, সেসব দেশে গৃহযুদ্ধ লেগে আছে।

    তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে লড়াই হলে দেশের ভবিষ্যত অনিশ্চয়তায় পড়বে। এই পরিবর্তন ধারণ করতে না পারলে সেক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির ভবিষ্যত ভালো হবে না।

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাত রাজনৈতিক দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাত রাজনৈতিক দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    অনলাইন ডেস্ক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাতটি রাজনৈতিক দল ও একটি সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

    মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বৈঠকে অংশ নেন- এবি পার্টি, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় গণফ্রন্ট এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

    এর আগে গত রোববার প্রধান উপদেষ্টা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির সঙ্গে বৈঠক করেন। ধারাবাহিক এই বৈঠক আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদের সহায়ক: রিজভী

    জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদের সহায়ক: রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক: দেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। তিনি বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় পার্টি দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করেছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

    রিজভী বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের অনুসারী তাদের আইন অনুযায়ী বিচার হওয়া উচিত। তিনি জোর দেন, বিএনপি বর্তমানে রাষ্ট্রক্ষমতায় না থাকার কারণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অভাবের দায় বিএনপির কাঁধে আসে না। তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ ১৬ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক সচেতনতার কার্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া ধ্বংস করেছে।

    আলোচনা সভায় রিজভী আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে যে কেউ অন্যের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার রাখে, তবে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরের ওপর হামলাকে তিনি ন্যাক্কারজনক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি কোনো মব সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী নয় এবং তারা আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের ভিত্তিতে রাজনীতি পরিচালনা করে।

    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রসঙ্গে রিজভী মন্তব্য করেন, তাকে কারাগারে নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল জাতিকে পরাভূত করা। তিনি একই সঙ্গে বলেন, বিএনপি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কোনো কাজের দায় নিতে পারে না, বিশেষ করে যারা ফ্যাসিবাদকে সমর্থন বা সহযোগিতা করেছে।

  • হত্যার উদ্দেশ্যেই নুরকে আঘাত করা হয়েছিল: মির্জা ফখরুল

    হত্যার উদ্দেশ্যেই নুরকে আঘাত করা হয়েছিল: মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক: গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই আঘাত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নুরকে দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ।

    মির্জা ফখরুল বলেন, নুরকে যে আঘাত করা হয়েছে, তা হত্যার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে- এটা স্পষ্ট। তিনি আগের তুলনায় কিছুটা সুস্থতার দিকে গেলেও এখনো সংকটজনক অবস্থায় আছেন। শরীরের যে স্থানগুলোতে আঘাত লেগেছে, সেগুলো অত্যন্ত গুরুতর। তার মস্তিষ্কেও আঘাত ও রক্তক্ষরণ হয়েছে।

    তিনি বলেন, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি হয়নি, সবকিছু সঠিকভাবে চলছে। এখানে কিছুদিন বিশ্রামের পর তাকে বাইরে নিয়ে গিয়ে পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে খেতে পারছেন না, পাইপের মাধ্যমে তরল খাদ্য গ্রহণ করতে হচ্ছে। তার সুস্থ হতে সময় লাগছে এবং পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য তাকে দেশের বাইরে নেওয়া দরকার।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অভ্যুত্থানের পরেও যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের নেতাদের ওপর এভাবে হামলা চালায়, তাহলে সাধারণ মানুষের ওপর তারা কী করছে তা সহজেই অনুমান করা যায়। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন, তা দ্রুত সম্পন্ন করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি নূরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত দেশের বাইরে পাঠানো জরুরি।

    এর আগে, দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম। এ সময় তিনি নুরের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন।

     

    সূত্র: বাসস

  • অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে: হাইকোর্টের রায়

    অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে: হাইকোর্টের রায়

    অনলাইন ডেস্ক: অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    এ ছাড়াও রায়ে আগামী তিন মাসের মধ্যে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন বাতিল করে পূর্বের (১৯৭২ সালের) অবস্থায় ফিরিয়ে দিয়ে এ সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আজ এই রায় দেন।

    আদালতে এ সংক্রান্ত রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। অ্যামিকাস কিউরি (আদালত বন্ধু) হিসেবে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। আর ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানুল করিম।

    সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ, ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচার বিভাগীয় পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে গত বছরের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী রিটটি করেন। তারা হলেন মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, মো. জহিরুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল্লাহ সাদিক, মো. মিজানুল হক, আমিনুল ইসলাম শাকিল ও যায়েদ বিন আমজাদ।

    এই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছর ২৭ অক্টোবর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব (বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতি) ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। রুলে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং এ সংক্রান্ত ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় পৃথক সচিবালয় কেন প্রতিষ্ঠা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়।

    আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রগতি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে ৬০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

    গত ২৫ মার্চ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। পরে প্রধান বিচারপতি বিষয়টি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠান। সে অনুযায়ী এই বেঞ্চে উভয় পক্ষে কয়েকদিন রুল শুনানির পর ২ সেপ্টেম্বর (আজ) রায়ের দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।