Category: প্রচ্ছদ

  • গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৭৯ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

    গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৭৯ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

    নিউজ ডেস্ক:   গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৭৯ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছে প্রায় ৪শ’ জন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আল জাজিরা।

    নিহতদের মধ্যে ৩৩ জনই প্রাণ হারান ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায়। মানবিক সহায়তার জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় মৃৃত্যু হয় তাদের।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গাজার বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় নতুন করে বোমাবর্ষণ। উত্তর ও মধ্য গাজায় আইডিএফের তাণ্ডবে অন্তত ১৩ জন নিহত হন। উত্তরে আল শিফা হাসপাতাল ও স্কুল লক্ষ্য করে ফেলা হয় বোমা। আর দক্ষিণ গাজায় শরণার্থীদের তাঁবুতে বিমান হামলায় কমপক্ষে ৫ ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে।

    ইসরায়েল ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় এখন অব্দি সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের যুদ্ধবিরতির আহ্বান উপেক্ষা করেই এই হামলা অব্যাহত রেখেছে নেতানিয়াহু বাহিনী। গত প্রায় ২০ মাসে ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৫৬ হাজারেরও বেশি প্রাণহানি ছাড়িয়েছে।

  • অন্তর্বর্তী সরকার নির্যাতনের সংস্কৃতি বন্ধে অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধান উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকার নির্যাতনের সংস্কৃতি বন্ধে অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধান উপদেষ্টা

     অনলাইন ডেস্ক:   প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনামলে দমন এবং পীড়নের অস্ত্র হিসেবে নির্যাতন করা হতো। রাজনৈতিক বিরোধী, ভিন্নমতালম্বী এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীর ওপর এসব বর্বরতা চালানো হতো। অন্তর্বর্তী সরকার নির্যাতনের এই সংস্কৃতি বন্ধে অঙ্গীকারবদ্ধ।

    বুধবার (২৫ জুন) জাতিসংঘ ঘোষিত নির্যাতিতদের সহমর্মিতা দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে এ কথা বলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার আমলে আইনের অপব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি, গ্রেফতার আইনের শাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পাশাপাশি রাজনীতিকে বিকৃত এবং সমাজের একটি অংশকে বিষাক্ত করে তুলেছে। নির্যাতন ও মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন মানব মর্যাদার প্রতি চরম অবমাননা। কোনও ন্যায়ভিত্তিক সমাজে এটি স্থান পেতে পারে না এবং সহ্য করা যায় না। আমরা বাংলাদেশের সেই হাজারো নির্যাতিত মানুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের নির্যাতিতদের সাহস ও সহনশীলতাকে সম্মান করি।

    তিনি আরও বলেন, সরকারের তিনটি মূল ম্যান্ডেট রয়েছে। তা হলো, পূর্ববর্তী শাসনামলে নির্যাতনের সঙ্গে যুক্তদের বিচারের আওতায় আনা, কাঠামোগত সংস্কার এবং নির্বাচন। একটি নিরাপদ, মর্যাদাসম্পন্ন ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে পরিচালিত দেশ গড়তেই এই তিন লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। সরকার গঠনের পর থেকেই নির্যাতনের এই ধারা মোকাবেলা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র নির্মাণে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছি।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রথমে ‘গুম প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সনদে’ স্বাক্ষর করেছে। এই সনদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় বা রাষ্ট্র-ঘনিষ্ঠ বাহিনীর দ্বারা কোনও ব্যক্তিকে গুম করা বা আটকের পর অস্বীকার করার মতো অপরাধ সহ্য না করার ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সনদের স্বাক্ষর একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। এর মাধ্যমে আমরা জাতীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়নের দিকে এগোচ্ছে সরকার। যা ইতোমধ্যে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    গুম প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সরকার একটি গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গঠন করেছে। এর লক্ষ্য হলো নির্যাতন, গুম এবং আটক সংক্রান্ত অভিযোগগুলো তদন্ত করা। বিশেষত অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো। এই স্বাধীন কমিশনের দায়িত্ব হলো স্বচ্ছ তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং ক্ষতিপূরণের সুপারিশ করা।

