Category: প্রচ্ছদ

  • মঙ্গলবার বিকেলে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা

    মঙ্গলবার বিকেলে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:     আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশ টেলিভিশন তা সরাসরি সম্প্রচার করবে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এদিন ‘জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘৩৬ জুলাই’ উদযাপনে দিনভর নানা আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনা থেকে সেখানে যানচলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আয়োজনের মধ্যে থাকছে— সকাল ১১টায় ‘টং’ এর গান, ১১টা ২০ মিনিটে সাইমুম শিল্পী গোষ্ঠী, ১১টা ৪০ মিনিটে কলরব শিল্পী গোষ্ঠী, ১২টা ৫ মিনিটে নাহিদ, সাড়ে ১২টায় তাশফির সংগীত পরিবেশন করবেন। দুপুর ১টায় নামাজের বিরতির পর একে একে পারফর্ম করবেন চিটাগাং হিপহপ হুড, সেজান এবং শূন্য ব্যান্ড। এরপর দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে ‘ফ্যাসিস্টের পলায়ন ক্ষণ’ উদযাপন করা হবে।

    ‘পলায়ন ক্ষণ’ উদযাপনের পর আবারও শুরু হবে কনসার্ট। একে একে পারফর্ম করবেন সায়ান, ইথুন বাবু ও মৌসুমি, সোলস এবং ওয়ারফেজ।

    এরপর আসরের নামাজের বিরতি চলবে। বিরতির পর বিকেল ৫টায় ঐতিহাসিক ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করা হবে। সবার অংশগ্রহণে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে।

    জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠের পর আবারও শুরু হবে কনসার্ট। একে একে পারফর্ম করবেন বেসিক গিটার লারনিং স্কুল, এফ মাইনর এবং পারশা। এরপর মাগরিবের নামাজের বিরতির পর পারফর্ম করবেন এলিটা করিম। তার পারফর্মেন্সের পর স্পেশাল ড্রোন শো অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংগীত পরিবেশন করবে জনপ্রিয় ব্যান্ড আর্টসেল।

  • জুলাই আন্দোলনে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জনের লাশ উত্তোলনের নির্দেশ

    জুলাই আন্দোলনে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জনের লাশ উত্তোলনের নির্দেশ

    অনলাইন ডেস্ক:    পরিচয় শনাক্তের জন্য জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিহত ১১৪টি লাশ রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    পুলিশের আবেদনে সোমবার (৪ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।

    এদিন মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. মাহিদুল ইসলাম লাশ উত্তোলন চেয়ে এ আবেদন করেন। পরে আদালত সেটি মঞ্জুর করেন।

    আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ শহীদ হন। যাদের মধ্যে ১১৪ জন অজ্ঞাতনামা শহীদকে অশনাক্ত হিসেবে মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়। ভবিষ্যতে আইনতগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং শহীদদের মরদেহ শনাক্তকরণের জন্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কবর থেকে উত্তোলন করা প্রয়োজন। এসব মরদেহের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রস্তুত, মৃতদেহের ডিএনএ সংগ্রহের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া, আইনি কার্যক্রম শেষে ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিতকরণের পর পরিবারের চাহিদা মোতাবেক মরদেহ তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

    এরপর আদালত আবেদনসহ নথি পর্যালোচনা করেন। সার্বিক পর্যালোচনা শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬(২) ধারার বিধান অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  • বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান: রাষ্ট্রপতি

    বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান: রাষ্ট্রপতি

    অনলাইন ডেস্ক:    জুলাই গণঅভ্যুত্থান বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    ৫ আগস্ট ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে সোমবার (৪ আগস্ট) দেয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন। দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনও জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

    মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম-খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণসহ সব ধরনের অত্যাচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও আপামর জনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ। এই বৈষম্যমূলক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সুনিশ্চিত করাই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য। একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাইয়ের চেতনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-শ্রমিক-জনতা সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। ঐতিহাসিক এ অর্জনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আমি দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন, আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদকে। যারা দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে গিয়ে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। এই গণঅভ্যুত্থানে আহত, পঙ্গুত্ব বরণ করা ও দৃষ্টিশক্তি হারানো সকল বীর জুলাই যোদ্ধার ত্যাগ ও অবদানকে আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র একটি ব্যাপকভিত্তিক সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, এই সংস্কারের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে। প্রকৃত গণতান্ত্রিক উত্তরণের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ-আজকের। এই দিনে এ আমার একান্ত প্রত্যাশা।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে নেয়া সকল কর্মসূচির সাফল্যও কামনা করেন তিনি।

  • ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের চিঠি

    ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের চিঠি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:      যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের এক ডজনেরও বেশি ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (৪ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে ইউএস সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।

    গাজায় ২২ মাসের যুদ্ধ পরবর্তী মানবিক সংকটের তীব্রতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ থেকেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি আসে এমন সময়ে যখন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা সম্প্রতি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বিষয়ে তাদের অবস্থান পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত দিয়েছে।

    ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান রো খান্না প্রস্তাবিত এই চিঠিতে নতুন করে স্বাক্ষর করেছেন চেলি পিংরি, নিডিয়া ভেলাজকুয়েজ ও জিম ম্যাকগভার্ন। এর আগে গ্রেগ ক্যাসার, লয়েড ডগেট, ভেরোনিকা এসকোবার ও অ্যান্ড্রে কারসনসহ নয়জন আইনপ্রণেতা এতে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

  • আগামীকাল বন্ধ থাকবে ব্যাংক

    আগামীকাল বন্ধ থাকবে ব্যাংক

    অর্থনীতি ডেস্ক:    আগামীকাল ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। ব্যাংকের পাশাপাশি বন্ধ থাকবে পুঁজিবাজারের লেনদেনও।

    বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অব সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    এতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২ জুলাইয়ের প্রজ্ঞাপন অনুসারে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে, সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    এর আগে, ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। দিবসটি উপলক্ষে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। সে ধারাবাহিকতায় বেসরকারি ব্যাংকেও ছুটির ঘোষণা এসেছে।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সশরীরে ব্যাংকিং সেবা বন্ধ থাকলেও এটিএম ও সিআরএমসহ অনলাইনভিত্তিক অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে।

    উল্লেখ্য, বুধবার (৬ আগস্ট) থেকে যথারীতি ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের কার্যক্রম চলবে।

  • যেকোনো সময় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

    যেকোনো সময় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

    আনলাইন ডেস্ক:    বিএনপি যেকোনো সময়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৪ আগস্ট) গুলশানে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদ হাতে পাওয়ার পরে ৩০ তারিখেই কিছু সংশোধনসহ জবাব দিয়েছে বিএনপি। সনদ বাস্তবায়ন বিএনপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে বলেও জানান তিনি।

    বিএনপির এই নেতা বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক মূল্য আছে। ঘোষণাপত্রের যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল তা ফেব্রুয়ারিতেই জবাব দিয়েছে বিএনপি। প্রস্তাবে ২৬ শে মার্চকে উপস্থাপন করতে চাননি আর এরসাথে দ্বিমত পোষণ করেছে বিএনপি। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতি চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে দেয়া হবে। জুলাই ঘোষণাপত্রের ক্ষেত্রে বিএনপি যে সংশোধনী দিয়েছে তা মেনে না নেয়া হলে ঘোষণাপত্র পাঠের পর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি।

    সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, বিএনপি নাকি সহযোগিতা করছে না। নিশ্চয়তা না পেলে সনদে সই করবেন না বলছেন। এ বিষয়ে বিএনপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য বজায় রাখতে সবাইকে আহ্বানও জানান তিনি।

    তিনি আরও জানান, ঐকমত্য কমিশনে সংস্কার কমিশনের ১৯টি মৌলিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ১৯টির মধ্যে ৭টিতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে বিএনপি। আর ১২টিতে একমত হয়েছে।

    মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানে এখনও বিএনপি দাওয়াত পায়নি বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।