Category: প্রচ্ছদ

  • অস্ট্রেলিয়াকে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

    অস্ট্রেলিয়াকে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

    তিন ব্যাটার লিটন দাস-তাওহিদ হদয় ও মোসাদ্দেক হোসেনের হাফ-সেঞ্চুরিতে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের জন্য ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান করে টাইগাররা। লিটন অপরাজিত ৫৮, হৃদয় ৮৩ ও মোসাদ্দেক অনবদ্য ৫৬ রান করেন।

    মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের চতুর্থ বলে সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। ২ রান করে ফিরেন সৌম্য।

    ভালো শুরু করে আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান ১৯ ও ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৪ রানে আউট হন।

    ৬১ রানে ৩ উইকেট পতনের পর লিটনের সাথে ৯৫ এবং মোসাদ্দেককে নিয়ে ৯০ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে ২৭৪ রানের সংগ্রহ এনে দেন হৃদয়।

    ৮টি চারে ৮৩ রান তুলে আউট হন হৃদয়। লিটন ৫৮ ও মোসাদ্দেক ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন। লিটনের ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা এবং মোসাদ্দেকের ব্যাট থেকে আসে ৫ চার ও ১ ছক্কা।

    অস্ট্রেলিয়ার জেভিয়ার বার্টলেট ও ম্যাট রেনশ ২টি করে উইকেট নেন।

  • যুদ্ধবিরতি আলোচনা: তেহরানে কাতারের প্রতিনিধি দল

    যুদ্ধবিরতি আলোচনা: তেহরানে কাতারের প্রতিনিধি দল

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসানের মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, রোববার কাতারের একটি প্রতিনিধি দল তেহরানে পৌঁছেছে। ইরানি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

    ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে যে, কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টাকে ইরানে পাঠানো হয়েছে।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    অন্যদিকে ইরানের আরেক সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানিয়েছে, এই সফরের উদ্দেশ্য হলো, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সাম্প্রতিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।

    এই সফর এমন সময় হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনা চলমান রয়েছে।

  • গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এবং ১৬ জুনের সংবাদপত্র বাতিলের কালো আইনের মধ্য দিয়ে দেশের গণমাধ্যম যে অন্ধকার গলিতে ঢুকে পড়েছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে সেখান থেকে গণমাধ্যমকে আবার মুক্ত আকাশে বের করা সম্ভব হতো কিনা-ইতিহাসে সেই প্রশ্ন রয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে যুগ যুগ ধরে শহীদ জিয়াউর রহমানকে সসম্মানে স্মরণ করতে হবে, কারণ তিনি স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করেছেন।’

    আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

    জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত দুইটার সময় কারো নির্দেশ বা প্ররোচনা ছাড়াই ৩৬ বছর বয়সের একজন বাঙালি মেজর একটি প্রতিষ্ঠিত সামরিক শক্তি সম্পন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কেবল নিজের সততা, মূল্যবোধ, চেতনা ও দেশপ্রেমের ওপর ভর করে তিনি ক্যান্টনমেন্ট ও দেশবাসীর সামনে সংকটকালীন সময়ের সমাধানের পুরুষ হিসেবে হাজির হয়েছিলেন।

    তিনি বলেন, যারা ইতিহাস সম্পর্কে অবগত তারা জানেন, ২৫ মার্চের সেই রাতে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা না করলে জাতি দিকনির্দেশনাহীন থাকতো। একইভাবে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা যদি তাঁকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে নিয়ে না আসতো, তবে দেশে শান্তির ছায়া নেমে আসতো না।

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জিয়াউর রহমান একজন সামরিক কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তাঁর মনোজগৎ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করেছে তিনি একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।

    তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ওপর হওয়া অসম্মানজনক আচরণকে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রনায়কের মতো হজম করেছেন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভর করে দেশের সকল ভিন্ন মতের জন্য সমালোচনা করার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন।’

    মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া বঞ্চিত রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতির মাঠে এনে গঠনমূলক তর্ক-বিতর্কের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি চতুর্থ সংশোধনীর সমস্ত বেড়াজাল ভেঙে দিয়ে কবর দেওয়া পার্লামেন্টকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন। ভিন্ন মতকে সম্মান করা এবং বহুমাত্রিক চিন্তার মধ্য দিয়ে উন্নয়নের গতি নির্ধারণ করাই ছিল তাঁর রাষ্ট্রনায়কোচিত বৈশিষ্ট্য।

    গণমাধ্যম সম্পর্কে শহীদ জিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো নেতাই জননন্দিত রাষ্ট্রনায়ক হতে পারেন না, যদি না তিনি গণমাধ্যমের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা করেন। শহীদ জিয়া শুধু গণমাধ্যমকে অবকাঠামোগত বা আর্থিক সুবিধাই দেননি, বরং গণমাধ্যম যাতে রাষ্ট্র ও সমাজের পরিচ্ছন্ন আয়না হিসেবে কাজ করতে পারে-সেই স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর সেই অবদানের কারণেই আজ সমাজ ও রাষ্ট্র জনগণের কাছে সার্বক্ষণিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।

  • যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান তিতুমীরের

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান তিতুমীরের

    প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশটির মূলধারার রাজনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    গত শুক্রবার ভার্জিনিয়ার হলিডে ইন হোটেলে ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপি আয়োজিত ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময়’ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

    ড. তিতুমীর বলেন, ‘পতিত সরকার লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের অর্থনীতি যে সচল থাকল, তার কৃতিত্ব প্রবাসী বাংলাদেশিদের।’

    তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের কৃতিত্ব আরও একটু বেশি। কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কাছে ফ্যাসিস্ট সরকারের নিপীড়ন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের চিত্র তুলে ধরেছিল। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি ও বাংলাদেশি-আমেরিকানদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, আপনারা মূলধারার রাজনীতি ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তাহলে দেশের প্রতি আরও বড়ভাবে অবদান রাখার সুযোগ পাবেন।’

    ড. তিতুমীর বলেন, ‘এবারের প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা। যার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।’

    দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের চরম সংকটময় সময়ে জনগণ তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। রেখে গেছে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি। এ পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছে।

    ড. তিতুমীর বলেন, ‘১৯৭৫ সালের পরে একটি বিধ্বস্ত দেশ ও অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব জনগণ দিয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ওপর। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার পতনের পর জনগণ ধ্বংসযজ্ঞ অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব দিয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার হাতে। জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা সেই দায়িত্ব দক্ষতা, যোগ্যতা ও সততার সঙ্গে পালন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় লুটপাটে পঙ্গু করে দেওয়া অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব জনগণ ভোটের মাধ্যমে তুলে দিয়েছেন তারেক রহমানের হাতে।’

    তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি সংকটময় সময়ে মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে এবং জিয়া-খালেদার ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও জনআস্থার প্রতিদানে কাজ শুরু করেছেন, যার প্রতিফলন ইতিমধ্যে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।

    অনুষ্ঠানে আরও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জাহিদ খান, মিয়া মজনু, নয়ন বাঙালি ও তুহিন।

    ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাইরে তুমুল বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রায় তিন শতাধিক প্রবাসী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। রাত পর্যন্ত চলা অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে।

  • আছিয়া ও রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

    আছিয়া ও রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

    মাগুরার শিশু আছিয়া ও পল্লবীর শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হাইকোর্টে শুনানি চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল।

    আজ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চে অ্যাটর্নি জেনারেল এই আবেদন করেন।

    এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, এই বেঞ্চে থাকা নারী ও  শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত কোন ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ কোন মুলতবি চাইবে না।

    অন্যদিকে, রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করা জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

    রোববার বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো: সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদেশ দেন।

    এসময় রাষ্ট্র পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত শুনানির জন্য পেপার বুক প্রস্তুতের বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে আদালত আজই আদেশের কপিটি সংশ্লিষ্ট শাখায় দেয়া হয় বলে উল্লেখ করেন।

  • কেন্দুয়ায় ‘লোকজ সাহিত্য আসর’এর উদ্বোধন করলেন এমপি হিলালী

    কেন্দুয়ায় ‘লোকজ সাহিত্য আসর’এর উদ্বোধন করলেন এমপি হিলালী

    নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেছেন, কেন্দুয়া শুধু একটি জনপদের নাম নয়, এটি সমৃদ্ধ লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সাহিত্যচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এই অঞ্চলের ইতিহাস, লোকসংগীত, পালাগান ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার বিকালে কেন্দুয়া প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসর’-এর উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বারোপ করে সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতি মানুষকে মানবিক, উদার ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তোলে। তাই সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করতে হবে। আমাদের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ রক্ষায় এমন আয়োজন নিয়মিত হওয়া প্রয়োজন।’
    তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ‘কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসর’-এর যাত্রা আমাদের সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী নতুন গঠিত এই সংগঠনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে সংগঠনটির সাথে সম্পৃক্ত সাহিত্য ও সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য ভবিষ্যৎ তহবিল গঠনের আশ্বাস প্রদানের পাশাপাশি অসুস্থ’ বাউল শিল্পী আব্দুস সালামকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।

    ‘সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের সন্ধানে, আমরা মিশি প্রাণে প্রাণে’Ñএই স্লোগানকে সামনে রেখে ‘লোকজ সংস্কৃতির রাজধানী কেন্দুয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ‘কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসর’-এর আহ্বায়ক মো. সেকুল ইসলাম খান

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল ইসলাম, কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহেদী মাকসুদ এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মজনু।

    এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী।
    এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন নেত্রকোণা সাহিত্য সমাজের সাধারণ সম্পাদক কবি তানভীর জাহান চৌধুরী, নান্দাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. এনামুল হক বাবুল, পালা নাট্যকার রাখাল বিশ্বাস এবং কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সংস্কৃতি ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক দিল-বাহার খান।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও গীতিকবি মো. আব্দুল হাই সেলিম এবং উপজেলা মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা।

    এ সময় স্থানীয় ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কবি, শিল্পী, গীতিকার, নাট্যকার, অভিনেতা, বাউল, লোকজ সংস্কৃতি সংগ্রাহক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, গণমাধ্যম কর্মী এবং সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।