    পুলিশ ও বিচার বিভাগে প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এই দুই বিভাগে ব্যাপক সংস্কার চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কারা প্রশাসন এবং বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের তদন্তের বিষয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। হেফাজতে নেয়া ও জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাছাড়া এসব ঘটনার বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন ও নথিভুক্তকরণ চালু করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো প্রাথমিক হলেও এগুলো এক গভীর পরিবর্তনের সূচনা।

    শেষে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে নির্যাতন প্রতিরোধের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা হবে। এই দিনটি হোক একটি মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত।

  • এনসিসির নাম পরিবর্তন হচ্ছে: আলী রীয়াজ

    এনসিসির নাম পরিবর্তন হচ্ছে: আলী রীয়াজ

    অনলাইন ডেস্ক:    জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিলের (এনসিসি) নাম বদল করা হয়েছে। নতুন নাম ‘সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটি’। তবে এই কমিটি নিয়ে এখনও ঐকমত্যে আসা যায়নি বলে জানিয়েছেন ঐকমত্য কমিশনের সহ সভাপতি ড. আলী রীয়াজ।

    বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে দ্বিতীয় পর্বের ষষ্ঠ দিনের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল ও তিন বাহিনীর প্রধান বাদে অন্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেবে এই কমিটি। সেই কমিটিতে কারা থাকবে তা নিয়ে এখনও ঐকমত্য হয়নি। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্তে আসা যায়নি।

    তিনি আরও বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার ৫টি নতুন মূলনীতি নিয়ে অধিকাংশ দলই একমত। এ নিয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হবে।

    বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, সাংবিধানিক নিয়োগ কমিটি নিয়ে আমরা একমত নই। আইনের সংস্কার না করে নির্বাহী বিভাগকে দুর্বল করার মানে হয় না। একদল স্বৈরাচার হয়েছিল বলে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা কমিয়ে আনার প্রয়োজন নেই। এছাড়া, একজন ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী নয়, ঐকমত্য কমিশনের এমন প্রস্তাবে বিএনপি একমত বলেও জানান তিনি।

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার ৫টি মূলনীতির সাথে আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস যুক্ত করার মত দেয়া হয়েছে। তাতে বামপন্থী দলগুলো নেতিবাচক মতামত দিয়েছে। সাংবিধানিক নিয়োগ কমিটি নিয়ে বিএনপিসহ অল্প কয়েকটি দল বাদে সবাই একমত। কেউ যাতে ফ্যাসিবাদি আচরণ না করতে পারে তাই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা কমানো উচিত। প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দশ বছর নিয়েও একমত জামায়াত।

    এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, মূলনীতি নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি বাদ দিয়ে নতুন প্রস্তাবিত মূলনীতি প্রনয়ন করতে হবে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগ কমিটির প্রস্তাবকে সমর্থন করে এনসিপি। কয়েকটি দল পুরোনো ধারনা নিয়েই পড়ে আছে। গণ অভ্যুত্থানের মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এ সময় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটির প্রস্তাবকে মেনে নিতে বিএনপির প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।

    গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল হক নূর বলেন, সাংবিধানিক নিয়োগ কমিটি না হলেই প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দশ বছরে রাজি হবে বিএনপি, এমন মনোভাবের বিরোধীতা করেছে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল।

    আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু বলেন, বিএনপি প্যাকেজ প্রস্তাব নিয়ে গেছে। এটা না হলে ওটা মানতে হবে, এটা আরেকটি ফ্যাসিবাদী আচরণ। এমন আচরণ করলে আরেকটি গণ অভ্যুত্থান হবে। এমন সুন্দর পরিবেশ পেয়েও যদি রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি নিয়ে দলগুলো একমত না হয়, তাহলে বাংলাদেশের পরিণতি খারাপের দিকে।

  • ইরানের সঙ্গে বৈঠক আগামী সপ্তাহে: ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে বৈঠক আগামী সপ্তাহে: ট্রাম্প

    আন্তর্জাতিক  ডেস্ক:      মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা আলোচনায় বসবেন। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে স্থগিত হওয়া সংলাপ পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে। খবর আলজাজিরা‘র।

    নেদারল্যান্ডসে ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে আগামী সপ্তাহে কথা বলব। একটি চুক্তিও হতে পারে।’

    তবে আলোচনায় তার খুব একটা আগ্রহ নেই বলেও জানান তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন হামলায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘তারা লড়েছে, কিন্তু যুদ্ধ শেষ।’

    উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরান ও ইসরায়েল বেশ ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। পরে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি হয়েছে বলে জানান।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি সত্যিই ইরানের সঙ্গ যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসে, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে সহায়ক হতে পারে।

  • যুক্তরাজ্য পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ১২টি এফ-৩৫এ যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা

    যুক্তরাজ্য পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ১২টি এফ-৩৫এ যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   যুক্তরাজ্য পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম অন্তত ১২টি এফ-৩৫এ যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে, যা ‘এক প্রজন্মে যুক্তরাজ্যের পারমাণবিক অবস্থানের সবচেয়ে বড় শক্তিবৃদ্ধি’ হবে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের দফতর।

    দ্য হেগে বুধবার অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনে স্টারমার নিজেই এই যুদ্ধবিমান কেনার ঘোষণা দেবেন। সেখানেই ন্যাটো নেতারা প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর একটি বড় পরিকল্পনা অনুমোদন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা কেবল সাবমেরিন নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

    স্টারমার এক বিবৃতিতে বলেন, চরম অনিশ্চয়তার এই যুগে আমরা আর শান্তিকে নিশ্চিত বলে ধরে নিতে পারি না। এ কারণেই আমার সরকার আমাদের জাতীয় নিরাপত্তায় বিনিয়োগ করছে।

    তিনি আরও বলেন, দুই ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম এই এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানগুলো আমাদের বিশ্বসেরা রয়াল এয়ার ফোর্সের এক নতুন যুগ সূচিত করবে এবং যুক্তরাজ্য ও আমাদের মিত্রদের হুমকির মুখে একটি কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

    ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুট এ বিষয়ে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি যুক্তরাজ্যের এই ঘোষণাকে ‘ন্যাটোর প্রতি আরো একটি বলিষ্ঠ ব্রিটিশ অবদান’ হিসেবে দেখছেন।

    এফ-৩৫এ যুদ্ধবিমান যুক্তরাষ্ট্রের কম্পানি লকহিড মার্টিন নির্মিত এবং এটি যুক্তরাজ্যের এয়ার ফোর্সে ব্যবহৃত এফ-৩৫বি মডেলের মতো হলেও পারমাণবিক বোমা বহন করার পাশাপাশি প্রচলিত অস্ত্রও বহন করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ইতালিসহ ন্যাটোর সাতটি সদস্য রাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ইউরোপে এমন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বিপজ্জনক বি৬১ পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম। যুক্তরাজ্যও একই ধরনের বোমা বহন করবে বলে জানিয়েছে এএফপি।

  • দ্রুততম সময়ের মধ্যে গুম প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার: আইন উপদেষ্টা

    দ্রুততম সময়ের মধ্যে গুম প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার: আইন উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক:    আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে গুম প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এতে গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের মাত্রা কমে আসবে।

    মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে কমনওয়েলথ চার্টার যুব কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, কমনওয়েলথ চার্টারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিবেচনায় নিয়ে এরইমধ্যে বেশ কিছু আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি বিচারিক প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা আওতায় আনতে আদালতগুলো পুরোপুরি ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতা এবং মেধাবৃত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) যুগপোযোগী করার জন্য কাজ করছে সরকার। এরইমধ্যে আইনটির খসড়াও তৈরি করা হয়েছে। দ্রুতই তা প্রণয়ন করা হবে।

    এ সময় জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি বা আন্দোলন ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি গুম, হত্যা, অবিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের গণ জাগরণ ছিল।